Silchar Tech Info

Silchar Tech Info

Share

এই পেইজে আপনারা ইতিহাস, নিউজ আপডেট, রহস্য সহ অন্যান্য তথ্যের ভিডিও পাবেন

11/06/2026

বিরাট খবর! প্রথমবারের মতো নিজেদের পরমাণু সংক্রান্ত নীতিতে বড় বদল আনল ভারত (India Nuclear Power) । সর্বপ্রথম একেবারে 12টি উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সহ পরমাণু বা ওয়ারহেড মোতায়েন করে ফেলেছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি বর্তমানে পুরোপুরি হামলার জন্য তৈরি। স্টকহলম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি এই সংস্থাই পারমাণবিক শক্তিতে পাকিস্তানের তুলনায় ভারতকে অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিল।

বড়সড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে ভারত?
আন্তর্জাতিক অস্ত্র নজরদারি সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরনো পরমাণু অস্ত্র নীতিতে আগে শান্তির সময় পরমাণু ওভারহেড এবং এগুলিকে বহনকারী যন্ত্র আলাদা আলাদা রাখা হতো। তবে বর্তমানে সেই পরমাণু নীতি পুরোপুরি বদলে ফেলেছে ভারত। প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, এই প্রথমবারের মতো পরমাণু অস্ত্রশস্ত্রগুলিকে শুধুমাত্র মজুদ করার জন্য নয় বরং পুরোপুরি ব্যবহার বা নিক্ষেপ করার জন্য প্রস্তুত অবস্থায় মোতায়েন করে রেখেছে নয়া দিল্লি।

ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে শুরু করে সামরিক ডুবোজাহাজে মোতায়েন করা হয়েছে এই সব পরমাণু অস্ত্র। মোট এক ডজন পারমাণবিক ওয়ারহেড হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আর এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই একেবারে ঘুম উড়েছে চিন, পাকিস্তানের মতো শত্রুপক্ষের। আসলে ভারত যে ধরনের পরমাণু নীতিতে এখন বিশ্বাসী, তাতে আর যাই হোক এদেশের দিকে চোখ তুলে তাকানোর আগে অন্তত কয়েকশো বার ভাবতে হবে, বিরোধী পক্ষকে।

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক অস্ত্র নজরদারি সংস্থার রিপোর্টে গত বছর ভারতের পরমাণু অস্ত্রর সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি করা হয়েছিল। সেখানে খুব পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছিল, চলতি বছর অর্থাৎ 2026 সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতের হাতে অন্তত 190টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যা এর আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। যদি তুলনা করে দেখা হয় সেক্ষেত্রে নিকটতম প্রতিবেশী বা শত্রু পাকিস্তানের হাতে এই মুহূর্তে 170টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যার সংখ্যা গত দিনগুলিতে বাড়েনি।

11/06/2026

এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক (HDFC Bank) এবং তার সিইও শশিধর জগদীশনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১০০০ কোটি টাকার মানহানির মামলায় এবার বিরাট ধাক্কা খেল লীলাবতী কির্তিলাল মেহতা ট্রাস্ট। সূত্রের খবর, বোম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court) অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়ে ট্রাস্টকে কোনও রকম স্বস্তি দিতে অস্বীকার করেছে। হাইকোর্টের স্পষ্ট দাবি, এই মুহূর্তে এইচডিএফসি ব্যাঙ্ককে কোনও মন্তব্য করা থেকে আটকানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

কী অভিযোগ তুলেছিল ওই ট্রাস্ট?
লীলাবতী কির্তিলাল মেহতা ট্রাস্টের অভিযোগ ছিল যে, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক নাকি প্রকাশ্যে এরকম কিছু মন্তব্য করেছে যাতে ট্রাস্ট এবং ট্রাস্টটি প্রশান্ত মেহতাকে ঋণ খেলাপি হিসেবে তুলে ধরা হয়। ট্রাস্টের দাবি, ব্যাঙ্কের এই বক্তব্য তাদের সামাজিক মর্যাদার পাশাপাশি বিশ্বাসযোগ্যতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সেই কারণেই ট্রাস্ট বোম্বে হাইকোর্টে ১০০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করে।

ট্রাস্ট আদালতের কাছে আবেদন জানায় যে, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ককে ভবিষ্যতে এরকম ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি ইতিমধ্যে প্রকাশিত বিবৃতি সরাতে হবে আর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি।

কেন আবেদন খারিজ করল আদালত?

বিচারপতি সোমশেখর সুন্দরেশন মামলার শুনানিতে বলেন, এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের বক্তব্যকে প্রাথমিকভাবে মানহানিকর বলা যায় না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ব্যাঙ্কের বক্তব্যের পিছনে যথেষ্ট নথি এবং তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি বিআরটি-র রিকভারি সার্টিফিকেট আদালত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে। এমনকি আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই সার্টিফিকেট থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, মেহতা পরিবারের বিরুদ্ধে বকেয়া অর্থের দাবি আইনি ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

জানা যাচ্ছে, মেহতা পরিবার এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের মধ্যে এই আর্থিক বিরোধ আনুমানিক দুই দশকেরও বেশি পুরনো। ঋণ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এই মামলাকে ঘিরে ইতিমধ্যে একাধিক আদালত থেকে শুরু করে ট্রাইবুনাল বা তদন্তকারী সংস্থার দারস্থ হয়েছে দুই পক্ষই। আদালত আরও উল্লেখ করে যে, অতীতেও বিভিন্ন রকম আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা হয়েছে।

তবে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও বিতর্ক প্রকাশ্যে এলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার অধিকার রয়েছে। সেই কারণে আদালত মনে করছে, যেহেতু এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক সংবাদমাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে এবং নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। তাই সেটিকে এই মুহূর্তে বেআইনি বলা সম্ভব নয়। এমনকি শুধু আবেদন খারিজ নয়, বরং আদালত মামলাকারীদের উপর ৫ লক্ষ টাকা খরচও ধার্য করেছে।

11/06/2026

প্রতিনিয়ত ট্রেনে (Indian Railways) যাতায়াত করেন? তাহলে আপনার জন্য রইল বড় খবর। এবার ট্রেন স্টেশন থেকে ছাড়ার পরেও যাত্রীরা অনলাইনে তাদের কনফার্ম সিট বুক করতে পারবে (Train Ticket)। হ্যাঁ, ট্রেন চলতে শুরু করার পর কোনও যাত্রী না এলে যে সিট খালি থাকবে সেটি পরে অন্য কোনও যাত্রী বুক করে নিতে পারবে। আর এই নতুন ব্যবস্থা চালু করতে রেলের প্রযুক্তি সংস্থা সিআরআইএস ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ সফটওয়্যার আপগ্রেডের কাজ শুরু করেছে।

কীভাবে কাজ করবে নতুন প্রযুক্তি?
আসলে বর্তমানে কোনও যাত্রী কনফার্ম টিকিট কেটে টেনে না উঠলে সেই খালি সিট সাধারণভাবে টিটিই-রা ট্রেনের ভিতর থেকে অন্য যাত্রীদেরকে দিয়ে দেন। কিন্তু নতুন ব্যবস্থায় গোটা প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল ভাবেই হবে এবং স্বচ্ছভাবে হবে। রেলের টিটিই-দের হাতে থাকা হ্যান্ড হেল্ড টার্মিনাল ডিভাইস এবার আপগ্রেড করা হচ্ছে। অর্থাৎ কোনও যাত্রী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ট্রেনে না উঠলে সেই সিটটিকে খালি হিসেবে সেখানে আপডেট করে দেবেন টিকিট পরীক্ষকরা। তারপর সেই খালি সিটের তথ্য সরাসরি IRCTC-র অনলাইন সিস্টেমই দেখা যাবে।

এবার ধরুন, কোনও এক্সপ্রেস ট্রেনে কোনও যাত্রী কনফার্ম টিকিট থাকা সত্ত্বেও ট্রেনে উঠলেন না। সেক্ষেত্রে টিটিই সিস্টেমে আপডেট করতেই সেই সিট অনলাইনে খালি হিসেবে দেখাবে। তখন অন্য কোনও স্টেশন থেকে যাত্রা করতে চাওয়া কোনও ব্যক্তি সেই সিট অনলাইনের মাধ্যমে বুক করে নিতে পারবে। আর বুকিং সম্পন্ন হলে নতুন যাত্রীর সমস্ত তথ্য টিটিই-র হাতে থাকা সেই হ্যান্ড হেল্ড টার্মিনাল ডিভাইসে চলে যাবে।

রেলের নতুন এই উদ্যোগে সবথেকে বেশি সুবিধা পাবে আরএসি বা ওয়েটিং লিস্টে থাকা যাত্রীরা। কারণ, আগে টিটিই-দের হাতে থাকা সিট বরাদ্দের বিষয়ে অনেকটাই ট্রেনে ওঠার পর পরিস্থিতির উপর নির্ভর করতে হতো। এমনকি সব সময় সিট পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন পুরো তথ্য যেহেতু ডিজিটাল ভাবে আপডেট হচ্ছে, তাই অনলাইনে আপডেট হওয়ায় যাত্রীরা আগে জানতে পারবে যে কোনও সিট খালি রয়েছে কিনা। যার ফলে শেষ মুহূর্তেও কনফার্ম টিকিটের চান্স অনেকটাই বেড়ে যাবে।

11/06/2026

ঝালমুড়ির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) যেন আলাদাই টান। ভোটার প্রচারে এসে ঝাড়গ্রাম থেকে তাঁর সেই ঝালমুড়ি খাওয়ার দৃশ্য এখনও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার ফের একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটালেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। আজ এনডিএ জোটের মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে নয়াদিল্লিতে বৈঠক করেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই ঝালমুড়ি খেতে দেখা যায় তাঁকে। এমনকি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁকে ঝালমুড়ি সার্ভ করে দেন। সেই ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ফের ঝালমুড়িতে মজলেন মোদী
আজ দিল্লিতে এনডিএ মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ছিল। আজই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দিল্লিতে থাকার কথা রয়েছে তাঁর। আর আগামীকাল বিকালে নীতি আয়োগের বৈঠকের পর আবারও কলকাতায় ফিরবেন তিনি। কিন্তু আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক সেরে সেই ঝালমুড়ি খাওয়ার দৃশ্য ফের সামনে এল। এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই প্রধানমন্ত্রীকে ঝালমুড়ি সার্ভ করে দিলেন।

না বললেই নয়, ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন। সেই সময় তাঁর সেই ঝালমুড়ি খাওয়ার ভিডিও এবং ছবি সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। সবথেকে বড় ব্যাপার, ঝালমুড়ির দোকানদারও সেই সময় রীতিমতো ভাইরাল। যদিও পরে এ নিয়ে অনেক কাটাছেঁড়া হয়। কিন্তু মোদীর ঝালমুড়ির জনসংযোগ যে বাংলার ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলেছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ৪ তারিখ একেবারে ধুলোয় মুছে যায় ঘাসফুল শিবির এবং বাংলায় ফোটে পদ্মফুল। আর সেই আবহে মোদী তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে বলেন যে, “ঝাল মুড়ি খেয়েছি আমি, আর ঝাল লেগেছে তৃণমূলের।”

পাশাপাশি নেদারল্যান্ড সফরে গিয়েও প্রধানমন্ত্রী ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ঝালমুড়ি কি এখানেও পৌঁছে গিয়েছে? এমনকি সেখানে দর্শকদের উল্লাস দেখেও মুগ্ধ হয়ে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে মোট পাঁচটি রাজ্যের ভোটদানের হারের কথা উল্লেখ করেন মোদী।

11/06/2026

লম্বা সফরে যাওয়ার সময় ন্যাশনাল হাইওয়ে ( National Highway) ও এক্সপ্রেসওয়েগুলিই (Expressway) ভরসা। এগুলি যাত্রীর অনেক সময় বাঁচায় এবং যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নিরাপদ। এখন সারা দেশজুড়ে ন্যাশনাল হাইওয়ে ও এক্সপ্রেসওয়েগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের জন্য ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (NHAI) বেশ কিছু প্রযুক্তি-নির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে মেকানিজম ও অটোমেশনের ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে।

হাইওয়ে ও এক্সপ্রেসওয়ের রক্ষণাবেক্ষণ হবে প্রযুক্তিগতভাবে আরও উন্নত
এনএইচএআই (NHAI)-এর পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন শহর ও জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলিতে জল নিকাশি ব্যবস্থার যান্ত্রিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং অটোমেটিক পটহোল ফিলিং মেশিন ও মেকানাইজড রোড সুইপিং মেশিনের মতো উন্নত সরঞ্জামের ব্যবহার শুরু করার জন্য একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রণালয় (Ministry of Road Transport and Highways) বিবৃতি দিয়েছে যে, প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কন্ট্রাক্টের শর্তগুলি কঠোরভাবে কার্যকর করে তোলার মাধ্যমে ন্যাশনাল হাইওয়ের উন্নতি সাধনই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

এছাড়াও মন্ত্রকে তরফে জানানো হয়েছে যে, আসন্ন বর্ষার আগমনের প্রস্তুতি হিসেবে এবং নিকাশি ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের মান, কার্যকারিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতে এনএইচএআই ন্যাশনাল হাইওয়ে এবং এক্সপ্রেসওয়েগুলির ধারে থাকা ড্রেন পরিষ্কারের ক্ষেত্রে যান্ত্রিক পদ্ধতিগুলির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।

এছাড়া, পারফরম্যান্স-বেসড মেনটেনেন্স কন্ট্রাক্টের আওতাভুক্ত সরঞ্জামের তালিকায় অটোমেটিক স্বয়ংক্রিয়ভাবে গর্ত ভরাট করার যন্ত্র ও যান্ত্রিকভাবে রাস্তা পরিষ্কার করার যন্ত্রগুলি যুক্ত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপগুলি ন্যাশনাল হাইওয়ে ও এক্সপ্রেসওয়েগুলিতে যাত্রার অভিজ্ঞতা ও রক্ষণাবেক্ষণের গুণমান ও কার্যকারীতা উন্নত করবে।

11/06/2026

টেক জায়ান্ট গুগলের 15 বিলিয়ন ডলারের AI হাব প্রকল্পের পর এবার ভারতে নিজেদের প্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ডেটা সেন্টার (Meta AI Data Center In India) তৈরি করছে Meta। ইতিমধ্যেই সেই ঘোষণা করেছেন ফেসবুক তথা Meta-র কর্ণধার মার্ক জাকারবার্গ। ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদা এবং গুরুত্ব বুঝে গুজরাতের জামনগরে AI ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে বড় চুক্তি করেছে Meta।

ভারতে প্রথম AI ডেটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে মুখ খুললেন মার্ক জাকারবার্গ
আম্বানি সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সাথে হাত মিলিয়ে Meta গুজরাতের মাটিতে যে নতুন AI ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চলেছে সেটির ধারণ ক্ষমতা হবে 168 মেগাওয়াটের। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের হাত ধরে তৈরি হতে যাওয়া এই ডেটা সেন্টারে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্ল্যার্টফর্মের AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত কাজ করবে Meta।

Meta CEO মার্ক জাকারবার্গের ভাষায় এখানে পার্সোনাল সুপারইন্টেলিজেন্স সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ চলবে। সেই মর্মে ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়েছেন ফেসবুকের কর্ণধার জাকারবার্গ। মার্কিন ব্যবসায়ী বলেছেন, “ভারতে আমাদের প্রথম AI সক্ষম ডাটা সেন্টার নির্মাণে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে কাজ করতে পেরে আমরা সত্যিই গর্বিত। জামনগরের এই বিশ্বমানের ডেটা সেন্টারটি AI ইন্ডাস্ট্রিতে আমাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত পরিকাঠামোকে প্রসারিত করতে সাহায্য করবে এবং ভারতের অর্থনীতিতে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকে নিশ্চিত করবে।”

প্রসঙ্গত, রিলায়েন্সের সাথে হাত মিলিয়ে নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির AI সংক্রান্ত কাজ করার জন্য Meta যে বিরাট ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চলেছে সেটি আগামী দিনে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অন্যতম আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠবে ঠিকই, তবে সমস্যা হল এই ডেটা সেন্টার চালাতে হলে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ এবং জলের প্রয়োজন। যে কারণে স্থানীয় স্তরে ব্যাপক সমালোচিত হচ্ছে এই প্রকল্প! যদিও মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা জানিয়েছে, তাদের ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য স্থানীয় মিষ্টি জলের প্রয়োজন পড়ে না। বরং তারা সম্পূর্ণ নবায়নযোগ্য শক্তি এবং লবণ মুক্ত সমুদ্রের জল ব্যবহার করে থাকে।

11/06/2026

গ্রেট নিকোবর দ্বীপে (Great Nicobar Island) এবার ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হবে নতুন ‘গ্রিনফিল্ড’ সামরিক-বেসামরিক বিমানবন্দর (Greenfield Airport)। আগে ঠিক হয়েছিল বিদ্যমান ‘আইএনএস বাজ’ (INS Baaz)-এর বিমানঘাঁটি সম্প্রসারণ করা হবে, তবে তার পরিবর্তে এখন এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল গ্রেট নিকোবর দ্বীপে ৮১,০০০ কোটি টাকা দিয়ে বিশাল উন্নয়ন প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতরের মধ্যেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানালো সরকার।

কোথায় গড়ে উঠবে নতুন বিমানবন্দর?
সরকার ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে যে, প্রস্তাবিত এই ডুয়েল-ইউজ বিমানবন্দরটির জন্য গ্রেট নিকোবর দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের গালাতিয়া উপসাগরের কাছে অবস্থিত ‘চিনজেন’ (Chingen) এলাকাটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই বিমানবন্দরে বেসামরিক ও সামরিক – দুই প্রকার বিমানই ওঠা নামা করবে। ভারতের স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট থেকেও এই জায়গাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখান থেকে মালাক্কা প্রণালীর (Malacca Strait) পশ্চিম প্রবেশপথ খুব কাছে।

প্রসঙ্গত, মালাক্কা প্রণালী হল ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযুক্তকারী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ‘চক পয়েন্ট’ বা সামুদ্রিক পথ। বিপুল পরিমাণ কন্টেইনার, পণ্যবাহী জাহাজ এই পথ দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। ফলে এই দ্বীপটি সামুদ্রিক কাজকর্মের ওপর নজরদারি করার জন্য ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি আধিকারিকদের মতে, নতুন এই বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুটে ভারতকে যেকোনো পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ও দ্রুততার সাথে কাজ করতে সাহায্য করবে। তবে এই সিদ্ধান্তের দরুন ক্যাম্পবেল বে (Campbell Bay)-তে অবস্থিত ভারতীয় নৌবাহিনীর ‘আইএনএস বাজ’ এয়ারবেসের রানওয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনাটি বাতিল হয়ে গেছে।

11/06/2026

ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) বীর জওয়ানদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের কাহিনী হাতে গুনে শেষ করার মতো নয়। দেশের নিরাপত্তার জন্য প্রতি মুহূর্তে তারা আত্মবলিদান দিতেও পিছপা হন না। সন্ত্রাসবাদ রুখতে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সাহসিকতার পরীক্ষা দিতে হয়। সেরকম পরীক্ষাই দিয়েছিলেন ল্যান্স নায়েক মিনাতচি সুন্দরম এ (Lance Naik Meenatchi Sundaram A) ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম এলাকার (Kulgam Encounter) দুর্গম অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ৩৪ তম ব্যাটেলিয়ানে কর্মরত অবস্থায় সন্ত্রাসবাদীদের সাথে তীব্র গোলাগুলির লড়াই চলার সময় মিনাতচি সুন্দরম এ মুখে ও ডান কাঁদে গুরুতর আঘাত পান। কিন্তু এই আঘাতও তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি লড়াই চালিয়ে যান এবং খুব কাছ থেকে এক সন্ত্রাসবাদীকে গুলির আঘাতে শেষ করেন।

কীর্তিচক্রে ভূষিত বীর সেনা
এই অসাধারণ বীরত্ব ও সাহস দেখানোর জন্য ল্যান্স নায়েক মিনাতচি সুন্দরম এ-কে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব পুরস্কার কীর্তি চক্রে (Kirti Chakra) ভূষিত করা হয়েছে। তিনি আর্টিলারি রেজিমেন্টের সদস্য ও জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ দমন করার জন্য মোতায়েন থাকা ৩৪ তম রাষ্ট্রীয় রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ইউনিটগুলি ভারতের সবচেয়ে প্রতিকূল অঞ্চলগুলিতে মোতায়েন থাকে। এই বাহিনী প্রায়শই গোয়েন্দা তথ্যের উপর ভিত্তি করে তল্লাশি অভিযান, ঘেরাও করা, এমনকি সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে সরাসরি লড়াই করে।

অপারেশনাল ইনপুট এর ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় একটি সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। এই ইউনিটের মধ্যেই ছিলেন ল্যান্স নায়েক মিনাতচি সুন্দরম এ। অভিযান চলাকালীন সন্ত্রাসবাদীদের সাথে সংঘর্ষে তীব্র গোলাগুলি চলতে শুরু করে এবং গুলিবিদ্ধ হয় মিনাতচি সুন্দরম এ। মুখে ও ডান কাঁধে গুরুতর আঘাত পান।

এরকম আঘাতে যে কোনও মানুষই অক্ষম হয়ে যেতে পারেন কিন্তু দুঃসাহসিক মনোবল দেখিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। যন্ত্রণা ও রক্তক্ষরণকে উপেক্ষা করে এক জঙ্গিকে খুব কাছ থেকে গুলির আঘাতে খতম করেন মিনাতচি সুন্দরম এ। তার এই সাহস তার দলকে অভিযানের গতি বজায় রাখতে এবং সেনাদের জন্য পরিস্থিতি আরও বিপদজনক হওয়া থেকে রক্ষা করেছিল।

11/06/2026

সময়ের সাথে সাথে দেশে নগরায়ণের গতি দ্রুততার সাথে বাড়ছে। রাস্তায় গাড়ির সংখ্যাও (Number of Vehicles in India) সেভাবেই বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবহন বিশেষজ্ঞরা একটি নতুন ও বেশি কার্যকরী পরিবহন নীতির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। গতকাল (৮ জুন) ইন্ডিয়ান স্কুল অফ পাবলিক পলিসি (ISPP) ২০০৬ সালে বাস্তবায়িত জাতীয় নগর পরিবহন নীতির একটি পর্যালোচনা প্রক্রিয়া শুরু করবে বলে জানিয়েছে।

নতুন জাতীয় নগর পরিবহন নীতির আনার পরিকল্পনা
আইএসপিপি একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে যে, ভারতে রেজিস্ট্রার্ড গাড়ির সংখ্যা ২০০৬ সালের প্রায় ৯০ মিলিয়ন বা ৯ কোটি ছিল। আর ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে ৪১৩ মিলিয়ন বা ৪১.৩ কোটি ছাড়িয়েছে। গত ২০ বছরে প্রায় ৩২ কোটি নতুন যানবাহন রাস্তায় চলাচল শুরু করেছে। বর্তমান পরিস্থিতি নগর পরিবহন ব্যবস্থার ওপর সমূহ চাপ সৃষ্টি করছে।

এই পর্যালোচনার প্রক্রিয়াটি আইএসপিপি-র সেন্টার ফর আরবান ট্রানজিশন (ICUT) দ্বারা পরিচালনা করা হয়। নগর উন্নয়ন, পরিবহন এবং জনস্বার্থ নীতির বিশেষজ্ঞরা এই আলোচনায় যোগদান করেন। পর্যালোচনাটি থেকে প্রাথমিকভাবে এই ফলাফলে উপনীত হওয়া গেছে যে, গণপরিবহন এবং অ-মোটরচালিত যানবাহনগুলিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্য কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

বিশেষজ্ঞরা তাই সুপারিশ করেছেন যে, ২০২৬ সালের মধ্যে বর্তমান পরিস্থিতি ও চাহিদার কথা মাথায় রেখে একটি নতুন নগর পরিবহন নীতি বাস্তবায়ন করা হোক। এছাড়াও তারা জানিয়েছেন যে, বর্তমান নীতি অধিকাংশ শহরে মেট্রো রেল প্রকল্পগুলিকে অগ্রাধিকার দিলেও, সেগুলোকে ভূমি-ব্যবহার পরিকল্পনা ও সামগ্রিক পরিবহন নেটওয়ার্কের সঙ্গে যথাযথভাবে সমন্বয় সাধন করতে অসমর্থ হয়েছে।

09/06/2026

রেল যাত্রীদের জন্য রইল অত্যন্ত জরুরি খবর। আগামী আগস্ট মাস থেকে বদলে যেতে চলেছে রেলের (Indian Railways) গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম। এমনিতে যত সময় এগোচ্ছে ততই রেলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। এখন আর রেলে ভ্রমণ করা কষ্টের নয়, বরং আরামদায়ক। কয়েক কোটি মানুষ প্রতিদিন এই ট্রেনে করে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলেছেন। এখন সেইসকল যাত্রীদের জন্য রইল আজকের এই খবরটি। জানা গিয়েছে, আগামী আগস্ট মাস থেকে রেলের রিজার্ভেশনের নিয়মে বড় বদল ঘটতে চলেছে। সর্বোপরি কিছু সময়ের মধ্যে মাত্র ৭ সেকেন্ডের মধ্যে বুক হয়ে যাবে ট্রেনের টিকিট।

আগস্ট থেকে বদলাচ্ছে টিকিট বুকিং-এর নিয়ম
আগস্ট মাস থেকে ট্রেনের টিকিট বুকিং পর্যায়ক্রমে নতুন প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেম (PRS)-এ ট্রান্সফার হবে। এই নতুন ব্যবস্থাটি ১৯৮৬ সাল থেকে চালু থাকা পুরোনো ব্যবস্থাটিকে প্রতিস্থাপন করবে। এর পেছনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো টিকিট বুকিং প্রক্রিয়াকে সহজ করা, সিস্টেমের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং যাত্রীদের আরও ভালো অভিজ্ঞতা প্রদান করা। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব রেল ভবনে এই অগ্রগতির পর্যালোচনা করেছেন এবং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে এই পরিবর্তনের সময় যাত্রীদের কোনো অসুবিধা না হয়।

বদলাচ্ছে ৪০ বছরের পুরোনো সিস্টেম
উল্লেখ্য যে, বর্তমান প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেম (পিআরএস) ১৯৮৬ সালে চালু হয়েছিল। বিগত বছরগুলোতে এতে খুব সামান্যই পরিবর্তন এসেছে, কিন্তু এখন এটিকে সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তি দিয়ে উন্নত করা হচ্ছে, যা এটিকে আগের চেয়ে অনেক দ্রুততর এবং আরও বেশি টিকিট পরিচালনায় সক্ষম করে তুলছে। ভারতীয় রেল ২০০২ সালে অনলাইন টিকিট বুকিং চালু করে। বর্তমানে, প্রায় ৮৮ শতাংশ টিকিট বুকিং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে করা হয়।

মাত্র ৭ সেকেন্ডে বুক হবে টিকিট

রেলের তরফে এমন বদল আনা হচ্ছে যার দরুণ যাত্রীরা মাত্র ৬ থেকে ৭ সেকেন্ডের মধ্যে টিকিট বুকিং করতে সক্ষম হবেন। বর্তমানে একটি অসংরক্ষিত টিকিট বুক করতে গড়ে ১৩ থেকে ১৫ সেকেন্ড সময় লাগে। তবে নতুন আপগ্রেডেড সিস্টেম চালু হলে সেই সময় কমে মাত্র ৬ থেকে ৭ সেকেন্ডে নেমে আসবে। ফলে কাউন্টারে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় অনেকটাই কমবে এবং দ্রুত টিকিট প্রদান সম্ভব হবে। ভারতীয় রেলওয়ে যাত্রী পরিষেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সংরক্ষিত টিকিট বুকিং ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন AI-ভিত্তিক সিস্টেম চালু হলে টিকিট বুকিং প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং যাত্রীবান্ধব হবে।

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Silchar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Silchar