OTV
উম্মাহর স্বার্থে দেশ ও জাতির কল্যাণে সত্য ও সুন্দরের পথে । যে কোন খবর/নিউজ শেয়ার করতে চাইলে ইনবক্স করুন ।
02/06/2026
দুনিয়ার শিক্ষার কি মূল্য আছে !
''মায়ের ম'রদেহ ৭ দিন ধরে একা ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল।
নিঃসঙ্গতায় একা মারা গেলেন। মৃ/ত্যুর পরও সাত দিন কেউ তাঁর খোঁজ নিল না। লা/শ পঁচে গলে গেছে, পোকায় খেয়েছে। গতকালের ঘটনা,মিরপুরের।
তাঁর এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। মেয়ে ও জামাতাও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
তবুও ঈদের আনন্দের দিনগুলোতে কেউ একবার ফোন করেনি, কেউ খোঁজ নেয়নি।
উনার বাসার অবস্থা দেখলে মনে হয় দীর্ঘদিন অবহেলায় ছিলেন। কতদিন ঠিকমতো খেতে পারেননি, কত রোগ-শোক আর কষ্ট বুকে নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন—তা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়।
অথচ এই মা-ই ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করেছিলেন সন্তানদের। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে মমতা আর ত্যাগে তাদের লালন-পালন করেছেন। শিক্ষিত করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন, সমাজে সম্মানিত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন।
কিন্তু শেষ বয়সে তাঁর প্রাপ্য হলো নিঃসঙ্গতা, অবহেলা আর একাকী মৃ/ত্যু।
কী নির্মম পরিণতি!
কেউ শেষবারের মতো কোন সন্তানকে পাশে পেলেন না।
তাঁদের নীরব কান্না আমরা অনেক সময় শুনতে পাই না।
আজ যাদের মা-বাবা বেঁচে আছেন, একবার ফোন করুন। তাঁদের গলার স্বর শুনুন। একটু সময় দিন। পাশে বসুন। খোঁজ নিন তাঁরা কেমন আছেন।
আজ আমরা ব্যস্ত, কাল হয়তো আমাদের সন্তানেরাও ব্যস্ত থাকবে।তখন যেন আমাদেরও একই পরিণতি না হয়।
মা-বাবাকে ভুলে যাবেন না। তাঁরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ, সবচেয়ে বড় ঋণ।
যাদের বাবা-মা বেঁচে আছেন, তাঁদের খোঁজ নিন, সেবা করুন, সম্মান করুন। আজ আপনি যা করবেন, আগামী প্রজন্মও সেটাই শিখবে।
পোস্টটি শেয়ার করুন। আমাদের সমাজে যদি এমন কোনো অবহেলিত মা-বাবা থেকে থাকেন,অন্তত আগামী প্রজন্ম যেন জানতে পারে,এমন শিক্ষিত মানুষদের আমরা অমা/নুষ বলি।''
রামিসা হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে, সরকার কে বিচারহিনতার জন্য প্রতিবাদ জানালেন ।
20/05/2026
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানদুব নির্বাচনে বাংলাদেশের চমক ।
নিজস্ব সংবাদদাতা OTV NEWS: মদীনা ইসলামিক ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট মহোদয়ের পৃষ্ঠপোষকতা ও উপস্থিতিতে- ছাত্রবিষয়ক ডিনশিপের উদ্যোগে ১৪৪৭ হিজরি শিক্ষাবর্ষের ছাত্র কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ১৮/০৫/২০২৬ ইং তারিখে ।
প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও কর্পোরেট পরিচয় সাধারণ প্রশাসন মদীনা ইসলামিক ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. সালেহ বিন আলী আল-আকলা-এর পৃষ্ঠপোষকতা ও উপস্থিতিতে ছাত্রবিষয়ক ডিনশিপ ১৪৪৭ হিজরি শিক্ষাবর্ষের ছাত্র কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি সোমবার, ১ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের “আস-সালাম” হলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্টবৃন্দ, ছাত্রবিষয়ক ডিন ড. হাসান বিন ইয়াহইয়া আল-আওয়াজি, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বিষয়ক ভাইস-প্রেসিডেন্ট ড. আব্দুল্লাহ বিন মাহফুজ আশ-শানক্বীতি বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী একটি বিশেষ পরিবেশনা উপস্থাপন করেন, যেখানে ছাত্র ক্লাবসমূহের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ও উদ্যোগ, ক্রীড়া কার্যক্রম, শিক্ষা সফর ও ভ্রমণ, বিভিন্ন সভা-সেমিনার, গণমাধ্যম ও জনসংযোগমূলক কার্যক্রম, পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির চিত্র তুলে ধরা হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান যে, ছাত্র কার্যক্রমের আওতায় দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব, প্রযুক্তি, ভাষা ও গণমাধ্যম বিষয়ক (২০০)-এরও বেশি প্রশিক্ষণ কোর্স, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণমূলক প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সৌদি বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া ফেডারেশনের অধীনে আয়োজিত (১২)-এর বেশি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা, বিনোদনমূলক কর্মসূচি ও ক্রীড়া ভ্রমণও আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনীতে মদীনা ইসলামিক ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট (১০)টি বিশেষ ছাত্র ক্লাবকে সম্মাননা প্রদান করেন। এছাড়াও সৌদি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে অনুষ্ঠিত ই-স্পোর্টস “পাবজি” প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান ও রৌপ্যপদক অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
এছাড়াও “এক্স” প্ল্যাটফর্মে সেরা মন্তব্যের জন্য বিজয়ীদের, কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখা শিক্ষার্থীদের, বিভিন্ন দেশের ছাত্র প্রতিনিধি শিক্ষার্থীদের এবং “উৎকর্ষ পুরস্কার” অর্জনকারীদেরও সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন অনুষদকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ছিল: কুরআনুল কারিম অনুষদ, হাদিস শরিফ অনুষদ, আকিদা ও দাওয়াহ অনুষদ, শরিয়াহ অনুষদ, আরবি ভাষা ও মানবিক অধ্যয়ন অনুষদ, আইন অনুষদ, ব্যবসা প্রশাসন অনুষদ, কম্পিউটার ও তথ্যব্যবস্থা অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদ এবং প্রকৌশল অনুষদ।
পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়ক বিভাগসমূহ— যেমন: বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা বিভাগ, যৌথ সেবা বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন বিভাগ এবং প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও কর্পোরেট পরিচয় সাধারণ প্রশাসনকেও সম্মাননা জানানো হয়। ১৪৪৭ হিজরি শিক্ষাবর্ষে ছাত্র কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেরা দশজন ছাত্র প্রতিনিধিকে ক্রেস্ট ও আর্থিক সম্মাননা প্রদান করা হয় । উক্ত সেরা দশ ছাত্র প্রতিনিধির তালিকায় বাংলাদেশী ছাত্র প্রতিনিধি
" শায়েখ মীর আব্দুল্লাহ সাজিদ " সেরা তৃতীয় ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে সম্মাননা স্বরূপ ক্রেস্ট ও আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন ।
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধি করার জন্য আমরা শাইখ মীর আব্দুল্লাহ সাজিদ কে কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা ও অভিনন্দন জানাই ।
20/05/2026
এরকম হত্যা আর কত হলে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা ঠিক হবে । ছোট্ট রামিসা প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার সময় তার মা খুঁজে পাচ্ছিল না, পরবর্তীতে তাকে তাদের বিল্ডিং এর তিনতলায় একটি বাসায় গলা কাটা, মাথা বাথরুমে এবং শরীর ঘরের ভেতরে পাওয়া যায় । এই মর্মান্তিক নির্লজ্জ হত্যাকাণ্ডে জাতি আজ লজ্জিত ।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুরের ২ বন্ধু , এসএসসি পরীক্ষা শেষে গড়াই নদীতে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করেন ।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ।
আল্লাহ তাআলা উভয়কে জান্নাতের অধিবাসী করুন ।
20/05/2026
৪৩ বছর ধরে একটি স্বপ্ন বুকে লালন করেছিলেন তিনি
পবিত্র হজ্জ পালন করবেন, আল্লাহর ঘরে হাজির
হবেন ।
একজন পাকিস্তানি মুসলিম দীর্ঘ ৪৩ বছর কষ্ট করে টাকা জমিয়েছিলেন শুধু হজ্জে যাওয়ার জন্য ।
অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হলেও, মক্কায় ইহরাম পরা অবস্থাতেই তিনি ইন্তেকাল করেন ।
কত সৌভাগ্যবান হলে মানুষ আল্লাহর ঘরে, ইবাদতের পবিত্র অবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারে!
আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন । আমিন ।
17/05/2026
OTV NEWS: দীর্ঘ নয় মাস বন্দি রেখে অমানবিক নির্যাতনের শিকার তাহসিন!
কার বাসায় বন্দি ছিল জানেন? তার নিজেরই বাসায়! কোনো প্রতিষ্ঠানে নয়, কোনো শিক্ষকের হাতে নির্যাতিত হয়নি। নির্যাতিত হয়েছে এক কুলাঙ্গার জানোয়ারের হাতে।
সন্তানকে নির্যাতন থেকে বাঁচাতে তার 'মমতাময়ী' মায়ের ভূমিকা কী ছিল জানেন? কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়া! হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন। তাহসিনের মা আক্ষরিক অর্থেই কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিত! পিটুনি শেষ করে জানোয়ারটা জখমে ব্লেড দিয়ে পোস দিত। এরপর তার নির্দেশে তাহসিনের মা ক্ষতস্থানে লবণ ও গুঁড়ামরিচ মিশিয়ে দিত। ওই কাজে ওর দুই খালাও জড়িত। 'কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা' এতো দিন রূপকার্থে শুনলেও একজন মায়ের হাতে বাস্তবিক রূপ নিয়েছে! ভাবা যায়?!
'অমানবিক' বলবো না অন্যকিছু, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। শিশুটির শরীরের এক ইঞ্চি জায়গাও আঘাত থেকে বাদ পড়েনি। পুরোটা শরীর ঝাঁঝরা করে দিয়েছে জানোয়ারের বাচ্চা! নির্বিঘ্নে, নিশ্চিন্তে, মা ও খালাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়, নয় মাস ধরে, বর্বর ও নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে আসছিল পাষাণ জানোয়ার!
নির্যাতনে তাহসিনের মা ও দুই খালার পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা ছিল। তারা তাহসিনের উভয় হাত পেছন দিকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে দিত। এরপর ওই লোকটা হাতের কাছে যা পেত, তা দিয়ে পিটাত। তাহসিন বাঁচাও বাঁচাও বলে গগনবিদারী চিৎকার করত। চিৎকার যত বাড়ত, ওই জানোয়ার তত বেশি মারত। দরজা-জানালা বন্ধ সত্ত্বেও বাহির থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার কিছুটা শুনা যেত।
চিৎকার শুনতেন আশিক ভাই। পরখ করলেন কোন বাসা থেকে এতো চিৎকার আসে। গেলেন বাসায়। ১৫ পারার হাফিজ, ১০ বছরের নিষ্পাপ শিশুকে অমানবিক নির্যাতনের কারণ জানতে চাইলে জানোয়ারটা বলল—'আমার সন্তানকে আমি মারছি, তুই কে? তোর কী হইছে?!' তাহসিনের মা বলল—'বাপ তার ছেলেকে মারছে, তোমার কী?!' খালাদেরও একই কথা।
ওই জানোয়ারটা কি আসলেই বাবা? তাহসিন এক ভিডিওতে বলেছে—“আমি তাকে চিনি না। সে আমাদের কেউ নয়। আমার আব্বা প্রবাসী। তিনি এসব জানেন না। সে আমার আম্মা ও খালাদের সাথে লুডু খেলত। আমার খালাদের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতে দেখতাম।”
তাহসিনের এই বর্ণনা থেকে তার মা ও খালাদের সঙ্গে ওর সম্পর্কের ধরনটা বুঝতে বাকি নাই। একজন পরপুরুষ, যার সঙ্গে আত্মীয়তা কিংবা বৈবাহিক কোনো সম্পর্ক নেই—সে পাঁচজন (মা, দুই খালা, বোন ও খালাতো বোন) নারীদের নিয়ে একই বাসায় বছর ধরে একত্রে বসবাস ও খেলতামাশা করে আসছিল—বিষয়টা কি খুব স্বাভাবিক? ওদের গোমর ফাঁস করে দেয়ার ভয়ে তাহসিনকে ধীরে ধীরে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছে—এটাও অসম্ভব নয়!
পনের-বিশ দিন থেকে তাহসিনের আর্তচিৎকার শুনতে না পেয়ে আশিক ভাই চিন্তায় পড়ে গেলেন যে, মনে হয় ওরা ছেলেটাকে মেরে ফেলেছে! বন্ধু-বান্ধব কয়েকজনকে নিয়ে খোঁজখবর নিতে গেলেন। তখনই দেখতে পেলেন তাহসিনের এই করুণ অবস্থা! আওয়াজ যাতে বাইরে না যায়— সেজন্য মুখে স্কচটিপ পেঁচিয়ে, কখনো গামছা দিয়ে বেঁধে পিটাত জানোয়ারটা। একারণে আহাজারির আওয়াজ শুনা যাচ্ছিল না। ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশ ডাকলেন। পুলিশ এসে তদন্ত করে, জানোয়ারটাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
তাহসিনের আব্বাকে ফোন করে বিষয়টি অবগত করলে তিনি কান্না শুরু করেন। তিনি বলেন—“আমার বাসায় তো কোনো পুরুষ মানুষ নাই। ওই লোকটাকে আমি চিনি না। আমার ছেলের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে আমি জানতাম না।”
তাহসিন তার আব্বার সঙ্গে ফোনের সুযোগ পেত না। কখনো কথা বললে, ওর মা সামনে খাড়া থাকতেন। একারণে সে বিষয়টি বলতে পারত না। নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বলতও না।
তাহসিনকে নির্যাতনের স্ট্রিমরোলার থেকে উদ্ধার করে, অপরাধীকে পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সঙ্গে ওর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তারা হলেন— আশিক ভাই, আনসার ভাই, দেওয়ান তাকওয়া সহ হিলভিউ টাওয়ার ও খাদিমপাড়ার বেশকয়েকজন তরুণ। মজলুমের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।
মিডিয়ায় দেখলাম শাহবাগ এলাকার জনৈক নেতা পুরো ক্রেডিট নিচ্ছেন, অথচ পুলিশে সোপর্দ করা পর্যন্ত তার কোনো দেখা মিলেনি। ক্রেডিট নিন, সমস্যা নাই। তবে সমস্যার জায়গা হলো—তিনি ফেসবুকে 'শিক্ষকের হাতে নির্যাতন' বলে পোস্ট করেছেন। অনেকেই ভুল বোঝাবুঝি বশত তার পূর্বের মাদরাসার নাম নিয়ে পোস্ট করছেন। কেউ মাদরাসায় শিক্ষকের হাতে নির্যাতন বলে পোস্ট করছেন। অথচ তাহসিন দীর্ঘ নয় মাস ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছে—তারই বাসায়, তারই মা ও খালাদের সহযোগিতায়, এক জানোয়ার পাষাণ্ড কুলাঙ্গারের হাতে! পূর্বের মাদরাসা থেকে নয় মাস আগেই তাকে নেওয়া হয়েছে।
তাহসিনের আত্মীয়দের কাছে অনুরোধ করছি—বিষয়টা শক্ত করে ধরুন। চুল পরিমাণ ছাড় দিবেন না। মা ও খালাদের ছেড়ে দিবেন না। কুলাঙ্গার গ্রেফতার হলেই হবে না, ওর শাস্তি নিশ্চিত করুন। একই সঙ্গে ওর মা ও খালাদের আইনের কাছে সোপর্দ করুন। সবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করুন। সবার শাস্তি নিশ্চিত করুন।
আলহামদুলিল্লাহ ।
16/05/2026
OTV NEWS: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানসহ তাঁদের সফরসঙ্গীগণ আজ শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, ডাঙ্গিপাড়া, পবা, রাজশাহীতে আগমন করেন ।
10/05/2026
স্টাফ রিপোর্টার: এই ছেলে তার নিজ মা কে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে । বাবা ও বোন গুরুতর আহত!
ফেনীর দাগনভূঁইয়া উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। মাদকাসক্ত এই ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত হয়েছেন, আর বাবা ও বোন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।
এ ধরনের ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয় পুরো সমাজের জন্যই ভয়াবহ সতর্কবার্তা।
মাদক মানুষকে ধ্বংস করে, বিবেককে হত্যা করে, পরিবারকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। যে সন্তান মায়ের কোলের আদরে বড় হয়, মাদকের ভয়াল থাবায় সেই সন্তানই একসময় মায়ের প্রাণ কেড়ে নেয় এর চেয়ে ভয়ংকর পরিণতি আর কী হতে পারে!
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান,
সন্তানের চলাফেরা, বন্ধুমহল ও মানসিক অবস্থার দিকে খেয়াল রাখুন। ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও সৎ পরিবেশের মাধ্যমে সন্তানকে গড়ে তুলুন। সমাজের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
আল্লাহ আমাদের পরিবার ও সমাজকে এই ভয়াবহ ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Islamic University Of Madinah
Medina
42351