Sengupta Project Management Consultancy
We provide on time Project Management Consultancy Services. From brick and sand to the highest peak
Developers / construction/ Industrialist s You please contact us for all types of drawings, dishes, supervision or technical audit / project marketing and cell, drawing evaluation of your Industrial, Commercial, Housing Project. We do in all kinds of work including project time delivery, quality, safety, cost control. I can even make good land and arrange for the project.
Please contact. On the mail or on the phone
[email protected]
phone no : +91 9836429451
03/04/2025
For your project ( Industrial, commercial, infrastructure, production etc) finance please contact through mail [email protected]. Plase share your project report with fund flow statement and last three years turnover report. Loan 20 cr to 500 cr. T & C only. Loan against mortgage will process very easy. Also call over phone +91 098364 29451 for Project Management Consultancy from pre to post construction level work. We are working in Maharashtra, Bangalore & west Bengal.
আমার গবেষণা
তারিখ : ২৮-০৩-২০২৫
ভাবছিলাম অনেকদিন ধরে লিখবো। মায়ণমার বা ব্যাঙ্ককের আজকের ভূমিকম্প দেখে বাধ্য হয়ে লিখলাম। বিশ্বাস করা না করা আপনাদের ব্যাপার। একজন সাধারণ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে সকলকে সাবধান করা উচিৎ বলে মনে হলো। তাই লিখলাম।
বেশ কয়েকবছর ধরে প্রকৃতির নানা খেলা দেখে হিসাব কষে দেখলাম। কলকাতা ও তার পার্শবর্তী এলাকায় ভুখন্ডের চলার গতি অগের তুলনায় প্রায় দেড়গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। অল্পস্বল্প ঘর্ষণের ফলে মাটিতে ধস নামছে।
ক্রমাগত গরমে মাটির ভুপ্রিষ্ঠ থেকে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার মাটির উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মাটির নিচে জলাধার গরম হয়ে ধোয়া সৃষ্টি করছে। ভালো করে লক্ষ করুন যারা ভোরে মর্নিং ওয়াক এ যান দেখবেন মাটির উপরিতল অল্প ভিজে। হালকা ধোয়া বেরোচ্ছে কিংবা একটা অদ্ভুত গন্ধ অনুভূতি হয়। কিছুটা সালফার কিছুটা কার্বন ডাই অক্সাইড কিংবা কিছু পোড়া গন্ধ।
এই ফলে মাটির নিচের অংশ ক্রমশঃ আলগা হচ্ছে। যে কোনো সময় যে কোনো জায়গায় হঠাৎ মাটির ধস নামবে। গভীর থেকে গভীরতর হয়ে উঠবে সেই সব ধস। মনে হবে যেন এক্ষুনি কোনো আগুনের গোলা বেরিয়ে আসবে। আমাদের হানিকারক ব্যাকটেরিয়া গুলো জীবদেহে নানারকম ভাবে আক্রমন করবে। আজকাল তাই চর্ম রোগের প্রকোপ বেশী দেখা যাচ্ছে।
প্রায়শ হালকা ভূমি কম্পন হচ্ছে যার রিখটার স্কেল ২-২. ৫ অনুভূত হয়। তাই আমরা সকলে অভ্যস্থ হয়ে উঠেছি। ৪-৪. ৫ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প কে আমরা অভ্যস্থ করে ফেলেছি। তাই ভীত হই না বা কম অনুভূতি হয়।
বর্তমান অবস্থা নিয়ে এই ভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৩০ সনের মধ্যে ভয়ানক ভূমিকম্প হবে। সেখানে বড় বড় ঘর বাড়ি, ব্রিজ ইত্যাদি তাসের ঘরের মত ভেঙে পরবে।
বাঁচবার উপায়? জন প্রতি ১০ টি করে দীর্ঘ জীবন ধারী গাছ লাগাতে হবে। প্রচুর কৃত্তিম জলাশয় বানাতে হবে।
নতুবা এখানের মানুষদের অকাল মৃত্যু ও আগামী ভয়ানক ভূমিকম্প (৭-৮ রিখটার স্কেল ) থেকে ঈশ্বর আল্লাহ বা ভগবান কেউ বাঁচাতে পারবে না।
রাজনীতি করবার দিন পাবে সবাই আগে যদি কোনো সাবধানতা অবলম্বন না করেন।
এটা আমার নিজস্ব রিসার্চ
দীপঙ্কর সেনগুপ্ত
সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
তারিখ : ২৮-০৩-২০২৫
25/03/2025
Prestressed road work, Road bearing capacity 60 MT
of India # State Govt of India
Please contact "Project Management Consultancy " for your dream projects. we are giving our all service through single window. We are expertise in PMC
1. Project report
2. Project survey
3. Architectural, Structural, MEP & Environmental Design
4. Project Budget
5. Design evaluation
6. Cost Control
7. Site Supervision
8. Technical Audit
9. Project marketing
10. Project sales
11. Client satisfaction
12. Quality
13. Safety
14. Technical & Commercial tender with evaluation & recommendation
15. Project planning ( Pre construction, During construction & Post construction
16. Structural rehabilitation
Others
Interested Directors, Chairmans or Top Management can mail me : [email protected] , [email protected] or WhatsApp / ring : +91 9836429451
না বলা কথা ( কাল্পনিক কাহিনী )
কলমে : দীপঙ্কর সেনগুপ্ত
কলমকাল : ০১-০২-২০২৫
আজও বলা হয়ে ওঠেনি যে কথাগুলো, সেই কথাগুলো কি তুমি শুনতে পাচ্ছো কি? কান পেতে শোনো, ঐ হাওয়ায় ভেসে আসছে আমার শরীরের এক একটি অংশ পুড়ছে গন গন আগুনে, ছিটকে ছিটকে পড়ছে এক একটি আগুনের ফুলকি। তোমায় ছুঁতে চাইছে। বলতে চাইছে না বলা কিছু কথা।
ওমা ওকি তোমার গায়ে গিয়ে লাগলো নাকি আমার দেহের কোনো অংশের জ্বলন্ত টুকরো খানি! দুঃখিত খুব দুঃখিত। দেখো উপরওয়ালা কেমন বোকা। শেষে কিনা আমার আধপোড়া হৃদপিন্ডটা তোমার নরম শরীরে ছেঁকা দিলো!!!
আমি দেখছি তুমি রেগে যাচ্ছো। আজও রেগে আছো? তাহলে এলে কেন আমার অন্তিম সংস্থানে! দেখতে এসেছো? কেমন মজা লাগে! আমার এই দেহটা পুড়ে কালো হয়ে ছোট থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে। আর ডোম আমার শরীরে বাঁশ দিয়ে আঘাত করছে। ভেঙে দিয়ে আরো টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে।
দেখো আমার বউটা কি বোকা! কেঁদেই চলেছে অবিরাম আর সামলে চলেছে আমাদের ঔরস জাতদের। তাদের নিয়ে তাকে থাকতে হবে। যাত্রা কালে ঐ এখনও আমার আপন একমাত্র আপন।
কি হিংসা হচ্ছে? কিন্তু কেন? হয়ত তুমিও হতে পারতে সে।
পারোনি আসলে অভিনয়ের বেড়াজালে তুমি একটু একটু করে আমায় নিঃস্ব করে দিয়েছিলে। বলেছিলে ভালোবাসো নাকি আমায়! একদম হৃদয় দিয়ে।
অথচ দেখো ঠিক যখন আমার অবস্থা সঙ্গিন শুনলে, বলে উঠলে "মরে নি? মরুক ও মরুক!"
আবার যখন খবর পেলে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলে " সর্ব শেষ আমি কি বলেছি? কোন কথা উচ্চারণ করেছি?"
যে বলেছে আমি শেষ কি উচ্চারণ করেছি! শুনে চমকে উঠেছিলে কেন?
যখন আমার স্ত্রী বলল আমার শেষ কথা "আমি বিচার পেলাম না মরেও শান্তি পাবো না....."
তোমার কি মনে হলো? ঠিক তাই আমি আজও অপেক্ষা করে আছি সেই দিনটার জন্য তোমার অসহায় ভরা মুখটা দেখতে চাই। সেই হিংস্র লোভী মুখটা বেদনায় কুঁকড়ে কুঁকড়ে উঠছে আমি দেখতে চাই। সেদিন আমি শান্তি পাবো।
এই দেখো আমার মাথায় পড়লো বাঁশের বারি। ঈশ্বরের দয়া দেখো আমার মাথার গরম ঘিলু টা তোমার গালে চেপে ধরেছে। তুমি চিৎকার করছো। যন্ত্রনায় ছটফট করছো। তোমায় সাহায্য করবার জন্য দুই একজন এসে গালে জল ঢেলে দিয়ে বলল " ডাক্তার দেখান এখনই হাসপাতালে যান। এই পোড়া ঘা ভালো নয়। "
তুমি তবু দাঁড়িয়ে থাকলে মুখে যন্ত্রণার ছাপ। দাহ শেষে আমার ঔরস জাতরা চিতায় জল ঢালছে। তুমিও জল দিলে। দুই হাত জোর করে প্রণাম করলে। দেখলাম তোমার চোখ দুটো ছলছল করছে।
আমিও যেন মুক্তি পেলাম। ছুটে চলেছি ঐ নীল দিগন্তের দিকে। ঘুরে আর দেখতে মন চাইলো না।
বাল্য প্রেম
কলমে : দীপঙ্কর সেনগুপ্ত
রচনাকাল : ৩০-১২-২০২৪
চোখের অপারেশন হবার পর ঘরে বিছানায় শুয়ে শুয়ে শুধু চোখে ওষুধের পর ওষুধ দিয়ে যাওয়া আর জীবনে নানা ঘাত প্রতিঘাতের কাহিনী মনে পড়ত। সেরকমই যখন আমি বেসিক স্কুলে পড়তাম তখন আমার সাথে অনেকে পড়ত। তাদের মধ্যে একজনের নাম আজ খুব মনে পড়ছে। তার নাম মিতালী।
মিতালী খুব ভালো গান করতো। ছবি দিদিমনির সাথে সাথে গেয়ে উঠত "প্রেমের ও দুয়ারে.... কিংবা চরণ ধরিতে দিও গো আমারে... আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে...." আরো আরো অনেক গান। আমরাও লিপ দিতাম। জানিনা তখন কচি গলায় কি সুর বাজতো।
তবে মিতালী স্বল্প ভাষী হলে কি হবে। আমার পাশে আসন পেতে বসতো। ও বলা হয়নি। আমরা স্কুলে প্রত্যেকে আসন পেতে বসতাম আর টিনের বাক্সে বই খাতা নিতাম। সেই টিনের বাক্সের ওপর খাতা রেখে পেন্সিল দিয়ে লিখতাম। আমি বরাবরই প্রথম হতাম পড়াশুনায়। কিন্তু মিতালী খেলাধুলায় প্রত্যেকটা প্রথম পুরস্কার জিততো। কিন্তু অঙ্ক দৌড়ে আমি প্রথম হতাম।
মনে পরে সে রোজ তার বাম হাতের তালুতে একটি শব্দ লিখতো সেটা হলো ইংরেজি D। আমাকে বলতো আমার হাতে M লিখতে। আমিও লিখতাম। কখন যেন সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিলো। নিজের অজান্তে আজও লিখে ফেলি নিজের হাতে M অক্ষর টি।
কিন্তু কেন লিখতাম কেন মিতালী লিখত তখন বুঝিনি। আমি ক্লাস ফোর পাশ করে বয়েস হাই স্কুলে ক্লাস ফাইভ এ ভর্তি হলাম। পাশেই মেয়েদের আলাদা স্কুল দশঘড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়।
কখন কার ছুটি হতো জানতাম না। আমাদের স্কুলের বাইরে একটা খোঁয়ার ছিলো। সেই খোঁয়ারে অনেক ছাগল, গরু জমা থাকতো। ঠিক তার পিছনে একটা একরুম বিশিষ্ট ভাঙা চোরা ঘর ছিলো। প্রায়ই মিতালী আমাকে দেখলেই ডেকে নিতো। কত ভালো ভালো খাবার নিয়ে আসতো। কখনো কখনো নিজে খাইয়ে দিয়ে বলতো " দীপ কেমন হয়েছে বল? জানিস আমি রান্না করেছি, তোর জন্য বানিয়ে এনেছি। "
আমি গোগ্রাসে খেতাম অপূর্ব স্বাদ ছিলো। কখন কখন সেখানে ১৩ চূড়া বিশিষ্ট রথ আছে। সেটা পুরো খড় দিয়ে ঢেকে রাখতো এক বছরের জন্য। সেই রথের চূড়ায় বসে দুজনে কত গল্প করতাম।
এমন কিছু গল্প নয় কে কি সারাদিনে কি করলাম। মিতালী আমার কথা গুলো মন দিয়ে শুনতো। আমার মাথায় ঝাঁকড়া কোঁকড়ানো চুল ছিলো। বাড়ি ফেরার সময় মাথায় চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে দিত।
এই ভাবে যখন ক্লাস এইট এ উঠি হঠাত একদিন মিতালীর বাবা আমাকে ডাকলেন, আমার বাড়ির অভিভাবক ঠাকুদা কে ও ডেকে আনলেন। সেই রথের মধ্যে বসে মিতালীর বাবা বললেন " দীপ তোমার ভবিষ্যৎ আছে। তুমি তোমার পড়াশুনায় মন দাও। মিতালীর সাথে আর কথা বলো না। পাঁচ জনে পাঁচ কথা বলছে। তোমরা নাকি লুকিয়ে এই রথে দেখা করো....? "
আমি বললাম " হ্যাঁ আমরা একসাথে পড়েছি আমরা লেখা পড়া নিয়ে আলোচনা করি, আর মিতালী খুব ভালো ভালো খাবার আনে আমাকে দেয় খাই, এতে কার কি বলার আছে "
আমার দাদু আমাকে বললেন " ঐ ভাবে কথা বলতে নেই। মিতালী তুমি বড় হচ্ছো। তুমি অন্য ঘরে বিয়ে হয়ে চলে যাবে... যদি তুমি আমার নাতির সাথে দেখা কর তাহলে যে তোমার বদনাম হবে। তোমার মা বাবা কষ্ট পাবেন। দাদুভাই তুমি কিন্তু ওকে বিরক্ত করবে না। "
আমি বললাম "ধুর ঐ তো আমাকে রোজ ডাকে... এই শোন মিতালী আজ থেকে তোর সাথে আড়ি আর কোনো দিন আসবি না। চলো দাদু... আমার ফুটবল ম্যাচ আছে দাঁ পাড়ার সাথে।"
সেদিন চলে এসেছিলাম। আর দেখা করিনি।
জানিনা মিতালী আজ কোথায় কেমন আছে? না রে মিতালী ভাবিস না তোকে ভালোবেসেছিলাম। তোকে সেরা বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করেছিলাম। তার শাস্তি পেয়েছি। ক্লাস নাইন থেকে দশঘড়া ছেড়ে সোজা কলকাতায়। আর কোনোদিন যাইনি। খোঁজ ও নেইনি। তুই কি এখনো D লিখিস?
উপলব্ধি
কলমে : দীপঙ্কর সেনগুপ্ত
রচনাকাল : ২৬-১২-২০২৪
ভাবছি কি লিখবো? কেন লিখবো? আপন অনুভূতি! নাকি আপন প্রেমের কথাকলি? ভাবতে ভাবতে বুকের বামদিকে একটা চিলিক দিলো। হালকা ব্যাথা অনুভব করলাম। ডান হাত দিয়ে বুকটা চেপে ধরলাম। একটু ডলে দিলাম। একটু আরাম হলো।
বুঝলাম হৃদপিন্ডটা ঢুক পুক ঢুক পুক করছে। আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে। অতি মেরামত করা হয়েছিল। ডাক্তার বলেছিলো মেরামত না করলে ছয় মাস আর মেরামত করলে বেশ কয়েকবছর। অনেক নিয়ম মেনে চলা। আহারে রাশ টানা। কোনো রকম নেশা দ্রব্য বারণ। মেনে চলেছি আজও।
হঠাত মনে হলো ঈশ্বরের সৃষ্টি এই দম দেওয়া ব্যাটারি নিয়ম মেনে টিক টিক করে চলছে। সেটির মেরামত হলো। আবার কবে যে বিগরবে সেটা সৃষ্টি কর্তা জানেন।
কিন্তু আসলে কেউ জানে না এই হৃদপিন্ডে রয়েছে এক অদৃশ্য মন। সে কখন কাঁদে, কখন হাসে, স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন গড়ে ভাঙে, কখন প্রেমের ডাকে সারা দেয়, কখন হিংস্র হয়ে ওঠে। কত রকমের রকমারি রং ছড়ায়!
কল্পনার জগতে নিয়ে যায়। চোখে রঙিন আলো ছড়ায় আবার দয়ায় সে ব্যতিব্যাস্ত হয়ে ওঠে। করুনার সাগরে ডুব দেয়। সব ভালো মন্দের স্মৃতি রেকর্ড করে রাখে শুধু আমাকে শোনাবার জন্য। যন্ত্রণাগুলো লুকিয়ে রাখতে চায়। অজস্র গোপন ইচ্ছে, গোপন কথা সে চিরদিনের জন্য গোপন রেখে দেয়।
ভাবছো পাগলের প্রলাপ? হয়ত তাই। যখন আকাশে মেঘ করে বৃষ্টির জন্য। ময়ূর পেখম মেলে ধরে নাচতে থাকে। ঠিক তেমনই মন নাচতে থাকে নতুনের আগমনে। নতুনকে আঁকড়ে ধরবার জন্য।
অথচ সে যখন ভূমিষ্ঠ হয়েছিল, একা কিন্তু উত্তাপ চেয়ে ছিল যা সে তার গর্ভধারিণীর কোল আর বুকের দুধে পেয়েছিলো। সে শৈশব থেকে তারুন্য সান্নিধ্য চেয়েছিলো মা বাবা ভাই বোন ও আত্মীয়দের কাছে। এক এক করে সে ত্যাগ করে সান্নিধ্য পায় তার সহধর্মিনী র, পরবর্তী তে সন্তানাদির সর্ব শেষে সেই শৈশবে ফিরে যেতে চায়।
কিন্তু মন চাইলেও শরীর আর সাথ দিতে চায় না। শরীরটা ক্রমশঃ নুয়ে পরতে থাকে। তবু সেই শরীরকে মন স্বপ্ন দেখায় আগামীকালের সুদিনের। রোগে জর্জরিত শরীর যেন ফিরে পেতে চায় তার যৌবন।
একদিন সেই মন এমন বিস্ফোরণ ঘটায় যে হৃদ স্পন্দনের ব্যাটারিটা আর কাজে করে না। মন বেরিয়ে যায় দেহ ছেড়ে খুঁজে ফেরে আর এক সদ্যজাত কোনো শিশুর শরীর।
উপলব্ধি বোধহয় এটাই।
I want to work as Project Head or Project Coordinator or Project Consultant in Maharashtra. I will benefit if any company gives me an opportunity. Currently I am working as Project Consultant / Technical Head under Capstone Group in Kolkata. Please consider my CV.
-eastae real-estate, Maharashtra real-estate
I don't mind being the villain in your story because you are a Clown on mind. Good morning
I gained 857 followers, created 19 posts and received 706 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Near Sus Hospital
Pune
Opening Hours
| Monday | 10am - 6pm |
| Tuesday | 9am - 6pm |
| Wednesday | 10am - 6pm |
| Thursday | 9am - 6pm |
| Friday | 9am - 6pm |
| Saturday | 10am - 4pm |
| Sunday | 10am - 6pm |