Dr.Simran
Doctors Help
25/01/2023
21/01/2023
স্ট্রোক কেন হয়???
১। রক্তনালী বন্ধ হয়ে গিয়ে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হয়ে(৮৫%)
২।রক্তনালী ছিঁড়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ হয়ে(১৫%)
রোগের লক্ষণ হবে মস্তিষ্কের যে অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সে অংশের কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে।যদি বড় কোন রক্তনালী বন্ধ হয় তাহলে রোগীর অনেক বেশি লক্ষণ থাকবে, ছোট রক্তনালী হলে কম লক্ষণ হবে।
স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ হল এটা হঠাৎ করে হবে।ধীরে ধীরে হবে না।
ঘুম থেকে উঠে আপনি দেখলেনঃ
আপনার একসাইড অবশ হয়ে গেছে,
মুখ বাকিয়ে গেছে,
কথা জড়ায় আসছে,
এক চোখে দেখছেন না,
হঠাৎ তীব্র মাথা ব্যাথা যে ব্যাথা আপনার জীবনে কখনও হয় নি,
অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
উপরের যে কোন একটা লক্ষণ থাকলেও স্ট্রোক সন্দেহ করতে হবে।
যাদেরঃ
ডায়াবেটিস আছে
হাই প্রেসার আছে
রক্তে চর্বি বেশি আছে
ধূমপান করেন
ওজন বেশি
পরিবারে(বাবা,মা)স্ট্রোকের ইতিহাস আছে,
পূর্বে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে বা হার্টের রোগ আছে।
তারা স্ট্রোকের ঝুঁকিতে আছেন।
খুবই কার্যকর কিছু স্বাস্থ্য টিপস ! যা বদলে দেবে আপনার জীবন
নিয়মিত ইবাদাত করুনঃ
সকালে পানি পান করাঃ
যেহেতু আমাদের দিন শুরু হয় সকাল দিয়ে, তাই সকালের স্বাস্থ্য টিপস মানা আমাদের অতিব জরুরি! সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই খালি পেটে পানি পান করতে হবে এবং এটা অত্যন্ত উপকারি স্বাস্থ্য টিপস। এর ফলে অনেক প্রকার রোগ থেকে শরীরকে সহজেই মুক্ত রাখা যায়। ঠিক এ কারনেই বিশেষজ্ঞরা সকালে এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়া সকালে খালি পেটে পানি পান করলে আরো অনেক উপকার পাবেন।
প্রতিদিন ফল খাওয়াঃ
শুধু দামি দামি মাছ মাংস খেলেই আমাদের খাদ্যর সকল চাহিদা পূরণ হবে বলে আমরা অনেকেই মনে করি, কিন্তু এ ধারণা ঠিক নয়। তাই প্রতি বেলা ভাত ত্রকারীর উপর ঝাঁপিয়ে না পরে; টাটকা ফল খাওয়া অভ্যাস করতে হবে। কাঁচা-পাঁকা বিভিন্ন ফলে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি; ও ভিটামিন এ সহ প্রায় সকল প্রকার ভিটামিন থাকে। ভিটামিন সি ত্বক ভালো রাখে এবং আমাদের চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়! কিন্তু; ভিটামিন সি তাপে নষ্ট হয়; এজন্য আমরা শুধু মাত্র রান্না করা খাবারের উপর নির্ভর হয়ে থাকলে এসকল অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান থেকে বঞ্চিত হবো ! সুতরাং আমাদের সুস্থ্য শরীল ও ভালো নিরোগ স্বাস্থ্যর অধিকারী হতে হলে প্রতি দিন টাটকা ফল খাওয়ার অভ্যস করতে হবে।
নিয়মিত ব্যায়াম করাঃ
পুষ্টিমান বিবেচনা করে খাবার খাওয়াঃ
খিদে পেলে আমরা কোনো কিছু বিবেচনা না করেই বা খাবারে পুষ্টিমান বিচার না করে খাবার সাবার করে দেই। আবার অনেকেই মনে করি; পুষ্টিকর খাবার মানেই হলো দামি খাবার । এধারণা মোটেই ঠিক না। আমাদের দেশে অনেক কম মূল্যে পুষ্টি সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার পাওয়া যায়। এর মধ্যে উদ্ভিজ খাবার শাক-সবজি অন্যতম। তাছাড়া, রাস্তার পাশের খোলা খাবার খেলে আমাদের স্বাস্থ্য নাশের আশংকা রয়েছে। তাই খাদ্যর গুণাগুণ সম্পর্কে আমাদের সর্বদা সচেতন থাকতে হবে । অতিরিক্ত তেল চর্বি যুক্ত খাবার বর্জন করে চলতে হবে।
পরিমিত প্রোটিন গ্রহণ করাঃ
ওজন কম রাখার চেষ্টা করাঃ
সুস্থ শরীর পেতে ওজন কমানোর কোনো বিকল্প নেই; এবং বর্তমানে অধুনিক সময়ে ওজন কমানো খুব কঠিন কাজ নয়। তাই ওজন কমানো হতে পারে আপনার জন্য সেরা স্বাস্থ্য টিপস। তো চলুন দেখে নেয়া যাক কি কি সহজ উপায়ে ওজন কমানো যায়ঃ
গ্রীন টিঃ
একটি গবেষণার প্রতিবেদেনে দেখা গেছে যে; ১ দিনে মাত্র চার কাপ সবুজ চা বা গ্রীণ টি পান করার ফলে শরীরের ৪
15/11/2022
#স্বাস্থসেবা_প্রতিদিন
বিষয়ঃ বৃক্ক বা কিডনি (পর্ব ১) এনাটমি
বৃক্ক (ইংরেজি: Kidney) বা কিডনি। যা আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্গান। মেরুদণ্ডী প্রাণিদেহের এক জোড়া শিমসদৃশ অঙ্গ বিশেষ যা উদরের পিছনের দিকে অবস্থিত, এবং যা মূত্র উৎপাদন ও নিষ্কাশন করে; এবং সেই সাথে শরীরের জল ও তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ বা ইলেকট্রোলাইটের (সোডিয়াম, পটাসিয়াম ইত্যাদি) ভারসাম্য বজায় রাখে ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসাবে কাজ করে। অঙ্গটি পেরিটোনিয়ামের পিছনে অবস্থান করে। এর বিস্তৃতি পিঠের দিকের প্রাচীরের কাছে মেরুদণ্ডের ঠিক পাশেই দু দিকে বক্ষদেশীয় কশেরুকার (t12) অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে তৃতীয় কটিদেশীয় কশেরুকা (L3) পর্যন্ত।যকৃৎ এর অবস্থানের কারণে ডান বৃক্ক বাম বৃক্ক অপেক্ষা সামান্য নিচে থাকে।
বৃক্কের উপরিভাগ ১১ তম এবং ১২ তম পর্শুকা(RIB)দ্বারা আংশিক আবৃত থাকে।এখানে অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি রয়েছে।সমস্ত বৃক্ক পেরিরেনাল ও প্যারারেনাল ফ্যাট এবং রেনাল পর্দা (Renal Fascia) দ্বারা আবৃত। পুরুষের বৃক্কের ওজন ১৫০ - ১৭০ গ্রাম এবং স্ত্রীর ১৩০ - ১৫০ গ্রাম।সচরাচর বাম বৃক্ক ডান বৃক্ক থেকে সামান্য বড় হয়ে থাকে।
পরবর্তী আলোচনা পেতে সাথে থাকুন।
ধন্যবাদ।
♦ব্রেস্ট ক্যান্সার বা স্তন ক্যান্সার লক্ষন:-
স্তন বা ব্রেস্ট ক্যান্সার হলে সাধারণত নিচে দেওয়া লক্ষণ গুলি দেখা যায় –
★স্তনের বোঁটা ভিতরের দিকে ঢুকে যায়।
★স্তনের ত্বকে পরিবর্তন দেখা দেয়, যেমন-টোল পড়া।
★স্তনের বোঁটার চামড়া উঠতে থাকে।
★স্তনে একটি পিন্ডের মত অনুভব হয়।
★স্তনের ত্বক লালচে যেমন-কমলার খোসার মতো এবং গর্ত-গর্ত হয়ে যায়।
★স্তনের আকার ও আকৃতির পরিবর্তন হয়।
★স্তনের বোঁটা থেকে রক্ত বের হয়।
★স্তনে একটি পিন্ডের মত অনুভব হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kajang