Math Plus+
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Math Plus+, Education, Kishoreganj.
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (DPHE) এর ২টি পদে ৮৭১টি পদসংখ্যার সার্কুলার শীঘ্রই আসবে
#সম্রাট__দাদু
এই মাসেই আসতে পারে রেলওয়ের মেগা সার্কুলার
#সম্রাট__দাদু
15/08/2026
11/08/2026
এমন অনেক মেয়ে আছে যাঁরা হয়ত এস্টাবলিশ হওয়ার পরও ভাইয়ের কারনে বিয়ে করতে পারে না বা বিয়ে করলেও স্বামীর সংসার করতে পারে না। একটা বয়সে মানুষের আপন বলতে আত্মার সম্পর্ককেই মনে হয়। কিন্তু এর ব্যতিক্রম ঘটলে মানুষ ভিতর থেকে মরে যায়। মরে যাওয়া মানুষের হঠাৎ বিদায় হওয়াই স্বাভাবিক। ফ্যামিলিতে অভ্যান্তরীণ পলিটিক্স বা ফ্যামিলি পলিটিক্সের শিকার হলেও মুখ ফুটে না কাউকে বলতে পারে , না নিজ সত্তার সাথে ইনসাফ করে পৃথিবীতে স্বাভাবিক জীবনে অভ্যস্ত হতে পারে।
ফ্যামিলির সকল সদস্য বুঝেও শুধু নিজ স্বার্থের কারণে ধ্বংস করে দেয় না বলতে পারা হাজার বোনের স্বপ্ন এবং নিজের মতো করে বাঁচতে পারাকে।
হৃদয় বিদায়ক ঘটনা 😢।
কষ্টে বুকটা কেঁপে উঠলো!
আমার দিদি,
একটা ভাঙাচোরা বেড়ার ঘরে থেকে বড় হয়েছি আমরা। কতবার যে ঝড়ে টিন উড়ে গেছে, তার হিসাব নেই। আমি, মা, বাবা আর দিদি অন্যের বাড়ির বারান্দায় কাচুমাচু হয়ে রাত কাটিয়েছি। ও ছিল আমার থেকে মাত্র আড়াই বছরের বড়।
তখন আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। মা আমাদের দুজনকে হারিকেন আর কুপির আলোয় পড়াতেন। আমরা দুজন একটা ছোট চাটাইয়ের ওপর বসে পড়াশোনা করতাম। দিদি ছোটবেলা থেকেই খুব পড়ুয়া ছিল।
মাত্র ৪ বছর বয়সে সে স্যাটেলাইট স্কুলে ভর্তি হয়। ৬ বছর বয়সে, ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময়, একদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। খুঁজতে খুঁজতে গিয়ে দেখি, সে একটি পানের বরোজে কাজ করছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বরোজ পরিষ্কার করে ২০ টাকা পাবে। কেন? সে ওই টাকা দিয়ে ময়ূরের পালক কিনবে। তার বিশ্বাস ছিল, বইয়ের ভেতরে ময়ূরের পালক রাখলে সেখান থেকে বাচ্চা হয়..
সেই ঘরেই আমাদের বড় হওয়া। দিদি ক্লাস সিক্স পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছাড়াই পড়াশোনা করেছে। অত্যন্ত মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও আমাদের পারিবারিক অবস্থার কারণে সে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হতে পারেনি। মানবিক বিভাগ থেকে পড়ে এসএসসিতে জিপিএ-৪.৮৮ পায়। এরপর আমাদের এলাকার কলেজে ভর্তি হয়।
এইচএসসি পরীক্ষার আগে হঠাৎ তার গুটি বসন্ত (পক্স) হয়। সেই অবস্থাতেই সব পরীক্ষা দেয় এবং আবারও মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ অর্জন করে।
ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে মাত্র পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরম তোলে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ইউনিটে তার অবস্থান ছিল প্রায় ৯ম। সে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (IR) বিভাগে ভর্তি হয়।
সেই প্রথম আমাদের দুজনের আলাদা হয়ে যাওয়া। দিদি ঢাকায় চলে গেল, আমি রইলাম বাড়িতে। বাড়ি থেকে তাকে মাসে কোনোরকম খরচ দেওয়া হতো। বাকি খরচ চালাত টিউশনি করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে সেরা পাঁচজনের মধ্যে থেকে পড়াশোনা শেষ করে।
পড়াশোনা শেষ করার কিছুদিনের মধ্যেই সে কৃষি ব্যাংকে চাকরি পায় এবং ২০১৮ সালে যোগদান করে। চাকরিতে যোগ দিয়ে আবার খুলনার বাড়িতে ফিরে আসে।
২০১৯ সালে একসঙ্গে তিনটি সরকারি চাকরিতে সুযোগ পায় সে—কৃষি ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনে সিনিয়র অফিসার পদে। দিদি হাউস বিল্ডিংয়ে যোগ দেয় খুলনা মেইন ব্রাঞ্চে।
চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর তার কর্মদক্ষতা এতটাই ভালো ছিল যে, ব্যাচের সবার আগে বয়সসীমার আগেই পদোন্নতি পেয়ে প্রিন্সিপাল অফিসার হয়।
বাড়ির সমস্ত দায়িত্ব সে নিজের কাঁধে তুলে নেয়। আমি তখন গোপালগঞ্জে। মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসতাম, আর দেখতাম মা-বাবা, দিদি আর আমি—কী সুন্দর, সুখী একটা পরিবার!
আমার জীবনের সবচেয়ে সুখের সময় ছিল সেটা।
দিদি বলল, সে বাড়ি করবে। আমি বললাম, “তুই আগে বিয়ে কর।” সে বলল, “আগে বাড়ি করব।” নিজের বেতনের প্রায় পুরো টাকা দিয়ে আমাদের বাড়ি বানানো শুরু করল এবং সবকিছু নিজে দেখাশোনা করল।
২০২৩ সালে তার বিয়ের জন্য ছেলে দেখা শুরু হলো। দিদির কথা ছিল, যাকে তার পছন্দ হবে না, তাকে সে বিয়ে করবে না। আমিও তাকে সেই সমর্থন দিয়েছিলাম। তার বিশ্বাস ছিল, সে এত ভালো মানুষ যে তার ভাগ্যে যখনই কেউ আসবে, নিশ্চয়ই একজন ভালো মানুষই আসবে।
হঠাৎ ২০২৫ সালে বাড়ি থেকে ফোন এলো। দিদি বলল, “ভাই, আমার ডেঙ্গু হয়েছে।” তার অসুস্থতার কথা শুনলেই আমার ভীষণ খারাপ লাগত। সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি চলে গেলাম।
আমি তাকে সিটি মেডিক্যালে নিয়ে যাই। গাড়ির ভেতরে সে আমার হাত ধরে ঘুমিয়ে পড়ে। তার মুখে ফোড়া উঠেছিল, অপারেশন করতে হয়েছিল। প্রায় ১৫ দিন লেগেছিল পুরোপুরি সুস্থ হতে। তার অনেক ওজন কমে গিয়েছিল। তারপরও সে চাকরি চালিয়ে যেতে থাকে।
গত ১৮ মে আমি ঢাকায় ফিরে আসি। সেদিনই ছিল বাড়িতে তাকে শেষবারের মতো দেখা।
আমার সঙ্গে তার মাঝে মাঝে অভিমান হতো। সে চাইত আমি বাইরে গিয়ে চাকরি করি, আর আমি চাইতাম পরিবারের কাছাকাছি থাকতে। এই নিয়ে আমাদের মতভেদ ছিল। কিন্তু আমি জানতাম, আমি জীবনে যা চেয়েছি, সে সবসময় তা পূরণ করার চেষ্টা করেছে।
৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মা বললেন, “তোর দিদির জ্বর, কথা বলবি?” আমি ফোনে বললাম, “দিদি, কী হয়েছে?” সে বলল, “ভাই, আমার জ্বর।” আমি বললাম, “জ্বর মেপে দেখ, ওষুধ খেয়ে নিস।” তারপর ফোন রেখে দিল।
সেদিন রাত ১০টার দিকে আবার ফোন করেছিলাম। সে ধরেনি। ভেবেছিলাম, হয়তো ঘুমিয়ে গেছে। আমিও ঘুমিয়ে পড়লাম।
৬ আগস্ট সকালে বাবার ফোনে ঘুম ভাঙল।
বাবা শুধু বললেন, “তোর দিদি মারা গেছে।”
আমি মুহূর্তেই পাগলের মতো হয়ে গেলাম। আমার পৃথিবী শেষ হয়ে গেল। আমার জীবনের সমস্ত সুখ, শান্তি, আনন্দ এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে গেল।
আজ পাঁচ দিন হলো, সে আমাকে, আমার মা-বাবাকে ছেড়ে চলে গেছে।
এখনও মনে হয়, আমি যেন কোনো দুঃস্বপ্নের মধ্যে আছি। বিশ্বাস করতে পারি না।
আমার মা-বাবা তাদের সবচেয়ে কাছের বন্ধুসম মেয়েকে হারিয়েছে। আমি হারিয়েছি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়, আমার দিদিকে।
ওকে ছাড়া এই পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকা এক অসহনীয় নরকযন্ত্রণা।
সবাই আমার দিদির জন্য আশীর্বাদ করবেন।
পোস্ট লিখন: সদ্য প্রয়াত নিপা দাসের ছোট ভাই সজল দাস।
#মধুদার_আপডেট
11/08/2026
কারো কাছে কখনোই অতিরিক্ত কিছু আশা করবেন না। কারণ প্রতিটি মানুষেরই আলাদা কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। সবাই আপনাকে যে আপনার মত করেই ভাববে এমনটা ভেবে বসে থাকবেন না। সে আপনার যতই কাছের মানুষ হোক না কেনো।
জীবনের সবচেয়ে কঠিন সত্যটা হলো প্রতিটা মানুষই সবার আগে নিজের স্বার্থ, সুযোগ আর সুবিধাই দেখবে।আপনিও কিন্তু তার ব্যতিক্রম নয়। কারণ কথায় আছে "পাগলও নিজের ভালোটা বোঝে।"
দেখবেন আপনি যখন অন্যের কাছে অসম্ভব কিছু প্রত্যাশা রাখলেন, তখন নিজেই নিজের হাতে কষ্ট পাওয়ার ব্যবস্থা করে নিলেন। কারণ মানুষ কখনও আপনার মনের মত চলবে না, তারা চলবে তাদের ইচ্ছা মত।
তাই কারো উপর অতিরিক্ত প্রত্যাশা না রেখে, আগে নিজের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করুন এবং অন্যদের দোষারোপ না করে তাদের পার্সোনালিটি'কেও রেসপেক্ট করুন!🌸
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Kishoreganj
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Math Plus+ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.