Sucipotro

Sucipotro

Share

নতুনত্বের সূচনায় আসছে ‘সূচিপত্র’ থাকছে নানান আয়োজন - শিক্ষা ও সচেতন, ভরপুর বিনোদন। https://www.youtube.com/sucipotro

নতুনত্বের সূচনায়... আসছে ‘সূচিপত্র’।
শিক্ষার্থীদের মনের কথা নিয়ে - শিক্ষা ও সচেতন, ভরপুর বিনোদন।

24/07/2026

পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

23/07/2026

পূবালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে ক্যাশলেস দৌলতগঞ্জ
_________________
শরীফুল ইসলাম আরশ, নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা।
ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ, নিরাপদ ও জনপ্রিয় করতে এবং আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পূবালী ব্যাংক পিএলসি, দৌলতগঞ্জ শাখা, কুমিল্লা আয়োজন করেছে “ক্যাশলেস দৌলতগঞ্জ” শীর্ষক বিশেষ ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন।

এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক জনাব ধূর্জটী প্রসাদ ভট্টাচার্য, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ ইউসুফ ফারুক- সহকারী-মহাব্যবস্থাপক ও শাখা প্রধান, জেলা পরিষদ শাখা, কুমিল্লা। দৌলতগঞ্জ বাজার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-
জনাব আরমান হোসেন মিলন — স্বত্বাধিকারী, মেসার্স এসআর ইলেক্ট্রিক & ইলেক্ট্রনিক্স। জনাব মোঃ ইব্রাহীম খলিল — স্বত্বাধিকারী, মা টেডার্স। সহ-সভাপতি, লাকসাম বনিক সমিতি। এছাড়াও বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপকবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির দৌলতগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক জনাব সোহেল আহমেদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাদ্যযন্ত্রের তালে জমকালো আয়োজনে এক বিশাল রেলির আয়োজন করা হয়, এতে বাজারের ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থাই ভবিষ্যৎ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। নগদবিহীন লেনদেন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং দ্রুত আর্থিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। এ লক্ষ্যেই পূবালী ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য সময়োপযোগী ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সভায়, বিভিন্ন গ্রাহকদের মাঝে পূবালী ব্যাংক পিএলসির বাংলা কিউআর ও পজ মেশিন বিতরন করা হয়।

সভা শেষে প্রধান অতিথি মহোদয় আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে ফিতা কাটার মধ্য দিয়ে দৌলতগঞ্জ বাজারে দিন ব্যাপি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের অস্থায়ী ব্যাংকিং বুথটি উদ্বোধন করেন। যেখানে ব্যবসায়ী, দোকান কর্মচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা সহজেই হিসাব খোলা, ডেবিট কার্ড গ্রহণ, PI Banking App নিবন্ধন, QR Code ও POS Machine সুবিধাসহ বিভিন্ন তাৎক্ষণিক ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা অঞ্চলের এডিসি ইনচার্জ জনাব মোঃ ফয়েজুল ইসলামসহ এডিসি অফিসিয়ালসরা ব্যাংকের বিভিন্ন ডিজিটাল ও রিটেইল প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনাব মোঃ নুরে আলম।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল লেনদেনে আরও উৎসাহিত করবে এবং স্মার্ট ও ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

।

07/07/2026

শরীরের ঘাম ছুটে গেছে....!! এবার একটু 7Up

07/07/2026

দর্শকদের ব্লাড পেশার হাই করতে করতে ৩-২ গোলে আর্জেন্টিনার জয়!

24/06/2026

শুভ জন্মদিন 🎂💐🎉
শরীফুল ইসলাম আরশ।
প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক, সূচিপত্র।

18/06/2026
16/06/2026

কে জিতবে?

09/06/2026

বিয়ে, মাতৃত্ব, চাকরি ও পড়াশোনা—সব বাধা পেরিয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করলেন এক সংগ্রামী তরুণী আয়েশা

সমাজের প্রচলিত ধারণা হলো, বিয়ের পর মেয়েদের জন্য উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া কঠিন, আর সন্তান হওয়ার পর সেই পথ আরও সংকীর্ণ হয়ে যায়। তবে সব বাধা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূরণের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আয়েশা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি তিতুমীর কলেজের রসায়ন বিভাগ থেকে সম্প্রতি তিনি অনার্স সম্পন্ন করেছেন। নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই তরুণীর সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং অদম্য মানসিক শক্তির গল্প।

শৈশব থেকেই পড়াশোনার প্রতি ছিল তার গভীর মনোযোগ। অন্য সমবয়সীরা যখন খেলাধুলা বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত থাকত, তখন তিনি নিজেকে নিবেদিত রেখেছিলেন লেখাপড়ায়। তার বাবা-মা দুজনেই দর্জির কাজ করে সংসার চালালেও মেয়েকে শিক্ষিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্নকে নিজের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে তিনি প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সব বোর্ড পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন।

তবে উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় তার জীবনে আসে বড় এক মোড়। পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নিজের সহপাঠীকে বিয়ে করেন তিনি। মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিয়ের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে চারপাশ থেকে নানা সমালোচনা ও নেতিবাচক মন্তব্য শুনতে হয় তাকে। অনেকে মনে করেছিলেন, একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন এখানেই শেষ হয়ে যাবে।

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন ছিল। স্বামী-স্ত্রী দুজনই তখন শিক্ষার্থী। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও তারা পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্বামী একটি ছোট চাকরি করতেন, আর তিনি টিউশনি করে নিজের পড়াশোনার খরচ বহন করতেন। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি উচ্চমাধ্যমিকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেন এবং পরে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজের রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম বছর ভালোভাবেই কাটছিল। কিন্তু প্রথম বর্ষের পরীক্ষার পর জানতে পারেন, তিনি মা হতে চলেছেন। সাধারণত এই পর্যায়ে অনেক নারীকে পড়াশোনা বন্ধ করতে বাধ্য হতে হয়। পরিবার, সন্তান ও শিক্ষাজীবনের ভারসাম্য রক্ষা করা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

তবে তিনি হার মানেননি। গর্ভাবস্থাতেও নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যান। সন্তান জন্মের মাত্র সাত দিনের মাথায়, যখন পরিবারের সবাই নবজাতকের নামকরণ অনুষ্ঠানে ব্যস্ত, তখন তিনি নিজের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফরম পূরণ করেন। শারীরিকভাবে তখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি; হাঁটতেও অন্যের সহায়তা প্রয়োজন হতো।

এরপর আসে আরও কঠিন সময়। মাত্র ৪৫ দিনের শিশুকন্যাকে মায়ের কাছে রেখে টঙ্গী থেকে মিরপুরে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। সিজারিয়ান অপারেশনের পর শরীরে বেল্ট বেঁধে, রাতের পর রাত নির্ঘুম থেকে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তার জন্য এক কঠিন যুদ্ধ। নবজাতকের যত্ন, সংসারের দায়িত্ব এবং পড়াশোনার চাপ—সবকিছু একসঙ্গে সামলাতে হয়েছে তাকে।

অনেকের মতো তিনি চাইলে পড়াশোনা বন্ধ করে শুধু সংসার ও সন্তানকে সময় দিতে পারতেন। কিন্তু নিজের স্বপ্নকে থামতে দেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে কলেজের আইটি ক্লাবের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করেন। টিউশনি থেকে জমানো অর্থ দিয়ে একটি ল্যাপটপ কেনেন এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশের প্রস্তুতি নেন।

তার সেই প্রস্তুতি সফলতাও এনে দেয়। মেয়ের বয়স যখন আট মাস, তখন তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে রিমোট চাকরির সুযোগ পান। আইসিটি বাংলায় সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে মাত্র তিন মাসের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে কো-অর্ডিনেটর হন। বর্তমানে তিনি একই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছেন।

একদিকে চাকরি, অন্যদিকে সন্তান লালন-পালন, সংসার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কঠিন একাডেমিক পড়াশোনা—সবকিছু একসঙ্গে সামলে তিনি শেষ পর্যন্ত অনার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। একই সময়ে তার স্বামীও নিজের গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।

তবে এই সাফল্যের সবচেয়ে গর্বের দিক হলো, পুরো গ্র্যাজুয়েশন জীবন তিনি নিজের উপার্জিত অর্থে সম্পন্ন করেছেন। টিউশনি ও চাকরি থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ নিয়মিত সঞ্চয় করে নিজের শিক্ষাজীবনের ব্যয় বহন করেছেন তিনি। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার গুরুত্বও তিনি উপলব্ধি করেছেন।

তার এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের অসংখ্য নারীর জন্য একটি অনুপ্রেরণার বার্তা। বিয়ে, মাতৃত্ব কিংবা আর্থিক সীমাবদ্ধতা যে একজন নারীর শিক্ষাজীবন ও স্বপ্নপূরণের পথে চূড়ান্ত বাধা নয়, সেই সত্যকেই নতুন করে প্রমাণ করেছেন এই সংগ্রামী তরুণী।

আজ তিনি একজন মা, একজন স্ত্রী, একজন চাকরিজীবী এবং একজন গ্র্যাজুয়েট। তার গল্প বলে—পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম এবং লক্ষ্য স্থির থাকলে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব।

02/06/2026

সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃ*ত্যু!

সৌদি আরবে স্ট্রোক জনিত কারণে মৃ*ত্যুবরণ করেছেন চাঁদপুর জেলাস্থ্য কচুয়া উপজেলার শংকরপুর গ্রামের নজির হোসেন। তাহার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

30/05/2026

নিখোঁজের একদিন পর মৃতদেহ মিলল কচুয়া বাজারের সার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম এর।
গত ২৯/৫/২০২৬ সকাল ১১টায় দোকান থেকে বাহির হয়।
এর পর আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

Category

Telephone

Address


Sucipotro
Bhatara
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sucipotro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Bhatara.