Silchar tech
Advertisement - (contact) 8812968376 / email [email protected]
16/06/2026
হাইলাকান্দির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলায় জনসাধারণের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারার অধীনে কয়েকটি নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করেছেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক জৈন সোমবার এক আদেশ জারি করে জানিয়েছেন কিছু সমাজবিরোধী উপাদান সমাজের বিভিন্ন অংশের মধ্যে বিদ্যমান শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি এবং সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা করছে বলে প্রশাসন থেকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এই ধরনের হুমকিগুলিকে আগে থেকেই মোকাবিলা করার জন্য, সমগ্র হাইলাকান্দি জেলা জুড়ে বেশ কয়েকটি কার্যকলাপ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জেলা প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়া বেআইনি সমাবেশ, মিছিল, র্যালি বা জনসভা করা, এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া যেকোনো পাবলিক প্লেসে (জনসমক্ষে) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমবেত হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়াও, লাউডস্পিকার ব্যবহার করে বা না-করে, উস্কানিমূলক, সাম্প্রদায়িক, রাষ্ট্রবিরোধী বা দেশবিরোধী বক্তব্য বা স্লোগান দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো সংস্থা, এনজিও (NGO) বা সংগঠক কর্তৃক মাইক্রোফোন বা যেকোনও শব্দ-বর্ধক যন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট এবং চরম জরুরি প্রয়োজনেই অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার করা যাবে। এই নির্দেশিকায় উস্কানিমূলক পোস্টের মাধ্যমে ক্ষতিকারক সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তদুপরি, অননুমোদিত ক্রিয়াকলাপের জন্য যানবাহনের ব্যবহার-যার মধ্যে বিভিন্ন জাতিগত, ভাষাগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, বিদ্বেষ বা সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে এমন আপত্তিকর বিষয়বস্তু সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার বা দেয়াল লিখন প্রদর্শন অন্তর্ভুক্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক, ধারালো অস্ত্র বা লম্বা লাঠি বহন করার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যা অন্য মানুষের ক্ষতি করতে পারে বা হুমকির সৃষ্টি করতে পারে।
জনসাধারণের সমাবেশের এই বিধি-নিষেধগুলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী, বা সরকারি কর্তব্যরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। পরিস্থিতির জরুরি অবস্থার কারণে এই আদেশটি একতরফাভাবে (ex-parte) পাস করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায় ক্ষুব্ধ যেকোনো ব্যক্তির সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের জন্য কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে।
জনসাধারণের সমাবেশের এই বিধি-নিষেধগুলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী, বা সরকারি কর্তব্যরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। পরিস্থিতির জরুরি অবস্থার কারণে এই আদেশটি একতরফাভাবে (ex-parte) পাস করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায় ক্ষুব্ধ যেকোনো ব্যক্তির সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের জন্য কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে।
এই আদেশ লঙ্ঘনকারীকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ২২৩ ধারা বা আইনের অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে কঠোরভাবে শাস্তি দেওয়া হবে বলে আদেশে জানানো হয়েছে। ১৫ জুন থেকে কার্যকর হওয়া এই আদেশ আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত সমগ্র জেলায় বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
16/06/2026
লক্ষীপুর থানার অন্তর্গত শহিদ নন্দচাঁদ চিরি সেতুর কাছে পুলিশের তাড়া খেয়ে চিরি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া মুহিত কানুর মৃতদেহ সোমবার দুপুরে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারীরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চিরি নদী থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। দেহ উদ্ধারের পর লক্ষীপুর পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য তা শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা মৃতদেহ লক্ষীপুরে নিয়ে যান এবং অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদের কঠোর শাস্তি ও মৃতের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি তোলেন।
এ সময় কয়েক হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভপ্রদর্শন করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জনতাকে আশ্বস্ত করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশকর্মী সন্তোষ বিশ্বাস ও কাগাল রংমাইকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, আরও দুই পুলিশ কমান্ডোর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কমান্ড্যান্টের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং তদন্তের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশের এই আশ্বাসের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে।
16/06/2026
আগরতলা-শিলচর এক্সপ্রেসে যাত্রাকালীন এক প্রসূতি মহিলার নিরাপদ সন্তান প্রসবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্তের সাক্ষী থাকলেন যাত্রীরা। চলন্ত ট্রেনেই হঠাৎ প্রসব বেদনা শুরু হলে সহযাত্রী ও রেলকর্মীরা দ্রুত তৎপর হয়ে প্রসূতির পাশে দাঁড়ান।
সহযাত্রীদের সহযোগিতা এবং রেলকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ট্রেনের মধ্যেই নিরাপদে এক নবজাতকের জন্ম হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সকলেই সম্মিলিতভাবে উদ্যোগী হওয়ায় মা ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে ট্রেনটি শিলচর রেলস্টেশনে পৌঁছালে মা ও নবজাতককে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় শহরের তরুণ সমাজকর্মী সুবীর ধরও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তাঁর সহযোগিতা এবং রেলকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকায় মা ও শিশুকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়।
ঘটনাটি ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উপস্থিত যাত্রীরা জানান, সংকটময় মুহূর্তে সকলের সহমর্মিতা, মানবিকতা ও দ্রুত পদক্ষেপের ফলেই মা ও নবজাতক নিরাপদ রয়েছেন। অনেকেই এই ঘটনাকে বিপদের সময় মানুষের পাশে মানুষের দাঁড়ানোর এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যাত্রী ও রেলকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
15/06/2026
কাছাড় পুলিশ ও আবগারি বিভাগের যৌথ অভিযানে অসম-মিজোরাম সীমান্তের লায়লাপুর এলাকায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ ও বিয়ার উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ছয় চাকার ট্রাক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং ট্রাকচালককে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লায়লাপুর পুলিশ পেট্রোল আউট পোস্টের ইনচার্জ শুভজিৎ দত্ত এবং আবগারি বিভাগের ইনচার্জ মনোজ গুপ্তার নেতৃত্বে পরিচালিত চেকিং অভিযানে AS 01 TC 6243 নম্বরের একটি ছয় চাকার ট্রাক আটক করা হয়। ট্রাকটিতে তল্লাশি চালিয়ে মুদি সামগ্রীর নিচে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মদের বোতলগুলিতে 'For Sale in Meghalaya Only' লেখা ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানে প্রায় ২৩২ কার্টন অবৈধ মদ ও বিয়ার উদ্ধার হয়েছে, যার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় ৯ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ট্রাকটি গুয়াহাটির খানাপাড়া এলাকা থেকে পণ্য বোঝাই করে মিজোরামের দিকে যাচ্ছিল। উদ্ধার হওয়া মদ পাচারের উদ্দেশ্যেই বহন করা হচ্ছিল বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের
ঘটনায় গোয়ালপাড়ার বাসিন্দা ট্রাকচালক বিশ্বা শেখকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। কাছাড় পুলিশ ও আবগারি বিভাগের এই যৌথ অভিযানকে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মদ পাচার রোধে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
TopFans
15/06/2026
ঘুষ গ্রহণের সময় সিবিআইয়ের হাতে হাতেনাতে ধরা পড়লেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের (এনএফ রেলওয়ে) এক সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়ার। অভিযুক্ত কুন্তল চৌধুরীকে শনিবার শিলচরে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এক ঠিকাদারের প্রায় ২০ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল অনুমোদনের বিনিময়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন কুন্তল চৌধুরী। অভিযোগ, গত ১২ জুন ওই ঠিকাদার বিল দ্রুত ছাড়ের অনুরোধ জানালে অভিযুক্ত আধিকারিক মোট বিলের এক শতাংশ অর্থ অবৈধ পারিশ্রমিক হিসেবে দাবি করেন। ঠিকাদারের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৩ জুন কুন্তল চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে সিবিআই। এরপর পরিকল্পিত ফাঁদ পেতে শনিবার ঘুষ গ্রহণের সময় অভিযুক্তকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। সিবিআই জানিয়েছে, ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময়ই তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতারের পর রবিবার অভিযুক্তকে গুয়াহাটির সংশ্লিষ্ট আদালতে পেশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বাসভবনেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, রেলের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। শিলচর-লামডিং ব্রডগেজ প্রকল্প এবং শিলচর-ইম্ফল রেললাইন নির্মাণে অতীতেও দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এর আগে ২০২৩ সালে শিলচর-ইম্ফল রেল প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে রেলের নির্মাণ শাখার এক সিনিয়র সেকশন ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই।
15/06/2026
বরাক নদীতে তলিয়ে যাওয়া নরসিং উচ্চমাধ্যমিক
বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির ছাত্র অঙ্কিত চক্রবর্তীর মৃতদেহ রবিবার উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভাঙ্গারপাড় সংলগ্ন বুড়িবাইল এলাকায় নদীর জলে তার নিথর দেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শিলচর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার স্কুল চলাকালীন সময়ে অঙ্কিত চক্রবর্তী দুই সহপাঠীকে নিয়ে শহরের মালুগ্রাম এলাকার স্টিমারঘাট রোড সংলগ্ন রহমানপট্টির বিপরীত দিকে বরাক নদীর তীরে যায়। সেখানে একটি ঢালু নদীতীরে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয় বলে জানা গেছে।
অঙ্কিতের সঙ্গে থাকা দুই সহপাঠীর বয়ান অনুযায়ী, সেলফি তোলার সময় হঠাৎ পা পিছলে নদীতে পড়ে যায় সে। প্রবল স্রোতে মুহূর্তের মধ্যে তলিয়ে যায় অঙ্কিত। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালানো হলেও প্রথমে তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
অবশেষে ঘটনার দুই দিন পর রবিবার ভাঙ্গারপাড়ের বুড়িবাইল এলাকায় নদীর জলে তার মৃতদেহ ভাসতে দেখা যায়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পরিবার, সহপাঠী ও বিদ্যালয় মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
15/06/2026
লক্ষীপুরে জুয়া খেলার বিরুদ্ধে পরিচালিত পুলিশ-কমান্ডোর অভিযানের পর এক যুবকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ যুবকের নাম মুহিত। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষীপুর শহরের চিরিপার এলাকার চিরি নদীর তীরে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার চিরি নদীর পাড়ে কয়েকজন যুবক জুয়ার
আসরে মত্ত ছিলেন। সেই সময় হঠাৎ করেই পুলিশ-কমান্ডোর একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দেখে উপস্থিত যুবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার তাগিদে কয়েকজন যুবক সরাসরি চিরি নদীতে ঝাঁপ দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকজন যুবক সাঁতরে নদী পার হয়ে নিরাপদে চলে যেতে সক্ষম হলেও মুহিত নামের এক যুবক আর ফিরে আসেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, নদী পার হয়ে তিনি একটি গাছের ওপর আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে কমান্ডো বাহিনীর সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে তিনি পুনরায় নদীতে ঝাঁপ দেন। এরপর তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের দাবি।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ)। নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে চিরি নদীতে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। তবে সংবাদ লেখা পর্যন্ত মুহিতের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে, অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ বা কমান্ডো দলের পরিচয় এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। যুবকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন। নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
15/06/2026
অসম-ত্রিপুরা সংযোগকারী ৮ নম্বর জাতীয় সড়কের বাজারিছড়া থানার অন্তর্গত হাতিখিরা এলাকায় রবিবার ভোরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। একটি মালবাহী কন্টেইনার লরি ও একটি ব্যক্তিগত বলেরো গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে বলেরো চালক গুরুতরভাবে আহত হন। দুর্ঘটনার বিকট শব্দে ভোরের নিস্তব্ধতা ভেঙে পড়ে এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গৌহাটি থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া AS-01SC-7131 নম্বরের একটি মালবাহী কন্টেইনার হাতিখিরা এলাকা অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা AS-11R-8382 নম্বরের একটি ব্যক্তিগত বলেরোর সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। বলেরোটি ত্রিপুরার ধর্মনগর থেকে করিমগঞ্জ জেলার হারিবাসর এলাকায় নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের তীব্র শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বলেরো গাড়িটির সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং চালক গাড়ির ভেতরে আটকে পড়েছেন। স্থানীয় যুবক ও পথচারীদের তৎপরতায় আহত চালককে উদ্ধার করে দ্রুত মাকুন্দা ক্রিস্টিয়ান লেপ্রেসি কাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন ওই চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য জাতীয় সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং রাস্তার দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাগ্রস্ত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
14/06/2026
শিলচর শহরের মেহেরপুর এলাকার একটি শিবমন্দিরে সংঘটিত চুরির ঘটনার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে শিলচর পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা হল ঘুংগুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল বাসিত ওরফে কিয়াম (৩৭) এবং রংপুর শান্তিপাড়ার অভিজিৎ দাস ওরফে গান্ধী (২১)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মেহেরপুর এলাকায় স্কুটিতে করে যাওয়ার সময় দু'জনকে আটক করা হয়।
তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি চুরির কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে সন্দেহ করা চারটি প্লাস, একটি শেকল, কয়েকটি রেঞ্চ, স্ক্রু-ড্রাইভার এবং দু'টি ভোজালি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
14/06/2026
রবিবার সকালে টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফের জলমগ্ন হয়ে পড়েছে শিলচর শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হাইলাকান্দি রোডের ন্যাশনাল হাইওয়ে পয়েন্ট, লিংক রোড, সোনাই রোড, বিলপার, শ্যামাপ্রসাদ রোডসহ একাধিক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন পথচারী, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
বৃষ্টির জলে রাস্তা ডুবে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে রোগী পরিবহণকারী অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অনেক স্থানে রাস্তা ও নিকাশি নালা একাকার হয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন এলাকায় যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, অসম্পূর্ণ নিকাশি প্রকল্প এবং নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না হওয়ার ফলেই সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন অংশ জলমগ্ন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি ড্রেনে নির্বিচারে আবর্জনা ফেলার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে বৃষ্টির জল দ্রুত নিষ্কাশিত না হয়ে রাস্তাঘাট ও বসতিপূর্ণ এলাকায় জমে থাকছে।
বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই শহরের এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে আধুনিক ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি নিয়মিত নিকাশি নালা পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Silchar
788003