Forhad's Blog
বাংলাদেশের সুন্দর ও দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে পাবে। ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য আমার ছোট্ট আয়োজন।
বাথা, রিয়াদ, সৌদিআরব।
সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় মসজিদের বাহিরের অংশ।
ছেলেটির বয়স প্রায় ১২ বছর ২ ফুট হবে না। বাবার সাথে নামাজ পড়তে আসছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে উত্তম জাযা ও কল্যাণ দান করবেন।
12/12/2025
রিয়াদ, সৌদি আরব।
You are my sunshine
My only sunshine
You make me happy
when skies are gray
You'll never know,
dear
how much I love you.
*সালাতে মুসল্লি পাঁচ স্তরে বিভক্ত। যথা:*
*এক:* ঐ মুসল্লি, যে তার নিজের আত্মার উপর মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার করেছে। সে সালাতের জন্য উত্তমরূপে অজু করেনি, নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করেনি এবং সালাতের ফরয, ওয়াজিব, সুন্নত ও আরকানগুলো ঠিকমতো আদায় করেনি।
*দুই:* ঐ মুসল্লি, যে নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করেছে। সালাতের ফরয, ওয়াজিব এবং বাহ্যিক আরকানগুলো ঠিকঠাক আদায় করেছে এবং উত্তম রূপে অজু করেছে। কিন্তু সে শয়তানের ওয়াসওয়াসার কবলে পড়ে তার আত্মিক প্রচেষ্টাকে নষ্ট করে ফেলেছে। যার ফলে শয়তানি ওয়াসওয়াসা এবং চিন্তাভাবনা করার সাথে সাথে তার সবকিছু হারিয়ে গেছে।
*তিন:* ঐ মুসল্লি, যে সালাতের ফরয, ওয়াজিব এবং বাহ্যিক আরকান গুলো ঠিকঠাক আদায় করেছে। শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও তার চিন্তাভাবনাকে প্রতিহত করার জন্য আর্থিক প্রচেষ্টাও করেছে। এই মুসল্লি তার সালাতে সার্বক্ষণিক তার শত্রু শয়তানের সাথে মোকাবেলায় ব্যস্ত; যাতে করে শয়তান তার সালাত থেকে কোন কিছু চুরি করতে (ছিনিয়ে নিতে) না পারে। এই মুসল্লি একই সাথে সালাতেও রয়েছে এবং শয়তানের মোকাবেলায় জিহাদেও নিয়োজিত রয়েছে।
*চার: ঐ* মুসল্লি, যখন সে সালাতে দন্ডায়মান হয়, তখন সালাতের হক্ক, আরকান এবং ফরয-ওয়াজিব সমূহ পরিপূর্ণভাবে আদায় করে। সালাতের ফরয-ওয়াজিব বিষয়াবলী ও হক সমূহ আদায়ে তার অন্তর নিমগ্ন থাকে। যাতে করে তার সালাতের কিছু অংশ ছুটে না যায় এবং নষ্ট না হয়। বরং তার উদ্দেশ্য এরূপ থাকে যে, সে সর্বদা তার সালাতকে সাধ্য অনুযায়ী পূর্ণ করবে এবং সুন্দরভাবে সালাত আদায় করবে। মূলত আল্লাহর ইবাদতের গুরুত্ব ও সালাতের মাহাত্ম্য তার অন্তরকে সালাতের মধ্যে নিমজ্জিত করেছে।
**পাঁচ: ঐ* মুসল্লি, যে পূর্বোলিখিত মুসল্লির ন্যায় সালাতে দন্ডায়মান হয়; কিন্তু এর সাথে সাথে তার অন্তরের অবস্থা এবং তার মহান প্রভু আল্লাহর সামনে তার দন্ডায়মান হওয়ার অবস্থা এরূপ যে, যেন সে তার অন্তর দ্বারা আল্লাহকে দেখছে এবং মহান আল্লাহ তাআলাও তাকে পর্যবেক্ষণ করছেন। আল্লাহর ভালোবাসা, বড়ত্ব ও মহত্ত্ব দ্বারা তার অন্তর পূর্ণ থাকে এবং সেই মনে করতে থাকে যে আল্লাহতালা তাকে দেখছেন ও প্রত্যক্ষ করছেন। তার নিকট থেকে শয়তানি ওয়াসওয়াসা ও বিপদ আশঙ্কা সবকিছু উধাও ও অদৃশ্য হয়ে যায়। তার মাঝে এবং তার প্রতিপালক মহান আল্লাহর মাঝে কোন প্রতিবন্ধক পর্দা অবশিষ্ট থাকে না ; বরং সব দূর হয়ে যায়
এমন মানুষ আছে, যে (নিজ) মনিবের সামনে সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকলেও বিরক্তি অনুভব করে না, অথচ সে যখন নিজের রবের সামনে (নামাজে) কিছু সময় দাঁড়ায় তখন বিরক্তি অনুভব করতে শুরু করে!
ইমাদুদ্দিন আল-মাকদিসী (রাহিমাহুল্লাহ)
[আয-যাইলু ‘আলা ত্বাবাকাতিল হানাবিলাহ: ৩/২০৭]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Riyadh