Chef Sajid

Chef Sajid

Share

welcome,we are a famous product production..

07/02/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Md Imran Imran, Helal Uddin

07/02/2025

Thanks

30/11/2023

প্রবাসীদের ৫% প্রনোদনা নিয়ে কেন প্রতারণা??
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই সব লোভী মানুষ গুলো
আপনার ভালো কাজ গুলো আড়াল করছে.
এদের বিচার চাই,
৫% প্রণোদনা কার্যকর চাই

28/11/2023

আইনস্টাইনের যিনি ড্রাইভার ছিলেন,
তিনি একদিন আইনস্টাইনকে বললেন - আপনি প্রতিটি সভায় যে ভাষণ দেন সেইগুলো শুনে শুনে আমার মুখস্থ হয়ে গেছে ।" -আইনস্টাইন তো অবাক!!!
উনি তখন বললেন "বেশ তাহলে এর পরের মিটিংয়ে যেখানে যাবো তারা আমাকে চেনেন না, তুমি আমার হয়ে ভাষণ দিও আর আমি ড্রাইভার হয়ে বসে থাকবো।"
-এরপরে সেই সভায় তো ড্রাইভার হুবহু আইনস্টাইন-এর ভাষণ গড় গড় করে বলে গেলেন । উপস্থিত বিদ্বজ্জনেরা তুমুল করতালি দিলেন । এরপর তাঁরা ড্রাইভারকে আইনস্টাইন ভেবে গাড়িতে পৌঁছে দিতে এলেন ।
-সেই সময়ে একজন অধ্যাপক ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন "স্যার, ঐ আপেক্ষিক এর যে সঙ্গাটা বললেন, আর একবার সংক্ষেপে বুঝিয়ে দেবেন ?"
-আসল আইনস্টাইন দেখলেন বিপদ, এবার তো ড্রাইভার ধরা পড়ে যাবে । কিন্তু তিনি ড্রাইভার-এর উত্তর শুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন । ড্রাইভার উত্তর দিল।।
-"এই সহজ জিনিসটা আপনার মাথায় ঢোকেনি ? আমার ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করুন সে বুঝিয়ে দেবে ।"
বিঃদ্রঃ- জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে চলাফেরা ki করলে আপনিও জ্ঞানী হবেন। আপনি যেমন মানুষের সাথে ঘুরবেন তেমনই হবেন।
এই জন্যে কথায় আছে,
"সৎ সঙ্গে স্বর্গ বাস,
অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ"।

14/11/2023

বাংলাদেশে একাদশ সংসদের মেয়াদ ২০২৪ সালের ২৯শে জানুয়ারি শেষ হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আর এজন্য পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

তফসিলের মাধ্যমে জানা যাবে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে।

রেওয়াজ অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণা থেকে ভোট গ্রহণের দিনের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের পার্থক্য থাকে।

নির্বাচনের তফসিলে কী থাকে?
নির্বাচন আয়োজন করার জন্য যেসব কাজকর্ম জড়িত রয়েছে তার সবকিছুর জন্যে একটি সময় বেঁধে দেয়া হয় তফসিলে।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, খুব সহজ ভাষায় এটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখের একটি আইনি ঘোষণা।

যেমন প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতার মনোনয়নের কাগজ কত তারিখ জমা দেয়া শুরু করতে পারবেন সেটি ঘোষণা করা হয়।

মনোনয়নের কাগজ নির্বাচন কমিশন কতদিনের মধ্যে বাছাই করবে, বাছাই প্রক্রিয়ায় যদি সেটি বাতিল হয়ে যায়, তাহলে প্রার্থিতা প্রত্যাশী ব্যক্তি কতদিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবে তার সময় বেঁধে দেয় কমিশন।

যারা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাবেন তাদের তালিকা কবে নাগাদ ছাপানো হবে, নির্বাচনী প্রচারণা কবে থেকে শুরু করা যাবে আর কতদিন পর্যন্ত তা চালানো যাবে - সেটির উল্লেখ থাকে।

সাধারণত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীক ঘোষণার সাথে প্রচারণা শুরুর তারিখ সম্পর্কিত থাকে।

নির্বাচন কত তারিখ হবে, কোন সময়ে শুরু হবে আর কোন সময় পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে তার বিস্তারিত এবং ভোটের পর ভোট গণনা কিভাবে এবং কোথায় হবে তারও পরিষ্কার উল্লেখ থাকে।

এই পুরো বিষয়টির সমষ্টিকেই নির্বাচনের তফসিল বলা হয়।

এসব সিদ্ধান্ত কারা নেয়?
কিছু বিষয় সংবিধানে একদম নিশ্চিত করে বলা আছে।

তাই সেগুলো নিয়ে আদৌ কোন সিদ্ধান্ত নেয়ারই দরকার হয়না।

যেমন সংবিধানে বলা আছে সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

অর্থ্যাৎ ২৮শে জানুয়ারি সংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

কিন্তু এই ৯০ দিনের মধ্যে কবে নির্বাচনের তারিখ সেটি ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

কমিশনারদের মধ্যে সেটি নিয়ে এবং নির্বাচনের তফসিলের অন্যান্য সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

তারপর বেশিরভাগ কমিশনার যে সিদ্ধান্ত দেয় সেটি গৃহীত হওয়ার কথা।

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর কি বদল করা যায়?
নির্বাচন কমিশন চাইলে সংসদ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ঐ ৯০ দিনের মধ্যে দেয়া নির্বাচনের তারিখ বদলাতে পারে।

যদি সেটি দরকার হয় তাহলে নির্বাচন কমিশনের সেই এখতিয়ার রয়েছে। সেক্ষেত্রে তফসিল সংশোধন করে দেয়া যায়।

অন্য দেশেও কি একইভাবে তফসিল দেয়া হয়?
সাধারণত বাংলাদেশের তফসিলে যেসব কার্যক্রম দেয়া থাকে তা করার জন্য সবমিলিয়ে পুরো সময়কাল ৪৫ দিন হয়ে থাকে।

সেটাই সাধারণত বাংলাদেশের রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্রিটেনে তফসিলের সময়কাল হল সব মিলিয়ে ১৭ দিন।

সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১৭ দিনের মধ্যে সেখানে নির্বাচন সহ তার আগের সবকিছু শেষ করতে হবে।

সেখানে আইন করে স্থায়ী একটি তফসিল তৈরি করাই রয়েছে।

আর সেখানে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজন করে না। সেটি করে থাকে স্থানীয় কাউন্সিল।

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, বিলুপ্ত হওয়া লোকসভা বা বিধানসভার সর্বশেষ অধিবেশন থেকে নতুন সরকার গঠনের মধ্যে সময়সীমা ছয় মাসের বেশি হতে পারবে না। এই সময়সীমার মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পরবর্তী আট দিনের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হয়। এরপর বাছাইয়ের জন্য একদিন বরাদ্দ থাকে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য দুইদিন বরাদ্দ থাকে। এরপরে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচনী প্রচারণার জন্য সাধারণত দুই সপ্তাহ সময়সীমা দেয়া হয়ে থাকে। তবে নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচারণা বন্ধ করতে হয়।

পাকিস্তানে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, বাছাই, প্রচারণায় সবমিলিয়ে ৫৪ দিনের মতো সময় পাওয়া যায়।

ভারতের মতো এখানেও নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর বাছাই, প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়।

পাকিস্তানের নিয়ম অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার পর অন্তত ২২দিন পরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

14/11/2023

বাংলায় যত বিবাহ করিয়াছে নারী ও নর!

অর্ধেক তার শুক্রবার আর বাকি সব ঈদের পর!😁

08/11/2023

আইসিসির রুলবুক অনুযায়ী মোট 10 ভাবে কোনও ব্যাটার আউট হতে পারেন। একনজরে দেখে নিন সেই সমস্ত আউটের নিয়মাবলী -

🔴 বোল্ড আউট (LAW 32) - কোনও বোলারের করা বৈধ ডেলিভারি উইকেটে এসে লাগার পর যদি বেল পড়ে যায়, তাহলে ব্যাটার বোল্ড আউট হন।

🔴 কট আউট (LAW 33) - কোনও বোলারের করা বৈধ ডেলিভারি ব্যাটারের ব্যাট অথবা গ্লাভসে (ব্যাটের সঙ্গে গ্লাভসের স্পর্শ থাকাকালীন) লাগার পর যে-কোনও ফিল্ডারের হাতে জমা পড়লে ব্যাটার কট আউট হন।

🔴 হিট দ্য বল টোয়াইস (LAW 34) - কোনও বৈধ ডেলিভারি ব্যাটে লাগার পর যদি ব্যাটার ইচ্ছাকৃত ভাবে সেই বলটা হাত দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করেন (ফিল্ডার যাতে সেই বলটা ধরতে না পারেন, অথবা বল যাতে উইকেটে না লাগে), সেক্ষেত্রে আম্পায়ারের পরামর্শ অনুযায়ী আউট দেওয়া হতে পারে। তবে একবার ব্যাটে লাগার পর দ্বিতীয়বার ব্যাট দিয়ে বা পা দিয়ে সেই বল আটকানো যেতে পারে।

🔴 হিট উইকেট (LAW 35) - কোনও বৈধ ডেলিভারি ফেস করার পর ব্যাটারের ব্যাট বা শরীরের কোনও অংশ লেগে যদি স্টাম্পের বেল পড়ে যায়, তাহলে সেই ব্যাটার হিট উইকেট আউট হন। তবে রান নেওয়ার সময় যদি কোনও ব্যাটারের সঙ্গে উইকেটের সংঘর্ষে বেল পড়ে যায়, তাহলে সেটা আউট হিসেবে গণ্য হয় না।

🔴 লেগ বিফোর উইকেট (LAW 36) - কোনও বৈধ ডেলিভারি ফেস করার সময় ব্যাট বা গ্লাভসের বদলে বল যদি প্যাড বা শরীরের অন্য কোনও অংশে এসে লাগে, এবং আম্পায়ার যদি মনে করেন যে বল উইকেটে লাগতে পারত, তাহলে ব্যাটারকে LBW আউট দেওয়া হয়।

🔴 অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড (LAW 37) - কোনও ডেলিভারি ফেস করার পর বা দৌড়ানোর সময় স্ট্রাইকার অথবা নন-স্ট্রাইকার ব্যাটার যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডারের থ্রোয়িং লাইনের সামনে চলে আসেন, অথবা ক্যাচ ধরার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান, অথবা ফিল্ডারকে কোনওভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন, তাহলে সেই স্ট্রাইকার অথবা নন-স্ট্রাইকারকে 'অবস্ট্রাইকটিং দ্য ফিল্ড'-এর আন্ডারে আউট দেওয়া হয়।

🔴 রান আউট (LAW 38) - কোনও ডেলিভারি ফেস করার পর রান নেওয়ার ক্ষেত্রে স্ট্রাইকার বা নন-স্ট্রাইকারের ব্যাট যদি পপিং ক্রিজ থেকে দূরে থাকে এবং ফিল্ডারের থ্রো করা বল উইকেটে এসে লাগে, তখন সেই স্ট্রাইকার বা নন-স্ট্রাইকার রান আউট হন। এছাড়া বল ডেলিভার করার আগে যদি নন-স্ট্রাইকার ক্রিজ ছেড়ে এগিয়ে আসেন, তাহলে বোলার তার অ্যাকশন সম্পূর্ণ করার আগে নন-স্ট্রাইকারকে রান আউট করতে পারেন।

🔴 স্টাম্পড আউট (LAW 39) - কোনও বৈধ ডেলিভারি ফেস করার সময় ব্যাটারের ব্যাট বা গ্লাভসে না লেগে বল কিপারের হাতে পৌঁছানোর পর ব্যাটার যদি ক্রিজের বাইরে থাকেন, তাহলে কিপার বল হাতে স্টাম্পে হিট করলে সেই ব্যাটার স্টাম্পড আউট হন।

🔴 টাইমড আউট (LAW 40) - কোনও উইকেট পড়ার পর নতুন ব্যাটার যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্রিজে এসে স্ট্রাইক না নিতে পারেন, সেক্ষেত্রে বিপক্ষ দলের ক্যাপ্টেন অ্যাপিল করলে আম্পায়ার সেই নতুন ব্যাটারকে টাইমড আউট ঘোষণা করেন।

🔴 রিটায়ার্ড আউট (LAW 25.4) - ম্যাচের যে কোনও মুহূর্তে যদি কোনও ব্যাটার আম্পায়ারের পরামর্শ না নিয়েই মাঠের বাইরে চলে যান, তাহলে সেই ব্যাটারকে রিটায়ার্ড আউট ঘোষণা করা হয়৷ বিপক্ষ দলের ক্যাপ্টেন চাইলে তাকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আবার।

এর আগে 'হ্যান্ডেলড দ্য বল' নামক আরও একরকম আউট ছিল ক্রিকেটের রুলবুকে, যেটা এখন আর নেই। উল্লেখিত 10 রকম আউটের প্রত্যেকটা আউটই নিয়মের মধ্যে পড়ে, এবং রেয়ার আউটগুলোর ক্ষেত্রে ফিল্ডিং টিমের ক্যাপ্টেন এবং আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত খুব গুরুত্বপূর্ণ ☝️

Follow....now

22/10/2023

কুকুর থেকে সাবধান
ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষীপুর শর্মা পাড়া
গলির মাথা থেকে বৃহস্পতিবার
কুকুরে চারজন
মহিলা কে কামড়িয়েছে।

17/10/2023

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা , যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা মেডিকেল , বুয়েট সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহর কে স্মরণ করে না।
***জীবনী :
নবাব সুলিমুল্লাহর জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। তাঁর বাবা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আহসানউল্লা (১৮৪৬-১৯০১) এবং দাদা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আবদুল গণি (১৮১৩-৯৬)। এই দুজনই ঊনবিংশ শতকের বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। নিঃসন্দেহে পরিবারটি ছিল অভিজাত ও ধনাঢ্য। কিন্তু অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখকে তিনি নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি আকাতরে দান-খয়রাত করে গেছেন।
স্যার সলিমুল্লাহর বাবা আহসানউল্লা ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকায় তথা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো #বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছিলেন, প্রথম বিজলি বাতির আলো জ্বলেছিল #আহসান_মঞ্জিলে।

(১)নবাব সলিমূল্লাহ সেই যিনি সর্বপ্রথম পানীয় জল এবং টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে আধুনিক ঢাকার জন্ম দেন।
(২)ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯০২ সালে তিনি ১লাখ ২০হাজার টাকা দান করেছিলেন। সেই টাকায় এবং তাঁর দান করা জমিতে স্থাপিত হয়েছিল আহসানউল্লা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯২২ সালে যা আহসানউল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৬০ সালে আহসানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে উন্নীত হয়। সেটিই এখনকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(BUET)।

(৩) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ বৈঠককে তার নিকট পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।শেষ পর্যন্ত ঢাকাকে কেন্দ্র করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়ে ইংরেজরা মত দেয়।

(৪)নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
(৫) (DU) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি জমিই শুধু দান করেননি, প্রধান অর্থদানকারীও ছিলেন। এতে তাঁর অর্থভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। শেষে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে মহাজনদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছিল। জমিদারি চলে গিয়েছিল কোর্ট অব ওয়ার্ডসে।

(৬) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৬ সালে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ধর্ম রক্ষায় প্রায় ছয় মাসের প্রচেষ্টায় পাক-ভারত উপমহাদেশে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ গঠন করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা বিভাগে মুসলমানদের জন্য সহকারী পরিদর্শক ও বিশেষ সাব ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি বর্ণবাদী-ব্রাহ্
মণ্যবাদী চক্রান্তে বিট্রিশ সামাজ্যবাদে শত বছরের অধিক চাষাভূষা, কচোয়ান-দাঁরোয়ান ও গোলাম বানিয়ে রাখা মুসলিমদের কথা ভেবে প্রথম জেগে উঠেন তারপর মুসলিমদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন।
(৮)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি সুদূর তুরস্কের ভূমিকম্পে মানুষের কষ্টের কথা শুনে সাহায্যের জন্য টাকা-পয়সা পাঠিয়েছিলেন।
(৯)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি মানুষকে তার সকল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে ঋণী হয়েছিলেন। সোনালী ব্যাংক সদরঘাট শাখায় এখনও তার বন্ধক রাখা সিন্ধুক “দরিয়ায়ে নূর” রক্ষিত আছে।

আচ্ছা আমরা ক'জন জানি এই মহান ব্যক্তির কথা? তার অসামান্য কীর্তির কথা?
এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত?
আজ যত-শত আবর্জনারই আমাদের জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাড়িয়েছে যেখানে এই মহান ব্যক্তিদের একটু জায়গা কোথায়!!
****রহস্যজনক মৃত্যুঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়।
কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। এসমসাময়িক সময়েই তার মৃত্যু হয় কলকাতায়। পরে প্রচার করা হয় যে হৃদরোগে তিনি মারা গেছেন।
তিনি সেদিনই কলকাতায় অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। পরদিন লাশ ঢাকায় আনা হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকার বেগমবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি , আল্লাহ্‌ উনাকে জান্নাত দান করুন (আমিন)।
-সংগৃহীত

#নবাব_সলিমুল্লাহ

17/10/2023

Important tips

13/10/2023

🚫সাবধান 🚫সাবধান 🚫সাবধান ⤵️
ফরিপুরের হাজিগঞ্জ বাজার ব্রিজের নিচে দিয়ে,বেপারী ডাঙ্গি সুইচগেইট দিয়ে, তেলিবাড়িঘাট ব্রিজের নিচ দিয়ে, ঢালারপাড় ফজল চেয়ারম্যান এর ব্রিজের নিচে দিয়ে, গজারিয়া বাজারের ব্রিজের নিচ দিয়ে যেই নদী প্রবাহিত হয়েছে।
সেই নদীতে 🐊🐊কুমির ডুকে পড়েছে, তাই সবাই সাবধানে নদীর পানিতে নামবেন....

তথ্য ও ছবি মোঃ তুরাগ হোসেন,,,

09/10/2023

আপনার সন্তানকে শিক্ষা দিন-
লাল রঙে বেষ্টিত জায়গাটি আল-আকসা মসজিদের বিস্তৃত মাঠ।
কালো রঙে বেষ্টিত স্থাপনাটি আমাদের প্রথম কিবলা মাসজিদুল আকসা।
নীল রঙে বেষ্টিত স্থাপনাটি মাসজিদে কুব্বাতুস সাখরা।

আপনার সন্তানকে আল-আকসা, কুদস ও ফিলিস্তিন বিষয়ে সচেতনতা শিক্ষা দিন।

তাদের বলুন, আল-আকসা আমাদের প্রথম কিবলা, এটি ইসরা ও মি’রাজের স্মৃতি বিজরিত পূণ্যভূমি। তাদের বুঝতে দিন, আল-আকসার প্রতি ভালবাসা স্থাপন আমাদের ইমানের অংশ, আমাদের ইবাদাতের অংশ। তাদের জানিয়ে দিন, আল-আকসা দখলদারদের হাতে ছেড়ে দেয়া আল্লাহ, রাসুল সা. ও পবিত্র ধর্ম ইসলামের সঙ্গে প্রতারণা।

দোয়ায় বলতে থাকুন, হে আল্লাহ!
ফিলিস্তিনে আপনার দুর্বল বান্দাদের বিজয় দান করুন। আমিন।
#আকসা_আমাদের

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Dammam?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Faridpur
Dammam
221