Muhammad Sk Shishir Ahmed Raj
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muhammad Sk Shishir Ahmed Raj, Digital creator, Mecca.
✍️মন মাইন্ড ফ্রেশ রাখুন নিয়মিতভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন তখন দেখবেন ফিল্টার দিয়ে ছবি তুলে নিজেকে সুন্দর করতে হবেনা এমনিতেই আপনাকে বেশি সুন্দর লাগবে ইনশা-আল্লাহ
>Be on the side with support and Follow
যে দেশে বই বিক্রি হয় গাছতলায় আর জুতো বিক্রি হয় পাঁচ তলায় সে দেশে আপনার আমার মতো ভালো কিংবা সৎ দু-চারজন লোক ভালো হয়ে কি করবে বলেন মনে রাখবেন টাকার কাছে বিক্রি হওয়া মানুষ গুলি কখনোই অন্যের কষ্ট টা উপলব্ধি করতে পারে না"
নিজের এলাকা
#ভারতের-82 জন ওমরাহ যাত্রী নিহত দুর্ঘটনার কবলে ওমরাহযাত্রী বহনকারী বাস নিহত ৪২ জন
সৌদি আরবের মদিনার কাছে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ডিজেলভর্তি ট্যাংকারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে যাত্রীবাহী বাসটিতে থাকা ৪২ জন ওমরাহযাত্রী নিহত হয়েছেন"
সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন করতে যাওয়া ভারতীয়দের বহনকারী বাসের একজন যাত্রী বেঁচে আছেন
মহান আল্লাহু তা"য়ালা সবাইকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুক আমিন..........
শুভ রাত্রি প্রতিটা সকাল শুরু আমাদের সবার জন্য ভালো কিছু দিয়ে ফি-আমানিল্লাহ্
24/10/2025
জীবন আমাদের অনেক সময় অনেক কিছু শিক্ষা দেয় যা আমরা অনেক সময় বইয়ের পাতা থেকে ও শিখতে পারিনা মনে রাখবেন প্রতিটা অপমানের কথা-প্রতিশোধ না নিতে পারলেও অন্তত একটা সময় তাঁর থেকে প্রতিকার বের করতে পারবেন ইনশা-আল্লাহ
17/10/2025
✍️মা তোমার ছেলেটা যে কতোটা সুখে এই প্রবাসে আছে তা তুমি হয়তো নিজের চোখে না দেখলে কখনোই বিশ্বাস করতে পারবে না মাগো অনেক সুখের আশায় আসলাম আমি এই দূর প্রবাসে এসে দেখি দুঃখ ভরা এই শহরে.মাগো কেউবা আছে অনেক সুখে কেউবা আবার নয় এই আমাদের সুখের প্রবাস জীবন মাঝে মাঝে অনেক লোকেই কয় মাগো অনেক লোকেই কয়.মাগো ভালো মানুষ খুবই কম এই দূর প্রবাসে খারাপ মানুষের আনাগোনা বড্ড বেড়ে গেছে মাগো বড্ড বেড়ে গেছে মা সুখের আশায় আসলাম আমি এই দূর প্রবাসে এসে দেখি দুঃখ ভরা এই শহরে.প্রবাসে সুখের তুলনায় কষ্ট-টায় বেশি কেউ কষ্ট করছে আবার কেউ অনেক বেশি সুখে আছে দীর্ঘ ১২ বছর জেল খাটার পরে এই প্রবাসীর যুদ্ধা ভাইটা দেশে যাচ্ছে সে আদৌ জানে না তাঁর পরিবার কি তাঁকে মনে রেখেছে নাকি তাঁকে ভুলে গেছে সুখ শান্তি বিষয়টা বড়ই অদ্ভুত যা নাকি সব সময় সবার ভাগ্যে থাকে না অনেকে চেষ্টা করে ও অনেক সময় অনেক কিছু পায়না আবার অনেকে বিনা চেষ্টায় ও বিনা পরিশ্রমে ও অনেক কিছু পেয়ে যায় যাঁরা বিনা চেষ্টায় ও বিনা পরিশ্রমে অনেক কিছু পেয়ে তাঁরা কখনোই অন্যের কষ্ট-টা উপলব্ধি করতে পারে না চরম বাস্তবতা আসলে এটাই যা আমরা কখনোই সহজে মানতে রাজি নয় দিনের শুরুতে কিংবা দিনেরশেষে-আপনি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলান তা হলে দেখবেন একটা সময় আপনার জন্য পুরো পৃথিবী বদলে যাবে এতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই ফি-আমানিল্লাহ্ ভালো থাকুক প্রবাস নামক এই জেল খানায় বন্দী থাকা আমার সকল প্রবাসী যোদ্ধা ভাই বোন গুলো যাঁরা পরিবার ও দেশকে উন্নয়ন ও উন্নত করার জন্য এতো বেশি ত্যাগ শিকার করছে ও এতো বেশি যুদ্ধ করে প্রতিনিয়তই নিজের সাথে🤲🫶
মুসলিম জীবনে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ৯ উপায়
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন একটি জীবনব্যাপী সাধনা। শুধু বড় বড় আমলের মাধ্যমে নয়, বরং ছোট ছোট কাজে খাঁটি নিয়তের মাধ্যমেও তা অর্জন করা যায়।
আল্লাহর সন্তুষ্টি বনাম মানুষের সন্তুষ্টি
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে একজন মুসলিমকে প্রায়ই মানুষের অসন্তুষ্টির সম্মুখীন হতে হয়। এটি এমন একটি পরীক্ষা, যেখানে বান্দাকে দুনিয়ার স্বার্থ ও আখেরাতের কল্যাণের মধ্যে একটি বেছে নিতে হয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, “দুনিয়ার জীবনের উপকরণ সামান্য, আর আখেরাত তাদের জন্য উত্তম যারা তাকওয়া অবলম্বন করে।” (সুরা নিসা, আয়াত: ৭৭)
রাসুল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মানুষের অসন্তুষ্টির মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি তালাশ করে, আল্লাহ তাকে মানুষের বোঝা থেকে মুক্তি দেবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর অসন্তুষ্টির মাধ্যমে মানুষের সন্তুষ্টি তালাশ করে, আল্লাহ তাকে মানুষের ওপর ছেড়ে দেবেন” (তিরমিজি, হাদিস: ২৪১৪)।
আর মানুষের সন্তুষ্টি অস্থায়ী এবং পরিবর্তনশীল, কিন্তু আল্লাহর সন্তুষ্টি চিরস্থায়ী ও সর্বোত্তম।
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চ্যালেঞ্জ
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। পরিবারের মধ্যে এমন চাপ দেখা দিতে পারে যেখানে একজন ব্যক্তি মানুষের সন্তুষ্টির জন্য আল্লাহর অসন্তুষ্টির পথ বেছে নেয়।
এই ধরনের পরিস্থিতি একজন মুসলিমকে আল্লাহর আনুগত্য ও পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজতে বাধ্য করে। কোরআনে বলা হয়েছে, “ইহুদি ও খ্রিষ্টানরা কখনোই তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না যতক্ষণ না তুমি তাদের ধর্মের অনুসরণ করবে। বল, নিশ্চয়ই আল্লাহর পথই সঠিক পথ” (সুরা বাকারা, আয়াত: ১২০)
নেক আমল করার সময় আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করা উচিত, আমরা কি এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করছি, নাকি মানুষের প্রশংসা ও সম্মানের জন্য?
দুনিয়ার জীবনের উপকরণ সামান্য, আর আখেরাত তাদের জন্য উত্তম যারা তাকওয়া অবলম্বন করে।
সুরা নিসা, আয়াত: ৭৭
রাসুল (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন তিন ধরনের মানুষের আমল বাতিল বলে গণ্য হবে: যে শহীদ লড়াই করেছে যাতে তাকে সাহসী বলা হয়, যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জন ও শিক্ষা দিয়েছে যাতে তাকে আলেম বলা হয়, এবং যে ব্যক্তি দান করেছে যাতে তাকে দানশীল বলা হয়। এই সব কাজের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের প্রশংসা, তাই তা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯০৫)
আল্লাহর সন্তুষ্টি: সর্বোচ্চ নেয়ামত
জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি। রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহ জান্নাতবাসীদের বলবেন, “তোমরা কি সন্তুষ্ট?” তারা বলবে, “কেন সন্তুষ্ট হব না, যখন আপনি আমাদের এমন কিছু দিয়েছে যা অন্য কোনো সৃষ্টিকে দেননি?”
আল্লাহ বলবেন, “আমি কি তোমাদের এর চেয়েও উত্তম কিছু দেব না?” তারা বলবে, “হে আমাদের রব, এর চেয়ে উত্তম আর কী হতে পারে?” আল্লাহ বলবেন, “আমি তোমাদের ওপর আমার সন্তুষ্টি প্রকাশ করব, এরপর আমি কখনো তোমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হব না।” (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস: ৭৩৭৪)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায় যে, আল্লাহর সন্তুষ্টি হলো জান্নাতের সবচেয়ে মূল্যবান পুরস্কার।
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উপায়
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য বেশ কিছু উপায় রয়েছে, যা আমাদের জীবনে প্রয়োগ করা যায়:
১. খাঁটি নিয়ত
প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা অপরিহার্য। খাঁটি নিয়ত হৃদয়কে শক্তিশালী করে এবং আল্লাহর কাছ থেকে সাফল্য ও সন্তুষ্টি আকর্ষণ করে।
২. আল্লাহর আদেশে দ্রুত সাড়া দেওয়া
আল্লাহর আদেশ পালনে কোনো অলসতা বা বিলম্ব করা উচিত নয়। মুসা (আ.) বলেছিলেন, “হে আমার রব, আমি তাড়াতাড়ি তোমার দিকে এসেছি যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও।” (সুরা তাহা, আয়াত: ৮৪)
৩. নিজেকে আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করা
আল্লাহ বলেন, “মানুষের মধ্যে এমন কেউ আছে যে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় নিজেকে বিক্রি করে দেয়, আর আল্লাহ বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু।” (সুরা বাকারা, আয়াত: ২০৭)
নিজেকে আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করা মানে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁর আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এর ফলে বান্দার জীবন সুখ ও শান্তিতে ভরে ওঠে। (মুহাম্মাদ রশিদ রিদা, তাফসিরে মানার, ২/১৭৭, দারুল ফিকর, কায়রো, ২০১০)
৪. নেতিবাচক গুণাবলি পরিহার
ইসা ইবনে মারিয়াম (আ.)-কে ইয়াহিয়া ইবনে যাকারিয়া (আ.) জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “কীভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায় এবং তাঁর অসন্তুষ্টি থেকে দূরে থাকা যায়?” ইসা (আ.) বললেন, “রাগ করো না।” তিনি আরও বললেন, রাগের উৎস হলো অহংকার, আত্মম্ভরিতা ও বড়াই। (ইবনে ওয়াহহাব, আল-জামি, পৃ. ৯৮, দারুল কুতুব, দামেস্ক, ২০১৭)
এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, ছোট ছোট নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করাও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি মাধ্যম।
৬. অল্পে সন্তুষ্ট থাকা
মালিক ইবনে দিনার ও মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসি জীবনযাত্রা নিয়ে আলোচনা করছিলেন। মালিক বললেন, “একজন মানুষের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো তার জন্য যথেষ্ট আয় থাকা।” মুহাম্মাদ বললেন, “ধন্য সেই ব্যক্তি, যে দুপুরের খাবার পায় কিন্তু রাতের খাবার পায় না, অথবা রাতের খাবার পায় কিন্তু দুপুরের খাবার পায় না, তবুও সে আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকে।” (ইবনে আবিদ দুনিয়া, আর-রিদা আন আল্লাহ বিকাদায়িহি, পৃ. ৫৫, দারুল বাশাইর, মদিনা, ২০১৯)
এটি দারিদ্র্যের প্রশংসা নয়, বরং অল্পে সন্তুষ্ট থাকার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আহ্বান।
৭. হালাল উপার্জন করা
একটি হাদিসে বলা হয়েছে, “যে ব্যক্তি হালাল উপার্জনের জন্য ক্লান্ত হয়ে রাত্রি যাপন করে, আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন।” (ইবনে আবিদ দুনিয়া, ইসলাহুল মাল, পৃ. ৭৮, দারুল কুতুব, কায়রো, ২০১৮)
৮. পিতামাতার সন্তুষ্টি
রাসুল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতামাতার সন্তুষ্টির মধ্যে রয়েছে, আর আল্লাহর অসন্তুষ্টি রয়েছে পিতামাতার অসন্তুষ্টির মধ্যে।” (বায়হাকি, শু’আবুল ঈমান, হাদিস: ৭৪৬৭)
পিতামাতার দোয়া ও সন্তুষ্টি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৯. তকদিরের প্রতি সন্তুষ্টি
তকদির বা আল্লাহর ভাগ্যলিপির প্রতি সন্তুষ্ট থাকা দুনিয়ার শান্তি ও সুখের একটি বড় কারণ। কোরআনে খিজির (আ.)-এর ঘটনার উদাহরণে দেখা যায়, আল্লাহ একটি শিশুকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে তার পিতামাতা তার অবাধ্যতা ও কুফরের কষ্ট থেকে রক্ষা পান। (সুরা কাহফ, আয়াত: ৮০-৮১)
ধন্য সেই ব্যক্তি, যে দুপুরের খাবার পায় কিন্তু রাতের খাবার পায় না, অথবা রাতের খাবার পায় কিন্তু দুপুরের খাবার পায় না, তবুও সে আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকে।
ইবনে আবিদ দুনিয়া (রহ.)
আল্লাহর সন্তুষ্টির আলামত
মুসা (আ.) আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “হে আমার রব, আপনার বান্দার প্রতি আপনার সন্তুষ্টির লক্ষণ কী?” আল্লাহ বললেন, “আমি তাকে আমার আনুগত্যের জন্য প্রস্তুত করি এবং তাকে আমার অবাধ্যতা থেকে দূরে রাখি।” (হিলিয়াতুল আওলিয়া, ৪/৪১, দারুল কুতুব, বৈরুত, ২০১৬)
এছাড়া আল্লাহর ওপর ভরসা, তাঁর ওপর নির্ভরতা, ইখলাস এবং জ্ঞানের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা বান্দার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষণ। (শাযারাতুয যাহাব, পৃ. ১২০, দারুল ফিকর, দামেস্ক, ২০১৫)
আল্লাহর সন্তুষ্টির ফলাফল
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ফলে বান্দা অসংখ্য বরকত ও কল্যাণ লাভ করে। আব্দুল্লাহ ইবনে উবায়দ ইবনে উমায়র বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির মধ্যে থাকে, আল্লাহ তার সন্তুষ্টি আরও বাড়িয়ে দেন।” (আহমদ ইবনে হাম্বল, আয-যুহদ, পৃ. ৮৫, দারুল বাশাইর, মদিনা, ২০২০)
আল্লাহ বলেন, “যখন আমি পালিত হই, আমি সন্তুষ্ট হই। আর যখন আমি সন্তুষ্ট হই, আমি বরকত দান করি। আর আমার বরকতের কোনো সীমা নেই।” (হিলিয়াতুল আওলিয়া, ৪/৪১, দারুল কুতুব, বৈরুত, ২০১৬)
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন একটি জীবনব্যাপী সাধনা। এটি শুধুমাত্র বড় আমলের মাধ্যমে নয়, বরং ছোট ছোট কাজে খাঁটি নিয়ত, আল্লাহর আদেশ পালন, নেয়ামতের শুকরিয়া ও তাঁর ভাগ্যলিপির প্রতি সন্তুষ্টির মাধ্যমেও অর্জন করা যায়। এই পথে চলার মাধ্যমে বান্দা দুনিয়া ও আখিরাতে শান্তি, সুখ ও সাফল্য লাভ করে।
16/10/2025
আলহামদুলিল্লাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mecca