Deen
আজাদীর লড়াই 🔥
03/02/2026
নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী ভাই ঘুম থেকে উঠুন, আর কতো ঘুমাইবেন—আল্লামা আব্বাসের অনুসারী মধু নিয়ে দোয়েল চত্তরে কট!
চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী শরীফুজ্জামানের জন্য তার ক্যাডাররা হিন্দুদের কাছে কিভাবে ভোট চাচ্ছে দেখেন। হিন্দুদেরকে ভয়ভীতী দেখিয়ে ভোট দিতে বলছে।
আওয়ামী লীগ হিন্দুদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট দিতে বলতো না অন্তত। হিন্দু সম্প্রদায়কে বিএনপি কি জিম্মি মনে করে?
উপরে উপরে লিবারাল ডেমোক্রেসির আওয়াজ দেয় মিজ্জা ফকরুল পোভুপাদেরা। ইন্ডিয়ার ঠ্যাং ধরে বসে থাকে আর মাঠে এরা এইভাবে একটা ধর্ম সম্প্রদায়কে এইভাবে ট্রিট করে।
হাসিনা যেইডা করে গেছে তারেক জিয়া আইসা ওইডাই করবো.! aunty on fire 🗿🔥
সারাজীবন লন্ডন থেকে মানুষেরে কও গুপ্ত
মা-মাটিকে দেশে রাইখা ছিলা তুমি তৃপ্ত;
তোমার দলটা সারাদেশে দূর্নীতিতে লিপ্ত
দেশের মানুষ তাইতো আজ তোমার প্রতি ক্ষিপ্ত।
উল্টা-পাল্টা বলছো তুমি লইড়া গেছে গদি
শান্ত থাকো বাঁচাতে চাও সম্মানটা যদি;
বাংলাদেশে আজ আমরা সবাই একটা হাদী
সবাই আমরা সচেতন আর সৎ সত্যবাদী।
নির্বাচনে হারবা তুমি, হারবে তোমার দল
সব হচ্ছে চাঁদাবাজ আর দুর্নীতির সেই ফল;
জাননা তুমি গড়িয়েছে কতদূর আজ জল
চেয়ে দেখো কোন দিকে আজ জনতারই ঢল!
Song Credit: CU-Pulse
Check for Youtube Channel link in the comments.
27/01/2026
সেই সময়ে রংপুরে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশের শীর্ষ প্রায় সব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও আবু বকরকে কোনো মামলায় আসামি করা হয়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আরএমপির কমিশনারসহ পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আসামি করা হলেও এখানেও তার নাম ছিল না। অভিযোগ রয়েছে, ‘ম্যানেজ’ করেই আসামির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দিয়ে আবু সাঈদ হত্যা মামলার সাক্ষী হন আবু বকর।
বিস্তারিত পড়ুন কমেন্টে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪ শিক্ষার্থী আটক রেখে ঢাবির সূর্যসেন হলের দোকানের নগদ নাম্বারের মাধ্যমে চাঁদাবাজি, ক্যাশ আউটে টাকা নেন ছাত্রদল নেতা আরিফ ফয়সাল
The Dhaka Diary
বিম্পি নিজেই লীগ কে টেনে আনবে এই দেশে।
কারণ বিম্পি জামাতের সাথে আদর্শিক মোকাবিলার ক্ষমতা নাই। বিম্পির নিজেরও চেতনা বা আদর্শ নাই।
এইভাবে দিন যত যাবে বিম্পি যাবে লীগের মেরুকরণে৷ আর জামাত আসবে বিম্পির জায়গায়।
অলরেডি গ্রামগঞ্জে আগের লীগের বিপরীতে যারা বিম্পির দিকে ঝুঁকেছে। তারা এখন জামাতের দিকে ঝুঁকতাছে৷
আর জামাত ক্ষমতায় আসলে দেশের মানুষের মাঝে এমন ভাবে গেথে যাবে৷ যার রেশি নিচের দিকে নামবে না৷
আর লীগ থাকলে বিম্পি ডানপন্থী কোটায় অটোমেটিক ভোট পাইতো৷
আগামীর রাজনীতিতে জামাত কে ঠেকাতে লীগ বিম্পির অফিশিয়াল ঐক্য হবে ধরে রাখেন৷
(বিম্পি লীগ হয়ে দ্রুতই ফিরবে এই দেশে)
26/01/2026
'দ্যা ডেল্টাগ্রাম' পত্রিকার রিপোর্টটির অনুবাদ
গত শুক্রবার বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কারাবন্দী জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালিকে নিজ স্বামীর ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার পাশেই মেঝেতে জুয়েল-স্বর্ণালি দম্পতির সন্তান নাজিফ শেহজাদ খানকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে - স্বামী জেলে থাকায় এবং তার আইনি লড়াইয়ের কারণে অর্থকষ্টে এবং হতাশাগ্রস্ত হয়ে নিজের সন্তানকে খুন করে আত্মহননের পথ বেছে নেন স্বর্ণালি।
ফেসবুকে ভাসতে থাকা কিছু স্ট্যাটাস বিষয়টিকে আরো মর্মবিদারক করে তোলে। এই ঘটনায় যোগ দেয় মূলধারার মিডিয়াও। পরিবারের আবেদনের পরও বাগেরহাট জেলা প্রশাসন তাকে প্যারোলে মুক্তি দেয়নি দাবি করা হয়। যে কারণে বাধ্য হয়ে সাদ্দামের মৃত স্ত্রী এবং সন্তানের মরদেহ যশোর কারাগারে শেষ বিদায়ের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। আদতে, প্যারোলের আইন অনুযায়ী বিষয়টি বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের আওতাভুক্তই নয়। কারণ, সাদ্দাম হোসেন গত ১৫/১২/২৫ তারিখ থেকে যশোর জেলে অবস্থান করছেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আবুল বাতেন মিডিয়াকে বলেন - "যেহেতু এটি আমাদের জুরিসডিকশনের অন্তভূর্ক্ত নয়, আমরা পরিবারকে যশোর জেলা প্রশাসনের নিকট আবেদন করার জন্য পরামর্শ দিই। এছাড়াও, যশোর জেল সুপার এবং কারা কর্তৃপক্ষকেও আমরা বিষয়টি আগাম অবহিত করি। এরপর তার পরিবার সন্তুষ্টচিত্তে চলে যায়।"
সাদ্দামের প্যারোলের আবেদন করেও মুক্তি না পাওয়ার বয়ানে চিঁড় ধরায় যশোর জেলা প্রশাসনের একটি বিজ্ঞপ্তি। সেখানে লেখা হয় - বাগেরহাট কারাগার থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আগত বন্দি জুয়েল হাসান সাদ্দামের পরিবারের পক্ষ থেকে যশোরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কারাগার কর্তৃপক্ষের নিকট প্যারোলের কোন আবেদনই করা হয় নি। বরং পরিবারের মৌখিক আবেদনের প্রেক্ষিতে কারা কর্তৃপক্ষ উর্ধর্তন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করে আইনের উর্ধে গিয়ে কারা ফটকে লাশ দেখানোর ব্যবস্থা করে। স্বর্ণালির মা এবং ভাই শাহনেওয়াজ আমিন শুভের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাঝে মাঝেই সাদ্দামের সঙ্গে কারাগারে দেখা করতে যেতেন স্বর্ণালি। স্বর্ণালি'র মা বলেন - “গত সপ্তাহেও সাদ্দামের সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে গিয়েছিল স্বর্ণালি।"
ফেসবুকে বিভিন্নজন আরো দাবি করেন যে - উপার্জনক্ষম স্বামীর অনুপস্থিতিতে অর্থকষ্টে ভুগে আত্মহননের পথ বেছে নেন সাদ্দামের স্ত্রী। তবে এই বিষয়টির সাথে প্রবলভাবে দ্বিমত পোষণ করেন স্বর্ণালির ভাই শুভ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রাক্তন ইউপি মেম্বার আবু হানিফ হাওলাদার। উনি জানান - "স্বর্ণালির বাবা রুহুল আমিন হাওলাদার প্রায় বিশ বিঘা সম্পত্তির মালিক। এছাড়াও, সাদ্দামের এখনও ঠিকাদারির ব্যবসা রয়েছে। যার দেখভাল করে আকবর। সাদ্দাম সামি এন্টারপ্রাইজ ও জেড এ কর্পোরেশন নামক দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের নামে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করে।"
সাদ্দামের প্রতিবেশি ও আত্মীয় এইচ এম ইমতিয়াজও একথার সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি বলেন - "আকবর হচ্ছে তার অস্ত্র বহনকারী ও ক্যাডার। এখন সাদ্দামের ব্যবসায় ম্যানেজার হিসাবে কাজ করে।"
যশোর কারাগারে থেকে আকবরের মাধ্যমে সাদ্দাম যে কেবল নিজের ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনা করেন তাই নয়; বরং তাঁর অপর দুই ভাইও আর্থ-সামাজিকভাবে বেশ প্রতিষ্ঠিত। ইমতিয়াজ বলেন - "ওদের আর্থিক অবস্থা বেগবান। সাদ্দামের বড় ভাই মেহেদী হাসান রুবেল বর্তমানে পুলিশের কনস্টেবল হিসাবে কর্মরত। ছোটভাই শহীদুল ইসলাম রাজধানীতে একটি ডেভালপার কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার।" পরিবারটি কিছুদিন আগে শিশু সন্তান নাজিফের আকিকা উদযাপনও করেন বলে জানান শুভ।
ইমতিয়াজের মন্তব্য সমর্থন করেন স্বর্ণালির শ্বশুর বাড়ির প্রতিবেশী মনোয়ারা বেগম। তিনি বলেন - "মাঝে মাঝে এক বড় ভাই এসে মাছ-তরকারি-ফলমূল সব কিনে দিয়ে যায়।" সরেজমিনে দেখা যায়- সাদ্দামের গ্রামের বাড়িটি একটি একতলা বিশিষ্ট পাকা বিল্ডিং।
প্রসঙ্গতঃ সাদ্দাম ৫ই আগস্টের আগে শেখ হেলাল ও শেখ তন্ময়ের সাথে রাজনীতি করতো। যা তার ছোটোভাই স্বীকার করেন। এ প্রসঙ্গে ইমতিয়াজ জানান - "আওয়ামী লীগের সময় মানুষের ওপর নির্যাতন করতো সাদ্দাম।... ৫ আগস্ট তারিখে বেলা ১ টার দিকেও তিনি ষাট গম্বুজ রেলস্টেশনে অস্ত্র হাতে নিয়ে ঘুরছিলেন। উনার সঙ্গে ছিলেন কামরান আহমেদ, ফাহাদ খান ও আজিজুল। তিনজনের হাতে তিনটি বন্দুক ছিল এবং সাদ্দাম একটি বন্দুক নিয়ে কোথায় জানি চলে যায়। সে সময় আমরা স্টেশনে বসা ছিলাম।"
সাদ্দামের ছোটো ভাই জানান তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি বলেন- “তিনটি মামলার এজাহার থেকে তার নাম কেটে দিছে। কারণ সে ঐ সময় ও ভারতে ছিল।"
জুয়েল হাসান সাদ্দাম ও কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালি তাদের পিতামাতার অনুমতি ব্যতিরেক বিয়ে করেছিলেন। কনের বয়স ছিল কম। দুই পরিবারের মাঝে সামাজিক ও অর্থনৈতিক ফারাক ছিল প্রকট। স্বর্ণালির বাবা রুহুল আমিন হাওলাদার বাগেরহাট জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি এবং এলাকায় বিত্তশালী হিসাবে পরিচিত, অন্যদিকে সাদ্দামের পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না। ইমতিয়াজ বলেন - "সাদ্দামের বাবা প্রথমে রিক্সা চালাতো, পরে ট্রেনে হকারি করতো। তারপর রূপসাতে একটা মুদির দোকান দিছিলো, পরে সেখান থেকে ষাট গম্বুজ স্টেশনে এসে দোকান দেন। তাদের ফ্যামিলি স্ট্যাটাসে মিলে না। সাদ্দামের ক্ষমতা ছিল, সেই ক্ষমতায় বিয়ে করছিলো।" সাদ্দামের ছোটো ভাইয়ের কথাতেও এর সত্যতা পাওয়া যায়। সাদ্দামের ছোটো ভাই ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল বলেন - "প্রথমে তারা এককভাবে বিয়ে করেছিল আজ থেকে তিন-চার বছর আগে। পরে কেউ কারো বাড়ি আসতো না, যেতো না। কারণ দুই ফ্যামিলি থেকেই মানতো না। প্রায় ১ বছর কেউ কারো বাড়িতে যায়নি। পরে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।"
একইকথা স্বর্ণালীর ভাই শুভের বক্তব্যেও পাওয়া যায়। তিনি বলেন - "(এরকম পারিবারিক স্ট্যাটাসে) স্বাভাবিকভাবে এরকম বিয়ে হতো না।... প্রথমদিকে আমরা ওকে (সাদ্দাম) আমরা ঘৃণার চোখে দেখতাম। পরে স্বাভাবিকভাবে মেনেও নিয়েছি।"
প্রেমের সম্পর্ক, তারপর বিয়ে ও সংসার। কিন্তু সবকিছু স্মুথলি চলছিলো না। তার কাজিন অন্তির বক্তব্যমতে - “(স্বর্ণালি বলেছিল) আমি আমার জীবনের কষ্টের কথা হয়তো কাউকে বলবো না। কিন্তু তাঁর হাজব্যান্ডকে নিয়ে সে খুব কষ্টে ছিল, খুব ভালোবাসতো। (স্বর্ণালি বলেছিল) আমার হাজব্যান্ড যদি জীবনে কখনো জেল থেকে বের হয়, তবে আমি তাকে কিছু কথা বলবো। সে কথাটা বলার সুযোগ সে পায় নি।" তিনি আরও বলেন যে তাঁর বোন এতো শক্ত মনের অধিকারী না যে সে নিজের হাতে নিজের বাচ্চাকে মারবে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের প্রথমার্ধ্বে সাদ্দাম ভারতে থাকাকালীন অবস্থায় স্বর্ণালী সাদ্দামকে একটি মেসেজ পাঠান। এটি দুজনের সম্পর্কে সবচেয়ে বড় ফাটল হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে। মেসেজটিতে স্বর্ণালি সাদ্দামকে বলেন - "আগে মানুষ বলেছে বুঝতে পারিনি। এখন বুঝতে পারছি তোর কি প্রয়োজন ছিল। তোর ফ্যামিলির মতো বহুরূপী দুনিয়ায় আমি একটিও দেখি নি।... আজ পর্যন্ত তোদের বাড়ি গেছি চার বছর। তুই কি কখনো আমার জিজ্ঞেস করেছিস - তোমার কোন অসুবিধা হচ্ছে না কি?"
মেসেজটি সাদ্দাম শুভকে ফরোয়ার্ড করেন এবং একটি ভয়েস মেসেজে বলেন - "আমার ফ্যামিলি কি অন্যায় করেছে ওর সাথে?...আমার ফ্যামিলির ভেতর কেন অশান্তি সৃষ্টি করছে এর অপরাধে আমি তাকে তাড়াবো।"
এর মধ্যে সংঘঠিত হয় জুলাই অভ্যুত্থান। সাদ্দাম অভ্যুত্থানে সশস্ত্র অবস্থান নিয়েছিল। বিবিসি বাংলা জানায় - “বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলার সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম।" সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া ভেরিফাইড ছবি ও ভিডিওতে আত্মগোপনে থাকাকালীন সময়ে তাকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে আওয়ামী লীগের মিছিল করতে দেখা যায়। অবশেষে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে তিনি যখন গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেফতার হন, তখন স্বর্নালি অন্তসত্ত্বা ছিলেন।
বাগেরহাট ও যশোর কারাগারে থাকাবস্থায় নিয়মিত বিরতিতে সাদ্দামের সাথে দেখা নাজিফকে নিয়ে স্বর্ণালি দেখা করতে যেতেন।
২৩শে জানুয়ারির সকাল শুরু হয়েছিল বেশ স্বাভাবিকভাবেই। তার আগের দিন বৃহস্পতিবার স্বর্ণালির শ্বশুরবাড়িতে যান স্বর্ণালির ভাই শুভ। তার মতে - “বৃহস্পতিবার আমি তার বাসায় গিয়েছিলাম। আমার বোনের কথাবার্তা স্বাভাবিক ছিল।" শুক্রবার পরিবার সকল সদস্য সহকারে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল স্বর্ণালির। কিন্তু সাদ্দামের বড় বোন লাকি বলেন - “(স্বর্ণালি বলে) আমার ভালো লাগছে না; আমি যাবো না। পরে আমাকে ২০০ টাকা দেয়। আমি তা নিয়ে চলে গেছি, তখন জুমার নামাজ শুরু হচ্ছিল। এসে দেখি দরজা লক করা। ডাকডাকি করে সাড়াশব্দ কিছুই পাই না। আমার ছেলে নাফিজ নামাজে গেছে। তাকে ডাকলাম। সে ছাদের ওয়াল বেয়ে উঠে ভেতরের দরজা খুলে। ভেতরে দেখলাম গলায় দড়ি দিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলতেছে। ভাইপোকে কোথাও খুঁজে পাই না। পরে বালতির মধ্যে খুঁজে পাইলাম।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া ছবিটিতে শিশু নাজিফকে মেঝেতেই পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইটি মামলা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা এবং স্বর্ণালির বাবা রুহুল আমিন হাওলাদারের পক্ষ থেকে বাগেরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। সাদ্দামের পরিবারের প্রতিবেশী এবং সাবেক ইউপি সদস্য আবু হানিফ হাওলাদার বলেন - “আমার ধারণা এটা ওদের পারিবারিক সমস্যা।" স্বর্ণালির বাবা গণমাধ্যমকে বলেন, 'আমার মেয়ে আত্মহত্যা করলেও নাতিটা কীভাবে মারা গেল- সেটাই বড় প্রশ্ন। পুলিশ তদন্ত করুক, সত্যটা বের হোক - এটাই চাই।' এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, 'মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
সূত্র: 'দ্যা ডেল্টাগ্রাম' পত্রিকার আসল প্রতিবেদন থেকে অনূদিত।
তারেক রহমানের আম্মাকে ‘শেখ হাসিনা’ বললেন ফেনী-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী।
চেম্বার কোর্টে জঙ্গি সাদ্দামের জামিন আটকানোর জন্য অনুরোধ করছি এটর্নি জেনারেলদের।
সাদ্দামের জামিন বহাল থাকলে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।
বি দ্র: ৫ আগষ্ট সাদ্দাম ওপেনে অস্ত্র মহড়া দিয়েছে। তার ৩টি অবৈধ অস্ত্র আছে, একটাও উদ্ধার হয়নি। এই আসামিকে ফেসবুক সিম্প্যাথি দেখে জামিন দিয়েছে
'হ্যাঁ' মানে ওসমান হাদি
'না' মানে নরেন্দ্র মোদি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Riyadh