RadioNum.Com

RadioNum.Com

Share

সব সমস্যার সমাধান একটাই, মেনে নাও, ছেড়ে দাও, নয়তো বদলে যাও।আল্লাহ বদনজর থেকে মুক্ত দেও।

20/05/2026

“সফলতা কী?
অনেক মানুষের কাছে সফলতা মানে আর্থিক স্থিতিশীলতা, ভালো সুনাম, সৌন্দর্য ইত্যাদি।
কিন্তু আমার কাছে! আল্লাহর কসম, পুনরায় আল্লাহর কসম! সফলতা হলো আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছে সেই একই পবিত্র আত্মা নিয়ে ফিরে যাওয়া, যা তিনি জন্মের সময় আমাকে আমানত হিসেবে দিয়েছিলেন।”

14/05/2026

মা'কে প্রায়শই আমার একটা চিঠি লিখতে ইচ্ছা করে। কাগজি লেবুর মতো সবুজ থেকে ক্রমশই হলদে হয়ে যায় আমার সারাটা দুপুর চিঠিতে কী লিখবো তা ভাবতে ভাবতে।

আমি ভাবি মায়েরে জিজ্ঞেস করব, কোন দুঃখটা মায়ের নরম মনকে বেশি পোড়ায়? তারপরে মনে পড়ে, মায়ের সবচেয়ে বড় দুঃখ তো আমি নিজে।আমি ছাড়া তো আমার মায়ের দ্বিতীয় বড় আর কোন দুঃখ নাই।

আরও ভাবি জানতে চাইবো, মায়ের শরীরটা কেমন যাচ্ছে? এই আলাপের এক ফাঁকে লিখে ফেলব, মায়েরে নিয়া আমার একদিন পাহাড় দেখতে যাওয়া শখের কথা।

শরীর ব্যাথার কথা লিখে লাভ নাই— প্রতিবার এই প্রশ্নের উত্তরে মা হাসবেন। ওই হাসি অতি সাধারণ শুঁকনো হাসি। এমনভাবে মা হাসেন যেন প্রত্যেক মায়েরই শরীর ব্যাথা থাকাটা খোদার এক নিষ্ঠুরতম বিধান।

আমি তো জানি—অসুস্থতা নিয়া শুঁকনো পাতার বুক ভেঙে অজু বানাইতে পুকুর পাড়ের দিকে যাইতে যাইতে মায়ের জীবনও আগাইয়া যাইতেছে ধীরে ধীরে মাগরেবের কাছে।

আমার আরোও জানতে ইচ্ছে করে, মায়ের কোন কোন সেজদাহ লম্বা হয় জায়নামাজে— ওই লম্বা সেজদার মাঝে মায়ে খোদার দরবারে কী চায়? নিশ্চয়ই সুস্থ মৃত্যু চান! আর চান সহি সালামতে কবর দেশে যাইতে—মানে আমারে ছাইড়া যাইতে চান।

মা'য়েরে প্রায়শই একটা চিঠি লিখতে ইচ্ছে করে আমার—

ছোটবেলায় মায়ের আমারে দেয়া মিথ্যে শান্ত্বনার মতো আমারও মায়েরে শান্ত্বনা দিয়ে চিঠিতে লিখে ইচ্ছে করে, মা তুমি খোদার কাছে মৃত্যু চাইয়োও না আর; ছাইড়া যাইতে চাইয়োও না আমারেও কোনদিন।

যদি কিনতে পাওয়া যায়— আমার যেদিন অনেক টাকা হবে, সেদিন আমি তোমারে একটা ব্যাক্তিগত জীবন কিন্ন্যা দিব।

14/04/2026

আমার খালি বাড়ির কথা মনে পড়ে—
মনে পড়ে আমার আব্বার কথা,আর নানুর হাতে চুমু খেয়ে নানুর মত ভালোবাসার দেয়ালে গোটা পরিবারকে আগলে রাখতে চাওয়া মায়ের মতোন দেখতে আমার বোনের কথা।

আমার খালি বাড়ির কথা মনে পড়ে—
মনে পড়ে আমার দাদার কথা। লুংগি টান দিতে দিতে দিতে গেয়ে ওঠা ভাটিয়ালি গানের কথা। যে গানের সুর এমন শীতল যে আমার শুধু ঘুম পায়। ঘুম আসলেই স্বপ্নে একটা সমুদ্র দেখতে পাই।

আমার খালি বাড়ির কথা মনে পড়ে—
মনে পড়ে আম্মার কথা। ঠোঁটের পাশে লেগে থাকা পুঁইশাকের তরকারি মাখা ভাতের ঝোল আম্মার আচঁলে মুছা জীবনের কথা। যে জীবন আমাদের আর নাই।

আমার খালি বাড়ির কথা মনে পড়ে—
মনে পড়ে আমার বন্ধুর কথা। একটা ভাঙা ছাঁতার ভেতর জড়সড় হয়ে বৃষ্টি মাথায় ভিজতে ভিজতে টুকটুক করে ইস্কুল থেকে বাড়ি ফেরা শৈশবের কথা। যে শৈশব বড় হবার লোভ দেখিয়ে জীবন আমাদের থেকে চুরি করে নিয়ে গেছে প্রকাশ্যে।

আমার খালি সেই বাড়ির কথা মনে পড়ে—
যে বাড়ি এক টুকরো রুটি, আর চিরকালই ক্ষুধার্ত আমরা সে রুটিকে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খেয়ে হাসতে চাই। জীবনের উত্থান পতন জানার পরেও যে বাড়িটিতে আমরা সবাই অনন্তকাল এক সাথে থাকতে চাই।

এই শহর আমার ভাল্লাগে না। এই টাকা পয়সা জমাইতে ভাল্লাগেনা।আমার শুধু বাড়ির কথা মনে পড়ে। হা-হুতাশ নিয়ে ঘুরতে থাকা গোটা কয়েক শক্ত মুখ ছাড়া এ শহরে আর কিচ্ছু নাই।

এই শহরের প্রতিটি শক্ত দেয়াল আর যান্ত্রিক মানুষের ভিতরে আমি মূলত আমার বাড়িটাকে খুঁজে বেড়াই। মাস্টারের কাছে ছোট্ট বেলায় ধরা বায়নার মত আমি খালি বাড়িতে যাইতে চাই...।

25/03/2026

ডিউটি থেকে এসে ফোন হাতে নিয়ে ফেসবুক স্ক্রল করতেই ছোট্ট একটা মেয়ের ভিডিও সামনে আসলো। মেয়েটা তার মৃত মায়ের কবরের পাশে বসে বিলাপ ধরে কান্না করতে করতে বলছে,"ও মা তোমার লগে আমারে নিয়া গেলানা কেন? আমারে এনে রাইখা গেছো কেন?"

মূল ঘটনাটা কি বুঝতে কমেন্ট বক্সে ঢুকে কয়েকটা কমেন্ট পড়ার পর বুঝলাম যে- মেয়েটি সৎ মায়ের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মৃত মায়ের কবরের পাশে বসে এভাবেই বিলাপ করে কাঁদছে।

কিছু মুহূর্তের জন্য মনটা এত খারাপ হয়ে গেলো। চুপ করে বসে রইলাম অনেক্ষণ। আমার কাছে পৃথিবীর সবচে ভারি কান্না হচ্ছে শিশুদের কান্না। আমার কাছে শিশুদের কান্নার চেয়ে ভারি পৃথিবীতে আর কিছু নাই।

আমাদের সমাজে সাধারণত দুই কারণে সন্তানরা অসহায় হয়ে পড়ে। প্রথমটা বিচ্ছেদ। বিচ্ছেদ হয় বাবা মায়ের, সম্পর্কটা ভাঙে, আর সম্পর্কের সেই ভাঙা টুকরোতে গোটা জীবন হাত-পা কাটে সন্তানরা।

দ্বিতীয় কারণটা হয়, হয় বাবার মৃত্যু- না হয় মায়ের মৃত্যু। মৃত্যুতে কারও হাত নেই, সন্তানের কথা চিন্তা না করে ভুলভাল মানুষকে দ্বিতীয়বার বিবাহ করে সন্তানের জীবনকে নরকে পরিনত করার দায় তো অবশ্যই বাবা-মায়ের।

আমি আমার আশপাশের অনেক ঘটনা দেখেছি এমন, অধিকাংশ মানুষ পরে দ্বিতীয়বার সংসার শুরু করে। শর্তসাপেক্ষ প্রথম সংসারের সন্তানের যত্ন, ভালো রাখার, মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সংসার শুরু করলেও বিবাহের পর আগের ঘরের সন্তানরা হয় চরম অবহেলিত না হয় অধিকাংশ সময় ভয়ংকর নির্যাতিত।

সামান্য প্রাণী মুরগীও তো নিজের সন্তানদের রক্ষা করতে শত্রুপক্ষের উপর ঝাপিয়ে পড়ে, জীবন বাজি রাখে। আর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠজীব মানুষ কি করে পারে দ্বিতীয় সংসারের ইন্ধনে প্রথম সংসারের সন্তানদের উপর অত্যাচার করতে, অবহেলা করতে, অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে? তাদের কি এতটুকু বুক কাঁপে না?

বলা হয়, আল্লাহ বলেন, যে এতিমের মাথায় হাত রাখলো সে যেন আমার মাথায় হাত রাখলো, আর যে এতিমকে কষ্ট দিলো- সে যেন আমাকেই কষ্ট দিলো।

এই যে ছোট্ট মেয়েটি কষ্টে এমন আহাজারি কান্না করলো মৃত মায়ের কবরের পাশে, সে তো মজলুম, তার এই কান্না কি খোদা শুনেন না? এই কান্না কি অভিশাপ হয়ে ঝরবে না?

24/03/2026

রাত। ছাদ। ভারি বৃষ্টি। নিকষ কালো অন্ধকার। আমার লিমিট চার, তৃতীয় নাম্বার প্যাগ শেষ।তবে এখন আর মদ খাইনা,কফি অথবা জুসকে প্যাগ বানিয়ে খাই।

আমার জীবন এত জটিল ছিল না। ভাবছি এত জটিল হলো কি করে? ছোটবোলায় যখন আব্বু মাইর দিত, আমি গিয়া লুকাইতাম আম্মুর পিছনে।

আম্মু আমারে মারতে পারতো না। রাগে গজগজ করতো আব্বু। আম্মু বলত, থাক না ,ছোট মানুষ একটু ভুল তো করেই বাচ্চারা।

আমি ভাবছি, আমি তো ছোট ছিলাম। বড় হলাম কী করে? বড় হওয়ার পর আমি কখনো ভুলটুল করতে চাই নাই। অথচ, সবাই আঙুল তুলে বলল তুমি ভুল।

আব্বা বলতো,ব্যাবসার টারে খাইছোস,আম্মু বলতো,পড়াশোনাটা শেষ কর।বোন বলল, তুই বিদেশ চলে যা এদেশে তোর কিছু হবে না। আর বন্ধু বলল, দেশকে ভালোবাসলে দেশে থাক এত দূরে থাকবি কী করে? প্রেমিকা বলল ,একটাকিছু করো।

সবার চাওয়ার মাঝে আমি কী চাইলাম সেইটাই হারায় গেল। আমি আসলে কী চাই? আমি মনে হয় ছবি তুলতে চাই। পাখির ডানার ছবি, ফুলের পাপড়ির ছবি, মাছের চোখের ছবি, আকাশের মেঘের ছবি।আমি মনে হয় ঘুরতে চাই।পাহাড়ের দেশ সাজেক,নিরিবিলি ঢেউে সমুদ্র।

কোন ইউটিউবার একদিন বলেছিলো-তুমি যতদিন ভাববে সমাজ কী বলছে, মানুষ কী বলছে—ততদিন তোমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। যেদিন তুমি অন্যের কথা ভাবা ছেড়ে নিজের লক্ষ্যের দিকে মন দেবে, সেদিন থেকেই তোমার সফলতার গল্প শুরু হবে।

তাইলে আমি করতেছিটা কী ছবি না তুলে?আমি কেন বিদেশে পড়ে আছি? আমার ছবি কই? এত অন্ধকার কেন? জীবনের পথে পথে এত মাইর খাইতেছি। কোথায় লুকাবো? আম্মু কই?

আম্মুর সাথে দুরুত্ব বেদে গেছে কবেই।আম্মু আমার বৃষ্টি বড়োই পছন্দ করতো। বৃষ্টি নামলেই বলত, নকিব যাহ বৃষ্টিতে ভিজে আয়।

মা, মা কোথায়? মার খুব জ্বর। আমার জ্বর হলে বিড়বিড় করে আমি মা'কে ডাকতাম। আচ্ছা, মা ও কী জ্বরের ঘোরে আমায় ডাকেন? কতদিন যে মায়ের হাতের রান্না খাই না, আহারে। ইদানীং খুব দেখতে ইচ্ছে করে মা'কে; এ শহরে আমার কেউ নেই। মা'র পাশে নিশ্চয়ই বাবা আছেন। অপেক্ষা করছেন, কবে নকিব ফিরবে।

নুসরাত কোথায়? নুসরাত কে? নুসরাত আমার প্রেমিকা। নুসরাত কি করে এখন? সম্ভবত ঘুমাচ্ছে। পাশে বর। নুসরাত আমাকে খুব চাইতো এখনো চায়।সম্ভবত, কারো ছেড়ে যাওয়া মেনে নেওয়া এতবেশী কষ্টের না ; কিন্তু অন্য কারো জন্য ছেড়ে যাচ্ছে এইটা মানা ভীষণ কষ্টের। না চাইতেও এক ভয়ানক যন্ত্রণা গলা চেপে ধরে।

আখেরি প্যাগ গলায় পড়েছে। কফির তিতায় মাথাটা ভনভন করছে। বৃষ্টি বেড়েছে আরও ঘন। শরীরটা যেন দুলতেছে পলিথিনের মত।নানুকে দেখা যাচ্ছে ছাদের নিচে রাস্তায় বৃষ্টির মাঝে দাড়িয়ে আছে। আমায় দু'হাতে ডাকতেছে, আয় নানু ভাই, আয় বৃষ্টিতে ভিজি।

আমি লাফ দেই জানালা থেকে। চোখটা বুজে আসে তীব্র ব্যাথায়।নানুর মুখটা ঝাপসা লাগে।

দেখতে দেখতে জিবনের সকল স্বপ্ন পুরন হয়েছে।

গভীর অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে আসে দু চোখের পাতা। অনন্তকালের দিকের যাত্রাটা বোধহয় এমন ই হয়...

17/03/2026

আমার একটা গাড়ি কিনার শখ। ঐ যে থাকে না বড় আয়না সহ এক ধরনের গাড়ি,খুব দামী ও লাক্সারি ; সে-রকম। আমি নাম জানি না। প্রতি মাসে নিজেরে গাড়ি কেনার কথা বললেই বলি, পরের মাসের বেতনটা পেলেই আমাকে আগে আমি কিনে দিব। প্রমিস। পাক্কা। এ মাস নিয়ে ছয় মাস গেল তবু আমার শখের গাড়িটা কিনে দেওয়া হলো না আমার।

বড় বোন ফোন করে। কিরে নকিব? একেবারে ভুলে গেছিস। বিয়ের পর ভাইদের বোনদের জন্য টান কমে, ভাইরা বদলে যায় তা জানি, একেবারে ভুলে যে যায় তা তো জানতাম না। আমি বোনের কথা শুনে মুচকি মুচকি হাসি। কথার একপর্যায়ে বোনে গলার স্বর কিছুটা উচু করে বলেন, তোর ভাগনী তো এবার মাদ্রাসায় ভর্তি হলো,সকাল সকাল মাইয়াডার ঘুম থেকে উঠা লাগে। নুহা(ভাগনী)ফোন কেড়ে নেয়, আমি মামার সাথে কথা বলবো।

ভাগনী আহ্লাদ করে বলে, এবার কিন্তু আমাকে তোমার অনেক চকলেট ,ডাভ লোশন আর একটা কানের দুল বানিয়ে দিতে হবে মামা। তুমি বলছিলা কানের দুল কিনে দিবা। আমি মুচকি হাসি। অবশ্যই দিবো মা, তুমি পড়াশোনা করো মন দিয়ে।

বাবার অসুস্থ অনেকদিন ধরেই। নুর ইসলাম ডাক্তারের টোটকা ঔষুধ খেয়ে সে অসুখ থেকে সেরে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে তিনি। অথচ কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। পায়ুপথে ফাংশনের কোন এক অংশে গণ্ডগোল হয়েছে। সব খাবার মুখে দিতে পারেন না। জোরকরে যদি একটু খায় পরোক্ষনে তা হড়হর করে নাড়িভুঁড়ির উল্টে পায়খানায় রক্ত সহকারে বেরিয়ে যায়।আমি বললাম বাবাকে একবার ঢাকাতে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারলে ভালো হয়,সাহস দিলাম।বাবা কোন বাহানা না করে পরের দিনই টেষ্ট করে অপরেশন করে ফেলছে।

সামনে ঈদ। রমজান ঈদ। চারদিকে নতুন জামা কেনার হিড়িক পড়েছে। মাকে জামা-কাপড় ও বাজার করার সামান্য টাকা দিলাম।তখন মা জানিয়ে দিয়েছেন যে, এ বছর উনাকে না দিলেও যেন উনার মেয়ের জন্য শপিং করার টাকা দেই। গত ইদেও দিতে পারিনি, এ ইদেও না দিলে পরের বাড়িতে মেয়ের আর ইজ্জত থাকবে না। মায়ের কথা তো সত্য, ভাইয়ের একটা দায়িত্ব আছে। বোনের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব তো বাবার পরে ভাইয়ের ই নিতে হয়।বোনরে টাকা দিতে গিয়ে দেখলাম বোন আমার জন্য উল্টো শপিং করে বসে আছে।

এইতো সেদিন আব্বুর জন্য একটা ফোন কিনলাম সারপ্রাইজের জন্য।আব্বু বললো বাবা আমার জন্য একটা আইফোন পাঠাবি আরেকটা লাইট পাঠাবি।যেই ফোনটা কিনছি রিটার্ন দিয়ে সবচেয়ে দামী আইফোন আর সবচেয়ে দামী লাইট কিনলাম।

এই আইফোনের পেছনে বাবার দীর্ঘ শ্বাস আছে।ইতালি থাকা কাকার আইফোন দেখে আব্বু বলেছিলো ফোনটা তুই আমারে দিয়ে যাইস।তখন কাকায় বলছিলো দাদা এই ফোন আপনে চালাতে পারবেন না।
সেদিন আব্বু দাম জিজ্ঞেস করতে পারেনি তাই আজকে বাবা আমার কাছে দাম শোনতে চাইতাছে,আব্বু আইফোনটা কত দিয়ে কিনছোস?দামটা শোনার পড়ে সে আইফোন নিতে নারাজ চুরির ভয়ে,পরে গিয়ে নষ্ট হওয়ার ভয়ে।মুনা তখন হাসতে হাসতে বললো তাহলে তোর হাতের ফোন পাঠাইদে।আব্বুর ভাষ্য একটা হাজার ২০ মধ্যে দিও।

একটু আগে খালাতো বড় ভাই ফোন দিয়েছেন। অত্যান্ত ছোটোখাটো হয়ে তিনি জানিয়েছেন, ব্যাবসাটা ভালো যাচ্ছে না উনার। ঈদের আগে দোকানে কিছু মালামাল তোলা প্রয়োজন। পুরো দোকান ফাঁকা দেখায়। ঈদের আগে আগে আমি যেনো কিছু টাকা ধার দেই মালামাল তোলার জন্য।

কয়েকদিন আগে ফুফু ফোন দিয়েছেন,অত্যান্ত আবেগ নিয়ে বললেন"ঈদে কিছু আমাকে খরচের টাকা দিস"তোর ফুফাতো ভাইটারে তোর কাছে নে।আমার এখন আর তোরা ছাড়া চাওয়ার কে আছে।

অনেক অপছন্দের মানুষ ও রোজ কল দেয়। যাদের থেকে আমার ক্ষতি ছাড়া কখনো উপকার হয়নি।হাদীর একটা কথা আছেনা"আমি শত্রুর সাথে করি আলিঙ্গন মৃত্যুর সাথে করি চুক্তি"আমি আমার শত্রুর সাথে ইনসাফ চাই।তারা ভালো থাকুক,তাদের জন্যেও উদার হতে চাই।

জিবন যতো সহজ করছি,ক্ষমা করতে শিখেছি ,ক্ষমা চাইতে পেরেছি,প্রতিশোধ অন্যভাবেও নেয়া যায় জেনেছি।ততোই ভালো আছি।আমি শুধু এতোটুকুই খুজে বেড়িয়েছি।

07/03/2026

কখনো কখনো মনে হয়, আল্লাহ আমাকে এমনই রাখুক,
সাধারণ, একটু অভাবের ভেতর, কিন্তু মানুষের কষ্টটা যেন বুঝতে পারি।
কখনো যেন মুখ দিয়ে না বের হয়
“আমার ঈদের বাজেট দুই লাখ…”
“এইবার তিন লাখের শপিং করবো…”
আমি বরং সেই মধ্যবিত্ত মানুষটাই হয়ে থাকতে চাই।
যে মানুষটা হিসাব করে বাজার করে,
নতুন কাপড় কিনতে গিয়ে দু’বার দাম জিজ্ঞেস করে,
তবু ঈদের দিন পরিবারের মুখে হাসি দেখলেই সব কষ্ট ভুলে যায়।
আমাদের ঈদটা একটু আলাদা।
নতুন জামা হয়তো একটা,
জুতা হয়তো গত বছরেরটাই…
তবু আনন্দটা সত্যি হয়।
তাই একটা কথা মনে রাখি—
আমাদের ঈদের বাজেট যতই হোক, আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যাদের কাছে ঈদ মানে শুধু একটা ভালো খাবারের আশা।
একবার খোঁজ নিয়ে দেখবেন…
আপনার পাশের সেই গরিব বা মধ্যবিত্ত পরিবারটা হয়তো কারো অপেক্ষায় আছে।
ঈদ শুধু নিজের আনন্দ না।
ঈদ তখনই পূর্ণ হয়,
যখন একটু সুখ আমরা অন্য কারো হাতেও তুলে দিতে পারি।

02/03/2026

আম্মা,
আপনারে থুইয়্যা এই অচেনা শহরে পইড়া আছি। আপনার লাইগা আমার মনটা ভীষণ পুড়ে। একশো তিন ডিগ্রী জ্বরে যেই কপালে আপনার হাত নাই সেই কপাল হতভাগা, যেই শহরে আমার জান্নাত নাই হেই শহর আমার কাছে নরক মনে হয় আম্মা। যেই ঘরে আপনি নাই হেই ঘরে আমার লাইগা তিন বেলা দুঃখ রান্ধন হয়। কতকিছু আছে দামি দামি আসবাদপত্র, আরাম দায়ক রুম, তবুও ক্যান জানি সব ফাঁকা ফাঁকা লাগে। নকিব আব্বুরে বইলা ডাক দেওনের মানুষ নাই আমার এইহানে আম্মা।

আব্বার লগে আমার শাসনের সম্পর্ক, আপনি হইলেন বন্ধু। বাড়ি থেইকা যেদিন আইছিলাম - আপনার সেলাম করনের পর সবার চেয়ে আপনি বেশি কানছিলেন, আপনার কান্না দেইখ্যা আমার বুক ফাইট্যা কান্না আইছিলো আম্মা! কিন্তু কানতে পারিনাই; আপনার মনখান ছোট হইয়া যাইবো দেইখ্যা। কানছি বাড়ি থেকে বাহিরে আইসা।

রাইত কইরা ঘুমাইলে কেউ আদুরে রাগ কইরা কয়না ঘুমা, রাগ কইরা না খাইয়া থাকলে কেউ আব্বাজান কইয়া মুখে খাওয়ন তুইল্যা দেয়না।দেরি করে বাসায় ফিরলে কেউ শাসন করে না আম্মা।

আম্মায়, আপনারে মেলা মনে পড়তাছে, চোখ ভিজ্জা আহে। খুব ইচ্ছা করতাছে নামাজের বিচনায় বসলে আপনার কোলে শুইয়া পরানডা ভইরা আপনারে দেখি। আপনার হাসি দেইখ্যা পরানডা জুড়াই, সব চাইতে বেশি মনে পড়ে খাইতে বইলে আম্মা, কতদিন আপনার হাতের তরকারি খাইনা।

আম্মা, আমার লাইগ্যা আপনে আপনার বিয়ার কানের দুলজোড়া,গলার হার বেইচা দিছেন। আপনি চিন্তা কইরেন না আম্মা, আপনার লাইগ্যা আমি সোনার দুল, গলার হার গড়াইছি,নিজের সব স্বপ্ন পুরন করছি।এইবার আহনের সময় নিয়া আসুম।মন চায় ঈশ্বর চন্দ্রের মতো সমুদ্র পাড়ি দিয়া ছুইটা আপনার কাছে চইলা আহি।

আম্মা,
আপনারে খুব ভালোবাসি, আপনে ভালা থাইকেন।

ইতি
আপনার আব্বাজান।

20/02/2026

জীবন কত ছোট তা ইদানীং খুব অনুভব করি। কত ক্ষুদ্র সময় নিয়ে এসেছি আমরা পৃথিবীতে। গত ভোরেও যারা শিশু ছিল, আজ তারা তরুণ; যারা তরুণ ছিল, তারা যুবক; যারা যুবক ছিল, তারা বৃদ্ধ।

গত বছর ইফতারের টেবিলে, নামাজের কাতারে, কিংবা ভোররাতের সেহেরিতে, চায়ের আড্ডায় যারা ছিল তারা অনেকেই এ বছর নেই। আমাদের বন্ধুদের তালিকায় প্রতিবছর কাটাকাটি হচ্ছে, সখ্যতা কমছে। একে একে সবাই চলে যাচ্ছে অনন্ত জীবনের দিকে।

এই বছর আমরা যারা আছি, আগামী বছর হয়তো তারাও থাকব না। জীবন বড়ই অনিশ্চিত। সময় বড়ই কম।

সৃষ্টিকর্তা যাদের নিজের কাছে ডেকে নিয়েছেন তারা সকলে খুব ভালো থাকুক। তাদের ওপারের জীবন সহজ হোক।

নিজেও এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি সেই অজানা জগতের, অনন্তকালের জীবনের। এই অপেক্ষা অযৌক্তিক নয়। এই জগৎ-সংসারের কিছুই আমার না। তাছাড়া মানুষ তো চিরকালই পৃথিবীর মর্গে দাঁড়িয়ে থাকে নিজের লাশের অপেক্ষায়।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Riyadh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Al Shahafa
Riyadh

Opening Hours

Monday 12am - 1am
Tuesday 12am - 1am
Wednesday 12am - 1am
Thursday 12am - 1am
Sunday 12am - 1am