Red Post
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Red Post, Social Media Agency, Shahzadpur.
18/03/2026
ঈদের খুশি নিয়ে বাড়ি ফিরছিল সবাই……
কেউ বাবা-মায়ের কাছে, কেউ সন্তানের কাছে…
কেউ তার ঘামে ভেজা কষ্টের টাকায়
আপনজনের জন্য নতুন কাপড় কিনেছিল—
আহ, সেই ঈদের অপেক্ষা…
কিন্তু পথেই থেমে গেল মানুষগুলোর অনেক গল্প,
কিছু স্বপ্ন আর কোনোদিন ঘরে ফিরবে না…
এই কষ্ট মেনে নেওয়া যায় না…
চোখ ভিজে যায় ভাবলেই…
আল্লাহ, মানুষগুলোর জন্য রহমত নাজিল করুন,
যারা চলে গেছে তাদের জান্নাত নসিব করুন,
আহতদের দ্রুত সুস্থতা দিন… 🤲
আর মাত্র দুই দিন।
জান্নাতের প্রলোভন, নাকি ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস—
আপনার ভোট কি বিক্রি হবে, নাকি দাঁড়াবে বিবেকের পাশে?
🗳️ সিদ্ধান্ত আপনার।
#ভোট2026
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী প্রয়াসে এই গানটি আমার ছোট্ট নিবেদন। ভালো লাগলে হৃদয়ে রাখবেন, আর শেয়ার করে পৌঁছে দেবেন মানুষের কাছে। বিজয়ের পথে এগিয়ে যাবে ধানের শীষ।
#ধানেরশীষ
#বিজয়েরপথে
#বাংলাদেশজাতীয়তাবাদীদল
#জনতারআকাঙ্ক্ষা
#ভোটেরঅধিকার
#বাংলাদেশআগে
#গণতন্ত্রেরডাকে
#নতুনবাংলাদেশ
#আশাররাজনীতি
#জনতারভোট
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী প্রয়াসে এই গানটি আমার ছোট্ট নিবেদন। ভালো লাগলে হৃদয়ে রাখবেন, আর শেয়ার করে পৌঁছে দেবেন মানুষের কাছে। বিজয়ের পথে এগিয়ে যাবে ধানের শীষ।
#ধানেরশীষ
#বিজয়েরপথে
#বাংলাদেশজাতীয়তাবাদীদল
#জনতারআকাঙ্ক্ষা
#ভোটেরঅধিকার
#বাংলাদেশআগে
#গণতন্ত্রেরডাকে
#নতুনবাংলাদেশ
#আশাররাজনীতি
#জনতারভোট
হই হই হই
বিজয় নেবে ধানের শীষ
রই রই রই
জয়ী হবে ধানের শীষ
31/12/2025
13/10/2025
চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল হস্তান্তর প্রসঙ্গ নিয়ে নতুন বিতর্ক: উপদেষ্টা সরকারের সীমা কোথায়, জবাবদিহি কার কাছে?
কখনও কখনও খবরও আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কাছে কবিতার মতো লাগে—
একটি বাক্যে, একটি সিদ্ধান্তে, গোটা জাতির ভবিষ্যৎ লুকিয়ে থাকে।
আজ সকালে ফেসবুকে চোখে পড়ল—চট্টগ্রাম বন্দরের তিনটি টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের হাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
খবরের সূত্র বলছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই এমন কোনো চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে।
খবরটা পড়ে মনে হলো, এ যেন এমন এক সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি প্রজন্ম পেরিয়ে দেশকে প্রভাবিত করতে পারে।
আমি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি নই, নীতি নির্ধারকও নই—
কিন্তু একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ভাবলাম, লিখে ফেলি, কারণ এই দেশ আমার, আপনার, আমাদের সবার।
পরিকল্পনা যদি থাকে, তবে আইন ও প্রক্রিয়া মেনে হোক
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বক্তব্যে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং, লালদিয়ার চর ও পানগাঁও টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে- সম্ভবত “Public–Private Partnership (PPP)” কাঠামোর আওতায়।
এখনও নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি;
তবে যদি এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়,
তাহলে তা হতে হবে পুরোপুরি স্বচ্ছ ও আইনানুগ প্রক্রিয়ায়।
PPP Act 2015 অনুযায়ী:
1. প্রকল্পে যেতে হলে আগে একটি বিস্তারিত Feasibility Study (বাস্তবতা যাচাই ও ঝুঁকি মূল্যায়ন) করতে হয়;
2. এরপর International Competitive Tender (আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র) আহ্বান করা বাধ্যতামূলক;
3. এবং সর্বশেষে PPP Authority (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) ও Finance Division-এর যৌথ অনুমোদন নিতে হয়।
এই তিন ধাপ অনুসরণ না করে যদি কোনো কৌশলগত সম্পদ বিদেশি হাতে তুলে দেওয়া হয়,
তবে সেটি প্রশাসনিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।
জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়
রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিদেশি হাতে হস্তান্তরের মতো সিদ্ধান্ত কেবল অর্থনৈতিক নয়, এটি সার্বভৌম নীতির বিষয়।
যখন দেশে কোনো নির্বাচিত সরকার নেই, সংসদ স্থগিত, এবং জনগণের ম্যান্ডেট অনুপস্থিত—
তখন এমন দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির নৈতিক বৈধতা নিয়েই ভবিষ্যতে প্রশ্ন ওঠতে পারে
একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসনের কাজ দেশের নীতি নির্ধারণ নয়;
তাদের দায়িত্ব কেবল প্রশাসনিক স্থিতি বজায় রাখা এবং নির্বাচনের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পথ সুগম করা।
অতএব, এই সময়কালে বন্দরের মতো জাতীয় সম্পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজনৈতিক ও নৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
বিদেশি অপারেটর দরকার হতে পারে—কিন্তু প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ হওয়া আবশ্যক। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি—এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই। বিদেশি অপারেটর অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি আনতে পারে, সেটাও সত্য। কিন্তু প্রশ্ন হলো-
এই সরকার কি প্রক্রিয়াটি জনগণের কাছে আদৌ পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে?
ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কা—সব দেশেই বন্দরের আংশিক পরিচালনায় বিদেশি অংশীদার যুক্ত আছে;
কিন্তু সেখানে হয়েছে International Bidding, Parliamentary Oversight এবং Public Disclosure-এর মাধ্যমে।
অন্যদিকে, বর্তমানে এই সরকার যদি চুক্তিটি এগিয়ে নিয়ে যায়,
তাহলে প্রস্তাবিত এই চুক্তিতে থাকবে না জনগণের অংশগ্রহণ, দরপত্রের স্বচ্ছতা এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের প্রকাশ।
অতএব, এটি PPP হবে না—বরং একটি প্রশাসনিক বরাদ্দ (Administrative Award) ছাড়া আর কিছুই নয়।
তবে বাংলাদেশে যদি এমন উদ্যোগ গ্রহণ করতেই হয়,
তাহলে তা হতে হবে জনগণের জানার মধ্যে,
আইনি প্রক্রিয়া মেনে এবং সংসদীয় বা জাতীয় পর্যালোচনার আওতায়।
এখন দেখার বিষয়—রাজনীতি কী বলে, জনগণ কী ভাবে
আমি মনে করি, বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ বা রাজনীতির সঙ্গে যারা জড়িত, তাঁরাই এখন এই প্রক্রিয়া নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া দেখাবেন, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কারণ, চট্টগ্রাম বন্দরের মতো জাতীয় সম্পদ নিয়ে নীরব থাকা মানে—জাতীয় নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ থেকে সরে আসা।
বাংলাদেশের জনগণ আজ অপেক্ষা করছে—
রাজনীতি কি এই সিদ্ধান্তে নৈতিক অবস্থান দেখাবে,
নাকি আবারও নীরব থাকবে প্রশাসনিক সুবিধার আশায়।
জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই নয়
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন পুনর্গঠনের পর্যায়ে।
এ সময় সবচেয়ে বেশি দরকার জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি।
জনগণের অনুমোদন ছাড়া রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া মানে—উন্নয়নের নামে আস্থার ক্ষয় ও সার্বভৌমত্বের ক্ষতি।
চট্টগ্রাম বন্দর কেবল একটি টার্মিনাল নয়—এটি বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌম সিদ্ধান্তের প্রতীক।
এই সিদ্ধান্ত যদি জনগণের ম্যান্ডেট ও আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়া নেওয়া হয়, তবে ইতিহাস একদিন এর দায় ঠিকই নিরূপণ করবে।
আমার জানামতে, PPP মানে ‘Public–Private Partnership’—
কিন্তু এখানে ‘Public’, অর্থাৎ জনগণ যদি বাদ পড়ে,
তাহলে এটি আর কোনো Partnership নয়,
বরং Public Property-এর সম্ভাব্য হস্তান্তরের সূচনা—
যার দায় ইতিহাস একদিন আমাদের সবার কাছেই জবাব চাইবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Shahzadpur