All in One

All in One

Share

I will not stay. What could be more happy news! The world is not a place to be. প্রভু, যাপিত জীবনের উপসংহার টেনে দেয়ার পর, প্রিয়দের তালিকায় লিখে দিও আমার নাম।

27/12/2025

সারারাত শাহবাগে হাদীর জন্য উপস্থিত ছিলো NCP র হাসানাত আব্দুল্লাহ। এই জন্যই সবাই তাকে অনেক ভালোবাসে, বাংলার বাঘ শেরে বাংলা একে ফজলুল হক বলে ডাকে ❤️🤍

25/12/2025
24/12/2025

সাইয়্যিদ কুতুব (রহঃ) কে জেলখানার মাঝে ফাঁ*সির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে হ*ত্যা করা হয়। এমনকি এখনো কেউ বলতে পারবে না, তাঁর কবর কোথায় অবস্থিত!

যেদিন সাইয়্যেদ কুতুব (রঃ) কে হত্যা করা হলো, সেদিন মিশরের পথে পথে তাঁর রচিত তাফসীর 'ফি যিলালিল কুরআন' এর সাত অথবা আট হাজার সেট অর্থাৎ চৌষট্টি হাজার পুস্তক পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো।
রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল, যার কাছে সাইয়্যেদ কুতুবের (রঃ) গ্রন্থ পাওয়া যাবে, তাকে দশ বছর জেলে রাখা হবে। সাইয়্যেদ কুতুবের গ্রন্থগুলো জাদুর মতো। যে পাঠ করে, সেই তাঁর অনুসারী হয়ে যায়।

তার শাহাদাতের ঘটনা পত্র-পত্রিকা ও বিভিন্ন দেশের বেতারের সম্প্রচারিত হলে সবার মনে একটি প্রশ্ন উঁকি দিলো, এই ব্যক্তি কে? কেন তাকে ফাঁ*সি দেওয়া হলো?
সেই তাফসীর গ্রন্থটি কেমন যার কারণে তাকে ফাঁ*সি দেয়া হলো?

তখন বৈরুতের প্রকাশকেরা প্রকাশনা জগতে কোন খ্রিস্টান লোকসান খেলে তাকে বলতো, "তুমি যদি বাঁচতে চাও তাহলে সাইয়্যেদ কুতুবের 'ফি যিলালিল কুরআন' ছাপ।"
হ্যাঁ, যে বছর সাইয়েদ কুতুবকে ফাঁসি দেওয়া হলো সে বছরই তার তাফসীর গ্রন্থটির সাত সংস্করণ ছাপা হলো।
অথচ তাঁর জীবদ্দশায় মাত্র একবার ছাপানো হয়েছিল।
আর এখন তো অবস্থা এমন যে, পৃথিবীর এমন কোন প্রান্ত পাওয়া যাবেনা যেখানে সাইয়্যেদ কুতুবের এই তাফসীরগ্রন্থ গিয়ে পৌঁছে নি। এমন কোন ভাষাও পাওয়া যাবে না যে ভাষায় তা অনূদিত হয়নি।

[তাফসীরে সূরা তাওবা, শ*হী*দ আব্দুল্লাহ আযযাম (রাহিমাহুল্লাহ), পৃষ্ঠা ২৮৪]

ফাঁ*সির আগের রাতে সায়্যিদ কুতুব (রাহিমাহুল্লাহ) কে কালিমা পড়ানোর জন্য জেলের ইমামকে পাঠানো হলো। জেলের ইমাম এসে সায়্যিদ কুতুবকে কালিমা পড়ানোর চেষ্টা করতে লাগলেন।
তাকে দেখে সায়্যিদ কুতুব জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কী জন্য এখানে এসেছেন?"
ইমাম বললেন, "আমি আপনাকে কালিমা পড়াতে এসেছি। মৃ*ত্যু-দ*ণ্ড কার্যকর করার আগে আসামীকে কালিমা পড়ানো আমার দায়িত্ব।"
সায়্যিদ কুতুব বললেন, "এই দায়িত্ব আপনাকে কে দিয়েছে?"
ইমাম বললেন, "সরকার দিয়েছে।"
সায়্যিদ কুতুব বললেন, "এর বিনিময়ে কি আপনি বেতন পান?"
ইমাম বললেন, "হ্যাঁ আমি সরকার থেকে বেতন-ভাতা পাই।"
তখন সায়্যিদ কুতুব রহ.বললেন, "কি আশ্চর্য! যেই কালিমা পড়ানোর কারণে আপনি বেতন-ভাতা পান, সেই কালিমার ব্যখ্যা মুসলিম উম্মাহকে জানানোর অপরাধেই আমাকে ফাঁ*সি দেয়া হচ্ছে!
তোমার কালেমা তোমার রুটি যোগায়,
আর আমার কালেমা আমাকে ফাঁ*সিতে ঝুলায়।।

Photos from All in One's post 21/12/2025

শহীদ ওসমান হাদীর নাম পৌঁছে গেছে শহীদদের উর্বর ভূমি পবিত্র গাজায়! আলহামদুলিল্লাহ্!🤎

20/12/2025

হাদি ভাই বলছিলেন মাত্র 500 ভোট পাইলেই উনি খুশি।

চোখ খুইলা দেখেন হাদি ভাই আপনি বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা করে ফেলছেন। আপনার জন্য পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল শহর থমকে গেছে। আপনার জন্য ঢাকা মেট্রো স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি প্রেশার নিছে। আপনার জন্য এই নগরীর রাস্তাঘাট সব ব্লক হয়েগেছে।

কিন্তু কারো চোখে মুখে সেসব নিয়ে বিরক্তি নাই। সবাই শুধু আপনার জন্য দোয়া করছে।সবাই আপনার জানাজায় দুর দূরান্ত থেকে সব কাজ ফেলে ছুটে এসেছে।

চোখ মেলে দেখেন হাদি ভাই আপনি জিতে গেছেন....

Photos from All in One's post 20/12/2025

ভাই এইটুকু জীবনে আর পাওয়ার আছে? শিশু কাঁদছে, পুলিশ কাঁদছে, ডাক্তার কাঁদছে, ঘরে মা-বোনরা কাঁদছে, রাস্তায় বাবারা কাঁদছে, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ কাঁদছে,এক কথায় পুরো বাংলাদেশ কাঁদছে। আমি শিউর ছাঁদ থেকে ময়লা পানি ফেলা মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি আফসোস করছে। খুনী একা হলেও হয়তো ভাববে, কি করলাম কি করলাম। এমন জানাজা দেখেছেন আগে? সম্মানের ফয়সালা আসমান থেকে হয়, জমিন থেকে নয়। শহীদ হাদীভাই বেঁচে থাকবেন মানুষের মনে বছরের পর বছর।

19/12/2025

কফিনবন্দী বাংলাদেশ!

19/12/2025

প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, সবাই জানবে বাংলাদেশে একজন হাদী ছিল,
যে সাম্য, ন্যায়ের কথা বলে প্রাণ দিয়েছিলো।

18/12/2025

শোনেন, এই দেশে আরেকটা হাদী জন্মাবে না।

যেই হাদী দেশের জন্য কিছু করতে চেয়েছিল সে তার স্ত্রী সন্তানকে অসহায় বানিয়ে চলে গেছে। তার ছোট্ট ছেলেটা বুঝতেও পারছে না, বাবা আর নেই!

একদিন বুঝবে; সেদিন মুখভর্তি থুথু দেবে এই রাষ্ট্রের উপর 💔

10/12/2025

২২ অক্টোবর ২০১৪, ভোরে ফাঁসি হয়ে যায় রেহানে জাবারির। বয়স হয়েছিল মাত্র ২৬ বছর।

ধর্ষণ এড়াতে আততায়ীর বুকে ছুরি বসানোর অপরাধে রেহানে জাবারিকে প্রাণদণ্ড দেয় ইরানের সুপ্রিম কোর্ট। রেহানের ফাঁসির আদেশের বিরোধিতা করে গোটা বিশ্বের অজস্র মানবাধিকার সংগঠন। প্রাণভিক্ষার আরজি জানান দুনিয়ার তাবৎ জননেতা। এমনকি, মেয়ের বদলে তাকেই ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানো হোক বলে মিনতি করেন রেহানের মা শোলেহ। কিন্তু কোনো কিছুতেই কান দেয়না সরকার। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই নিভিয়ে দেয়া হয় ছাব্বিশের তরতাজা প্রাণ রেহানেকে।

মৃত্যুর আগে মাকে শেষ চিঠি লিখে গিয়েছেন রেহানে। হৃদয় নিংড়ানো সেই চিঠিতে মাকে শোকগ্রস্ত হতে বার বার বারণ করেছেন। মৃত্যুকে তিনি অভিহিত করেছেন নিয়তির বিধান হিসেবে। আর সে জন্য তিলমাত্র অনুতাপ করেননি তিনি। বরং ফাঁসির পর তাঁর দেহাংশ দান করার অনুরোধ জানিয়েছেন জন্মদাত্রীকে।

রেহানের সেই মর্মস্পর্শী চিঠি গণমাধ্যমের হাতে তুলে দিয়েছেন মানবাধিকার সংগঠন ও শান্তিকামী গোষ্ঠীর সদস্যরা।

মাকে লেখা রেহানে জাবারির শেষ চিঠি...
প্রিয় শোলেহ,
আজ জানতে পারলাম এবার আমার কিসাস (ইরানের আইনব্যবস্থায় কর্মফলবিষয়ক বিধি)'র সম্মুখীন হওয়ার সময় হয়েছে। জীবনের শেষ পাতায় যে পৌঁছে গিয়েছি, তা তুমি নিজের মুখে আমায় জানাওনি ভেবে খারাপ লাগছে। তোমার কি মনে হয়নি যে এটা আমার আগেই জানা উচিৎ ছিল? তুমি দুঃখে ভেঙে পড়েছ জেনে ভীষণ লজ্জা পাচ্ছি। ফাঁসির আদেশ শোনার পর তোমার আর বাবার হাতে চুমু খেতে দাওনি কেন আমায়?
দুনিয়া আমায় ১৯ বছর বাঁচতে দিয়েছে। সেই অভিশপ্ত রাতে আমারই তো মরে যাওয়া উচিত ছিল, তাই না? আমার মৃতদেহ ছুড়ে ফেলার কথা ছিল শহরের কোনো অজ্ঞাত কোণে। কয়েক দিন পর মর্গে যা শনাক্ত করার কথা ছিল তোমার। সঙ্গে এটাও জানতে পারতে যে হত্যার আগে আমাকে ধর্ষণও করা হয়েছিল। হত্যাকারীরা অবশ্যই ধরা পড়তো না, কারণ আমাদের না আছে অর্থ, না ক্ষমতা। তারপর বাকি জীবনটা সীমাহীন শোক ও অসহ্য লজ্জায় কাটিয়ে কয়েক বছর পর তোমারও মৃত্যু হতো। এটাই যে হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু সে রাতের আকস্মিক আঘাত সব কিছু ওলোটপালট করে দিল। শহরের কোনো গলি নয়, আমার শরীরটা প্রথমে ছুড়ে ফেলা হলো এভিন জেলের নিঃসঙ্গ কুঠুরিতে, আর সেখান থেকে কবরের মতো এই শাহর-এ রায় কারাগারের সেলে। কিন্তু এ নিয়ে অনুযোগ করোনা মা, এটাই নিয়তির বিধান। আর তুমি তো জানো যে মৃত্যুতেই সব শেষ হয়ে যায়না।
মা, তুমিই তো শিখিয়েছ অভিজ্ঞতা লাভ ও শিক্ষা পাওয়ার জন্যই আমাদের জন্ম। তুমি বলেছিলে, প্রত্যেক জন্মে আমাদের কাঁধে এক বিশেষ দায়িত্ব দেয়া থাকে। মাঝে মাঝে লড়াই করতে হয়, সে শিক্ষা তো তোমার থেকেই পেয়েছি। সেই গল্পটা মনে পড়ছে, চাবুকের ঝাপ্টা সহ্য করতে করতে একবার প্রতিবাদ জানানোর ফলে আরও নির্মমতার শিকার হয়েছিল এক ব্যক্তি। শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়। কিন্তু প্রতিবাদ তো সে করেছিল! আমি শিখেছি, সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে অধ্যবসায় প্রয়োজন। তার জন্য যদি মৃত্যুও আসে, তাকেই মেনে নিতে। স্কুলে যাওয়ার সময় তুমি শিখিয়েছিলে, নালিশ ও ঝগড়াঝাটির মাঝেও যেন নিজের নারীসত্ত্বাকে বিসর্জন না দেই। তোমার মনে আছে মা, কত যত্ন করেই না মেয়েদের খুঁটিনাটি সহবত শিখিয়েছিলে আমাদের? কিন্তু তুমি ভুল জানতে মা। এই ঘটনার সময় আমার সে সব তালিম একেবারেই কাজে লাগেনি। আদালতে আমায় এক ঠাণ্ডা মাথার খুনি হিসেবে পেশ করা হয়। কিন্তু আমি চোখের পানি ফেলিনি। ভিক্ষাও করিনি। আমি কাঁদিনি কারণ আইনের প্রতি আমার অটুট আস্থা। কিন্তু বিচারে বলা হলো, খুনের অভিযোগের মুখেও নাকি আমি নিরুত্তাপ। আচ্ছা মা, আমি তো কোনোদিন একটা মশাও মারিনি। আরশোলাদের চটিপেটা না করে শুঁড় ধরে জানলার বাইরে ফেলে দিয়েছি। সেই আমিই নাকি মাথা খাটিয়ে মানুষ খুন করেছি! উল্টো ছোটবেলার ওই কথাগুলো শুনে বিচারপতি বললেন- আমি নাকি মনে মনে পুরুষালি। তিনি একবার চেয়েও দেখলেন না, ঘটনার সময় আমার হাতের লম্বা নখের ওপর কী সুন্দর নেল পালিশের জেল্লা ছিল। হাতের তালু কত নরম তুলতুলে ছিল। সেই বিচারকের হাত থেকে সুবিচার পাওয়ার আশা অতি বড় আশাবাদীও করতে পারে কি? তাই তো নারীত্বের পুরস্কার হিসেবে মাথা মুড়িয়ে ১১ দিনের নির্জনবাসের হুকুম দেয়া হলো। দেখেছ মা, তোমার ছোট্ট রেহানে এই কয়েক দিনেই কতটা বড় হয়ে গেছে। এবার আমার অন্তিম ইচ্ছেটা বলি শোনো। কেঁদো না মা, এখন শোকের সময় নয়। ওরা আমায় ফাঁসি দেয়ার পর আমার চোখ, কিডনি, হৃদযন্ত্র, হাড় আর যা যা কিছু দরকার যেন আর কারও জীবন রক্ষা করতে কাজে লাগানো হয়। তবে যিনিই এসব পাবেন, কখনোই যেন আমার নাম না জানেন। আমি চাই না এর জন্য আমার সমাধিতে কেউ ফুলের তোড়া রেখে আসুক। এমনকি তুমিও না। আমি চাইনা আমার কবরের সামনে বসে কালো পোশাক পরে কান্নায় ভেঙে পড়ো তুমি। বরং আমার দুঃখের দিনগুলো সব হাওয়ায় ভাসিয়ে দিও। এই পৃথিবী আমাদের ভালোবাসেনি, মা। চায়নি আমি সুখী হই। এবার মৃত্যুর আলিঙ্গনে তার পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে। তবে সৃষ্টিকর্তার এজলাসে সুবিচার আমি পাবই। সেখানে দাঁড়িয়ে আমি অভিযোগের আঙুল তুলব সেই সমস্ত পুলিশ অফিসারের দিকে, বিচারকদের দিকে, আইনজীবীদের দিকে, আর তাদের দিকে যারা আমার অধিকার বুটের নিচে পিষে দিয়েছে, বিচারের নামে মিথ্যা ও অজ্ঞানতার কুয়াশায় সত্যকে আড়াল করেছে। একবারও বোঝার চেষ্টা করেনি, চোখের সামনে যা দেখা যায় সেটাই সর্বদা সত্যি নয়।
আমার নরম মনের শোলেহ, মনে রেখো সেই দুনিয়ায় তুমি আর আমি থাকব অভিযোগকারীর আসনে। আর ওরা দাঁড়াবে আসামির কাঠগড়ায়। দেখিই না, সৃষ্টিকর্তা কী চান! তবে একটাই আরজি, মৃত্যুর হাত ধরে দীর্ঘ যাত্রা শুরুর প্রাক মুহূর্ত পর্যন্ত তোমায় জড়িয়ে থাকতে চাই, মা! তোমায় যে খুব, খু-উ-ব ভালবাসি।

(সংগৃহীত)

তথ্যসূত্র :
1.https://www.bbc.com/news/world-middle-east-29769468
2.https://www.hrw.org/news/2014/10/25/iran-reyhaneh-jabbari-executed
3.Source: Middle East Eye https://share.google/Ydi6z5uH2duy8B6XK
4.Source: The Guardian https://share.google/THCbfSONXLvmCW6cb

Want your business to be the top-listed Media Company in Cumilla?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Comilla
Cumilla
3531