JM Insight
Opinions, observations and reflections.
শিক্ষক দিবস!
ছোটবেলা থেকেই অনেকের স্বপ্ন থাকে শিক্ষক হওয়ার। জীবনে অন্য পেশায় যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা শিক্ষকতাকেই বেছে নেন।
তারা জানেন, এই পেশায় হয়তো বেতন তুলনামূলক কম, আর্থিক সুযোগ-সুবিধাও সীমিত। তবুও তারা আসেন, কারণ শিক্ষকতা তাদের কাছে শুধু একটি পেশা নয়, একটি দায়িত্ব ও ভালোবাসার জায়গা।
আমার দৃষ্টিতে, তারাই প্রকৃত শিক্ষক।
কিন্তু সবাই কি একই কারণে শিক্ষকতায় আসেন?
কেউ অন্য কোনো পেশায় সুযোগ না পেয়ে শিক্ষক হন। কেউ আবার পারিবারিক প্রতিষ্ঠানের উত্তরাধিকার হিসেবে সহজেই শিক্ষকতায় ঢুকে পড়েন। কেউ রাজনৈতিক প্রভাব, তদবির কিংবা নানা সুবিধার মাধ্যমে এই পেশায় আসেন।
সমস্যা পেশায় আসার পথটায় নয়, সমস্যা তখনই, যখন কেউ মন থেকে শিক্ষক না হয়েও শিক্ষক হয়ে যান।
কারণ শিক্ষকতা শুধু বই পড়ানো নয়। একজন শিক্ষককে একজন শিক্ষার্থীর প্রতি দায়িত্বশীল, মানবিক ও ন্যায়পরায়ণ হতে হয়। নিজের সন্তানের জন্য যেমনটা চান, অন্যের সন্তানের ক্ষেত্রেও তেমনটাই চাইতে হয়।
তাহলে প্রশ্ন আসে, শিক্ষক যদি সত্যিই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মতো হন, তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নির্যাতন কেন ঘটে? অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন কেন হয়? ধনী-গরিবের পার্থক্য করে খাতার নম্বর কেন বদলে যায়? ব্যক্তিগত কোচিংয়ের জন্য শিক্ষার্থীকে নির্ভরশীল করে তোলার প্রবণতা কেন তৈরি হয়?
কেন? কেন? কেন?
শিক্ষকতা যে মহান পেশা, এই কথাটা শুধু মুখে বললেই হবে না। এই পেশায় যারা আসবেন, তাদেরও সেই মহান দায়িত্ব বহন করার মানসিকতা থাকতে হবে।
কারণ একজন প্রকৃত শিক্ষক শুধু একটি বিষয় শেখান না, তিনি একজন মানুষের ভবিষ্যৎ গড়ে দেন।
শিক্ষকতার মর্যাদা তখনই অটুট থাকবে, যখন শিক্ষকরা শুধু পেশায় নয়, আচরণেও শিক্ষক হয়ে উঠবেন।
সকল প্রকৃত, নিবেদিতপ্রাণ ও মানবিক শিক্ষককে শিক্ষক দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা। 🌸
প্রিতম ও শেহতাজ বিবাহ বিচ্চদের সিদ্ধান্ত নিছে।
১০ বছরের সম্পর্কের ইতি টানতেছে জনপ্রিয় এই জুটি।
মিচুয়াল আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর মাধ্যমে তারা সম্পর্ক শেষ করতে যাচ্ছে বলে তাদের ভ্যারিফাইড ফেসবুকে পেজে পোষ্ট করছে।
সেলিব্রেটিদের বিবাহ আসলে খুবই ঠুনকো, কত কত কাপল বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে ভক্তদের হতাশ করছে তার শেষ নেই।
তবে হ্যা তাদের জীবন, তাদের সিদ্ধান্ত। মধ্যখানে আমরা যারা তাদের ফলো করি, তারাই দ্বিধাদ্বন্ধে ভূগি।
বিয়ে আসলে এমন ই। দু'জন মানুষ একসাথে বছরের পর বছর কাটিয়ে দেয়া অনেক কঠিন।
আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও বিয়ের পর বুঝা যায় আসল কাহিনী।
তারপরও অনেক মানুষ সহ্য করে সংসার করে যাচ্ছে।
শেহতাজ ও প্রিতমের পরবর্তী জীবনের জন্য শুভকামনা।
04/10/2026
গুড মর্নিং গাইস!
কোনো সরকারই সমাজ থেকে সব অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।
ইন্টারনেটের এই যুগে কোনো ঘটনাই সহজে আড়ালে রাখা সম্ভব নয়। তাই সরকারের দায়িত্ব শুধু পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা নয়, বরং প্রতিটি গুরুতর ঘটনার পর দ্রুত তদন্ত, দায় নির্ধারণ এবং দৃশ্যমান জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
অপরাধ ঠেকাতে সরকার সবসময় সফল নাও হতে পারে। কিন্তু অপরাধের পর রাষ্ট্র কী ব্যবস্থা নিল, সেই দায় সরকার এড়িয়ে যেতে পারে না।
কারণ শেষ পর্যন্ত নাগরিক শুধু নিরাপত্তা চায় না, আইন কাজ করছে এবং রাষ্ট্র তার দায়িত্ব পালন করছে, এই বিশ্বাসটাও চায়।
আজ শুক্রবার!
বাংলাদেশে সরকারি ছুটির দিন। তাই স্বাভাবিকভাবেই সবার ধারণা, আজ বুঝি সবকিছু বন্ধ, সবার ছুটি।
কিন্তু হাসপাতালের চাকরিটা একটু আলাদা।
হাসপাতাল তো সরকারি ছুটি, শুক্রবার কিংবা কোনো উৎসব দেখে বন্ধ হয় না। ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকে। তাই আজও আমার অফিস আছে।
বাড়ির মানুষ ভাবে, শুক্রবার মানেই আমার ছুটি।
আশেপাশের মানুষ ভাবে, আজ নিশ্চয়ই বাসায় আছি।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, শুক্রবারও আমাকে অফিসের ব্যস্ততার মধ্যেই কাটাতে হয়।
কখনো শুক্রবার সকালে ডিউটিতে যাই, জুমার নামাজ অফিসেই পড়ি।
আবার কোনো শুক্রবারে বাসায় জুমার নামাজ পড়ে অফিসে ছুটতে হয়।
অন্যদিকে দেখি, শুক্রবারে মানুষ পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হচ্ছে, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে। রাস্তাঘাটে মানুষের ভিড়, চারপাশে ছুটির দিনের আমেজ।
আর আমি সেই ভিড়ের মধ্যেই অফিসের পথে চলি।
মাঝে মাঝে মনে হয়, হাসপাতালে কাজ করি বলে কি জীবনে শুক্রবারের একটা ছুটি কাটানোর অধিকারও থাকবে না?
অভিযোগ নয়, এটাই পেশার বাস্তবতা।
তবু মন তো মাঝে মাঝে ছুটির দিনের একটু স্বাদ পেতে চায়। পরিবারকে নিয়ে একটা শুক্রবার কাটাতে চায়। অলস একটা সকাল, নির্ভার একটা দুপুর, কিংবা বিকেলে কোথাও ঘুরে আসতে চায়।
“জীবন যেখানে যেমন” একটা কথা আছে।
আমার ক্ষেত্রে বোধহয় কথাটা একটু বেশিই সত্যি।
সবার শুক্রবার হোক সুন্দর ও শান্তির।
আর আমাদের মতো ছুটির দিনেও দায়িত্বে থাকা মানুষগুলোর জন্য থাকুক একটু বাড়তি সম্মান❤️
With Prothom Alo – I just earned their ProthomReader badge!
পুরো জেনারেশন মেসির বিশ্বকাপ আর রোনালদোর বেইজ্জতি দেখার অপেক্ষায় ছিলো।
দুইটাই পূরণ হলো 😅
সালমান মুক্তাদির টিকটকার, নাকি ইউটিউবার, নাকি অন্যকিছু সেটা বিষয় না, বিষয়টা হচ্ছে একজন মানুষের বিচার পাওয়ার অধিকার।
তার স্টুডিও ভাঙচুর হইছে, কারা ভাঙচুর করছে, কেন করছে, তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হইছে কিনা-এসব বিষয়ে কথা বলা দরকার,
কিন্তু কথা বলা হচ্ছে জায়গা দখল নিয়ে, তার শ্বশুর নিয়ে, আরও কত কি, হ্যান ত্যান...
কিন্তু সে যদি বিরোধীদলের কেউ হয় কিংবা অপরাধী টাইপের কেউ হয়, তাও তার স্টুডিও ভাঙচুর করার অপরাধের বিচার হতে হবে।
বিএনপি রানিং সরকার হিসেবে সেটার কোন অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট না দিয়ে কতগুলো ছাপড়ি লাগিয়ে দিছে, যারা সালমান মুক্তাদিরের অতীত ও বর্তমান কর্মকান্ড নিয়ে মনগড়া তথ্য দিচ্ছে।
এভাবে ছাপড়ি দিয়ে পলিটিক্স হয় না।
মানুষের বিচার পাওয়ার অধিকার অনেক বড় জিনিস, এটা সিরিয়াস বিষয়।
ক্ষমতা সামলাতে না পারলে অন্য কাউকে দিয়ে দেন, কিন্তু রক্ত দিয়ে স্বাধীন হওয়া একটা দেশের মানুষের সাথে বেইমানি করবেন না।
28/09/2026
😅😅😅
আমরা রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদি শাসক সরাতে পেরেছি,
কিন্ত ফ্যাসিবাদি হয়ে উঠার সিস্টেম কেউ সরাতে চায় না।
Category
Website
Address
Dhaka
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when JM Insight posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.