MD RASEL ANWAR

MD RASEL ANWAR

Share

�لا إله إلا الله محمد رسول الله� Art Gallery

08/28/2025

আসালামু আলাইকুম,
আশা করি এই পেইজ টি ফলো করে সবাই আমার পাশে থাকবেন ধন্যবাদ।।

06/21/2024

Celebrating my 7th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

02/18/2024

কেউ কারোর জন্যে ঠেকায় থাকে না প্রত্যেকেই একটা না একটা সময়ে একজনের শূন্যতা আরেকজনকে দিয়ে পূরন করে নেয়!! আপনার অনুপস্থিতি বা আপনার অভাব অন্য কারোর জীবনে স্থায়ী হবে না ঠিক তেমনই অন্য কারোর অভাব আপনার জীবনে বেশিদিন স্থায়ী নয়!!
- আপনি যদি মনে করেন আপনার অভাব কাউকে কষ্ট দিবে আপনার অভাবে কেউ শেষ হয়ে যাবে তাইলে আপনি নেশায় আছেন লেবু খান!!

02/07/2024

আবারো মনে করিয়ে দিচ্ছি আগামিকাল প্রপোজ ডে - যোগ্য ছেলে হারালে কাঁদতে হবে আড়ালে!

01/07/2024

এক কোম্পানীতে ছিলো এক পিঁপড়া। সে প্রতিদিন ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর কারো সঙ্গে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়াটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়াকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ার সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিল। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।

কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। … সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ দিল এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের কর্মী পিঁপড়া, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়া যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ দেওয়ার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ দিল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়া যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ার বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ দিল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ার ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই ওই হতভাগ্য পিঁপড়াকে ছাঁটাই করা হলো।

12/21/2023

অভাগার গরু মরে,ভাগ্যবানের বৌ মরে।

05/02/2023

আপনার আঞ্চলিক ভাষায় ফলটির নাম কী?

04/14/2023

আমি অবিবাহিত কিন্তু আমি প্র্যাগ*নেন্ট! পেটে ভিষন ব্যাথা হওয়ায় আম্মুকে জানালাম, আম্মু ডাক্তারে কাছে নিয়ে গেলো কিছু টেস্ট করানোর পর জানা গেলো আমি একটি কন্যা সন্তানের মা হতে যাচ্ছি...এই খবর টা পাওয়ার পর থেকে আম্মুর মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিলোনা

আমি খুব ভয় আর আতঙ্ক নিয়ে বললাম আম্মু আমি তো বিবাহিত না প্র্যাগ*ন্যান্ট কি রে হলাম??

আম্মুর চোখ রাগে ধ্বকধ্বক করে জ্বলছিলো...আম্মু হুং*কার ছেড়ে বলল তুই কোথায় কি করে এসেছিস তার কৈফিয়ত কি আমি দিব???

আমি লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বললাম আম্মু বিশ্বাস করো আমি কারো সাথে কিছু করিনি?

আম্মু চিতকার করে বলল তাহলে কি বাচ্চা আকাশ থেকে টুপ করে তোর পেটে এসে পড়েছে??নির্লজ্জ বেহায়া মেয়ে!!

আমি অসহায় দৃষ্টিতে আম্মুর দিকে কিছুখন তাকিয়ে থেকে ঝরঝর করে কেদে দিলাম, তারপর দৌড়ে পাশের রুমে গিয়ে আমার ভালোবাসার মানুষটিকে কল দিলাম, যার সাথে আমার বিয়ে মোটামুটি ঠিকঠাক, ৩ বছরের সম্পর্ক! কিন্তু এবার মনে হয় আর টেকানো যাবেনা সম্পর্কটা

আর আম্মুর ধারনা আবির ই বাচ্চার বাবা!!কিন্তু আবির যথেষ্ট ভদ্র একটা ছেলে, আমার হাত ধরা ছাড়া আর কোনোদিন বাজে স্প*র্শ দূরে থাক বাজে দৃষ্টিতে দেখেনি পর্যন্ত!আবির কি নিয়ে আমি এমন ভাবতেই পারছিনা।

আবির কে ভয়ে ভয়ে ফোন করে বললাম, আবির আমি প্র্যাগ*ন্যন্ট, একটা মেয়ে বাবু হবে আমার...

আবির বলল হুররে!! আমি তাহলে মেয়ের বাবা হচ্ছি।

আমি চমকে উঠে বললাম তার মানে তুমি আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমাকে কলঙ্কিত করেছো, কিন্তু কিভাবে আমার তো কোনো অন্ত*রঙ্গ মূহূর্ত্বের স্মৃতি মনে পড়ছেনা! বলো সত্যি করে...

আবির এবার কিছুটা বিচলিত হয়ে বলল, মিরা তুমি কি সিরিয়াস?

আমি কনফিডেন্টলি বললাম হু অবশ্যই সিরিয়াস, আজকেই রিপোর্ট পেলাম!

আবির এবার কেমন চুপসে গেলো, গলা শান্ত করে বলল মিরা তুমি জান আমি কেমন মানুষ, তোমার থেকে কতহাজার কিলোমিটার দূরে জাপানে আছি, তিনবছরের সম্পর্কে আমাদের হাতে গোনা কয়েকবার দেখা হয়েছে, এটা কি করে সম্ভব যে তোমার গর্ভের সন্তানের বাবা আমি? মিরা তুমি সত্যি করে বলো কি হয়েছে?

এ কথা গুলো শোনার পর আমি খুব হতাশ হয়ে গেলাম, এটলিস্ট আবিরের বাচ্চার মা হলেও এতোটা কষ্ট হয়ত লাগতো না, কিন্তু এখন আমি কি করব?
আমি হাউমাউ করে কাদতে কাদতে ফোন রেখে দিলাম....
আমি জানি আমি একটা সতিসাধ্যি মেয়ে,

আবির ছাড়া আমি কারো সাথে মিশিনি আর আবিরের সাথেও আমার কোনো শারী*রিক সম্পর্ক হয় নি, তাহলে কোথা থেকে এলো এই বাচ্চা?

আমার মনে ভয় ঢুকে গেলো, আমি কি তাহলে এই যুগে বিবি মরিয়মের মত সন্তান ধারন করেছি? নাকি আমার পেটে ইফ্রি*দের বাচ্চা?

পরী মুভির কথা মনে পড়ে গেলো....কিন্তু এই সমাজে কোনো এক্সকিউজেই তো আমাকে মেনে নিবেনা...আমি মনে মনে ভাবলাম দ্রুত এবোরশন করাতে হবে...
ঠিক ঐ সময় আবিরে ফোন এলো,

বলল মিরা আমি আমি তোমাকে ভালোবাসি তাই তোমার বাচ্চার বাবা আমি হতে চাই, তুমি চিন্তা করোনা আমি আমার বাবা মাকে বলব তোমাকে অনেক আগে গোপনে বিয়ে করেছি আর এই সন্তান আমাদের...আমি তোমাকে হারাতে চাই না মিরা....

আমি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না, মানুষ এতো ভালো ও হয়...আমি কাদতে কাদতে বললাম আবির বিশ্বাস করো আমি কিছু করিনি....
আবির ও নীরবে কাদছিলো, হয়তো ও এমনটা চায় নি....
সুখে শান্তিতে সংসার করতে চেয়েছিলো...

আমি ফোন রেখে আম্মুর কাছে গিয়ে আবিরের কথা বললাম, আম্মু চুপচাপ শুনলো কিছু বললনা...
তারপর বললাম আম্মু আমার মনে হয় পেটে টিউমার হয়েছে....প্লিজ আম্মু চলো আরেকবার চেকআপ করি...

কথা শেষ না করতেই আম্মু এমন ধমক দিলো যে আমি কেপে উঠলাম....ধড়ফর করে চোখ খুলে দেখলাম আমি এতোখন স্বপ্ন দেখছিলাম। বিশ্বাস করেন এই স্বপ্ন দেখার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না রাসেল ভাই!!!
রাতে বেশী করে পানি খাওয়ায় অনেক হি*সু পেয়ে তলপেট ব্যাথা হয়ে আছে...😭
এই ব্যাথার চোটে এই স্বপ্ন দেখছি😭
বাট কে সেই স্বপ্নের আবির আমি জানিনা, কত ভালো ছেলেটা😍

মোরাল অফ দ্যা স্টোরি,"রাতে কম পানি খাবেন"😭

01/26/2023

হেলপার শুধু বলেছিলো " ওস্তাদ বামে আপনার এক্স আর ডানে প্লাস্টিক "😅

01/22/2023

মানবতার জয় হুক🥴🥵

01/11/2023

ভাবির খিচুড়ি😁

পাশের বাসার ভাবির দরজায় গিয়ে নক করলাম। ভাবির শ্বাশুড়ি আমার দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে। তিনি কনফিউশানে আছেন আমাকে ভিতরে ঢুকতে বলবেন না-কি বাইরে থেকেই বিদায় করে দিবেন।

শেষমেশ পান চিবানো থামিয়ে এক গাদা রস গিলতে গিলতে বললেন, 'কী হয়েছে, রাজিব ?'

-ভাবি, আসতে বলছিলেন।

তিনি সরে দাঁড়ালেন। আলী বাবা ও চল্লিশ চোর গল্পের মতো চিচিং ফাঁক স্টাইলে দরজাটা খুলে গেল। আমি ভিতরে গিয়ে বসলাম।

ভাবির মেয়ে অবন্তি বসে বসে কার্টুন দেখছে। আমার দিকে কেমন যেন অবাক দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে। আমি ওর কার্টুন চুরি করে নিয়ে যেতে পারি চেহারায় এমন একটা আতঙ্কের ছাপ এনে বলল, 'আঙ্কেল, তুমি কী আমাদের বাসায় কার্টুন দেখতে আসছ?'

-না মামণি, তোমার আম্মু আসতে বলছে।

আমার কথা শুনেই মেয়েটা আম্মু আম্মু বলে চিল্লাতে চিল্লাতে ভিতরে ঢুকে গেল।

একা একা বসে মোটু পাতলু দেখছি। কিন্তু হঠাৎ করেই কী জন্য যেন মনে হলো মোটু ক্যারেক্টারটা আমার সামনে চলে এসেছে। ভালো করে খেয়াল করতেই দেখলাম কার্টুনের মোটু না, ভাবির শ্বশুর মোটু আঙ্কেল, মানে জমসেদ আঙ্কেল দাঁড়ানো।

-কী ব্যাপার রাজিব, তোমার আব্বু ভালো আছেন?

-আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল, জি ভালো আছেন। আপনি কেমন আছেন?

-আল্লাহ রাখছেন। তা, এত সকাল সকাল কী মনে করে?

-জি..ভাবি আসতে বলছিলেন।

-ওহ্...

ওহ্ বলেই জমসেদ আঙ্কেল ভিতরে চলে গেলেন। আঙ্কেল ভিতরে যেতে না যেতেই আঙ্কেলের মেয়ে পুষ্পিতা বেরিয়ে আসল। দূরে ডাইনিং টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে মেয়েটা আমার দিকে কেমন যেন সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে।

পুষ্পিতা মেয়েটা দেখতে খারাপ না। একসময় আমার ভালোই লাগত। কিন্তু আফসোস! প্রেম করে একটা বখাটের সাথে। আসলেই মেয়েরা কখনো ভালো ছেলেদের সাথে প্রেম করে না। তারা খারাপ ছেলেদেরকে ভালো করবার এক মহান ব্রত নিয়ে জন্মায়। নইলে কী আর আমার মতো একটা ভালো ছেলের এখনো সিঙ্গেল থাকা লাগে!

পুষ্পিতা দূর থেকেই বলল, 'রাজিব ভাইয়া, কেমন আছেন?

-ভালো। তুমি কেমন আছ?

-জি, ভালো। তা, হঠাৎ আমাদের বাসায় যে?

-ভাবি আসতে বলছেন।

-ওহ্...

-ভাবি কই?

-হাতে মেহেদী লাগায়।

তা, মেহেদী ভাই কই?

-ভাইয়া, গোসলে।

পুষ্পিতা যেতে না যেতেই মেহেদী ভাই এসে হাজির। মেহেদী ভাই আর আমার বড় আপু ব্যাচমেট ছিল। কলেজে পড়ার সময় মেহেদী ভাই সারাদিন আমাদের বাসার আশেপাশে ঘুরঘুর করত। টাওয়েলে মাথা মুছতে মুছতে মেহেদী ভাই জিজ্ঞেস করল, 'কিরে রাজিব, কী অবস্থা?'

-জি ভাই, ভালো। আপনি কেমন আছেন?

-আর থাকা! বিবাহিত মানুষদের থাকা-টাকা নাই রে..এখনোও তো বিয়ে করিসনি, বুঝবি না।

-হেহেহেহে..

-হাসিস না, যা বলছি সত্যি। তা, মিতুর কী অবস্থা?

-আপু আসবে তো, নেক্সট উইক। বাসায় আইসেন।

-তা, হঠাৎ সকাল সকাল আমাদের বাসায়? কখনো তো আসিস না!

-ভাবি আসতে বলছিলেন।

-ভাবি!

-জি, ভাই।

মেহেদী ভাই ভিতরে যাওয়ার আগে আমার দিকে এমন একটা লুক দিয়ে গেলেন যেন আমি তার বউটাকে চুরি করে নিয়ে যেতে এসেছি।

বুঝলাম না বেশি সকাল সকাল চলে আসলাম না-কি! সবাই আমার দিকে এমন উদ্ভট উদ্ভট লুক দিচ্ছে কীজন্য? অবশ্য ছুটির দিন-- বেলা বারোটাও কারো কারো কাছে ভোর।

আরো পাঁচ মিনিট পর ভাবি আসলেন। কিছুটা শঙ্কিত, কিছুটা চিন্তিত, কিছুটা বিরক্ত মুখ ভঙ্গি করে বললেন, 'কী ব্যাপার রাজিব, কেমন আছ?'

-ভালো, আপনি?

-হুম, ভালো। তা, আমি না-কি তোমাকে আসতে বলছি?

-জি ভাবি।

-কিন্তু কখন! আমার তো মনে পড়ে না।

-জি ভাবি, বলছেন।

আমার এমন কনফিডেন্টলি এন্সার শুনে ভাবি ভিরমি খেয়ে গেলেন। একটু নিচু সুরে বললেন, 'সিরিয়াসলি?'

-জি ভাবি, সিরিয়াসলি।

-কিন্তু কখন..বলো তো একটু?

-কেনো! আপনিই না গতকাল রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিলেন...বন্ধুরা আজ খিচুড়ি রান্না করলাম, যারা যারা খেতে চাও এক্ষুনি বাসায় চলে আসো।

ভাবি ছেলেমানুষের মতো রাগে চোখ-মুখ শক্ত করে বললেন, 'তুমি সে জন্য এই সকাল সকাল বাসায় চলে আসছ?'

-জি ভাবি, রাতেও একবার আসছিলাম। আপনারা বোধ হয় গতকাল একটু তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ছিলেন। নিচে কলাপসিবল গেটে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করলাম; কিন্তু কেউ খুলল না।

ভাবি রাগে আমার দিকে সাধু-সন্ন্যাসীদের মতো তাকিয়ে আছেন। আমি যেকোনো সময় ভস্ম হয়ে যেতে পারি। ভস্ম হই আর যাই হই আজকে ভাবির হাতের খিচুড়ি না খেয়ে আমি কোথাও যাচ্ছি না। তবে বুঝতেছি না ভাবি খিচুড়ি খাওয়াবেন কি-না।🙊
💙

12/27/2022

মেট্রোরেল সম্পর্কে কিছু দুঃসংবাদ
==≠=====================
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৯ তারিখে ঢাকায় মেট্রোরেল চালু হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। তাই নির্ঝঞ্ঝাট ট্রেন যাত্রার জন্য কিছু তথ্য জানা জরুরীঃ-
১। এ ট্রেনের টিকেট পাতলা কাগজের হবেনা, প্লাস্টিক কার্ড। একবার কিনে শুধু টাকা রিচার্জ করবেন, ব্যাস আর টিকেট কাটার ঝামেলা নেই। যাদের এ সিস্টেম পছন্দ না, তারা প্রতিবার স্টেশনে ঢোকার সময় মেশিন/কাউন্টার থেকে টিকেট কাটতে পারবেন ।
২। টিকেট ছাড়া ট্রেনে ওঠা যাবে না। ট্রেনে উঠার আগে স্টেশনে ঢোকার মুখেই কার্ড চার্জ করে ভিতরে ঢুকতে হবে। কার্ড ছাড়া দরজা খুলবে না। তাই বিনা টিকেটে ঘোরার চিন্তা বাদ । অল্প দূরের টিকেট কেটে বেশি দূরে যেয়েও শান্তি নেই, অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ না করলে বের হওয়ার গেইট খুলবেনা।
৩। ট্রেনের সীটগুলা শক্ত প্লাস্টিকের তৈরি, ফোম-রেক্সিনের তৈরি না। তাই ব্লেড দিয়া কাটার সুযোগ নেই। কাটাকুটির অভ্যাস যাদের আছে তাদের জন্য দুঃ সংবাদ । আর যারা কাটা রেক্সিনের ফাক দিয়া টেনেটুনে ফোম ছিড়তো, তারা অগত্যা মাথার কেশ ছিড়তে হবে।
৪। কিছু আদম সন্তান আছে ট্রেন দেখলেই যাদের ঢিল ছুড়তে হাত নিশপিশ করে, তাদের জন্য বিরাট দুঃসংবাদ। এত উপড়ে ঢিল মারা যাবেনা, আর ট্রেন চলবে শহরের মধ্যে দিয়ে। ঢিল মারার সময় পাবলিকের হাতে ধরা খেলে কিন্তু মাইর একটাও মাটিত পরবেনা।
৫। জার্নি বাই ট্রেন করার সময় বাদাম খেয়ে খোসা ফেলে ট্রেন নোংরা করা অনেকের হবি। এখানেও হতাশার খবর। ট্রেনে বাদাম ওয়ালা থাকবেনা। বাইরে থেকে বাদাম কিনে উঠলেও সি সি ক্যামেরায় ধরা পড়বেন আর ট্রেন নোংরা করার দায়ে জরিমানা দিয়ে বের হতে হবে।
৭। অনেক বান্দা আছেন যারা ট্রেনের ছাদে না উঠলে ভ্রমনের মজা পান না, তাদের জন্য ও দুঃসংবাদ। এই ট্রেন বিদ্যুতে চলে, তাই ছাদের উপরে বিদ্যুতের তার থাকবে। ছাদে উঠলে হাই ভোল্টেজ তারের সাথে লেগে আলুপোড়া হয়ে যাবেন ।. অতএব, সাধু সাবধান!!!
৮। সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ হচ্ছে ট্রেনে কিন্তু বাথরুম নেই। ট্রেনে উঠেই বাথরুমে যাওয়ার অভ্যাস যাদের, তারা হতাশ হবেন।
আপাতত এ পর্যন্তই। ভালো থাকেন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Austin?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Austin, TX