Arisa Chowdhury
ข้อมูลการติดต่อ, แผนที่และเส้นทาง,แบบฟอร์มการติดต่อ,เวลาเปิดและปิด, การบริการ,การให้คะแนนความพอใจในการบริการ,รูปภาพทั้งหมด,วิดีโอทั้งหมดและข่าวสารจาก Arisa Chowdhury, Writer, Bang Kapi.
পুরুষ লুচ্চামিতেই সুন্দর😂😛
12/06/2026
মানুষের জীবনটা কত বিচিত্র, তাই না? সময় বয়ে যায় তার আপন গতিতে, আর সেই স্রোতে আমরাও বদলে যাই প্রতিনিয়ত। মাঝে মাঝে পরিচিত কোনো মুখকে হঠাৎ দেখলে বুকের ভেতরটা কেমন জানি হু হু করে ওঠে।
অনেকদিন পর আমাদের পরিচিত মুখ সাঈদ খোকন ভাইকে দেখা গেল। কিন্তু এ কোন সাঈদ খোকন? প্রথম পলকে দেখলে হয়তো অনেকেই থমকে যাবেন, চিনতে কষ্ট হবে।কেউ কেউ হয়তো ভুল করে গায়ক নোবেলের সাথেও গুলিয়ে ফেলবেন।
কিন্তু এই যে আমূল পরিবর্তন—মাথায় লম্বা চুল, একগাল দাড়ি, আর চেহারায় এক অন্যরকম প্রশান্তি—একেবারে যেন এক *দয়াল বাবা সাজএই রূপটি কি কেবলই বাহ্যিক কোনো পরিবর্তন, নাকি জীবনের কোনো গভীর উপলব্ধি বা অন্তরের কোনো নীরব সাধনার প্রতিচ্ছবি?
প্রিয় মানুষের এমন অচেনা রূপ দেখে মনে হয়, ক্ষমতার দাপট আর রাজপথের কোলাহল ছেড়ে মানুষ বোধহয় শেষমেশ নিজের ভেতরের সেই নিভৃত মানুষটির কাছেই ফিরে যেতে চায়। সময়ের এই দীর্ঘ বিরতি তার চেহারায় যে ছাপ রেখে গেছে, তা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পৃথিবীতে কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়, কেবল পরিবর্তনই ধ্রুব।
ভালো থাকুন সাঈদ খোকন ভাই, আপনার এই নতুন পথচলা হোক শান্তিময়।
12/06/2026
পবিত্র কুরআনের সূরা আল-মায়েদার ৫১ নম্বর আয়াত শরীফে আল্লাহতাআলা বলেন: “হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” [আল-মায়েদা ৫:৫১]
আর এদিকে আমার দেশের সোনার ছেলেরা আর্জেন্টিনার পতাকা উওোলন করতে গিয়ে কারেন্ট এ শট খেয়ে মারা যায়।
12/06/2026
আজ বড় অদ্ভুত এক দোলাচলের মধ্য দিয়ে আমরা যাচ্ছি। আখণ্ড ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে যখন একজন বাঙালিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন মনের কোণে এই প্রশ্নটা কি বারবার উঁকি দেয় না—তবে কি ষড়যন্ত্রের জাল আরও গভীরে বোনা হচ্ছে?একজন নবনিযুক্ত কূটনীতিক যখন এই ধরণের কথা বলেন, তখন দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকে আমাদের কি প্রতিবাদ জানানো উচিত নয়?আজ যদি আমাদের দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলগুলো রাজপথে নেমে বিক্ষোভ না করে, তবে কি আমরা আমাদের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলব না?
যদি মিলেমিশেই থাকতে হয়, তবে সেই পরিচয় কেন আমাদের এই প্রিয় 'বাংলাদেশ' হবে না? ভারত নামে কোনো ভিন্ন সত্তা না রেখে, যদি সবাই আমাদের এই লাল-সবুজের পতাকার নিচে, বাংলাদেশ পরিচয়েই এক হতে পারত, তবেই হয়তো প্রকৃত সার্থকতা খুঁজে পাওয়া যেত।
আমাদের আবেগ, আমাদের ভাষা আর আমাদের এই এক টুকরো জমিন যেন কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের দাবার ঘুঁটি না হয়। সময় এসেছে সোচ্চার হওয়ার, সময় এসেছে নিজের দেশকে আগলে রাখার।
দেশ বড় না কি কূটনীতি? উত্তরটা আমাদের সবার ভেতরেই আছে। আসুন, আমরা আমাদের পরিচয়কে রক্ষা করি।
12/06/2026
শত্রুর সাথে কি কখনো প্রকৃত বন্ধুত্ব হয়? হয়তো হয় না। ইতিহাস আর বর্তমান বারবার আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, ভারত আমাদের কোনো অকৃত্রিম বন্ধু নয়, বরং এক প্রকাশ্য শত্রু।সম্পর্কের মায়াজালে আমরা বারবার নিজেদের হারিয়েছি, কিন্তু বিনিময়ে কী পেয়েছি?
আজ তারা দাবার চাল খেলছে নিজেদের ‘চিকেন নেক’ আর ‘সেভেন সিস্টার্স’ রক্ষার নেশায়। অথচ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এই খেলায় কেবলই তাদের স্বার্থ রক্ষার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আমাদের এখন সময় হয়েছে চরম সতর্ক হওয়ার। অদূর ভবিষ্যতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আমাদের বুঝতে হবে যে, ভারত আমাদের বন্ধু নয়—এই রূঢ় সত্যটি বারবার প্রমাণিত।
হৃদয়ে প্রশ্ন জাগে—দাদারা যদি সত্যিই আমাদের এক ভাবতেন, তবে কেন এই নিঠুর কাঁটাতারের বেড়া? কেন প্রায়ই পুশ-ইন করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হয়? আর কেনই বা সীমান্তে আমাদের ভাইদের রক্তে মাটি ভেজে?যদি ভালোবাসা থাকতো, তবে সীমান্তে লাশের মিছিল হতো না।
আমাদের দাবি পরিষ্কার—তাদের সাথে কেবল ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক চুক্তি হতে পারে, কিন্তু অন্ধ আবেগ বা বন্ধুত্বের নামে সার্বভৌমত্ব বিলিয়ে দেওয়া নয়।সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের এখনই সাবধান হতে হবে। দেশের মাটিকে ভালোবেসে, দেশের মানুষকে ভালোবেসে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।
নিজের দেশের নিরাপত্তা আর মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস নেই। আসুন, সজাগ হই, সতর্ক থাকি।
12/06/2026
সম্প্রতি দেবিদ্বার মডেল কলেজের উত্তর গেটে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিয়ে যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, তার পেছনের সত্যটা কি আমরা একবারও জানার চেষ্টা করেছি?
একদিকে সেই অসহায় বাবার ছবি, যিনি বার্ধক্যে উপনীত হয়ে চোখের পানিতে ভিজে পাঞ্জাবি গায়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন।যে বাবা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিজের মেয়েকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে একজন 'শিক্ষিকা' হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন, আজ সেই বাবার এমন পরিণতি দেখে কার না বুক ফেটে যায়? ভিডিওতে মা-মেয়ের হাতে লাঠি দেখে আমরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছি, ভেবেছি এটা চরম অমানবিকতা।
যাদের আমরা 'অত্যাচারী' বলছি, তাদের জীবনের ওপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে তা কি কেউ দেখেছেন?
১.ওই বৃদ্ধ বাবা গত দুই-তিন বছর ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম অসুস্থ। তিনি দুইবার ব্রেইন স্ট্রোক করেছেন এবং বর্তমানে ভারসাম্যহীন।
২. তিনি প্রায়ই কাউকে কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং পথ হারিয়ে ফেলেন। একবার তাকে কুমিল্লা থেকে নয়, বরং সাভার থেকে উদ্ধার করতে হয়েছে!
৩. ভিডিওতে যে লাঠি দেখা গেছে, তা আসলে বাবার হাতেই ছিল। তিনি অসুস্থতার কারণে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আবারও হারিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাতে মা-মেয়ে নিরুপায় হয়ে লাঠি দেখিয়ে তাকে ঘরে ঢোকানোর চেষ্টা করছিলেন।
মাছরাঙা টিভির মতো বড় মাধ্যমগুলো যখন কোনো তথ্য যাচাই না করে "প্রবাসফেরত বাবাকে নির্যাতন" শিরোনামে খবর প্রচার করে, তখন সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হবেই।অথচ সত্য হলো, তিনি ২০০৫ সালেই প্রবাস থেকে ফিরেছেন এবং এই পরিবারটি তাকে পাগলের মতো খুঁজে বেড়ায় যখনই তিনি হারিয়ে যান।
একজন অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে এবং একজন বয়স্ক শিক্ষিকা মা মিলে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষকে সামলাতে গিয়ে যে কতটা কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছেন, তা কেবল তারাই জানেন। অথচ না বুঝে আমরা তাদের ওপর মানসিক নির্যাতনের পাহাড় চাপিয়ে দিচ্ছি।
অনতিবিলম্বে এই গুজব ছড়ানো বন্ধ করুন।না জেনে কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করা বন্ধ হোক। ভিডিওর পেছনের হাহাকার বুঝুন। ওসি সাহেব নিজে এসে পুরো ঘটনা তদন্ত করেছেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্নেহ, মায়া, মমতা বৃথা নয়; বরং পরিস্থিতির শিকার হয়ে আজ একটি পরিবার ধ্বংসের মুখে।দয়া করে সত্য জানুন এবং এই পোস্টটি শেয়ার করে ভুল ভাঙাতে সাহায্য করুন।
12/06/2026
একটি পডকাস্টে জিয়াউক হক বলেছেন,অনেকে হয়তো ভাবেন ডিজিটাল ব্যবসা মানেই শুধু অ্যাপ বানানো। কিন্তু শপ-আপ প্রমাণ করে দিয়েছে, বড় স্বপ্ন আর সঠিক এক্সিকিউশন থাকলে বাংলাদেশ থেকেই গ্লোবাল সাম্রাজ্য গড়া সম্ভব!
শপ-আপ শুরু থেকেই বাজারের সেরা ট্যালেন্টদের হায়ার করেছে এবং তাদের কোম্পানির মালিকানার অংশ (ESOP) দিয়েছে।যখন একজন এমপ্লয়ি নিজেকে মালিক মনে করে, তখন কোম্পানির গ্রোথ কেউ আটকাতে পারে না!
কোভিডের সময় যখন সব লজিস্টিক বন্ধ, তখন শপ-আপ-এর 'রেডএক্স' (RedX) দাপিয়ে বেড়িয়েছে এবং মাত্র ৪ মাসে মার্কেট লিডার হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের সময় যখন ইনভেস্টমেন্ট বন্ধ হচ্ছিল, তারা তখন নিজেদের প্রফিটেবল করে তুলেছে।
শপ-আপ-এর 'মোকাম' (Mokam) সরাসরি ফ্যাক্টরি থেকে পণ্য মুদি দোকানে পৌঁছে দিচ্ছে, মাঝখানের সব মিডল-ম্যান বাদ দিয়ে।অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য, ঢাকার মেজরিটি পাঙ্গাস মাছ এখন মোকাম সরবরাহ করে এবং শুধু এই এক সেক্টর থেকেই তাদের বাৎসরিক আয় প্রায় হাজার কোটি টাকা!
শপ-আপ এখন আর শুধু বাংলাদেশে সীমাবদ্ধ নেই। তারা সৌদি আরবের কোম্পানির সাথে মার্জার করে ১২০০ কোটি টাকার ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে এসেছে।কাতার ও কুয়েতের ফান্ডও এখন তাদের সাথে। সরিষার তেল আর মুড়ি এক্সপোর্ট দিয়ে শুরু হলেও তাদের ভিশন এখন পুরো মিডল-ইস্ট এবং আফ্রিকার মার্কেট দখল করা।
- আমরা গর্ব করি ১৮ কোটি মানুষের, কিন্তু আমরা আসলে 'ম্যান-পাওয়ার' না হয়ে 'ম্যান-লায়াবিলিটি' হয়ে যাচ্ছি কারণ আমাদের অধিকাংশ খাদ্যপণ্য (চিনি ৯৯%, গম ৯৫%, ভোজ্য তেল ৯০%+) আমরা আমদানি করি!
- কেন আমরা শুধু বিদেশের রাস্তা পরিষ্কার করব? কেন আমরা স্কিলড কেয়ারগিভার, অটোমোবাইল মেকানিক বা জাপানিজ/অ্যারাবিক ভাষা শিখে ডিসিশন-মেকিং পজিশনে যাব না?
আমাদের দেশে জুট, লেদার আর আরএমজি-র মতো গোল্ডমাইন আছে, অথচ আমরা বিলিয়ন ডলারের ব্র্যান্ড বানাতে পারছি না কারণ আমাদের মেধাবীরা শুধু ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়, ডিজাইনার বা উদ্যোক্তা না।
ব্রিটিশ আর পাকিস্তানিদের শোষণে আমরা বড় স্বপ্ন দেখা ভুলে গিয়েছিলাম। এখন সময় এসেছে সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার।১৫-৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বদলে যাবে, যদি আমরা শুধু লোকাল না, গ্লোবাল ভিশন নিয়ে কাজ করি।
লেখা- Arisa Chowdhury
12/06/2026
আমার হৃদয়, আমার অনুভূতি, আমার সিদ্ধান্ত…
যেখানে অন্যরা বাঁধা দেয়, আমি বিদ্রোহ করি।
আমি নিজেকে বলি, “তুমি শক্তিশালী, তুমি স্বাধীন, তুমি নিজেই তোমার পথের আলো।”
12/06/2026
আমি আমার মনের প্রতিনিধি
আমি নিজেকে মেইনটেইন করি।
কোনো শর্তে,কারোর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে চাই না।
আমার জীবন, আমার সিদ্ধান্ত, আমার নিয়ম।
যেখানে অন্যরা সীমা টানার চেষ্টা করে, আমি স্বাধীনতার পথে হাঁটছি।
আমি নিজেকে বোঝার চেষ্টা করি, নিজেকে বাঁচাই, নিজেকে ভালোবাসি।কারণ নিজের প্রতি বিশ্বাস ছাড়া কেউই শক্তিশালী হতে পারে না।
একদল মেয়ে কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা ছাড়াই স্রেফ চেহারা আর ফিটনেসকে পুঁজি করে একজন সফল পুরুষকে পাওয়ার স্বপ্ন দেখে। এই নির্লজ্জ আত্মবিশ্বাসের পেছনে দায়ী আসলে পুরুষেরা!আপনারা যদি মেয়েদের রূপ দেখে লালা না ফেলে তাদের বুদ্ধিমত্তা, যোগ্যতা আর চিন্তাশক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতেন, তবে আজ মেয়েরা পার্লারে লাইন না দিয়ে বইয়ের দোকানে ভিড় বাড়াতো।
মনে রাখবেন, সুন্দর চেহারা সৃষ্টিকর্তার দান, এটা কোনো অর্জন নয়।কিন্তু আফসোস, আপনারা জ্ঞানী নারী সহ্য করতে পারেন না, কারণ আপনাদের ঠুনকো অহংবোধ মনে করে জ্ঞান কেবল পুরুষের একচেটিয়া সম্পত্তি!
বাস্তবতা হলো—টাকা দিয়ে সুন্দরী নারী কেনা যায়, কিন্তু বুদ্ধিমত্তা বা জ্ঞান বাজারে কিনতে পাওয়া যায় নাআপনারা যতই আদর্শের বুলি আওড়ান না কেন, এই দুনিয়াটা এখন সৌন্দর্যের সস্তা দালালে পূর্ণ।যারা সস্তায় ডানায় ভর করে ওড়ার চেষ্টা করছেন, তাদের জেনে রাখা ভালো—চড়া দামে প্রভাবশালীরা আগেই পুরো আকাশটা কিনে নিয়েছে।২১ পৃষ্ঠার নোট লিখেও এই সমাজকে জাগানো অসম্ভব, কারণ এরা চামড়ার চাকচিক্যের নেশায় অন্ধ হয়ে আছে।
লেখা : Arisa Chowdhury
คลิกที่นี่เพื่อเป็นสมาชิก?
ประเภท
ติดต่อ บุคคลสาธารณะ
เว็บไซต์
ที่อยู่
Bang Kapi