Basanta MELA
It's Held On 6th- 9th Feb As The Birthday Of Freedom Fighter Basanta Kr. Biswas At Jhawtola Bazaar,, Poragacha,, Nadia
06/02/2026
বীর শহীদ বসন্ত বিশ্বাস এর জন্ম দিন স্মরণে পোড়াগাছায় শহীদ বসন্ত বিশ্বাসের জন্ম ভিটেতে তার আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন।
06/02/2026
06/02/2026
স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদ বসন্ত বিশ্বাসের ১৩২তম জন্মদিন স্মরণে ঝাউতলা বাজারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শহীদ বসন্ত বিশ্বাসের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান।
#বসন্তবিশ্বাস #স্বাধীনতাসংগ্রামী
15/08/2025
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমাদের পোড়াগাছার ভূমিপুত্র স্বাধীনতা সংগ্ৰামী বীর শহীদ বসন্ত বিশ্বাস এর আবক্ষ মূর্তি যে মাল্যদান ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ।
11/05/2025
স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং অগ্নিযুগের বীর বিপ্লবী
শহীদ বসন্তকুমার বিশ্বাস (জন্মঃ- ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৫ - মৃত্যুঃ- ১১ মে, ১৯১৫)
বসন্ত বিশ্বাস যুগান্তর দলের নেতা অমরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ও রাসবিহারী বসুর নিকট স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র কর্মকান্ডে দীক্ষা নেন। ১৯১১ সালে ভারতের বড়লাট লর্ড হার্ডিঞ্জ দিল্লির দরবারে ঘোষণা করেন, ১৯১২ সালে ভারতের সমস্ত প্রভাবশালী ও বিত্তবান ব্যক্তিকে নিয়ে তিনি শোভাযাত্রা করবেন। ঘোষণা অনুযায়ী ১৯১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রাটি কুইন্স গার্ডেন হয়ে চাঁদনীচক দিয়ে দেওয়ান-ই-আমের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। রাজ্যের সকল মানুষ এই শোভাযাত্রা দেখছেন। বড়লাট লর্ড হার্ডিঞ্জ সস্ত্রীক হাতির পিঠে বসে এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। সেই সময় পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর পাঠানো ষোড়শী ছদ্মবেশী একটি বালিকা লীলাবতী বড়লাটকে মারার জন্য মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক ভবনে বোমা নিয়ে অপেক্ষা করছেন। অসংখ্য মহিলা সূরম্য পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক ভবনের তৃতীয় তলায় শোভাযাত্রা দেখার জন্য অপেক্ষা করছেন। লীলাবতী চাদর গায়ে মহিলাদের মাঝে মিশে গেলেন। ইতিমধ্যে শোভাযাত্রাটি ভবনের প্রায় নিকটে চলে আসে।
ন্যাশনাল ব্যাংক ভবনের সম্মুখের আরেকটি ভবনে রাসবিহারী বসু সবকিছু সর্তকতার সাথে তীক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং লীলাবতীকে বোমা মারার ইঙ্গিত প্রদানের অপেক্ষায় রয়েছেন। লীলাবতীও রাসবিহারী বসুর ইঙ্গিতের জন্য অপেক্ষা করছেন। এমন সময় এক মহিলা লীলাবতীকে জিজ্ঞেস করে "তেরি নাম ক্যা বহিনী?" লীলাবতী রাসবিহারীর দিকে দৃষ্টি রেখে বলেন, "মেরী নাম লীলাবতী'। ততক্ষণে শোভাযাত্রাটি ভবনের একেবারে নিকটে চলে আসে। রাসবিহারী মহিলাদের দৃষ্টি শোভাযাত্রা অথবা তাঁর দিকে ফেরানোর জন্য জোরে বলে উঠেন, বড় আজব, সামনে দেখ বাহিনী। মহিলারা অন্যদিকে তাকানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি লীলাবতীকে ইঙ্গিত দেন। লীলাবতী তৎক্ষণাৎ বড়লাটকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেন। প্রচন্ড শব্দে সবাই এদিক-সেদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। পুলিশ আততায়ীকে ধরার জন্য খোঁজ শুরু করে। রাসবিহারী বসু বসন্তকুমার বিশ্বাসকে লীলাবতীর বেশ পরিবর্তন করিয়ে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে দেরাদুনে চলে যান। ভাগ্যক্রমে বড়লাট বেঁচে গেলেন, মারা গেল তাঁর একজন চৌকিদার (রাজদরবারের পেয়াদা)।
পরিকল্পনা মত মুহূর্তের মধ্যে রাসবিহারী বসু আর বসন্ত বিশ্বাস জনারণ্যে মিশে গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে উধাও হয়ে যান। রাসবিহারী চলে যান তাঁর কর্মস্থল দেরাদুনে আর বসন্তকুমার বিশ্বাস লাহোরে। সেখানে পপুলার ডিস্পেনসারি নামের একটা ফার্মেসী তে বসন্ত এই ঘটনার মাস-দুই আগে কম্পাউন্ডার হিসাবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাসবিহারীই বসন্তকে দেরাদুন থেকে লাহোরে নিয়ে গিয়েছিলেন। হার্ডিঞ্জকে মারার জন্য যে বোমা ব্যবহৃত হয়েছিল তা চন্দননগরের বিপ্লবী মণীন্দ্রনাথ নায়েক নিজের হাতে তৈরি করেছিলেন এবং নলিনচন্দ্র দত্ত ওরফে পশুপতি সেই বোমা ট্রেনে করে নিয়ে গিয়ে রাসবিহারীর হাতে দিয়ে এসেছিলেন।
এরপর লাহোরের লরেন্স গার্ডেন্স-এর ইংরেজদের নাইট ক্লাবে কুখ্যাত ম্যাজিস্ট্রেট গর্ডন ও অন্যান্য ইংরেজ পুলিশ অফিসারদের মারার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবারও এই কাজের ভার পরে বসন্তের উপর। পরিকল্পনা মত ১৯১৩ খ্রীষ্টাব্দের ১৭ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে বসন্তকুমার বিশ্বাস নাইট ক্লাবের রাস্তায় একটা বোমা রেখে আসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে এবারও সাইকেল চালিয়ে যাওয়া একজন ভারতীয় চাপরাশী তার সাইকেলের চাকার আঘাতে সেই বোমার বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে মারা যান।
দিল্লীতে বড়লাটকে মারার জন্য ১৯১২ সালের ২৩ ডিসেম্বরের বোমা আর লাহোরে লরেন্স গার্ডেন্স-এর নাইট ক্লাবের রাস্তায় রাখা ১৯১৩ সালের ১৭ মে-র বোমার উপাদানগুলো পরীক্ষা করে পুলিশ বুঝতে পারে যে দুটোই একই জায়গায় তৈরী। তাছাড়া এগুলোর সাথে কলকাতায় উদ্ধার করা বোমার উপাদান ও চরিত্রগত মিলও জেনে ফেলে। কাজেই পুলিশ নিশ্চিত হয়ে যায় যে বোমাদুটো বাংলায় প্রস্তুত হয়েছে এবং বাংলার বিপ্লবীদের হাত রয়েছে এই দুই ঘটনায়। এর ফলে বাংলায় ব্যাপক তল্লাসী ও ধরপাকড় শুরু হয়। বিপ্লবীদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক টাকার পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়।
কলকাতায় রাজাবাজারের এক মেসে তল্লাসীর পর পুলিশের হাতে বিপ্লবীদের কিছু চিঠিপত্র আসে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই রাসবিহারী বসু যে উত্তর ভারতের বিপ্লবীদের প্রধান নেতা তা পুলিশের জানা হয়ে যায়। পুলিশ বিপ্লবী বসন্ত বিশ্বাসের কথাও জানতে পারে।প্রিয় শিষ্য বসন্ত বিশ্বাসকে সঙ্গে করে নিয়ে ছদ্মবেশে রাসবিহারী দিল্লী পৌছে দেখেন স্টেশনের ঠিক বাইরে দেওয়ালের গায়ে লাগানো রাসবিহারীর ছবিসহ পুরষ্কার ঘোষণার নোটিস। রাসবিহারী ও অন্যান্যদের সন্ধান দেবার জন্য এক লক্ষ টাকার পুরষ্কার ঘোষণা করেছে সরকার।
রাসবিহারী তাঁর প্রিয় শিষ্য বসন্ত বিশ্বাসকে নিয়ে চলে যান চন্দননগরে। কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার সময় বসন্তকুমার বিশ্বাসের পিতৃবিয়োগ হয়েছে বলে জানতে পেরে তিনি চলে আসেন গ্রামের বাড়ি নদীয়া জেলার পোড়াগাছায়। গ্রামের বাড়িতেই শ্রাদ্ধক্রিয়া করা হবে বলে স্থির হয়। কিন্তু ক্ষৌরকর্মের আগের দিন কিছু বিশেষ কাজে বসন্ত বিশ্বাস কৃষ্ণনগরে কাকা প্রতাপচন্দ্রের বাসায় আসেন। সেদিন ছিল ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯১৪। সেই বাসায় সদ্য পিতৃহারা বসন্তের যখন হবিষ্যি গ্রহণের উদ্যোগ চলছিল ঠিক তখনই পুলিশ বাড়িটিকে ঘিরে ফেলে। নির্ভীক চিত্তে বিপ্লবী বসন্ত বিশ্বাস মাত্র ১৯ বছর বয়সে চলে যান ব্রিটিশের কারাগারে।
১৯১৪ সালের ২৩ মে দিল্লিতে দিল্লি-লাহোর ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি শুরু হয় এবং ৫ অক্টোবর বসন্তকুমারকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। ঐ দলের দীর্ঘদিনের সহযোগী দীননাথ ও সুলতানচাঁদ নিজেদের জীবন রক্ষার তাগিদে ইংরেজ শাসকদের প্ররোচনায় বিশ্বাসঘাতকতা করে রাজসাক্ষী হয়ে অনেক গোপনীয় কথা আদালতে ফাঁস করে দেয়। দীননাথ ১৯১২ সালের ২৩ ডিসেম্বর দিল্লীতে বড়লাট লর্ড হার্ডিঞ্জ-এর উপর বোমা বিষ্ফোরণে রাসবিহারী বসু, বসন্ত বিশ্বাস ও অন্যান্যদের যুক্ত থাকার কথাও ফাঁস করে দেয়। দিল্লীতে ভাইসরয়ের (বড়লাট-এর) উপর বোমা-নিক্ষেপের দিনকয়েক বসন্ত বিশ্বাস যে লাহোরে ছিলেন না তাও ফার্মেসীর ক্যাশ রেজিস্টার থেকে প্রমাণ হয়ে যায়। কিন্তু শুধুমাত্র লাহোরে অনুপস্থিতির জন্যই তাঁকে দিল্লী বোমা বিস্ফোরণের আসামী বলে আইনগতভাবে অভিযুক্ত বলে প্রমাণ করে না।'দিল্লী-লাহোর ষড়যন্ত্র' মামলায় দিল্লী আদালতের এডিশানেল সেশন্স জাজ মি: এম. হ্যারিসন তার ৫ অক্টোবর ১৯১৪ এর রায়ে তিনজনকে প্রাণদণ্ড আর অপর তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। প্রথমে বসন্ত বিশ্বাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
স্বভাবতই নাবালক প্রধান অভিযুক্তের প্রাণদণ্ড না হওয়ায় প্রতিহিংসাপরায়ণ ইংরেজ শাসকরা এই রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ইংরেজ সরকার দিল্লী আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে লাহোরে পঞ্জাব উচ্চ আদালতে আবেদন করে। আরো একবার বিচারের নামে প্রহসনের শেষে ১৯১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিচারক স্যার ডোনাল্ড জনস্টোন ও মি: রেটিগান দিল্লী আদালতের দেওয়া শাস্তিকে পরিবর্তন করে বিপ্লবী বসন্ত বিশ্বাসকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। দিল্লী আদালতের বিচারক হ্যারিসনও এই ঘৃণ্য চক্রান্তে জড়িত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্যে তিনি ফাইলে বসন্ত বিশ্বাসের বয়স দুবছর বাড়িয়ে ২৩ বছর করেন এবং প্রমাণ করেন তিনি তাঁর কৃত অপরাধের তীব্রতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞাত ছিলেন।
নির্দিষ্ট দিনে বসন্তকুমার বিশ্বাস অত্যন্ত শান্ত ও অবিচলিত মনে ফাঁসির মঞ্চে উঠেন। পাঞ্জাবের আম্বালা জেলে মাত্র ২০ বছর বয়সে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হয়ে বসন্ত ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ আত্মত্যাগী হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেন।
জন্ম ও পরিবার
তাঁর জন্ম নদীয়া জেলার অন্তর্গত পোড়াগাছা গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মতিলাল বিশ্বাস। নীল বিদ্রোহের নেতৃত্ব দানকারী প্রধান নেতা দিগম্বর বিশ্বাস তার পূর্বপুরুষ। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাঠ শেষ করে স্বর্গীয় শ্রী রূপলাল খাঁ -এর তত্ত্বাবধানে আবাসিক ছাত্র হিসাবে বসন্ত বিশ্বাস মুড়াগাছা সর্বার্থ সাধক বিদ্যালয়ে (মুড়াগাছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়) ভর্তি হয়েছিলেন। প্রধানশিক্ষক মহাশয় শ্রী ক্ষীরোদ গঙ্গোপাধ্যায় বসন্তকে খুবই স্নেহ করতেন। ছোট থেকেই বসন্ত ছিলেন বিপ্লবী মনোভাবাপন্ন। ছাত্রাবস্থায় তাঁর শিক্ষক ছিলেন ক্ষীরোদচন্দ্র গাঙ্গুলি, মূলত তার প্রভাবেই বসন্ত বিপ্লবী রাজনীতিতে আকৃষ্ট হন। এরপর যুগান্তর গোষ্ঠীর কর্মী অমরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এর সাথে বসন্তর পরিচয় হয়| তিনি বসন্ত বিশ্বাসকে বোমা বানানো আর বোমা ছোড়া শেখান। ১৯১১ সালের শেষ দিকে রাসবিহারী বসুর সাথে 'বিশে দাস' ছদ্মনাম নিয়ে তিনি উত্তর ভারত চলে যান | পরে দেরাদুনের ‘টেগোর ভিলা’র বাগানে রাসবিহারী নিজে বসন্তকে আরও পারদর্শী করে তুলেছিলেন।বসন্তের সাহসিকতা, নিষ্ঠা, উদ্যম আর বিশ্বস্ততায় মুগ্ধ হয়ে বসন্ত বিশ্বাসকে রাসবিহারী বসু পাঁচ-সদস্যের গুপ্তচক্রের অন্যতম সদস্য মনোনীত করেন।
দেশের জন্য তাঁর এই ত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য তিনটি আবক্ষ মূর্তি এবং ফলক স্থাপন করা হয়েছে।
১) একটি নদীয়ার মুড়াগাছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর মাঠে যা উদ্বোধন করেন বিপ্লবী ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত।;
২) দ্বিতীয়টি কৃষ্ণনগরে রবীন্দ্র ভবনের পাশে এবং
৩) তৃতীয়টি টোকিও-র মাদাম তেতসু-কোং-হিওচি-এর বাগানে যেটি বিপ্লবী রাসবিহারী বসু প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
এই ফলকটি রাসবিহারী বসু তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মাণ করিয়েছিলেন।
এছাড়া মুড়াগাছা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর ছাত্রাবাসের নামকরন করা হয়েছে ‘বসন্ত ছাত্রাবাস’।
……………………………..
তথ্য সংগৃহীত - প্রতাপ সাহা
11/05/2025
স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদ বসন্ত বিশ্বাসের প্রয়াণ দিবসে পতাকা উত্তোলন ও শহীদ বসন্ত বিশ্বাসের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন।🫡🙏
21/02/2025
9/2/2025
শহীদ বসন্ত মঞ্চে Tanmay Shubhro Das এর প্রোগ্রামের কিছু মুহূর্ত। ❤️
21/02/2025
শহীদ বসন্ত মঞ্চে জনপ্রিয় শিল্পী Tanmay Shubhro Das মহাশয় কে সংবর্ধনা যাপন।
19/02/2025
বসন্ত মেলা 2025 ,, ধন্যবাদ মেলা কমিটির সদস্যা শ্রুভ্রা দি কে এতো সুন্দর ভাবে প্রত্যেক দিন আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য তার কচিকাঁচা দের নিয়ে
19/02/2025
7/2/2025
শহীদ বসন্ত মঞ্চে বিশিষ্ট সমাজসেবী মাননীয় অমরেশ আচার্য (মাস্টার দা)।
তোমার এই মহৎ কাজকে বসন্ত মেলা কমিটি কুর্নিশ জানায়।
16/02/2025
8/2/2025
শহীদ বসন্ত মঞ্চে বাউল শিল্পী পবিত্র দাস বাউল।
15/02/2025
8/2/2025
শহীদ বসন্ত মঞ্চে বিশিষ্ট সমাজসেবী Social worker atindra ❤️
বসন্ত মেলা কমিটির পক্ষ থেকে তোমার এই মহৎ কাজকে কুর্নিশ জানাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Krishnagar
741161