RAKIB HOSEN
Welcome to my page
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
১৭/০৭০২০২৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ শিক্ষার্থী নিহত
রমযান মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানগুলোকে শিকলে বন্দী করে রাখা হয়।
(সহীহ মুসলিম-১০৭৯)
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ঘোষণা দিয়ে
বিশাল আকারে গণ-ইফতারের আয়োজন করুন।
আর ঘোষণা দিয়ে বিফ খান,
এবং সেগুলো পাবলিকলি শেয়ার করুন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসজিদগুলোতে কুরআনিক হালাকাহ
ও প্রোডাক্টিভ রমাদান শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করুন,
এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেগুলো শেয়ার করুন।
এগুলো প্রদর্শনেচ্ছা থেকে নয়,
বরং স্ট্রাটেজিক যুদ্ধের অংশ হিসেবে করুন।
14/03/2024
আপনার আচরণ ও ব্যবহার যতো সুন্দর, কোমল হবে আপনি ততোই আপন বা পর মানুষদের কাছে প্রিয় বা ভালো হতে পারবেন। আর আপনি লাখ লাখ টাকা খরচ করে আদর আপ্যায়ণ করলেন মেহমানদের, কিন্তু একটা খারাপ বা কষ্টদায়ক আচরণ করবেন, তাহলেই শেষ। এতো আদর যত্ন করে খাওয়ানোর কথা পরক্ষণেই ভুলে যাবেন তারা। আপনার মুখ থেকে যেন এমন কোনো কথা কখনোই বের না হয় যেটা সামনের মানুষের কাছে শ্রুতিকটু বা কষ্টদায়ক মনে হয়।
যারা বদরাগী বা অল্পতেই মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করে ফেলেন তারা রাগ হয়ে গেলে চুপ হয়ে যাবেন, ধৈর্য্য ধরবেন এবং পরক্ষণেই নিজের মানসিক শান্তির জন্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাকে মাফ করে দিবেন। মানসিক শান্তিতে থাকতে পারবেন, ইন শা আল্লাহ।
পাপ অন্তরকে রোগাক্রান্ত করে ফেলে। যার অন্তর রোগাক্রান্ত, সে সত্যের দিকে ধাবিত হয় না। সঠিক বিষয়কে মেনে নিতে চায় না। প্রতিটি কাজে সে বক্রতার অনুগামী হয়। অন্যায়-অপরাধ তার কাছে খুব স্বাভাবিক বিষয় মনে হয়। আল্লাহর ইবাদত-আনুগত্যে সে স্বাদ পায় না। তার মনে কোনো ভালো চিন্তাও আর আসে না। খারাপ কাজ করার পরও তার অন্তর ব্যথিত হয় না। তার মধ্যে কোন অনুশোচনা কাজ করেনা। ধীরে ধীরে তার অন্তরটি একটি অসুস্থ অন্তরে বা মৃত অন্তরে পরিণত হয়। আল্লাহ ইরশাদ করেন— “সে-ই সফল যে তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেছে এবং সে ব্যর্থ হয়েছে, যে আত্মাকে কলুষিত করেছে।”। (সুরা আশ-শামস, আয়াত : ৮-৯)
ভালোবাসার দোহাই দিয়ে আমরা প্রায়ই কাছের মানুষদের ছোটখাটো বা বড় ভুলেও তাদেরকে অপমান-অপদস্থ বা অসম্মান করি খুবই বাজে বা নোংরাভাবে, তারা ভুল স্বীকার করার পরেও। এটা প্রকৃতপক্ষে ভালোবাসাই না।
মানুষ ভুল করবেই এটাই তাদের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। কিন্তু সেই ভুলকে ক্ষমা করে দেওয়া এবং যে ভুল করলো তাকে অসম্মান বা অপমানিত না করে, তাকে মায়া-মমতা দিয়ে, নিজে বুঝাবেন, নিজে না পারলে ওপর কোনো ভালো বা জ্ঞানী মানুষ দিয়ে ভদ্রভাবে বোঝানোই প্রকৃত ভালোবাসা।
তাছাড়া ইসলামও আপনাকে এই অনুমতি দেয়নি যে আপনি কারোর ভুলের গন্ধ পেয়ে নোংরাভাবে, বাজেভাবে তাকে লাঞ্ছিত করবেন। কেউ যদি অনেক বড় অপরাধও করে তাকে ভদ্রভাবে, মনে কষ্ট না দিয়ে বোঝানোর কথাই বলা হয়েছে ইসলামে।
যার নিজের আত্মসম্মান নেই, কেবল সেই অপরকে অসম্মান করে। মনে রাখবেন ভালোবাসা এবং সম্মান করা এইদুটি একই সুতোয় গাঁথা। তাই আগে সম্মান করুন, মুল্যায়ণ করুন, সেখানে ভালোবাসা এমনিই চলে আসবে। দোহাই দেওয়ার প্রয়োজন হবেনা।
"বি'চ্ছেদ হবে না কেনো"....!!
মানুষের কাছে এখন ভালবাসার কদর নাই, সময়ের কদর নাই, ইমোশনের কদর নাই। কদর শুধু আছে রাগের, ইগোর, স্বা'র্থের, বাহ্যিক সৌন্দর্য্যের, মোহের। মানুষ ধরে রাখার চেয়ে ছাড়তে বেশি পছন্দ করে, নিজে বদলাবার আগে অন্যের বদলাবার এক্সপেকটেশান রাখে, রাগ আর জে'দে প্রতিযোগীতা পছন্দ করে! নিজেদের সম্পর্ক সুন্দর করার চেয়ে আরো বেটার একটা খুঁজে নেওয়া বেটার মনে হয় তাদের।
সম্পর্ক টিকবে কেনো? একজনে সম্পর্ক কখনোই টিকে না। একজনের পক্ষে কিছুই সম্ভব না। একজন চাইলে অন্যজন না চাইলে কোনো ভাবেই দূর'ত্ব কমতে পারেনা। সম্পর্ক, বিয়ে জিনিস টা একজনকে দিয়েই হলে তো ২জন লাগতো না। এজন্য আজকাল সবার সম্পর্কই ঝুলে থাকে, একটু এদিক সেদিক হলেই সেই সাক্ষী আমি নিজেই___!
রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন— আল্লাহ আমার উম্মতের হৃদয়ে যে (পাপের) খেয়াল জাগ্রত হয় তা ক্ষমা করে দিয়েছেন, যতক্ষণ না সে তা কাজে পরিণত করে কিংবা মুখে উচ্চারণ করে। [সহিহ বুখারি : ৫২৬৯]
অন্যায় করে যার ছোট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে, তারমধ্যে অন্যায় বোধই আসেনি, প্রকৃতপক্ষে সে অহংকারী।
ভুল করলে সেটাকে সৎভাবে মেনে নিলে কখনও ছোট হওয়ার প্রশ্নই থাকে না। নিজেকে ছোট করলে খারাপ মানুষ সেটাকে আপনার দূর্বলতা হিসেবে নিবে এবং অপমান করবে। কিন্তু জ্ঞানী বা ভালো মানুষ এই ছোট হওয়াকে সততা বা ভালোগুণ হিসেবে নিবে এবং আপনাকে বিশ্বাস করবে।
তাই অহংকারী হবেন না, ভুল করে নত হওয়া মানুষদের আল্লাহ খুবই পছন্দ করেন এবং আল্লাহই একসময় নত হওয়া মানুষদের কাছে তাঁকে সম্মানিত করেন।
আল্লাহর তরফ হতে কোনো মানুষের জন্য যখন কোনো মর্যাদা নির্ধারিত হয় যা সে আমল দিয়ে লাভ করতে পারে না, তখন আল্লাহ তার শরীর, ধন-সম্পদ অথবা সন্তান-সন্ততির ওপর বিপদ ঘটিয়ে পরীক্ষা করেন।
অতঃপর সে তাতে ধৈর্য ধারণ করলে; শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা তাকে উক্ত মর্যাদার স্তরে উপনীত করেন। [আবূ দাঊদ : ৩০৯০, সহিহ আত-তারগীব : ৩৪০৯]
আপনার আশেপাশে অনেক লোক থাকবে যার কিছু অংশ মানুষ আপনাকে পছন্দ করবে আবার কিছু অংশ করবে না।
আর যারা আপনাকে অপছন্দ করে তাদের মধ্যে আবার ৩ টি ভাগ রয়েছে।
প্রথমটি হলো আপনাকে মনে মনে অপছন্দ করবে এবং আপনাকে এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করবে।এরা আপনার জন্য ক্ষতিকর নয়।
দ্বিতীয়টি হলো আপনাকে পছন্দও করবে না,মনে মনে আপনার খারাপ চাইবে।আপনার ভালো সময় তারা সহ্য করতে পারবে না।এরা এতোটাই খারাপ চায় আপনার যে অনেকসময় আপনার দিকে বদনজরও দিয়ে বসবে।
আর তৃতীয়টি সবথেকে ভয়ঙ্কর।আপনাকে সহ্যই করতে পারবে না এবং আপনার ক্ষতি করার জন্য উঠেপড়ে লাগবে।
এই দ্বিতীয়,তৃতীয় উভয় শ্রেণীর মানুষ রূপী শত্রু থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখবেন।অনেক সময় অনেক বড় বড় ক্ষতির সমুক্ষীণ হতে পারেন এজন্য সাবধানে থাকবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Muscat