MPL engineering
Your satisfaction is our success! We always try to give maximum perfection to our clients and customers.
16/09/2026
15/09/2026
OUR SERVICES:
✅ Architectural, Structural, Electrical & Plumbing Design & Drowning
✅ Constructions services
✅ Constructions Chemicals Supply & Waterproofing Solutions
✅ Electrical & Lighting Solutions
✅ Complete Fire Safety Solutions
✅ Interior & Exterior Solutions
✅ CC Camera & IT Service Solutions
MPL engineering
Your satisfaction is our success!
Contact : +8801851151462
email: [email protected]
Website: www.mplebd.com
https://www.facebook.com/MPLEBD/
08/09/2026
MPL engineering
Your satisfaction is our success!
OUR SERVICES:
✅ Architectural, Structural, Electrical & Plumbing Design & Drowning
✅ Constructions services
✅ Constructions Chemicals Supply & Waterproofing Solutions
✅ Electrical & Lighting Solutions
✅ Complete Fire Safety Solutions
✅ Interior & Exterior Solutions
✅ CC Camera & IT Service Solutions
Contact : +8801851151462
email: [email protected]
Website: www.mplebd.com
https://www.facebook.com/MPLEBD/
19/11/2025
উদাহরণ: NFPA অনুসারে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপক হাইড্রেন্টের সংখ্যা কীভাবে নির্ধারণ করবেন
উদাহরণ:
৫০,০০০ ফুট (৪৬৪৫ বর্গমিটার) অগ্নিনির্বাপক এলাকা এবং টাইপ II (০০০) (অ-দাহ্য এবং অরক্ষিত) নির্মাণ শ্রেণীবিভাগ সহ একটি প্রস্তাবিত নতুন উৎপাদন ভবনের জন্য প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপক হাইড্রেন্টের সংখ্যা নির্ধারণ করুন। ভবনটি সর্বত্র স্ট্যান্ডার্ড রেসপন্স স্প্রিংকলার সহ একটি অনুমোদিত স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার সিস্টেম দ্বারা সুরক্ষিত থাকবে।
সমাধান:
NFPA 291, হাইড্রেন্টের অগ্নিপ্রবাহ পরীক্ষা এবং চিহ্নিতকরণের জন্য প্রস্তাবিত অনুশীলনে থাকা নির্দেশিকা ব্যবহার করে সাইটে পরিবেশনকারী জল বিতরণ ব্যবস্থায় একটি প্রবাহ পরীক্ষা করা হয়; পরীক্ষার ফলাফলগুলি নির্দেশ করে যে তাত্ত্বিকভাবে উপলব্ধ অগ্নিপ্রবাহ হল ২০ psi (১৩৯.৯ kPa) এর অবশিষ্ট চাপে ৩৫০০ gpm (১৩,২০০ L/min)।
সারণি ১৮.৪.৫.২.১ ব্যবহার করে, ডিজাইনার ভবনের প্রয়োজনীয় অগ্নি প্রবাহ ৪৭৫০ জিপিএম (১৮,০০০ লিটার/মিনিট) নির্ধারণ করেছেন। তবে, যেহেতু ভবনটি স্ট্যান্ডার্ড রেসপন্স স্প্রিংকলার সহ একটি স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার সিস্টেম দ্বারা সুরক্ষিত থাকবে, তাই ১৮.৪.৫.৩.২ অনুসারে ৭৫ শতাংশ হ্রাস অনুমোদিত। সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রয়োজনীয় অগ্নি প্রবাহ নিম্নরূপ গণনা করা হয়:
—
৪৭৫০ জিপিএম - [০.৭৫ (৪৭৫০ জিপিএম)] = ১১৮৭.৫ জিপিএম, যা প্রায় ১২০০ জিপিএমে পূর্ণ।
১৮,০০০ লিটার/মিনিট - [০.৭৫ (১৮,০০০ লিটার/মিনিট)] = ৪৫০০ লিটার/মিনিট।
জল বিতরণ ব্যবস্থা উপলব্ধ অগ্নি প্রবাহের (AFF) উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় অগ্নি প্রবাহ (RFF) সরবরাহ করতে সক্ষম:
AFF: 3500 gpm (13,200 লি/মিনিট) ≥ RFF: 1200 gpm (4500 লি/মিনিট).
খরচ কমানোর জন্য, ডিজাইনার ভবনের সম্পত্তিতে একটি ব্যক্তিগত ফায়ার সার্ভিস মেইন প্রসারিত করার পরিবর্তে, ভবন থেকে ৩৫০ ফুট (১০৭ মিটার) দূরত্বে বিদ্যমান পাবলিক ওয়াটার মেইনগুলিতে একটি ফায়ার হাইড্র্যান্ট স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেন, যা ১৮.৫.৩(১) এর সর্বোচ্চ ৪০০ ফুট (১২২ মিটার) দূরত্বের মানদণ্ড পূরণ করে।
সারণি ১৮.৫.৪.৩ ব্যবহার করে, এটি নির্ধারণ করা হয়েছে যে ভবন থেকে ৪০০ ফুট (১২২ মিটার) দূরে অবস্থিত একটি হাইড্রেন্ট ১০০০ gpm (৩৭৮৫ লি/মিনিট) এর বেশি শক্তি পাবে না। যেহেতু এটি ১২০০ gpm (৪৫০০ লি/মিনিট) এর প্রয়োজনীয় অগ্নি প্রবাহের চেয়ে কম, তাই ভবনের ১০০০ ফুট (৩০৫ মিটার) এর মধ্যে একটি অতিরিক্ত হাইড্রেন্ট প্রয়োজন, অথবা ডিজাইনার সম্পত্তির উপরে একটি ব্যক্তিগত অগ্নি পরিষেবার প্রধান অংশ প্রসারিত করতে এবং ভবন থেকে ২৫০ ফুট (৭৬ মিটার) এর বেশি দূরত্বে একটি হাইড্রেন্ট স্থাপন করতে পারেন। সারণি ১৮.৫.৪.৩ অনুসারে, এই জাতীয় হাইড্রেন্ট ১৫০০ gpm (৫৬৭৮ লি/মিনিট) পর্যন্ত শক্তি পাবে, যা ১২০০ gpm (৪৫০০ লি/মিনিট) এর প্রয়োজনীয় অগ্নি প্রবাহকে ছাড়িয়ে যায়। যদি ডিজাইনার পাবলিক মেইন লাইনে দ্বিতীয় হাইড্রেন্ট যুক্ত করতে চান, তাহলে তাদের মধ্যে এমনভাবে দূরত্ব তৈরি করা উচিত যাতে ১৮.৫.৩ অনুসারে তাদের মধ্যে দূরত্ব ৫০০ ফুট (১৫২ মিটার) এর বেশি না হয়।
নতুন হাইড্রেন্ট বা হাইড্রেন্ট স্থাপনের পর AHJ-এর একটি অতিরিক্ত প্রবাহ পরীক্ষার প্রয়োজন হবে যাতে তারা প্রয়োজনীয় অগ্নি প্রবাহ সরবরাহ করতে সক্ষম কিনা তা যাচাই করা যায়।
Reference: NFPA 1 Handbook.
09/07/2024
কিউরিং করার নিয়ম:---
বিল্ডিং এর গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হল কিউরিং,পানি ছাড়া যেমন মানুষ বাচঁতে পারেনা ঠিক নতুন বিল্ডিং কাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিউরিং তার জীবনের অংশ।
সাধারণভাবে ছাদ বা ফ্লোর কিউরিং এর ক্ষেত্রে ঢালাইয়ের ১০ ঘণ্টা পর পুরো কাস্টিং এরিয়াতে বাঁধ দিয়ে পানি ধরে কিউরিং করা হয়ে থাকে।কলাম এবং বীমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী কিউরিং পেতে ফর্ম ওয়ার্ক বা সাটার ধরে রাখতে হবে।কলামের ক্ষেত্রে সাটারিং উঠিয়ে ফেলার পরেও ভেজা চট দিয়ে জড়িয়ে রাখলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
কিউরিং করার সময় ও নিয়ম:---
# ম্যাস কংক্রিট
ফাউন্ডেশন কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ইটের গাঁথুনীর কাজে ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ড্যাম্প প্রুফ কোর্স ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
লিন্টেল,সানশেড ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
ছাদ ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর 21 থেকে সর্বোচ্চ 28 দিন পর্যন্ত
ফ্লোর ঢালাইয়ের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
# প্যাটেন্ট স্টোন
সিমেন্ট কংক্রিট ১৫ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
সকল প্লাস্টারের কাজ ২০ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
মোজাইক ফ্লোরের কাজ ১২ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
জলছাদের কাজ ২৪ ঘন্টা পর ৭ দিন পর্যন্ত
# নীট সিমেন্ট
স্কার্টিং কাজ ১২ ঘন্টা পর ১৬ দিন পর্যন্ত
# উল্লেখ্য যে 12 থেকে 16 ঘন্টা পর থেকেও কিউরিং করা যাবে
কংক্রিটের কিউরিং এর সময়কাল সর্বনিম্ন কত হওয়া উচিত?
কোন কংক্রিটের কাঠামো মূলত কংক্রিটের কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থের উপর নির্ভর করে এবং এটি কোনো কংক্রিট নির্মাণ প্রকল্পের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কংক্রিটের স্ট্রেন্থ,কংক্রিট এর কিউরিং এর উপর নির্ভর করে। তাহলে আমাদের প্রথমে জানতে হবে "কংক্রিটকে কিউরিং করতে কত দিন লাগবে?
বেশিরভাগ সাধারণ লোক কংক্রিটের সর্বনিম্ন কিউরিং সময়ের কথা জানেন না।কোন কংক্রিটের কাঠামো নির্মাণের সময়,কিছু লোক 3 থেকে 5 দিনের জন্য কংক্রিটের কিউরিং করে অথবা 10 থেকে 15 দিন এর জন্য কিছু লোক এটি করে। কংক্রিটের কিউরিং ততক্ষণ করা উচিত যতক্ষণ না এটি 70% থেকে 80% শক্তি লাভ করবে।সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ক্ষেত্রে কংক্রিট কাস্টিং করার তারিখ থেকে সর্বনিম্ন ৭ দিন পর্যন্ত কিউরিং করা উচিত।কিউরিং এর সময় 10 দিন পর্যন্ত বাড়ানো উচিত যেখানে খনিজ এডমিক্সার বা মিশ্র সিমেন্ট ব্যবহৃত হয়। শুকনো এবং গরম আবহাওয়ায় উদ্ভাসিত কংক্রিটের জন্য কিউরিং 10 দিনের কম হওয়া উচিত নয়।সাধারনত ১৪ দিন পর্যন্ত ।
07/07/2024
আমরা অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়।
এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়ম গুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে। সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ
একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।
তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।
এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,
১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ
১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ
১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?
সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।
জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ
গ্যান্টার জরিপঃ
ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।
ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।
হিসাবটি হলোঃ
১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।
১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।
১০.০০০ বর্গ লিংক(১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।
৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)
১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।
৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।
৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।
অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)
আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।
যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।
ডায়াগনাল স্কেলঃ
ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।
আভার অফসেটঃ
এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।
ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ
ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।
জোনাল জরিপঃ
ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে।দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ।
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mohammadi Housing Society
Dhaka
1207
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 18:00 |
| Tuesday | 09:00 - 18:00 |
| Wednesday | 09:00 - 18:00 |
| Thursday | 09:00 - 18:00 |
| Friday | 09:00 - 18:00 |
| Saturday | 09:00 - 18:00 |
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when MPL engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.