R&R Rasel
সত্য বলুন সত্যের পাশে থাকুন
গরমে জীবন কয়লা # ইতালি
🤓🤓হাসতে হাসতে পেঠে ব্যাথা
02/08/2026
🩷
হেজবতু তওহীদ একটি ভ্রান্ত ফের্কা
এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন বায়াজীদ খান পন্নী। তিনি করোটিয়া, টাঙ্গাইলের পন্নী পরিবারে ১৯২৫ সনের ১১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার।
এই ফের্কার প্রধান টার্গেট এবং সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলেন সকল আলেম সমাজ। তাদের সকল বক্তব্য ও লেখনির মূল কথা হল- আলেম সমাজই বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ লোক। এরাই ইসলামকে বিকৃত করেছে। এই আলেম সমাজের হাত থেকে রক্ষার জন্য ‘এমামুয যামান’ (পন্নী) এর আনুগত্য করতে হবে। তারা যুবতী মেয়েদেরকে তাদের প্রচার কাজে ব্যবহার করে থাকে। নিম্নে তাদের বিভিন্ন ভ্রান্ত বিশ্বাস উল্লেখ করা হল-
(ক) তারা মনে করে, মানুষের ভিতরে আছে আল্লাহ্র রূহ, আল্লাহর আত্মা, এজন্য মানুষ সর্বশ্রেষ্ঠ জীব (আসুন-সিস্টেমটাকেই পাল্টাই, পৃ. ১১)।
(খ) ‘দ্বীনের মূলনীতি হল জেহাদ ও কেতাল (সংগ্রাম ও সশস্ত্র সংগ্রাম)। এই দুই মূলনীতি যদি মূলনীতি হিসাবে না থাকে তবে বাকি আর যা কিছু আছে সবই বৃথা ও অর্থহীন’ (এসলামের প্রকৃত রূপরেখা, পৃ. ২৯)।
(গ) ছালাত হচ্ছে রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ করার ট্রেনিং কোর্স (প্রাগুক্ত)।
(ঘ) মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর রেসালাত পূর্ণ করতে পারেননি (আকিদা, পৃ. ১২)।
(ঙ) তারা মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দাওয়াতকে সশস্ত্র সংগ্রাম হিসাবে আখ্যা দিয়েছে। তাদের ব্যাখ্যানুযায়ী নবী মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজন সশস্ত্র যোদ্ধা ছিলেন এবং একদল সশস্ত্র যোদ্ধা বাহিনী তৈরি করেছেন। এমনকি এই সশস্ত্র সংগ্রামকে তারা সুন্নাহ হিসাবে আখ্যা দিয়েছে (প্রাগুক্ত, পৃ. ১২-১৩)।
(চ) তারা বর্তমানে অনুসরণীয় ইসলামকে অস্বীকার করে বলে, ‘বর্তমানে সারা দুনিয়ায় এসলাম হিসাবে যে ধর্মটি চালু আছে সেটি আল্লাহর দেয়া প্রকৃত এসলাম নয়, বরং প্রকৃত এসলামের সম্পূর্ণ বিপরীত (আল্লাহ্র মো‘জেজা হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা, পৃ, ১০)।
(ছ) তারা বলে, প্রকৃত ইসলামকে তাদের ইমাম মু‘জেযার মাধ্যমে প্রকাশ করেছে। ‘গত ২ ফেব্রুয়ারী, ২০০৮ তারিখে হেযবুত তওহীদ ও তাঁর এমামকে সত্যায়ন করার জন্য আল্লাহ নিজে ১০ মিনিট ৯ সেকেন্ডের মধ্যে অন্তত আটটি মো‘জেজা সংঘটিত কোরলেন’ (আল্লাহ্র মো‘জেজা হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা, পৃ. ১০-১৪)।
(জ) তারা মনে করে, আল্লাহ সত্যায়ন কোরেছেন যে, আমাদের এমামুয্যামান তাঁরই মনোনীত সত্য এমাম। হেযবুত তওহীদ যেমন হক্ব, তেমনি তাঁর এমামও হক্ব’ (প্রাগুক্ত, পৃ. ১৫)।
(ঝ) তারা তাদের ইমামের বক্তব্যকে সরাসরি আল্লাহ্র কথা বলে দাবি করে (প্রাগুক্ত, পৃ. ২৫-২৬)।
(ঞ) তারা তাদের ইমামের বক্তব্যকে কুরআনের সাথে তুলনা করে (প্রাগুক্ত, পৃ. ৩৪)।
(ট) তারা দাবি করে যে, হেযবুত তওহীদের জনৈক ভক্ত আল্লাহকে দেখেছেন (প্রাগুক্ত, পৃ. ৮৬)।
(ঠ) তারা দাজ্জাল সংক্রান্ত হাদীছগুলোকে রূপক অর্থে গ্রহণ করে রাসূলুল্লাহ ফ-এর সুন্নাতকে অস্বীকার করে থাকে (প্রাগুক্ত, পৃ. ৬, ১১)।
(ড) তারা ইমাম মাহদী-এর আগমনকে অস্বীকার করে (প্রাগুক্ত, পৃ. ১২)।
উক্ত আক্বীদাসমূহ সবই ভ্রান্ত। যেগুলো ইসলামের অপব্যাখ্যা ও মস্তিষ্কপ্রসূত চিন্তার বর্হিপ্রকাশ মাত্র। যা সালাফে ছালেহীনের বুঝের বিপরীত বুঝ। তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা করে ইসলামকে বিকৃত করেছে। সুতরাং হেযবুত তওহীদের শয়তানী প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকা প্রতিটি মসুলিমের ঈমানী দায়িত্ব।
✍️ মাসিক আল-ইখলাছ।
28/07/2026
প্রিয় মুসলিম উ'ম্মা'হর ভাইয়েরা,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আমি আ'তা'উ'ল্লাহ আ'বু আ'ম্মা'র জু'নু'নী। জন্ম ১৯৭৭ সালে পাকিস্তানের করাচিতে, এক রো'হিঙ্গা শরণার্থী পরিবারে। আমার বাবা গোলাম শরীফ, আমরা সাত ভাই ও দুই বোন—আমি অষ্টম। শৈশবেই জীবনের বাস্তবতা আমাকে শিখিয়েছে বঞ্চনা, ত্যাগ আর সংগ্রামের অর্থ। পরবর্তীতে পরিবারসহ পবিত্র মক্কা নগরীতে বসবাসের সুযোগ হয়, যেখানে ইসলামী শিক্ষার ছায়ায় আমি বড় হই।
এক সময় আমার সামনে ছিল স্বচ্ছন্দ, বিলাসবহুল একটি জীবন। কিন্তু আমার অন্তর সেই জীবনে শান্তি খুঁজে পায়নি। যখন দেখেছি মায়ানমারের নি'র্যাতিত মুসলিমরা জালেমের হাতে অসহায়, তখন নিজের স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে তাদের পাশে দাঁড়ানোই আমার কাছে সঠিক মনে হয়েছে। আমি পাহাড়-পর্বতকে বেছে নিয়েছি—আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, মজলুম মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
কিন্তু আজ আমি বন্দী।
চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশে আসার পর, যে দেশকে আমি মুসলিম ভ্রাতৃত্বের আশ্রয়স্থল মনে করেছিলাম, সেই দেশেই আমি গ্রেফতার হলাম। এই বাস্তবতা আমাকে বিস্মিত করে, ব্যথিত করে।
আমি ভাবি—যারা আমে'রি'কায় গিয়ে আফিয়াকে মুক্ত করার স্বপ্ন দেখে, যারা ফি'লি'স্তিনে গিয়ে আল-আকসা স্বাধীন করার আবেগ প্রকাশ করে, তারা আজ কোথায়? সেই আবেগ, সেই অনুভূতি কি শুধুই কথায় সীমাবদ্ধ?
আজ আমি তাদেরই দেশে বন্দী অবস্থায় আছি।
শুধু আমি নই—আমার মতো হাজারো বাংলাদেশি আলেম, দ্বীনের পথে থাকা মানুষ, আজ কারাগারে বন্দী। তাদের কণ্ঠ নীরব, কিন্তু তাদের কষ্ট বাস্তব।
তাহলে প্রশ্ন জাগে—সেই আবেগী ভাইদের আবেগ এখন কোথায়?
আমার এই চিঠি অভিযোগ নয়, বরং একটি প্রশ্ন—আমাদের ভ্রাতৃত্ব কি শুধুই স্লোগানে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বাস্তবতায় তার প্রতিফলন ঘটবে?
আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি—তিনি যেন আমাদের সবাইকে সত্য বুঝার তাওফিক দেন, ন্যায়ের পথে দৃঢ় রাখেন এবং মজলুমদের পাশে দাঁড়ানোর সাহস দান করেন।
ওয়াসসালাম,
আ'তা'উ'ল্লাহ আ'বু আ'ম্মা'র জু'নু'নী
বিঃদ্রঃ চিঠিটা তার লেখা নয়, এটি সম্পূর্ণ আমার থেকে বানিয়ে লেখা। কিন্তু হতে পারে আ'ফি'য়া সিদ্দিকীর মত তিনিও একদিন বাংলাদেশ নিয়ে এমন একটি চিঠি লেখবে। আর সেদিন আমরা ইতিহাসে গাদ্দার-মুনাফিক হয়ে থাকবো।
28/07/2026
27/07/2026
আলহামদুলিল্লাহ
এটাই তাওহিদের দেশ সৌদি আরব।
তোমাদের ইরান কি করল, বাংলাদেশের জন্য?
24/07/2026
পারমাণবিক চুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে দাবি ট্রাম্প তুলেছেন⚠️সে বিষয়ে একজন সৌদি কর্মকর্তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন:-
চুক্তি তো এরই মধ্যে সই হয়ে গেছে,তাই নতুন করে আর কোনো আলোচনার সুযোগ নেই! আর শুধু টুইটারে একটা টুইট করে দিলেই কোনো চুক্তি বাতিল হয়ে যায় না🔥
অর্থাৎ এই চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেছে- সৌদি আরব নতুন করে কোনো আলোচনা করবে না-ইসর|য়েল কেও স্বীকৃতি দেওয়া হবে না-🥱
24/07/2026
আলহামদুলিল্লাহ,
এ জন্যই সৌদি আরবকে সেখানকার শাসকদেরকে আল্লাহর উদ্দেশ্য ভালবাসি।
কামাল আহমেদ সাইফি,
Clicca qui per richiedere la tua inserzione sponsorizzata.
Contatta il personaggio pubblico
Indirizzo
Kishoreganj
Milan