Computer Academy
StepUp WBCS provides top notch coaching for WBCS exam preparations
29/10/2024
Tata Family’s Members, Their Legacy and Contributions to Tata Group Email us for any assistance at [email protected] Admission related query send us an email.
06/09/2024
জীবনে একধরনের পরিপূর্ণতা তখনই আসে, যখন আমরা নিজেদের ভেতর থেকে খুশি থাকার উৎস খুঁজে পাই। সমাজের চাপে পড়ে কিংবা অন্য কারো উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে আমরা প্রায়ই ভুল পথে হাঁটতে শুরু করি। একজন শিক্ষক বলেছিলেন, "নিজেকে খুশি রাখার কারণ অন্য কারো মাঝে খুঁজো না।" এই বাক্যটি আমাদের জন্য গভীর শিক্ষা বহন করে, যা বর্তমান যুগের অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
আমরা প্রায়শই আমাদের সুখ এবং মন খারাপের জন্য অন্যকে দায়ী করি। আমরা মনে করি, কেউ আমাকে এপ্রিসিয়েট করছে না, কেউ আমার সময় দিচ্ছে না, কেউ আমার প্রাপ্য সম্মান বা ভালবাসা দিচ্ছে না। এই ধরনের চিন্তা আমাদের মানসিক ভারসাম্যকে নষ্ট করে দেয়। অথচ, সুখ খুঁজে পেতে হলে প্রথমে নিজেকেই ভালবাসতে জানতে হবে। আমরা যদি নিজেকে ভালোভাবে বুঝতে পারি, আমাদের জীবনের প্রত্যেকটি ক্ষণ স্বাচ্ছন্দ্যে কাটবে।
নিজেকে খুশি রাখার উপায়: নিজের জন্য সুখের উৎস খুঁজে পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো নিজের সাথে সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করা। যখনই মনের মধ্যে কোনো অস্থিরতা কাজ করে, তখন নিজের জন্য কিছু করতে হবে। হেমন্তের গান শুনে মনকে শান্ত করা, এক কাপ গরম কফি হাতে বিকেলের মিষ্টি রোদে বসে থাকা, নিজের প্রিয় লেখকের বইয়ে ডুবে যাওয়া—এসবই আমাদের মানসিক প্রশান্তি দিতে পারে। নিজেকে ব্যস্ত রাখা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে নিজেকে প্রকাশ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রকৃতপক্ষে, সমাজের কোনো চাপে পড়ে কাজ করা বা অন্যকে খুশি রাখার জন্য নিজের জীবনকে পরিবর্তন করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। নিজেদের দুর্বলতা বা দুঃখ জনসমক্ষে তুলে ধরা, অন্যকে ব্যঙ্গ করে স্ট্যাটাস লেখা কোনো কাজের সমাধান নয়। এগুলো বরং আপনার ব্যক্তিত্বের দুর্বল দিকগুলোই প্রকাশ করে। মন খারাপ হলে শান্তভাবে নিজেকে সময় দিন, নিজের অনুভূতিগুলোকে বোঝার চেষ্টা করুন।
নিজের সাথে সম্পর্ক গড়ার গুরুত্ব: আমরা প্রায়ই এমন পরিস্থিতিতে পড়ি যেখানে মনে হয়, আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে অন্যের সমর্থন দরকার। কিন্তু সত্যি বলতে, নিজের সাথে মনের এমন সম্পর্ক তৈরি করতে হবে যাতে কোনো বিপদে অন্য কারো কাঁধের প্রয়োজন না হয়। নিজে সফল হলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, আর ব্যর্থ হলে নিজের সাথেই অভিমান করুন। কিন্তু অন্য কারো চোখে নিজের গুরুত্ব বা পারফেকশন খোঁজার চেষ্টা করবেন না। কারণ, অন্যরা যদি আপনার গুণাবলি দেখতে না পায়, তাহলে আপনি নিজেই কষ্ট পাবেন।
মানুষের মন অনেকটা প্লাস্টিকের মতো। এটি পরিবর্তনশীল—কারণে এবং অকারণে বদলায়। তাই অন্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজের ভেতরে সুখের সন্ধান করা সবচেয়ে নিরাপদ। সমাজে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে ফাইনান্সিয়ালভাবে স্বাবলম্বী হওয়া জরুরি। এতে করে আপনি নিজের মন ভালো করতে ছোটখাটো উপহার যেমন চকলেট বা ফুল কিনতে পারবেন, নিজের জন্মদিনে নিজের জন্য কিছু করতে পারবেন, এমনকি অন্যকে সাহায্য করে সুখী হতে পারবেন।
নিজের সীমাবদ্ধতা ও অন্যকে "না" বলার ক্ষমতা: আমাদের সবারই কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। সবসময় সবার প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয়। যেখানে আপনি পারবেন না, সেখানে "না" বলতে শিখতে হবে। অন্যের কাছে আপনার প্রত্যাশা পূরণ না হলে সেটা নিয়ে হতাশ না হয়ে নিজেকেই তা পূরণ করার জন্য কাজ করতে হবে।
উপসংহার: এই যুগে ব্যক্তিত্বের উন্নতি করতে হলে নিজেকে ভালোবাসা সবচেয়ে বড় কাজ। অন্যের চোখে নিজেকে খোঁজার চেষ্টা না করে, নিজের ভেতর থেকেই সুখের সন্ধান করতে হবে। একমাত্র তখনই আমরা সত্যিকার অর্থে মানসিক শান্তি এবং পরিপূর্ণতা খুঁজে পাব।
06/09/2024
সংসার মানুষের জীবনে এক গভীর ও জটিল প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করার জন্য যেমন মানসিক প্রস্তুতি দরকার, তেমনি কিছু ভ্রান্ত ধারণা এবং ভুল অভ্যাস পরিত্যাগ করাও জরুরি। যেকোনো সম্পর্কের মতোই, দাম্পত্য সম্পর্কেও থাকতে পারে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, তবে এগুলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, এবং প্রেমের মাধ্যমে সামাল দেওয়া সম্ভব। নিচে উল্লিখিত প্রতিটি পয়েন্টের ভিত্তিতে আমরা দেখতে পাই কীভাবে সংসার জীবনে অমূল্য নির্দেশনা এবং বাস্তবিক চর্চার প্রয়োজন।
১. নিখুঁততার খোঁজ
প্রথম যে বিষয়টি খেয়াল করতে হবে তা হলো, নিখুঁত মানুষ বলে কিছু নেই। কোনো মানুষই তার জীবনে একদম নিখুঁত নয়, দোষত্রুটি তার প্রতিটি ক্ষেত্রে লুকিয়ে থাকে। যখন আমরা সঙ্গীর ছোটখাটো খুঁতগুলির দিকে সবসময় তাকিয়ে থাকি, তখন তার ভালো গুণগুলি দেখার সুযোগ কমে যায়। মানুষের অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য এবং শক্তি দেখতে হলে তার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে হবে।
২. অতীতের ভার
প্রত্যেকেরই অতীত থাকে, সেখানে ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা মিশে থাকে। অতীতের স্মৃতি নিয়ে অযথা ঘাঁটাঘাঁটি করলে তা বর্তমানের সম্পর্ককে ধ্বংস করতে পারে। অতীত নিয়ে কৌতূহলী হওয়া, কিংবা তা নিয়ে সঙ্গীকে চাপ দেওয়া সম্পর্কের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। অতীতে যা হয়েছে তা পেছনে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে।
৩. দাম্পত্যের চ্যালেঞ্জ
প্রত্যেক দাম্পত্যই নিত্য নতুন সমস্যার মুখোমুখি হয়। এটি একদমই স্বাভাবিক। প্রেমের সম্পর্ক ফুলবাগানের মতো নয়, বরং এটি সমাধানমুখী একটি যাত্রা, যেখানে দুজন মানুষ একে অপরকে পাশে রেখে পথ চলতে শেখে। যে কোনো সমস্যার সমাধান মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সম্ভব।
৪. তুলনার অভ্যাস
অনেকেই নিজের সংসারকে অন্যদের সাথে তুলনা করতে থাকে। তবে এটি একটি বিপজ্জনক অভ্যাস, কারণ প্রতিটি সংসার আলাদা এবং সবার জীবনপথ ও সংগ্রাম ভিন্ন। অন্যের সুখ দেখে নিজের সংসারকে ছোট করে দেখা উচিত নয়। নিজের সংসারের মঙ্গলের জন্য নিজের দায়িত্ব পালন করাই সঠিক পন্থা।
৫. সংসারের মানসিক প্রস্তুতি
সংসার শুরু করার আগে যেসব নেতিবাচক অভ্যাস দূর করতে হবে সেগুলি হলো মূর্খতা, উচ্ছৃঙ্খলতা, শৃঙ্খলাহীনতা, পরচর্চা, পরশ্রীকাতরতা, তৃতীয় পক্ষের কথায় বিশ্বাস, এবং প্রেমহীনতা। সংসার শুরু করতে হলে এগুলি থেকে নিজেকে মুক্ত করা জরুরি, নইলে সংসার টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
৬. দাম্পত্যের জন্য শ্রম
সংসার কোনো রেডিমেড ব্যবস্থা নয়। এটি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা একটি সম্পর্ক। ভালোবাসা, শ্রম, এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সংসারকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়। নিয়মিত সম্পর্কের পরিচর্যা না করা হলে সম্পর্কটি শুকিয়ে যেতে পারে।
৭. আর্থিক সক্ষমতা
সংসার ও আর্থিক সক্ষমতা একে অপরের পরিপূরক। সংসার শুরু করার আগে আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়া প্রয়োজন। সংসারের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে, তবে অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা কিংবা অযথা উদ্বেগও না রাখা উচিত।
৮. প্রেমহীন সম্পর্কের বিপদ
যে সংসারে ভালোবাসা নেই, সেটি ধীরে ধীরে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক হয়ে দাঁড়ায়। সেখানে আর কোনো জীবন্ত অনুভূতি থাকে না, বরং সেটা একটি প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তিতে পরিণত হয়। ফলে এধরণের সংসার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অসুখী হয়, যদিও তা কাগজে-কলমে দেখা যায় না।
৯. অতীতের প্রেম ত্যাগ
প্রাক্তনের স্মৃতি ধরে রেখে বর্তমান দাম্পত্যে প্রবেশ করা এক ধরনের প্রতারণা। অতীতের প্রেমস্মৃতি যদি বর্তমান জীবনে স্থায়ী হয়ে থাকে, তবে সেই দাম্পত্যের স্বাভাবিক সুখ বিঘ্নিত হতে পারে। অতীতকে অতীতেই ফেলে রেখে বর্তমান সম্পর্কের ওপর মনোনিবেশ করা আবশ্যক।
১০. সংসারের পূর্ণতা
সংসার জীবনের পূর্ণতা এনে দেয়, তবে তা তখনই সম্ভব যখন দুজন মানুষ সংসার করার যোগ্যতায় পৌঁছে যায়। মানসিকভাবে প্রস্তুত না হয়ে সংসার করা মানে আরেকটি মানুষের জীবনে অনর্থ ঘটানো। তাই ভালোবাসা ও দায়িত্বশীলতার ওপর ভিত্তি করে সংসার করতে হবে, না হলে একে পরিণত করা উচিত নয়।
এই বিশ্লেষণটি আমাদের শেখায়, সংসার করার জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ, ধৈর্য, এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া অপরিহার্য। সম্পর্কের সঠিক পরিচর্যা না করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না, এবং সংসার ত্যাগে অনিচ্ছুক অথচ সম্পর্কের প্রতি অবহেলা—এর ফলে সম্পর্কের মৃত্যু অনিবার্য।
05/09/2024
আমার স্কুলের একটা ঘটনা মনে পড়ে। আমাদের এক শিক্ষক, যিনি কখনও কারো গায়ে হাত তুলতেন না, সেই তিনিই একবার মেজাজ হারিয়ে একজন ছাত্রকে চড় মেরে বসেন। তবে, ইস্কুল ছুটির পর সেই শিক্ষকের মনে হয় যেন কিছু একটা ভুল হয়ে গেছে। তিনি নিজেই সেই ছাত্রকে সঙ্গে নিয়ে গেলেন দোকানে, মিষ্টি কিনে খাওয়ালেন তাকে। এমন মানুষ ছিলেন তিনি, ভুল করলে তার মনের গভীরে আঘাত লাগত।
আরও একজন শিক্ষকের কথা মনে পড়ছে। বাড়িতে সবসময় কয়েকটা বাড়তি ছাতা রাখতেন। বর্ষার দিনে, টিউশন পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীদের সবাইকে জিজ্ঞাসা করতেন, "ছাতা আছে তো? না থাকলে এই ছাতাটা নিয়ে যা। জানি তোদের বৃষ্টিতে ভিজতে ভালো লাগে, কিন্তু এখন সময়টা ভালো নয়, ভিজিস না। ছাতাটা নিয়ে যা, পরের দিন ফেরত দিস।" তিনি হয়তো জানতেন, সেই ছাতার জন্য শুধু বৃষ্টির থেকে নয়, জীবনের ঝড়ঝাপটাও কিছুটা রুখে দেওয়া যায়।
মফঃস্বলের এক প্রবীণ মাস্টারমশাই, রোগশয্যায় শুয়ে থাকার সময় তাঁর প্রিয় ছাত্রের কথা মনে করে বলেছিলেন, "ওকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।" জীবনের শেষ দিনগুলোতেও শিক্ষকের কাছে তাঁর ছাত্রদের জায়গা ছিল সবচেয়ে কাছের।
স্কুলের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া ছাত্রীর পাশে সারারাত জেগে বসে থাকা স্যার, কিংবা স্কুলের মাঠে খেলার সময় চোট পাওয়া ছাত্রকে হাসপাতালে নিয়ে দৌড়ানো শিক্ষক—তাঁদের নাম হয়তো আলাদা ছিল। কিন্তু এতগুলো বছর পেরিয়ে এসে মনে হয়, তাঁদের সবার একটাই পরিচয় ছিল—‘শিক্ষক’। তাঁরা শুধু বাংলা, ইতিহাস, অঙ্ক শেখাননি; জীবনের কিছু অমূল্য শিক্ষাও দিয়েছেন, যা কোনো সিলেবাসে পাওয়া যায় না।
বিশ্বাস করুন, সিলেবাসের মধ্যে আর সিলেবাসের বাইরে যা কিছু শিখিয়েছেন, এক মুহূর্তের জন্যও বুঝতে দেননি যে শিক্ষকতা তাঁদের পেশা। ছাত্রের কাছে হেরে গিয়ে যাঁরা আনন্দে কেঁদে ফেলেন, কিংবা শাস্তি দেওয়ার পর যাঁরা নিজেরাই কষ্ট পান, তাঁদের জন্য শিক্ষকতা শুধুই পেশা হতে পারে না।
এত বছরে যত কিছু শিখেছি, সেই সকল শিক্ষকদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। যা কিছু শিখতে পারিনি, তার দায় পুরোপুরি আমার। তার জন্য যা শাস্তি প্রাপ্য, মাথা পেতে নেব। কিন্তু একটা অনুরোধ—বহুদিন আগে যে ছাতাটা দিয়েছিলেন, সেটা ফেরত দিতে বলবেন না। এখনো জীবনের অনেক ঝড়ে সেই ছাতার আশ্রয় দরকার।
ভালো থাকুন স্যার, সুস্থ থাকুন।
04/09/2024
UP Govt to construct Vedic-3D Museum at Sampurnanand Sanskrit University, Varanasi. "Explore the latest announcement by the Uttar Pradesh government as they plan to build a state-of-the-art Vedic-3D Museum at Sampurnanand Sanskrit University...
30/08/2024
First Indigenously Developed Pollution Control Vessel Launched in Goa Email us for any assistance at [email protected] Admission related query send us an email.
29/08/2024
The Great Moon Hoax of 1835: A Journalism Milestone YouTube Channel Description for Step UP :Join us on a fascinating journey through one of history's most intriguing media events—the Great Moon Hoax of 18...
29/08/2024
Mission Rhumi: India’s First Reusable Hybrid Rocket Welcome to Step UP ! In this video, we explore the exciting milestone of India's first reusable hybrid rocket, Rhumi-1, launched from Thiruvidanthai, Che...
29/08/2024
NASA’s Perseverance Rover - Climbing to Jezero Crater's Rim Step UP : NASA’s Perseverance Rover - Climbing to Jezero Crater's RimJoin us on an extraordinary journey as NASA’s Perseverance Rover embarks on a monume...
Category
Website
Address
SHYAMSUNDAR
Burdwan
713424
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Computer Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.