R&R Rasel

R&R Rasel

Condividi

হে আল্লাহ আপনি সকল মুসলমানদের রক্ষা করুন, ইজরাইল এবং ইরানীদের হাত থেকে।
সত্য বলুন সত্যের পাশে থাকুন

12/05/2026

৭ বছর আগের ভিডিও

12/05/2026

৭বছর আগের ভিডিও

04/05/2026
19/04/2026

যে-সব ছোট আমল পূর্বের সমস্ত গুনাহ মিটিয়ে দেয় (বিশেষ করে ছোট গুনাহ, এবং বড় গুনাহের ক্ষেত্রে তওবার সাথে)

ইসলামে আল্লাহ তা‘আলা ছোট-ছোট আমলের মাধ্যমে গুনাহ মাফ করার অসংখ্য উপায় দিয়েছেন। নিচে ৩০টি ছোট আমল সাজিয়ে লিখলাম। প্রত্যেকটির বিস্তারিত বর্ণনা ও সহীহ হাদিসের রেফারেন্স (সূত্র) সহ দেয়া হয়েছে। এগুলো মূলত মাইনর সিন্স (ছোট গুনাহ) মাফ করে, আর বড় গুনাহের জন্য তওবা জরুরি। সব আমলই সহজ, প্রতিদিন করা যায় এবং নিয়মিত করলে বিপুল সওয়াব ও গুনাহ মাফির সুযোগ।

১. ওযু ভালোভাবে করা
ওযু করার সময় শরীরের প্রত্যেক অঙ্গ থেকে গুনাহ ঝরে পড়ে (নখের নিচ থেকেও)।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম (উসমান ইবনে আফফান রা. থেকে)।

২. পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আদায় করা
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ একে অপরের মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ করে (যদি কবীরা গুনাহ না হয়)।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী ও মুসলিম (আবু হুরায়রা রা.)।

৩. জুমার নামাজ আদায় করা
এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত গুনাহ মাফ হয়।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম।

৪. রমজানের রোজা রাখা (ঈমান ও সওয়াবের আশায়)
পূর্ববর্তী সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী (হাদিস ৩৮, ২০১৪) ও মুসলিম (১৮১৭)।

৫. রমজানে কিয়ামুল লাইল (তারাবীহ/তাহাজ্জুদ) আদায়
বিগত জীবনের গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী (৩৭, ২০০৯) ও মুসলিম (১৮১৫-১৮১৬)।

৬. লাইলাতুল কদরে (শবে কদর) নামাজ/ইবাদত করা
পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী (১৯০১, ২০১৪) ও মুসলিম (১৮১৭)।

৭. খাবার পর নির্দিষ্ট দোয়া পড়া
“আলহামদুলিল্লাহিল্লাজী আত‘আমানী হাজাল তা‘আমা ওয়া রাজাকানীহি মিন গাইরি হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন” — পূর্বাপর গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সুনান আবু দাউদ (৪০২৫)।

৮. পথ থেকে ক্ষতিকর জিনিস (কাঁটা, ডাল ইত্যাদি) সরানো
একটি ছোট আমলেও সব ছোট গুনাহ মাফ হয়ে যায়।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

৯. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি ১০০ বার পড়া
সমুদ্রের ফেনার সমান গুনাহ মাফ হয়।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী (৬৪০৫) ও মুসলিম (২৬৯১)।

১০. আজান শুনে নির্দিষ্ট দোয়া পড়া
“আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু...” — গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম।

১১. জামাতে নামাজে রুকু থেকে উঠে “আল্লাহুম্মা রাব্বানা লাকাল হামদ” বলা
বিগত জীবনের সব গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী (৭৯৬) ও মুসলিম (৯৪০)।

১২. ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার + ১ বার কালেমা পড়া
অতীতের সব গুনাহ মাফ + জাহান্নাম থেকে মুক্তি।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম (১২২৮)।

১৩. দুই মুসলিম মিলিত হয়ে মুসাফাহা (হাত মেলানো) করা
বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগেই গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সুনান আবু দাউদ।

১৪. সাদকা (দান) করা (যত ছোট হোক)
গুনাহ নিভিয়ে দেয় যেমন পানি আগুন নেভায়।
রেফারেন্স: সুনান তিরমিযী।

১৫. বাড়ি থেকে ওযু করে মসজিদে হেঁটে যাওয়া
প্রতি পদক্ষেপে একটি গুনাহ মাফ + এক ধাপ মর্যাদা বৃদ্ধি।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম।

১৬. নিয়মিত ২ রাকাত দুহা নামাজ পড়া
সমুদ্রের ফেনার সমান গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সুনান তিরমিযী।

১৭. ফজর ও আসরের নামাজ জামাতে আদায়
ফেরেশতারা গুনাহ মাফির জন্য দোয়া করেন।
রেফারেন্স: মুসনাদ আহমাদ।

১৮. নামাজের পর জায়গায় বসে থাকা
ফেরেশতারা “আল্লাহুম্মাগফিরলাহু ওয়ারহামহু” বলে দোয়া করেন।
রেফারেন্স: মুসনাদ আহমাদ।

১৯. নামাজের মাঝে অপেক্ষা করা (ওযু অটুট রেখে)
ফেরেশতারা গুনাহ মাফির দোয়া করেন।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম।

২০. খারাপ কাজের পর সাথে সাথে ভালো কাজ করা
ভালো কাজ খারাপকে মুছে দেয়।
রেফারেন্স: সুনান তিরমিযী (১৯৮৭, হাসান)।

২১. বাজারে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট কালেমা পড়া
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু...” — ১০ লক্ষ গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সুনান তিরমিযী (৩৪২৮-২৯)।

২২. ইস্তিগফার করা (আস্তাগফিরুল্লাহ)
গুনাহ মাফ + রিজিক বৃদ্ধি।
রেফারেন্স: রিয়াদুস সালেহিন (সাধারণ ইস্তিগফারের ফজিলত)।

২৩. আয়াতুল কুরসি ফরজ নামাজের পর পড়া
মৃত্যুর পর জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ + গুনাহ মাফের মাধ্যম।
রেফারেন্স: সহীহ হাদিস সংকলনে উল্লেখিত।

২৪. রোগ-ব্যাধি, কষ্ট, দুঃখ সহ্য করা
প্রত্যেক কষ্ট (কাঁটার খোঁচা পর্যন্ত) গুনাহ মাফ করে।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী (৫৬৪১) ও মুসলিম (২৫৭৩)।

২৫. জ্বর সহ্য করা
জ্বর লোহার মরিচা দূর করার মতো গুনাহ মোচন করে।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম (জাবির রা.)।

২৬. অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া
৭০ হাজার ফেরেশতা গুনাহ মাফির দোয়া করেন।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম।

২৭. জিকিরের মজলিসে বসে শেষে নির্দিষ্ট দোয়া পড়া
“সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা...” — মজলিসের গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সুনান তিরমিযী (আবু হুরায়রা রা.)।

২৮. ফজরের নামাজের পর ১০ বার নির্দিষ্ট কালেমা পড়া
সেদিনের গুনাহ থেকে সুরক্ষা + ১০ গুনাহ মাফ।
রেফারেন্স: সুনান তিরমিযী (৩৪৮৪)।

২৯. সালাম দেয়া ও হাসিমুখে মিলিত হওয়া
সালাম ও হাসি সাদকা, গুনাহ মাফের মাধ্যম।
রেফারেন্স: সহীহ হাদিস সংকলন।

৩০. নামাজের মধ্যে সিজদায় যাওয়া ও রুকু-সিজদা করা
প্রতি রুকু-সিজদায় গুনাহ ঝরে পড়ে।
রেফারেন্স: তাবারানী ও অন্যান্য সহীহ সূত্র।

গুরুত্বপূর্ণ নোট:
এই আমলগুলো নিয়মিত ও ঈমানের সাথে করতে হবে।
কবীরা গুনাহের জন্য তওবা (আন্তরিক অনুতাপ + ছেড়ে দেয়া + আর না করার সংকল্প) অত্যাবশ্যক।

আল্লাহর রহমতে এই ছোট আমলগুলোই জীবনের সমস্ত গুনাহ মিটিয়ে দিতে পারে। নিয়মিত আমল করুন, ইনশাআল্লাহ।

যদি কোনো আমলের আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা চান, জানাবেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো করার তাওফীক দান করুন। আমীন। 🌟

18/04/2026

নিচের এই অসহায় বাবুটির জন্যই—

যিনার শাস্তি করা হয়েছে চাবুক মারা ও পাথর নিক্ষেপ (রজম)।

World Health Organization-এর তথ্যানুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় ৭৩ মিলিয়ন শিশুর গর্ভপাত করা হয়।

এটি এক ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ ও গণহত্যা—যার শিকার সংখ্যা দুইটি বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও বেশি।

নিশ্চয়ই, যিনা বংশধারা ও মানবজাতিকে ধ্বংস করে।

হিজাব বিশ্ববাসীর জন্য রহমত, কিন্তু এটি মানুষের স্বার্থপরতার কারণে অবহেলিত।

ক্ষণিকের কামনার জন্য প্রতি বছর ৭৩ মিলিয়ন মানুষ পৃথিবীতে প্রাণ হারায়, আর কোটি কোটি মানুষ সারা জীবন কষ্ট ভোগ করে।

চাবুক মারা, রজম, হিজাব এবং নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ করা—এসবই বিশ্ববাসীর জন্য রহমত; কিন্তু কাফিররা তা উপলব্ধি করে না, জানে না, বোঝে না।

ইসলাম বিয়ের ব্যাপারে বয়সের সীমা না দিয়ে সামর্থের বিষয় গুরুত্ব দিয়েছে, চোখ নিচু করার নির্দেশ দিয়েছে, কাফিরদের এগুলো পছন্দ না। অথচ জিনা-ব্যভিচার বন্ধে বিয়ে বড় সমাধান।

ইসলাম নারীকে রাণী বানিয়েছে, কিন্তু কাফিররা তাদের বানিয়েছে চাকরানী। অথচ নারী পুরুষের সাথে কর্মক্ষেত্রে অসহায় হয়ে পড়ে।

ইসলাম বিয়ের পর নারী-পুরুষকে নারীর অনুমতি ব‍্যতীত সর্বোচ্চ চার মাসের বেশি আলাদা থাকতে নিষেধ করেছে। কিন্তু বিয়ের পরে বিদেশ গিয়ে দীর্ঘ দিন না আসায় জিনা-ব্যভিচারে দেশ সয়লাব হয়ে গেছে।

12/04/2026

আমি মারা গেলে কি আবার আমাকে একত্র করা হবে?
এটা কি সম্ভব #ইতালি

11/04/2026

ডা. কামরুল হাসান, যে মানুষটি ৩০ লাখ টাকার সার্জারি করেন মাত্র ২ লাখ টাকায়।

আর এই ২ লাখ টাকার এক টাকাও তার নিজের পকেটে যায় না। এটা শুধু আনুষঙ্গিক খরচ ,সার্জারিটা তিনি করেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

২০০৭ সাল থেকে শুরু করে গত ১৭ বছরে তিনি ২০০০-এরও বেশি কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পূর্ণ ফ্রিতে করেছেন।
শুধু এখানেই শেষ না।

রোগীদের ফলোআপের জন্যও তিনি কোনো ফি নেন না। তার নিজের হাসপাতাল ,“সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (CKD)” , এ রোগ নির্ণয়ের জন্য কোনো টাকা লাগে না। ভর্তি রোগীদের খাবারের জন্যও দিতে হয় না এক টাকাও।

সপ্তাহে ৭ দিনের মধ্যে ৬ দিনই তিনি কোনো না কোনো সার্জারিতে ব্যস্ত থাকেন।

তার হাসপাতালের ৪৫০ জন কর্মীর মধ্যে প্রায় ২০০ জনের থাকার ব্যবস্থা করেছেন তিনি নিজেই। এমনকি এই স্টাফদের প্রতিদিন ৩ বেলা খাবারও দেওয়া হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয় ,যে সার্জারির জন্য বিদেশে ৩০–৫০ লাখ টাকা লাগে, আর দেশেও যেখানে অন্তত ১০–১৫ লাখ টাকা খরচ হয় ,সেখানে তিনি কেন কোটি কোটি টাকা ছাড় দিয়ে এসব কাজ বিনামূল্যে করছেন?
তিনি উত্তর দেন ,
তিনি তার কাজটাকে একটা ‘ইবাদাত’ বানাতে চান। দুনিয়াতে এর কোনো প্রতিদান তিনি আশা করেন না।

ঠিক এমন একজন মানুষের কাছেই দীর্ঘদিন ধরে চাওয়া হচ্ছিল চাঁদা।

শুরুতেই বলেছি ,হাসপাতালের স্টাফদের খাবারও ফ্রিতে দেওয়া হয়। তাই প্রতিদিনের খাবার কেনা হয় সবচেয়ে কম দামে, ভালো মান বজায় রেখে। এই সুযোগেই নজর পড়ে যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনের। খাবার সরবরাহের টেন্ডারটা অনেকটা জোর করেই নিয়ে নেয় সে। প্রথমে সমস্যা না হলেও, পরে সে খাবারের দাম বাড়াতে শুরু করে ,প্রতি কেজিতে অতিরিক্ত ১১–১২ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। ফলে ৮ হাজার টাকার খাবার হয়ে যায় ১০ হাজার টাকা।

এই অনিয়মের কারণে তার টেন্ডার বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় চাঁদা দাবি, ভয় দেখানো, এবং বিভিন্ন অজুহাতে হাসপাতালের উপর চাপ সৃষ্টি।

ডা. কামরুল হাসান একাধিকবার বিএনপির বিভিন্ন নেতার কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো সমাধান আসেনি।
পরবর্তীতে বিষয়টি মিডিয়ায় আসার পর যুবদলের সভাপতি-সম্পাদকসহ অনেকে এসে তার সাথে দেখা করেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে ,তাদের কাছে কোনো চাঁদাবাজির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি। তবে শুক্রবার থানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও মঈন উদ্দিনের মধ্যে একটি সমঝোতা বৈঠক হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো ,
এমন একজন মানুষের কাছ থেকেও কেউ কীভাবে চাঁদা দাবি করতে পারে?
চাঁদাবাজি কারও ক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য না ,কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় ধরে নিলাম এটা ঘটে। তবুও, ডা. কামরুল হাসানের মতো একজন মানুষের সাথে এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

আরও বড় প্রশ্ন হলো ,
যদি তিনি আগে থেকেই অভিযোগ জানিয়ে থাকেন, তাহলে সমাধান আসতে এত দেরি হলো কেন? কেন বিষয়টি মিডিয়ায় আসার পরেই নড়াচড়া শুরু হলো?

দিন দিন আমাদের বিচারব্যবস্থা যেন এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, যেখানে ন্যায়বিচার হবে কি না ,তা নির্ভর করছে কোনো বিষয়টা ভাইরাল হলো কি না তার উপর।

একজন মানুষ, যিনি হাজারো মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছেন…তার কাছেও যদি চাঁদা চাওয়া হয় ,
তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?

আর যদি বিচার পাওয়ার জন্য “ভাইরাল” হতে হয় ,
তাহলে আমাদের বিচারব্যবস্থা আসলে কতটা কার্যকর?

11/04/2026

11/04/2026

শিয়া আলেম কি বলে শুনুন

10/04/2026

সৌদি আরবের প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানকে নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক পিকচার এবং ভিডিও তৈরি করায় বাঙালিদেরকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার

10/04/2026

ইতালিতে কাগজপত্র রিনিউ করা অনেক ঝামেলা

Vuoi che la tua figura pubblica sia il Figura Pubblica più quotato a Milan?
Clicca qui per richiedere la tua inserzione sponsorizzata.

Indirizzo


Milan
20017