Uncurtained
When the drapes of the dark times cover us we come together to uncurtain. Uncurtained functions as a
দীর্ঘদিন থিয়েটার, ক্যামেরা অ্যাক্টিং ও পারফরম্যান্স ট্রেনিং নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে শুরু হতে চলেছে এক নতুন Acting Journey।
এটি শুধুমাত্র অভিনয় শেখার জায়গা নয় —
এটি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার,
নিজের কণ্ঠ, অনুভূতি, উপস্থিতি ও আত্মবিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করে তোলার একটি সৃজনশীল প্রক্রিয়া।
যারা ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে চান,
নিজের ভিতরের শিল্পীকে খুঁজে পেতে চান,
অথবা অভিনয়কে শুধু “অভিনয়” নয়, অনুভব করতে চান —
তাদের জন্যই এই উদ্যোগ।
Film & Television Acting
Camera Presence & Performance
Voice • Emotion • Expression
Live Camera Practice
Scene Work • Character Building • Audition Training
শুধুমাত্র এই শনিবার
২৩ মে | বিকেল ৩টা – ৫টা
২ ঘণ্টার সম্পূর্ণ বিনামূল্যের Special Acting Workshop
হয়তো এই কয়েক ঘণ্টাই বদলে দিতে পারে
ক্যামেরার সামনে নিজেকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি।
যোগাযোগ ও রেজিস্ট্রেশন (Only WhatsApp)
6290219560
সীমিত আসন
আগে রেজিস্ট্রেশন, আগে সুযোগ
16/05/2026
কলকাতা শহরের বাইরে বিভিন্ন রাজ্যে, বহু বছর ধরে থিয়েটার, ফিল্ম ও মিডিয়ার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে শুরু হতে চলেছে —
ফায়ারটেক স্টুডিও।
অনেকদিনের একটা ব্যক্তিগত স্বপ্ন,
একটা ছোট্ট অথচ আন্তরিক জায়গা —
যেখানে অভিনয় শুধু শেখানো হবে না,
মানুষের ভেতরের ভয়, অনুভব, কণ্ঠ আর আত্মবিশ্বাসকে ধীরে ধীরে খুঁজে বের করার চেষ্টা হবে।
৩ মাসের বিশেষ অ্যাক্টিং কোর্স
শুধুমাত্র Weekend ক্লাস
মাসে ৮টি ক্লাস
থিয়েটার
ফিল্ম অ্যাক্টিং
টেলিভিশন অ্যাক্টিং
ক্যামেরা পারফরম্যান্স
অত্যন্ত স্বল্প খরচে
সীমিত আসন
যারা সত্যিই অভিনয়কে ভালোবাসেন,
নিজেকে আরও গভীরভাবে জানতে চান,
তাদের জন্যই এই যাত্রা।
যোগাযোগ: +91 62902129560
ফায়ারটেক স্টুডিও
Feel the Character. Live the Moment.
12/05/2026
Today, we celebrate the birthday of our dear comrade and longtime creative companion, Gunjan. Over the years, we have shared countless journeys, ideas, struggles, and creative works together, building memories that remain deeply valuable to all of us at uncurtained
On behalf of Uncurtained we extend our warmest wishes to Gunjan on this special day. It fills us with immense joy and pride to see him pursuing higher studies in Europe, carrying forward the same passion, intelligence, and creative spirit that always inspired us.
May this new chapter of life bring him greater success, meaningful experiences, artistic growth, and endless possibilities. May he continue to shine across borders and achieve everything he dreams of.
Happy Birthday, .
Wishing you strength, happiness, creativity, and a truly beautiful future ahead.
CINEMATIC ACTING PROGRAM
For Film • OTT • Web Series
Starting This Month
Near Shyambazar Five Point Crossing
Every Saturday & Sunday
Training Includes:
• Cinematic Screen Acting
• Camera Facing Technique
• Emotion & Expression Control
• Character Development
• Dialogue Delivery
• Audition Preparation
• Realistic Performance Training
Available Courses:
🔸 3 Months Certificate Course
🔸 6 Months Advanced Certificate Course
Designed for passionate performers who want to build a strong screen presence in contemporary cinema and OTT platforms.
📞 Contact: 6290219560
12/04/2026
Before the stage lights come on, there are a few people who quietly create the light…
Gaurav is one of them.
One of the pillars of our team, another name for our trust—Gaurav.
He is not just a member; he is a force, a reassurance, a living commitment—someone who carries the team forward in every difficult moment, silently yet firmly.
In the uncertain, संघर्ष-filled journey of theatre, where every step is a battle—his presence means courage, stability, and the belief of walking together.
There is dedication in his work, and fire in his dreams—a fire that not only drives him but illuminates everyone around him.
On his birthday today, from the side of Uncurtained, we don’t just extend wishes—we celebrate his journey, his struggle, and his relentless spirit.
We wish that every day becomes a new stage for him, every work creates a new story, and his life fills with success, love, and joy.
Happy Birthday, গৌরব চক্রবর্তী
Keep moving forward—we are with you, today and always.
12/04/2026
সফদার হাশমি চোখে কাঁপে তোমার নাম,তোমার আন্দোলনের গাঁথা সুদূর প্রসারী প্রতিটি নদীর উৎস মুখে ,তোমার নাম আমাদের স্পদন আমাদের আক্রান্ত অতীতের ইতিহাস,আমাদের আহত গৌরবের সোনালী দুপুর,আমাদের মৈত্রীর পূর্ণিমার রাত।আমরা আজও দেখতে পাই এই তিমিরাবৃত প্রহরে তুমি নক্ষত্রের মত জ্বলন্ত যা আমাদের ভবিষ্যৎ। জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা কমরেড।
সফদার হাশমি জন্ম গ্রহণ করেন ১৯৫৪ সনের ১২ এপ্রিল ভারতের দিল্লিতে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরিজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর।
২ জানুয়ারি , ১৯৮৯, জননাট্য মঞ্চের কর্মীদের উপর একটি সমাজবিরোধী স্বার্থান্বেষী মহলের মরণঘাতী হামলায় জননাট্যমঞ্চের আহবায়ক সফদার হাশমি দিল্লির একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেণ। ঐদিনে দিল্লির বাইরে একটি বাণিজ্যিক এলাকায় শ্রমিকশ্রেণির সাথে এক ঐক্যমতের অনুষ্ঠানে জননাট্য মঞ্চে প্রদর্শিত হচ্ছিল হল্লা বোল। আর তখনই কংগ্রেসের কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হামলা করে।
সফদার হাশমি ছিলেন ভারতের পথানাটক থিয়েটারে আন্দোলনের একজন পথপ্রদর্শক, অভিনেতা, পরিচালক এবং নাট্যকার। তবে হাশমির মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতেও, জনম এর কর্মতৎপরতা থেমে যায়নি।
ভারতের প্রথম রাজনৈতিক থিয়েটার দল জননাট্য মঞ্চ, প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে, সফদার হাশমি সহ দিল্লির একটি বামপন্থী অপেশাদার থিয়েটার দলের মাধ্যমে, যিনি থিয়েটারকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছেন। সংস্কৃত ভাষায় ‘জনম’ এর অর্থ ‘নবজন্ম’ একই সাথে এর আদ্যাক্ষরের বিশেষণ হলো জননাট্য মঞ্চ; যার অর্থ জনগণের থিয়েটার। ‘জনম’ এর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সামাজিক ভাবে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু, সমসাময়িক ঘটনাবলি ও উন্নয়নমূলকনাটকসহ দিলি শ্রমিকশ্রেণির মধ্যে ভ্রাতৃত্বমূলক নাটক করে থাকে। এর প্রধান দর্শকরা হল স্থানীয় শ্রমিকশ্রেণি, ছাত্র এবং নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণি। এইদলটি যেসব পথনাটক করে থাকে সেগুলো মূলত জনগণের অধিকারভিত্তিক নাটক এবং এগুলো প্রদর্শিত হয় বস্তিতে, কারখানার অভিমূখে, রাস্তায় জানুয়ারি ২০০৬ পর্যন্ত তাদের নিজস্ব প্রশিক্ষিত দল নিয়ে প্রদর্শিত নাটকের সংখ্যা ৮,৫০০ এর উপরে, যার মধ্যে পথনাটকের সংখ্যা ৭০টি এবং পালানাটক ১৩টি এবং এগুলো ভারতের প্রায় ১৪০টি শহরে প্রদর্শিত হয়। এছাড়াও প্রতিবছর তারা তাদের থিয়েটারকর্মীদের নিয়ে সম্মিলিত সভার আয়োজন করে। তারা কখনো ভারতের বাইরে প্রদর্শনী করে না, যদিও তাদের নাটকগুলো বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রদর্শিত হয়েছে।
দলটির উল্লেখযোগ্য কিছু নাটক যথা-- হল্লা বোল, মেশিন, সম্রাট, অউরাত, রাজা কা বাজা, মাত বান্ধো ইনসান কো, আন্ধেরা আফতাব মানে গা, জিনহে ইয়াকিন নেহি থা, আর্তনাদ, রাহুল বক্সার, বো বোল উধি এবং ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর গুরুজি। এরমধ্যে ‘অউরাত’ নাটকটি নিয়ে জননাট্য মঞ্চ প্রায় ৩০০০ প্রদর্শনী করেছে এবং বাংলাদেশে ও বিভিন্ন থিয়েটারদল কর্তৃক প্রদর্শিত হয়েছে। তাদের বেশির ভাগ নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নারীর উপস্থিতি থাকে। তাদের নাটকের বিষয়বস্তুগুলো হলো নির্বাচনী আনুষঙ্গের অপব্যবহার, শ্রমিক অধিকার, পুলিশী স্বৈরাচারিতা, সা¤প্রদায়িক দাঙ্গা, মহিলা শ্রমিকের দুর্দশা, কারাধর্ষণ এবং বিভিন্ন ধরণের সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়সমূহ।
৬০ এর দশকে ইন্ডিয়ান পিপলস্ থিয়েটার মুভমেন্ট থেকে জননাট্য মঞ্চ এর জন্ম। ইন্ডিয়ান পিপলস্ থিয়েটার মুভমেন্ট এর দিল্লিস্থ শাখা ক্রমেই অম ও দুর্বল হয়ে যাওয়ায় ১৯৭৩ সালে সেখানে থেকে কিছু সদস্য বেরিয়ে এসে জনম গঠন করে। তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নাটকের মূল বিষয়বস্তুর মাধ্যমে যে প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করা হয় তা সবসময়ই সমসাময়িক গণ আন্দোলনের সাথে থাকে। তারা তারা সমসাময়িক সামাজিক বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে ২০ থেকে ২৫টি নাটক করে, যার মধ্যে একটিতে হলেও নারী সমস্যা বিষয়ক নাটক করে থাকে।
জননাট্য মঞ্চ দিল্লি এবং দিল্লির বাইরে নিজস্ব একটি ক্ষেত্র তৈরি করেছে। তবে তারা শুধুমাত্র সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়েই কাজ করে থাকে জনমের থিয়েটারপ্রক্রিয়া একটি বিশেষ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে নাগরিক এবং রাজনৈতিক বিষয়গুলোর একটি বিস্তৃত ধারণা দেয়া। জনমের সদস্য হওয়া সামাজিক পরিচিতিরও একটি অংশ দলটির বিভিন্ন সদস্যের মধ্যে রয়েছে। শিক্ষক, ডাক্তার, সরকারি চাকুরিজীবী, বেকারযুবক, দকুশলী, শিল্পী থেকে ছাত্র পর্যন্ত। বর্তমানে তাদের ২০ থেকে ৩০জন দসদস্য রয়েছে যারা একইসাথে অভিনয় থেকে শুরু করে প্রদর্শনীর সব কাজই করে থাকে তাবে তারা তাদের প্রয়োজনের সময় ৫০ থেকে ১০০জন দকর্মীকে একত্র করতে পারে। তাদের নির্দিষ্ট কোন কার্যলয় বা মহড়ার স্থান নেই। প্রয়োজনের সময় তারা মহড়ার জায়গার ব্যবস্থা করে। বর্তমানের প্রযুক্তিনির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থার যুগেও সাইবার স্পেসে তাদের নিজস্ব কোন ওয়েব ঠিকানা নেই।
এই সংগঠনটি কোনো ধরণের দাতাসংস্থা এমনকি সরকারের কাছ থেকেও সাহায্য নেয় না; বরং তারা তাদের সদস্য এবং বিশাল সংখ্যক দর্শকদের উপরই নির্ভর করে। প্রদর্শনীর শেষে জনম তার দর্শকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে এবং মাঝে মাঝে শ্রমিক সংঘ বা অন্যান্য সংঘের কাছ থেকে সহায়তা পেয়ে থাকে। তারা এনজিও বা দাতাসংস্থার কোন সাহায্য নেয় না। জনম তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দৃঢ়তার জন্য তাদের যেকোন নাটক বা যেকোন কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত যে কোন সময় নিতে পারে। যেহেতু তাদের কাজ হলো জনগণকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা যেহেতু তারা শ্রমিক সংঘের সাথে একটি বোঝাপড়ার সম্পর্ক অর্থাৎ শ্রমিক এবং শিল্পীর সম্পর্ক তৈরি করে।
১৯৯৩ সালে জননাট্য মঞ্চ সফদার হাশমি মেমোরিয়াল লেকচার পর্বের একটি প্রতিষ্ঠান করে। আর ১৯৯৭ সালে জনম “সফর” (আদ্যাক্ষরের নাম সফদার রঙ্গমঞ্চ) নামের একটি পরিবর্তনশীল এবং অপ্রতিরোধ্য চলমান থিয়েটার গঠন করে। ২০০৪ এর জানুয়ারিতে যৌথ গণমাধ্যমের বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী উত্তেজনার উদযাপন উপলে জনম প্রযোজনা করে । বুশ কা মতলব জাদি, ৪৫ মিনিটের এই নাটকটি মুম্বাইয়ের ওয়ার্ল্ড সোসাল ফোরাম কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে। তারা শ্রমিকশ্রেণি বা সাধারণ মানুষের জন্য প্রদর্শনীর পাশা পাশি সম্বিলিতভাবে কাজ করে কমিউনিস্টপার্টি অব ইন্ডিয়ার সাথে, কমিউনিটির মধ্যে রয়েছে মার্ক্সিস্ট সি পি আই (এম) এবং বিভিন্ন ধরনের কার্যকর সংগঠনের সাথেও কাজ করে। তাই যখনই কোন আন্দোলন বা কর্মীসম্মেলন হয় সেখানে অবশ্যই জনমের অংশগ্রহণ থাকে তারা নর্মদাবাঁচাও আন্দোলনে প্রদর্শনী করে, ভোপালে নির্যাতিতদের সুবিচার এবং অধিকারের জন্য তাদের পাশে দাড়াঁয়, গুজরাটের হত্যার তৎপরতার উপর সাধারণ মানুষকে জাতিগত দাঙ্গার ব্যাপারে সচেতন করে। ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রপতির সফরের সময় তাদের সম্মিলিত তেজোদ্দীপ্ত প্রদর্শনী এবং অংশগ্রহণের মাধ্যমে যুদ্ধবিরোধী ও বুশ বিরোধী সভা করে।
মলয়শ্রী হাশমি প্রায় ৩৬ বছর গণথিয়েটারআন্দোলনের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞাতা থেকে মন্তব্য করেন যে “একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জনম শুধুমাত্র অধিকার বা নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর গুরুত্বরোপ করে না বরং আমরা সমাজের পারিপার্শ্বিক সমস্ত ঘটনাবলীর উপরই নজর দিই, একটি রাজনৈতিক থিয়েটার সংগঠন হিশেবে বিশেষ নির্দেশনার মাধ্যমে সমসাময়িক সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরি, এর মানে এই নয় যে, আমরা থিয়েটারের সৌন্দর্য বা গুণগত দিকে খেয়াল করছি না। আমরা মনে করি, থিয়েটার মানুষের অনুভূতি প্রকাশের একটি সৃজশীল মাধ্যম, সেজন্য আপনি দেখতে পারেন যে, এটি অনুভূতির একটি শৈল্পিক বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক থিয়েটারে অনুশীলনের মাধ্যমে গঠন এবং প্রসঙ্গকে সংমিশ্রিত করা হয়েছে সৌন্দর্য এবং রাজনীতির মাধ্যমে।”
জনম থিয়েটারের অংশগ্রহণ মূলক পদ্ধতিটি একটি প্রত্যক্ষ প্রক্রিয়া। তাদের কাছে থিয়েটার শুধুমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম নয়, অনুভূতি এবং অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া ও সৃজনশীলতার অন্তর্ভূক্ত। তাই নাটক প্রযোজনার সময় তারা বিষয়বস্তুর সৃজনশীলতা এবং সৌন্দর্যের মান রাখবার ব্যাপারে সম্মিলিতভাবে যত্ন নেয়। তাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত এবং বিষয়বস্তুর গুরুত্ব অনুযায়ী নাটক প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নেয়। যেমন, ইয়ে দিল সঙ্গে মার গুরুজি’ নাটকটি গুজরাটের জাতিগত দাঙ্গার ঘটনার সাতদিনের মধ্যেই প্রযোজিত হয়। তাদের কাহিনিকার, লেখক, সঙ্গীত পরিচালক, পরিচালক, পরিকল্পনাকারী, এবং অভিনেতা সবাই প্রত্যেকটি নাটকে সম্মিলিত শ্রম অভিনেতা সবাই প্রত্যেকটি নাটকে সম্মিলিত শ্রম দিয়ে থাকে। তারা রাজনৈতিক থিয়েটার, বিশেষ করে পথনাটক সম্পর্কে প্রত্যেক সদস্যের মন্তব্য ও নির্দেশনার প্রেক্ষিতে নাটকগুলোকে সৃজশীলক সৃজনশীল করে তোলে। কোনো বিশেষ ঘটনার উপর নাটক তৈরি করতে তাদের ৭ দিন থেকে ৪বা ৫ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে প্রত্যেকটি নাটক নির্মাণ থেকে শুরু করে প্রদর্শনী পর্যন্ত তাদেরকে অনেক গবেষণা ও চিন্ত-ভাবনার আদান প্রদান করতে হয়। তাদের প্রদর্শনীর ধরণ অধিকতর সহজ ও সাধারণ। বেশিরভাগ সময়ের তাদের প্রদর্শনীর স্থান নির্বাচন করে থাকে সি পি আই (এম) কার্যক্রমের কাছাকাছি শ্রমিকশ্রেণির আবাসিক এলাকা বা কারখানা এলাকায়। নাটকের জন্য প্রয়োজনীয় সাজসজ্জার সরঞ্জাম কম হওয়াতে তারা তাদের গাড়িতেই সেসব বহন করতে পারে। প্রদর্শনী চলাকালীন সময়ে কুশলীরা কালো পাঞ্জাবি পরিধান করে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করে। মঞ্চের দুইপাশে দুইসারি আসনে দর্শকদের বসার জায়গা করা হয় যেন তারা প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারে। প্রথমে ছন্দময় পরিবেশের মাধ্যমে দর্শকদেরকে নাটক দেখার জন্য আহবান করা হয়। অতঃপর তারা প্রদশর্নী শুরু করে। এভাবে দিনের আলোতেই তারা প্রদশর্নী করে এবং যদি সন্ধ্যায় নাটক হয় তবে সাধারণ বাতি দিয়েই প্রদশর্নী করে। প্রতীকী তাৎপর্যের দিক দিয়ে তাদের পোষাক উপযোগী, বহনে সুবিধাজন এবং সাধারণ। তাই প্রদর্শনীর সময়ে কুশলীরা সহজেই এগুলো ব্যবহার করতে পারে । প্রদর্শনী শুরুতে একজন এসে দর্শকদের কাছে জনমের পরিচিতি তুলে ধরে এবং নাটক সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে যায়। এর পরেই অন্যএকজন এসে দর্শকদেরকে জানিয়ে যায়, যে নাটকের শেষে তারা যেন তাদের সামর্থ অনুযায়ী অর্থ দিয়ে তাদের সাথে অংশগ্রহণ করে। অর্থসংগ্রহের এই প্রক্রিয়াটিও তাদের অংশগ্রহণ মূলক কাজের একটি অংশ।
মূলত জননাট্য মঞ্চের প্রচেষ্টা হলো সমাজের শোষিতশ্রেণির মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা যেহেতু নাগরিক অধিকার সমাজে শোষণের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের প্রত্যেক নাটকেই তারা নাগরিক অধিকার লঙ্গনকে আলোকপাত করা।
06/04/2026
Tonight, the stage feels a little emptier—because one
Happy Birthday, Joytiva Roy
From the echoes of rehearsal rooms to the living pulse of performance, you have never merely acted—you have inhabited,transformed, and ignited. Every gesture of yours holds the grammar of truth, every silence you create speaks louder than dialogue.
Now, as you shape minds and movements in Assam, you are not just teaching theatre—you are planting fires in new bodies, new voices, new futures.And that is the rarest kind of artistry.
Remember, no matter how far the geography stretches, the stage we built together still breathes your rhythm. Every spotlight still carries a memory of your intensity. Every cue still waits for your instinct.
May your journey be filled with standing ovations you never asked for, and transformations you never expected.
Keep breaking the fourth wall of limitations.
Keep rewriting the script of possibility.
Because artists like you don’t just perform—
they alter the architecture of reality.
Happy Birthday, comrade of the stage.
The play continues—with you, always, at its beating heart.
গনোরিয়ায় গনতন্ত্র
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাক্ষেত্রে এখন অদ্ভুত এক প্রবেশিকা পরীক্ষা চলছে।
কোনও প্রশ্নপত্র নেই, কোনও মেধাতালিকা নেই—
শুধু চাই মোটা দড়ির ব্যাগ, আর তার ভেতরে নোটের বান্ডিল।
কে জানত, মেধা মাপার নতুন মাপকাঠি হলো
গুণনীয়ক নয়, ঘুষনীয়ক
আগে নোটিশ বোর্ডে লেখা থাকত—
অমুক যোগ্য, তমুক অযোগ্য।
এখন নোটিশ বোর্ডে লিখতে হয়—
অমুক চাল চোর, তমুক কয়লা চোর, ওই যে বালি চোর, এদিকে ত্রিপল চোর, আর হ্যাঁ—এদের সবার সর্দার চাকরি চোর রাষ্ট্র!
বাহ! কী চমৎকার পরিবর্তন!
যোগ্য শিক্ষক তৈরি করতে না পারলেও, দুর্নীতির জন্য ডক্টরেট লেভেলের প্রার্থী তৈরি করতে সরকারের জুড়ি নেই।
এখানে আসল মজা হলো—
আমরা বাঙালি রাগ করি, হইচই করি, তারপর… ভুলে যাই।
অভয়া ভুলে গেছি, মইদুল ভুলে গেছি, SSC ভুলে যাবো—
কারণ আমরা সবাই আছি ভোলার জিমে, প্রতিদিন প্র্যাকটিস চলছে!
ট্রেডমিলে উঠে চিৎকার করি—“চাকরি চাই!”
তারপর নামতেই আবার সেলফি দিয়ে লিখি— #পিকনিকমুড
প্রযোজিত শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে #উৎশব 2.0 আসছে, নাটকেই মুখোশ খুলবে।
আমাদের সাথে যুক্ত হতে কোনো অর্থ লাগে না,সবচেয়ে বড় কথা—নাটক শেখা আর করা একদম ফ্রি, শুধু সাহস আর গলা থাকতে হবে।অন্ধকারে আলো খোঁজার চেষ্টা আমরা একসাথে করবো।
📞 যোগাযোগ: গৌরব– 7890352311
23/08/2025
Happy Birthday Panchali Kar
Today we celebrate the vibrant spirit of Panchali Kar, a fearless theatre activist and a passionate voice of 🌿
Her journey has always been about breaking boundaries, standing tall with courage, and using theatre as a tool for truth, change, and human connection.
💫 Panchali, your energy, strength, and artistry inspire us all. On this special day, we wish you endless happiness, powerful stories, and the courage to keep uncurtaining the world around us.
🌸 Here’s to many more years of creativity, activism, and light!
Happy Birthday once again from all of us at Uncurtained
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kolkata
700032
23/08/2025