Krisho Yogi Sumit
Writer & Yoga Naturopathy, Physiotherapy and Homeopathy practitioner.want to serve people and nature..
✨ শান্ত মন = সফল জীবন ✨
আপনি কি—
❌ স্ট্রেসে ভুগছেন?
❌ ঘুম ঠিকমতো হচ্ছে না?
❌ মনোযোগ কমে যাচ্ছে?
👉 সমাধান একটাই— মেডিটেশন
🧘♂️ KRISHO-তে আপনি পাবেন:
✔️ সহজ মেডিটেশন টেকনিক
✔️ ডেইলি প্র্যাকটিস গাইড
✔️ ব্যক্তিগত মনিটরিং
🎤 স্টুডেন্ট অভিজ্ঞতা:
“মেডিটেশন আমার লাইফস্টাইলই বদলে দিয়েছে।”
📍 Anukul Mukherjee Lane, Chashapara, Krishnanagar, Nadia – 741101
📞 9933105679
🔥 আজই শুরু করুন আপনার Inner Journey
#দুই_ঠাকুরের_দেখা
রবীন্দ্রনাথ ও শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব সমকালীন মহাপুরুষ হলেও তাদের সাক্ষাৎ জমেছিল একবারই। ১৮৮৩ সালের ২রা মে, চৈত্র কৃষ্ণাদশমী তিথিতে মাত্র একবারই দেখা হয়েছিল দুই মহামানবের। একজন নির্লোভ নিরহঙ্কার নিরাভরণ সাধক, বাঙালির প্রাণের ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ও অপরজন নিরাকার ব্রহ্মের উপাসক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ।
নিমন্ত্রণ পেয়ে শ্রীম, রাখাল মহারাজ সহ অন্যান্য ভক্তদের নিয়ে ঠাকুর উপস্থিত হয়েছিলেন ২৩৪ প্রফুল্ল স্ট্রিটে 'নন্দনবাগানে' ব্রাহ্মসমাজের বিংশ সাংবাৎসরিক অনুষ্ঠানে। দুই মহামানব বিপরীত মেরুবৃত্তের, একজন ব্রহ্মবাদী অপরজন সর্বধর্মে ঋদ্ধ পরমপুরুষ এবং সাকারে বিশ্বাসী। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নেমে এলে পাঁচটায় উত্তর কলকাতার কাশীশ্বর মিত্রের বাড়িতে সবচেয়ে বড় কক্ষটিতে এক বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। রবি ঠাকুরের বয়স তখন বাইশ, ঠাকুর বসেছিলেন বৈঠকখানায়, প্রার্থনাসভার শুরুতে ঠাকুরের অনুরোধে পিয়ানো বাজিয়ে নিজের রচিত একটি ব্রহ্মসঙ্গীত পরিবেশন করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ:
‘আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার চরণধূলার তরে’
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই গানটি যেন শ্রী শ্রী ঠাকুরের জন্যই রবীন্দ্রনাথের কলম থেকে নির্যাসিত হয়েছিল উক্ত সভার দু-তিনদিন আগে। শান্ত সমাহিত নিবিষ্ট মনে সেই গান শুনতে শুনতে শ্রী শ্রী ঠাকুর ভাবসাগরে ডুবে গিয়েছিলেন। সভায় উপস্থিত ব্রাহ্মভক্তসহ সকল গুণীজন কয়েক মুহুর্তের জন্য অতীন্দ্রিয় জগতের সাক্ষী থেকেছিলেন। যুবক রবিও ঠাকুরের মহিমায় বিমুগ্ধ হয়েছিলেন। ধীরে ধীরে ঠাকুরের ভাব কেটে গেলে ঠাকুর বলেছিলেন, ‘যে মানুষ বিশ্বাস করে ঈশ্বরও কর্তা আর আমিও কর্তা তার পাপকাজ হয় না। যে ঠিক ভাবে নাচতে জানে, তার পা সর্বদা তালে পড়ে। অন্তর শুদ্ধ না হলে ঈশ্বরে বিশ্বাস আসে না। ঈশ্বরের উপাসনা করতে গেলে আগে ঈশ্বরে বিশ্বাস থাকা প্রয়োজন এবং ঈশ্বরে বিশ্বাস থাকতে গেলে অন্তর শুদ্ধ থাকা প্রয়োজন।’
উপাসনাগৃহে উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছিলেন, মাঝে মাঝে এমন ভাবে একত্রিত হয়ে ঈশ্বরের উপাসনা করা ভালো যাতে মন শান্ত ও শুদ্ধ হয়, মনোযোগ দৃঢ় হয়। প্রার্থনাসভা শেষ হলে, ঠাকুর সকলের সঙ্গে বসে ডাল তরকারি লুচি মিষ্টি খেয়ে সকলকে বিদায় জানিয়ে দক্ষিণেশ্বরে ফিরে যান। অসীম অনন্তকে ভালোবাসতে হলে নিজের মধ্যেও অনন্তের ছোঁয়া থাকতে হয় নয়তো একাত্মতা আসে না।
এক বিশেষ ঘটনা ঘটেছিল সেই দিনটিতে, মিত্রবাড়ির সকলে অনুষ্ঠানসভা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ঠাকুরের গাড়ি ভাড়া মেটাতে ভুলে গিয়েছিলেন। গাড়ি ভাড়া হয়েছিল ৩ টাকা ২ আনি। এক ভক্ত গাড়ি ভাড়া দিয়েছিলেন ৩ টাকা, পরবর্তীতে দক্ষিণেশ্বরে ফিরে এসে ঠাকুর নিজেই দিয়েছিলেন ২ আনি। সেই গাড়িভাড়া মিত্র পরিবার থেকে আর মেটানো হয়নি, তা বাকিই রয়ে গিয়েছিল। প্রতি বছর এই বিশেষ দিনটিতে দুই মহামানবের পদধূলি ধন্য মিত্রবাড়ীতে বিশেষ অনুষ্ঠান হয়, কথামৃত পাঠ করা হয়, ভক্তিগীতি ও পূজার্চনা চলে।
শ্রী শ্রী ঠাকুরের সঙ্গে ব্রাহ্মসমাজের সুনিবিড় যোগাযোগ ছিল। ব্রাহ্মসমাজের অনেকেই আসতেন ঠাকুরের কাছে, তাঁর বাণী ও উপদেশ নিতে এবং ঠাকুরও যেতেন ব্রাহ্মসমাজে। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে রামকৃষ্ণদেবের যখন প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল তখন রবির বয়স পাঁচ বছর। শ্রী শ্রী ঠাকুর রবীন্দ্রনাথকে চিনেছিলেন তাঁর গানে। নরেনের কন্ঠে রবীন্দ্রনাথের কিছু গান শুনে পরমহংসদেব বিমুগ্ধ হয়েছিলেন।
কাশীশ্বর মিত্রের বাড়ির অনুষ্ঠানের বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছিল তৎকালীন 'দ্য স্টেটসম্যান' পত্রিকায়। সেই প্রতিবেদনের একটি লাইনে লেখা ছিল, "The choir was led by baboo Rabindra Nath Tagore". পরবর্তীতে ত্রিষ্টুপ মুখোপাধ্যায়কে লেখা বেশ কিছু চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ, ঠাকুরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। ১৯৩৪ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'মালঞ্চ' উপন্যাসে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কথা উল্লেখ রয়েছে। অসুস্থ নীরজার বিছানার শীর্ষদেশে রয়েছে শ্রী শ্রী ঠাকুরের ছবি। নীরজার মুখ দিয়ে রবীন্দ্রনাথ রামকৃষ্ণদেবের প্রতি শ্রদ্ধাপূর্বক একাধিক বাক্য বলিয়েছেন, ‘বল দাও ঠাকুর, বল দাও, মুক্তি দাও অধম নারীকে’।
১৯৩৭ সালে ঠাকুরের জন্মশতবার্ষিকীতে শান্তিনিকেতনে বসে রবীন্দ্রনাথ রচনা করেছিলেন ‘পরমহংস রামকৃষ্ণদেব’ কবিতাটি। কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এক বিশাল ধর্মসভা। দেশ বিদেশের দার্শনিক শিল্পী সাহিত্যিকদের চাঁদের হাটে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের বাণী নিয়ে চলেছিল দীর্ঘ আলোচনাসভা।
ঠাকুরের প্রতি রবীন্দ্রনাথের শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা কতখানি তা উপলব্ধি করা যায় রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘পরমহংস রামকৃষ্ণদেব’ কবিতাটি পড়ে,
বহু সাধকের
বহু সাধনার ধারা,
ধেয়ানে তোমার
মিলিত হয়েছে তারা;
তোমার জীবনে
অসীমের লীলাপথে
নূতন তীর্থ
রূপ নিল এ জগতে;
দেশ বিদেশের
প্রণাম আনিল টানি
সেথায় আমার
প্রণতি দিলাম আনি।
★ #এই মধুর দিব্যঘটনা শেয়ার করে অন্যদের সাথে ভাগ করে নিন 😊🙏
সংগ্রহ
গুরু সর্বদা চান—শিষ্য জয়ী হোক, শিষ্য আলোর পথে এগিয়ে যাক, আত্মসাক্ষাৎকারের শিখরে পৌঁছাক। শিষ্যের পতন, পরাজয় বা অবক্ষয় গুরুর হৃদয়ে যেন এক নিঃশব্দ অগ্নিযজ্ঞ জ্বালিয়ে দেয়। কারণ প্রকৃত গুরু কেবল শিক্ষক নন—তিনি চৈতন্যের পথপ্রদর্শক, অন্তরের জাগরণকারী।
কিন্তু কেবল গুরুর ইচ্ছায় সব হয় না। যোগদর্শনে বলা হয়—“ইচ্ছা, শ্রদ্ধা ও সাধনা”—এই ত্রিবিধ শক্তি ছাড়া কোনো সিদ্ধি সম্ভব নয়।
যদি শিষ্য নিজেই অবচেতনে অবনতির পথে এগোয়, যদি সে মোহ, তামসিকতা ও অলসতার কাছে আত্মসমর্পণ করে—তবে গুরু থেকেও গুরু অসহায় হয়ে পড়েন।
কারণ গুরু পথ দেখাতে পারেন, কিন্তু চলার সংকল্প শিষ্যকেই নিতে হয়।
বাবা-মায়ের পরেই গুরুর স্থান—এই কথাটি শুধু সামাজিক নয়, এটি গভীর আধ্যাত্মিক সত্য। যেমন পিতা-মাতা সন্তানের কল্যাণের জন্য কখনো কখনো তার অযৌক্তিক আবদারও মেনে নেন, তেমনি গুরু কখনো শিষ্যের ইচ্ছার প্রতি নমনীয় হন—কারণ তাঁর হৃদয় করুণায় পূর্ণ। কিন্তু এই করুণাই কখনো কখনো গুরুর অন্তরে ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এই ব্যথা, এই অসহায়তা—শিষ্য তখন বুঝতে পারে না।
সে ভাবে—এটাই স্বাধীনতা, এটাই নিজের পথ।
কিন্তু যোগশাস্ত্র বলে—
“অবিবেকই দুঃখের মূল।”
যখন শিষ্য নিজের কর্মফলের দাহ অনুভব করে, যখন অন্তরে অনুতাপের অগ্নি জ্বলে ওঠে, তখনই সে উপলব্ধি করে—গুরুর প্রতিটি বাণী ছিল তার মুক্তির জন্য।
কিন্তু তখন অনেক সময় দেরি হয়ে যায়।
এই অনুতাপ, এই আত্মদাহ—মন, বুদ্ধি ও চেতনাকে জ্বালিয়ে শুদ্ধ করে দেয় ঠিকই, কিন্তু তার মূল্য অত্যন্ত কঠিন।
তাই—
🌿 গুরুকে পাওয়া সৌভাগ্য,
🌿 গুরুর বাণী মানা সাধনা,
🌿 আর গুরুর পথে অবিচল থাকা—এটাই মুক্তির সোপান।
শিষ্য যদি সত্যিই চায়—তবে গুরু কখনো ব্যর্থ হন না।
কারণ যেখানে শিষ্যের আন্তরিকতা, সেখানে গুরুর কৃপা অনিবার্য।
✨ “গুরু কৃপা হি কেবলম্” — কিন্তু সেই কৃপা ধারণ করার পাত্র হতে হবে শিষ্যকেই। ✨
🌿 “উপবাস করুন, উপোস নয়” 🌿
আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্রায়ই ‘উপবাস’ ও ‘উপোস’ শব্দ দুটি একই অর্থে ব্যবহার করি—অর্থাৎ না খেয়ে থাকা। কিন্তু শাস্ত্রীয়, যোগিক ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই দুটি শব্দের মধ্যে রয়েছে গভীর ও সূক্ষ্ম পার্থক্য। এই পার্থক্যটি না বুঝলে উপবাসের প্রকৃত উদ্দেশ্যই অধরা থেকে যায়।
‘উপবাস’ শব্দটি সংস্কৃত “উপ” (নিকট) এবং “বাস” (অবস্থান করা) থেকে উদ্ভূত—অর্থাৎ ঈশ্বর, আত্মা বা চেতনার নিকটে অবস্থান করা।
অন্যদিকে, ‘উপোস’ বলতে বোঝায় কেবল খাদ্য ত্যাগ করে শরীরকে কষ্ট দেওয়া।
এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্যটি বোঝা মানেই আধ্যাত্মিক পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বার উন্মুক্ত হওয়া।
---
🔸 উপোস: বাহ্যিক সংযম, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা
উপোসে মানুষ সাধারণত খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে, কিন্তু মন ও ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে আনে না। ফলে কী হয়?
মন বারবার খাবারের কথাই ভাবে
শরীরে দুর্বলতা আসে, মেজাজ খিটখিটে হয়
ভেতরে অহংকার জন্ম নেয়—
“আমি এতক্ষণ না খেয়ে আছি”, “আমি এত কঠিন ব্রত পালন করছি”
📌 উদাহরণ:
ধরুন কেউ সারাদিন না খেয়ে রইলেন, কিন্তু সারাক্ষণ খাবারের ভিডিও দেখছেন, বা ভাবছেন কখন উপোস ভাঙবেন। এই অবস্থায় শরীর হয়তো উপোস করছে, কিন্তু মন সম্পূর্ণভাবে আসক্তির মধ্যেই রয়েছে। এটি আধ্যাত্মিক অগ্রগতি নয়—এটি কেবল দেহকেন্দ্রিক কষ্ট।
---
🔸 উপবাস: অন্তর্মুখী সচেতনতার যাত্রা
উপবাসে মূল লক্ষ্য খাদ্য ত্যাগ নয়, বরং ইন্দ্রিয় ও মনের অস্থিরতা থেকে সরে গিয়ে আত্মার কাছে পৌঁছানো।
একজন প্রকৃত উপবাসী—
শুধু আহার কমান না, অপ্রয়োজনীয় কথা ও চিন্তাও কমান
মোবাইল, টিভি, বাহ্যিক বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকেন
ধ্যান, প্রার্থনা, জপ বা আত্মচিন্তায় সময় দেন
📌 উদাহরণ:
কেউ যদি নির্দিষ্ট দিনে হালকা ফল বা জল গ্রহণ করে, কিন্তু সারাদিন নীরবতা বজায় রাখে, ধ্যান করে, নিজের চিন্তা পর্যবেক্ষণ করে—তাহলে সেটি প্রকৃত উপবাস। এখানে দেহের সংযমের সঙ্গে মন ও চেতনারও পরিশুদ্ধি ঘটে।
---
🔸 উপবাসের তিনটি স্তম্ভ
১. 🧘♂️ শুদ্ধি (Purification)
উপবাসে শরীর বিশ্রাম পায়, হজমতন্ত্র হালকা হয়, এবং টক্সিন বের হতে সাহায্য করে।
কিন্তু তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হলো মনের শুদ্ধি—
যখন মন খাবার, লোভ, আকর্ষণ থেকে সরে এসে অন্তর্মুখী হয়, তখন অস্থিরতা কমে যায়।
---
২. 🎯 সংযম ও সচেতনতা (Awareness & Control)
আমরা বেশিরভাগ সময় ক্ষুধার জন্য নয়, অভ্যাস বা স্বাদের জন্য খাই।
উপবাস আমাদের প্রশ্ন করতে শেখায়—
👉 “আমি কি সত্যিই ক্ষুধার জন্য খাচ্ছি, নাকি শুধু অভ্যাসে?”
এই আত্ম-পর্যবেক্ষণই ধীরে ধীরে ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণের পথ খুলে দেয়।
---
৩. ⚡ শক্তির রূপান্তর (Energy Transformation)
সাধারণত আমাদের শক্তির একটি বড় অংশ হজম প্রক্রিয়ায় ব্যয় হয়।
উপবাসের সময় সেই শক্তি মুক্ত হয়ে—
মস্তিষ্কে
চেতনায়
ধ্যানে
প্রবাহিত হয়। ফলে মনোসংযোগ বাড়ে, অন্তর্দৃষ্টি জাগে।
📌 উদাহরণ:
অনেক সাধক বা যোগী নির্দিষ্ট দিনে অল্প আহার করেন, যাতে তারা দীর্ঘ সময় ধ্যানে স্থির থাকতে পারেন। কারণ খালি বা হালকা পেটে মন বেশি স্থির থাকে।
---
🔸 উপবাসের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য
উপবাসের মূল লক্ষ্য হলো—
👉 নিজের ভেতরের নীরবতা ও ঈশ্বরীয় উপস্থিতিকে অনুভব করা।
যখন দেহের চাহিদা কিছুটা স্তিমিত হয়, তখন অন্তরের কণ্ঠস্বর স্পষ্ট হয়।
সেই নীরবতার মধ্যেই অনুভব করা যায়—
এক গভীর শান্তি
এক অদৃশ্য উপস্থিতি
এক চেতনার স্পর্শ
---
🌼 উপসংহার
সুতরাং,
👉 না খেয়ে থাকা মানেই উপবাস নয়।
যদি উপবাস আমাদের মধ্যে অহংকার, বিরক্তি বা কষ্ট বাড়ায়—তবে তা উপোস
কিন্তু যদি তা আমাদের অন্তর্মুখী করে, সচেতন করে, ঈশ্বরের নিকটে নিয়ে যায়—তবে সেটিই প্রকৃত উপবাস
সত্যিকারের উপবাসে খাদ্য ত্যাগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো—
অহং ত্যাগ
অস্থিরতা ত্যাগ
আসক্তি ত্যাগ
এই ত্যাগের মধ্য দিয়েই মানুষ ধীরে ধীরে নিজের প্রকৃত স্বরূপের দিকে এগিয়ে যায়—
যেখানে দেহের ক্ষুধা নয়,
✨ আত্মার তৃপ্তিই হয়ে ওঠে জীবনের আসল লক্ষ্য। ✨
---
📍 KRISHO Yoga & Meditation
🏡 Anukul Mukherjee Lane, Chashapara, Krishnanagar, Nadia – 741101
📞 Call / WhatsApp: 9933105679
20/04/2026
🌿 আমার সুস্থতা 🌿...................................
শৈশব থেকে কত কিছু শিখলাম...
অঙ্ক, বাংলা, ইংরেজি, গান, খেলা—
বড় হলাম, ডিগ্রি পেলাম,
নাম, যশ, অর্থ, সম্মান—সবই জুটল একে একে।
জীবন যেন ভরে উঠল অর্জনে...
কিন্তু কোথাও যেন একটা প্রশ্ন চুপ করে লুকিয়ে ছিল—
👉 “আমি কেমন আছি?”
একদিন সাহস করে নিজের মনকেই জিজ্ঞেস করলাম—
👉 “আমার সুস্থতার কথা কে ভাবে?”
চারদিকে নীরবতা... যাদের জন্য এত কিছু করলাম,
যাদের পেছনে জীবনটা কাটিয়ে দিলাম— কেউ উত্তর দিল না...
হঠাৎ যেন ‘রোগ’ হেসে উঠে বলল—
👉 “আমি আছি... সুযোগ পেলেই তোমাকে ভেঙে দেবো”
সেই মুহূর্তে বুকটা কেঁপে উঠল... একটা কঠিন সত্য সামনে এসে দাঁড়াল—
👉 আমি যদি সুস্থ না থাকি, তাহলে আমার সব অর্জন অর্থহীন।
নাম, যশ, টাকা, সম্মান— কিছুই আমাকে রক্ষা করবে না...
চোখ ভিজে উঠল... মনে হলো, এতদিনে বড় দায়িত্বটাই ভুলে ছিলাম...
ঠিক তখনই... নিঃশব্দে এসে দাঁড়াল যোগ 🧘♂️
কোনো প্রতিশ্রুতি নয়, কোনো অহংকার নয়— শুধু এক শান্ত আশ্বাস—
👉 “আমি তোমাকে তোমার নিজের কাছে ফিরিয়ে দেবো...”
আমি আর দেরি করিনি... দুই হাত দিয়ে, সমস্ত মন দিয়ে
যোগকে জড়িয়ে ধরলাম...
আজও ধরে আছি... আর জানি— শেষ দিন পর্যন্ত ছেড়ে দেব না...
✨ নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—
আপনি কি সত্যিই নিজের খেয়াল রাখছেন? 🧘♂️
— সুমিত কুন্ডু
লেখাটি আমি লিখলেও এটা দেখবেন আমার কথা না এটা আমার আপনার মনের আসল কথা। যা কখনো বাইরে আসেনা। এই ভাবনা যে আমারও নিজে থেকে বাইরে এসেছে তা নয়। এটাও যোগেরই সুফল। যোগই পারে এই উপলব্ধিকে জাগরণ ঘটাতে। কিন্তু তা নিজে থেকে হয় না। এটা হয় গুরুর হাত ধরেই,তার কৃপা লাভেই। যেমন আমার ক্ষেত্রে হয়েছে আমার যোগ গুরুর কৃপাতেই, আমার শ্রদ্ধেয় গুরুজী শ্রী জয়ন্ত হোড় এর স্মরণেই।তার কৃপা লাভেই এই সম্ভব। আমি সবসময় বলি, একটা বাহ্যিক শক্তির প্রয়োজন আভ্যন্তরীণ জাগরণের জন্য সেই কাজটাই করেন গুরুজী। প্রকৃত শিষ্যের মধ্যেই গুরুর সম্পুর্নতা প্রকাশ পায়, আর এটা আমার ক্ষেত্রেও অন্যথা নয়। তা আমার অনেক স্টুডেন্টদের থেকেই শুনে থাকি। আমার অনেক কথা লেখা যেন আমার গুরুর বাক্য বলেই তাদের মনে হয়। যেমন উপরের লেখাটিও তাই- যখন লিখেছি নিজে থেকেই লিখেছি কিন্তু দেখলাম এটা তো আমার বাক্য নয় এই ভাবনার জাগরণ সেই আমার শ্রদ্ধেয় গুরুজীর থেকেই। কারণ তিনিই এর ব্যখ্যা, অনুভূতি জাগিয়েছিল আমার মধ্যে তার লেখার মধ্যে দিয়ে। এটা তো তারই প্রতিফলন। খুব আনন্দ পেয়েছিলাম যখন গুরুজীর লেখাটি মনে পড়ে গেল। মনে পড়ে গেল গুরুজীর লেখা "আমার সুস্থতা" লেখাটি, খুব সাবলীন খুব প্রচলিত বই সুসাস্থ্য ও যোগ ব্যায়াম বইটির নাম,এটা গুরজীর কৃপা ছাড়া সম্ভব না। স্টুডেন্টদের বাক্যের কোথাও নিজেই নিজের প্রমাণ দিলাম। এটা যেন গুরুকৃপার সাক্ষাৎ প্রামাণ্যচিত্র। শতকোটি প্রণাম নেবেন গুরুজী। যোগ এটাই শেখায়। এই জন্যই যোগকে গুরু পরম্পরা বিদ্যা বলা হয়।
---
19/04/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Chashapara
Krishnagar
741101