Mamunur Rashid
একটি অন্যায় মেনে নেয়া মানে আর একটি অন্যায়ের সুযোগ তৈরী করে দেয়া—
সার্কাস পার্টিতে
এ ভাসছে- আজ আমার প্রিয় জন্মভূমি- বাংলাদেশ!
এরাও যেন দেশ থেকে পালিয়ে যেতে না পারে- সচ্চোর হও জাতি এখনি - জেগে উঠ- গর্জে উঠুক জাতি আবার——-
08/23/2025
With Elias Hossain – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
05/13/2025
১৯৪৫ সাল।
যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপান।
এক কিশোর তার মৃত ভাইকে মাটি চাপা দিতে পিঠে করে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। একজন আর্মি অফিসার বিষয়টি লক্ষ্য করে কিশোরকে বললেন, "লাশটা পিঠ থেকে ফেলে দাও, ওটা অনেক ভারী।"
কিশোরটি সঙ্গে সঙ্গে দৃঢ় স্বরে জবাব দিল, "সে ভারী নয়, সে আমার ভাই!" আর্মি অফিসারের কিছুক্ষণ সময় লাগে ঘটনাটি বুঝতে। এরপর পুরো বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
এই ঘটনা নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র জাপান জুড়ে। সেই থেকে ছবিটি হয়ে ওঠে দেশটির ঐক্যের প্রতীক। ভাইকে পিঠে তুলে নেওয়া কিশোরের ওই উক্তি হয়ে যায় তাদের জাতীয় স্লোগান: "সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই/বোন।" (He’s not a burden, he’s my brother/sister.)
আপনার ভাই বা বোন যদি পড়ে যায়, তাকে উঠান। যদি তার সামর্থ্য না থাকে, যদি সে দুর্বল হয়, তার পাশে দাঁড়ান। আর যদি সে ভুল করে, তাকে ক্ষমা করে দিন। পৃথিবী যদি তাকে পরিত্যাগ করে, আপনি তাকে আপনার পিঠে তুলে নিন। কারণ সে বোঝা নয়, সে আপনার ভাই/বোন।
সংগ্রহিত
04/27/2025
ধন্যবাদ জনাব ড. কামাল হোসেন কে
সত্য কথা বলার জন্য.......
জিয়া আমাকে স্যালুট করতো,
স্যার বলতো : ড. কামাল হোসেন।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেছেন ‘জিয়া কখনও স্বাধীনতার ঘোষক নন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নামে।
কোন মেজরের ঘোষনায় নয়।
ড. কামাল হোসেন আরো বলেছেন,
জীবন সায়াহ্নে এসে আদর্শ বিকিয়ে দেবো না।
ড. কামাল হোসেন বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ আমরা করেছি, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কারাগারে ছিলাম। স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর নাম নিতে হবে। জাতির পিতাকে স্বীকার করতে হবে। ইতিহাস বিকৃতি করে শেষ বয়সে এসে গাদ্দার হতে পারবো না। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। একমাত্র বঙ্গবন্ধুই হচ্ছেন, স্বাধীনতার ঘোষক।
...ড. কামাল হোসেন।
কপি
04/24/2025
সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দেওয়ার পর যখন তাঁর মরদেহ বাহিরে রাখা হল, তখন একদল মানুষ সেখানে এসে এই মানুষটার মৃতদেহের ওপরে থুতু ছিটিয়েছিল, যারা প্রত্যেকেই ইরাকের নাগরিক; পক্ষান্তরে তার নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেই ১২ জন আমেরিকান সেনা সদস্যের প্রত্যেকেই কেঁদেছিল।
ইন্দিরা গান্ধীর পরিণতি হয়েছিল আরও করুণ। শত্রুর গুলিতে না, তার মৃত্যু হয়েছিল নিজেরই দেহরক্ষীর গুলিতে।
বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফর রহমানের দেহ নামাতে যে লোকটি কবরে নেমেছিল, বঙ্গবন্ধুর মাতার মৃত্যুতে যে লোকটি মাটিতে শুয়ে কান্নায় গড়াগড়ি করেছিলো, শেখ কামালের বিয়ের উকিল বাপ যে মানুষটি ছিলো, ১৯৭৫ সালের ১৪ই আগস্ট দুপুরে যে লোকটি বাসা থেকে তরকারী রান্না করে নিয়ে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে খাইয়েছিলো তারপরের দিন ১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে সেই লোকই খুন করেছিল যার নাম খন্দকার মোশতাক...
ইতিহাসের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায়, এক একটা সাম্রাজ্যের পতন হয়েছে তাদের সব চাইতে কাছের মানুষদের হাত ধরে। সৌদি আরবের বাদশা ফয়সাল যখন তার ভাইপোকে আলিঙ্গন করার উদ্দেশ্যে দু হাত বাড়িয়ে দিলেন, প্রতিউত্তরে হঠাৎই পকেট থেকে পিস্তল বের করে পরপর তিনটা গুলি করে বসলেন।
গোয়েন্দারা আসামী সনাক্ত করার জন্য অনেক গুলো পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে, তার একটি হল প্রত্যেককেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা। সব চাইতে বেশি সন্দেহ তাকে করা যাকে মনে হবে সব চাইতে কম সন্দেহজনক।
ইতিহাস আমাদের বার বার শিখিয়ে গেছে, মানুষের জীবনের সব চাইতে বড় যে শত্রু তাকে কখনোই চেনা যায় না, সে থাকে সব থেকে কাছের বন্ধুর মত করে।
আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও তাই...
আপনি সব চাইতে বেশি প্রতারিত হবেন আপনার কাছের মানুষদের কাছ থেকে। আপনাকে সব চাইতে বেশি কষ্ট দেয়া মানুষের তালিকা করলে সেখানে শত্রু না, আপন মানুষদের নাম দেখতে পাবেন। শত্রু কখনো বিশ্বাস ঘাতক হয় না, বিশ্বাসঘাতকতা করে কেবল আপন মানুষরাই।
সংগ্রহীত—-
04/03/2025
খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ফিরে আসা এক নও মুসলিম বলছেন: আমি আমার ছেলেকে সাথে নিয়ে হাঁটছিলাম। আমরা গির্জার কাছে জিশু খ্রিস্টের একটি মূর্তি অতিক্রম করছিলাম।
ছেলে আমাকে জিজ্ঞেস করল: বাবা, এটা কে?
আমি বললাম: ইনি ঈশ্বরের পুত্র!
আবার প্রশ্ন করল: কেন তাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছে? তার শরীর ক্ষত বিক্ষত এবং দেখতে কী দুর্বল, তার জন্য আমার খুব মায়া হচ্ছে!
আমার ছেলে আমাকে বলল: কেন তার বাবা তাকে রক্ষা করেননি? অথবা তিনি নিজে একজন শক্তিশালী দেবতা হয়ে নিজেকে কেন রক্ষা করেননি?
আমি বললাম: আমাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য ঈশ্বর এটা বেছে নিয়েছেন! তিনি তার ছেলেকে ক্রুশবিদ্ধ করতে রাজি হন কারণ তার ক্রুশবিদ্ধ হওয়া ছিল আমাদের জন্য একটি উৎসর্গ এবং আমাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত!
ছেলে আমাকে বলল: বাবা, আপনি কি এতে রাজী হবেন যে, লোকেরা আমাকে শুলিতে চড়াবে এবং আমাকে কারো জন্য শাস্তি দিবে! আর প্রতিহত করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও আপনি তা প্রতিহত করবেন না! আমাকে রক্ষা করবেন না!!
আমি বললামঃ অবশ্যই না!
আমার ছেলে বললঃ তাহলে ঈশ্বর কীভাবে তার পুত্রের সাথে এমনটা করলেন? তিনি তো পুত্রকে শাস্তি না দিয়ে, মানুষের হাতে লাঞ্ছিত না করেও আমাদের পাপ ক্ষমা করতে পারতেন!
আমার কাছে এর কোন উত্তর ছিল না!
উত্তর না পেয়ে, পরবর্তীতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত! আমি এখন একজন গর্বিত মুসলিম আলহামদুলিল্লাহ।
Copy
01/18/2025
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো! এই ৪০ কোটি শুক্রাণু মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুঁটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু। আর বাকিরা? এই ছুঁটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি অথবা আমরা সবাই। কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন ?
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি
জিতেছিলেন।
❒ আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন- তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিল এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় কিন্তু আপনি মারা যাননি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি
টিকেছিলেন।
❒ বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায় কিন্তু আপনি এখনো বেঁচে আছেন।
❒ অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায় কিন্তু আপনার কিছুই হয়নি।
❒ বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে কিন্তু আপনি এখনো আছেন।
আর আজ- আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন। তাহলে হতাশা কেন ?
❒ কেন একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে
সেটা মেনে নিতে পারেন না ?
❒ কেন আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন ?
❒ কেন বলেন আমি আর বাঁচতে চাইনা ?
❒ কেন বলেন, আমি হেরে গিয়েছি ?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেন হতাশ হয়ে পড়েন? আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন- কি প্রতিভা আছে আপনার? মনের চাওয়াকে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় ঈশ্বরকে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন,শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন নিজে জিতে যাবেন।
(সংগৃহীত)
01/07/2025
আজ যদি মির জাফর বেঁচে থাকতো তবে সেও হতো নতুন প্রজন্মের ভালবাসার মানুষ অনুকরনীয় মানুষ!!!
এটাই ছিল আমাদের প্রীয় নবীর ( সাঃ) ভবিষ্যতবানী!!
অভাগা জাতি আমরা সত্যিই!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Plano, TX
75074
01/31/2025