From zero

From zero

Share

best short Video

18/08/2024

গল্পটা পড়ে যান..!
এক সময় বাংলাদেশের শিয়ালের অস্তিত্ব ছিলনা হঠাৎ তারা কোথা থেকে জানে উদয় হল। এসেই মুরগির স্বাধীনতা চাইল।মুরগির মালিক হঠাৎ শিয়ালের উৎপত্তি দেখে মুরগিগুলাকে সেফ রাখার জন্য চারিপাশে একটা দেয়াল তৈরি করল করল। এখন শিয়াল মুরগিদের কাছে গিয়ে বলল দেখছো,,, তোমাদের কোন স্বাধীনতা নাই, কিভাবে তোমাদেরকে আটকিয়ে রাখছে,এমনই মুরগির দল বললো ও তাইতো আমাদের তো কোন স্বাধীনতা নেই। তারপর মুরগি দল করল কি প্লাকট হাতে নিয়ে আন্দোলন শুরু করল আমরা স্বাধীনতা চাই আমরা স্বাধীনতা চাই। তারপর মুরগির মালিক তাদেরকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করল এটা শিয়ালের একটা ফাঁদ তোমাদেরকে খাওয়ার প্ল্যান করছে ওদের ফাঁদে পইরো না, কিন্তু কে শুনে কার কথা, তাদের স্বাধীনতা লাগবেই, তারপর শিয়াল আর মুরগির যন্ত্রণায় বাড়ির মালিক বাড়ি ছেড়ে চলে গেল, তারপর তো শিয়াল গুলো মনের আনন্দে নাচতে শুরু করলো, শিয়াল তাদেরকে স্বাধীনতা দিয়ে মনের আনন্দে খাইতে শুরু করল। এখন এই মুরগিগুলো যখন শিয়ালে আসো চেহারা দেখা শুরু করল, তখনি মুরগির দল আবার সে মালিককে খুঁজতে লাগলো।

আমার গল্প এখানেই শেষ গল্পের বাকি লাইন গোলো আপনারা কমেন্ট বক্সে বলে যান

06/08/2024

আচ্ছা যারা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চাচ্ছেন না, তারা কাকে চান? ওনার থেকে আস্থাভাজন লোক এদেশে আর কে আছে? মতামত জানিয়ে যাবেন।
যারা ইউনুস কে জানেন না তারা নানা কথা বলেন। ড ইউনুস এতটাই নীতিতে অটল যে উনি তার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানের ১ টি টাকা লাভ নেননি। যে গ্রামীন ব্যাংকের বাজার মূল্য ৯৩০০০০ কোটি টাকা!! তাহলে উনি সুদ খোর হলেন কিভাবে? উনি তার জীবন নির্বাহের জন্য সামান্য বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলেন মাত্র! গ্রামীণ ব্যাংকের সবটাকার মালিক দরিদ্র নারীরা। এমনকি ওনার ব্যক্তিগত কোনো সম্পত্তি নাই। উনি ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিশ্বাস করেন না। বহু অর্থ লাভের সুযোগ পেয়েও উনার জীবনযাপন অতি সাধারণ। যারা দুনিয়ায় ধন সম্পত্তির উর্ধ্বে তাকে আপনি সুদখোর বলছেন?
নোবেল লরিয়েট প্রফেসর ইউনুসের একটা পরিচয়, সব না। পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানজনক তিনটা পুরস্কার হল:

১। নোবেল।

২। অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড।

৩। মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড।

ইতিহাসে এই তিনটা পুরস্কারই পেয়েছেন এমন মানুষ মাত্র ১২ জন। তার মধ্যে প্রফেসর ইউনুস একজন।

মেসি হলেন বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় তারকার একজন, আক্ষরিক ভাবেই মেসি লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন প্রফেসর ইউনুসের সাথে ছবি তুলতে।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হল আলিম্পক গেমস। ধনী দেশগুলো হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে অলিম্পিকের হোস্ট হতে। আলিম্পক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন (প্রধান অতিথি) আলিম্পক মশাল বাহক। ২০২০ সালের জাপান আলিম্পকের মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ইউনুস। ভাবা যায়!? পৃথিবীর ইতিহাসে Olympic Laurel দেয়া হয়েছে মাত্র দুই জন কে তার মধ্যে ড. ইউনূস একজন।

২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের মূল থিম করা হয়েছে প্রফেসর ইউনুসের সামাজিক ব্যবসা তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে। ফ্রেঞ্চদের মত নাকউঁচু জাতির গর্বের অলিম্পিক গেমসের ওয়েবসাইটের টাইটেল পেজে একজন ব্রাউন মুসলমান ড. ইউনুসের ছবি!! ফ্রেঞ্চদের সম্পর্কে যারা টুকটাক খবর রাখেন তারা বুঝবেন ব্যাপারটা কতটা আনইউজুয়াল।

প্রফেসর ইউনুসের ব্রেইন চাইল্ড ক্ষুদ্র ঋন, সামাজিক ব্যবসা, এবং থ্রি জিরো, এই তিনটি তত্ত্বই গ্লোবাল কমিউনিটি গ্রহন করেছে। এই তিনটা তত্ত্বের তিনটাই যে খুব ভাল, আমি এমনটা মনে করি না। যেকোন সুদ ভিত্তিক পদ্ধতি ভাল হতে পারে না। তবে পয়েন্ট হল সারাবিশ্ব এটাকে গ্রহন করেছে। সামাজিক ব্যবসা এবং থ্রি জিরো— এই দুইটা খুব

লেখা-সংগৃহীত

06/08/2024

সজিব ওয়াজেদ জয়ের সাথে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার

06/08/2024

বাংলাদেশের নতুন জাতীয় সংগীত

20/07/2024

জয় হবে ইনশাআল্লাহ

20/07/2024

আমরা সব সময় মনে করতাম ইন্ডিয়া আমাদের ভাই না,আজকে ওপার বাংলার কলিকাতার জনগণ ছাত্রদের সাপোর্ট করতেছে, আলহামদুলিল্লাহ

31/03/2024

বেস্ট ফানি ভিডিও /best funny video

29/01/2024
Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Johor Bahru?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Johor Bahru
81300