Travel Now

Travel Now

Share

Travel Tour & More

Photos from Travel Now's post 30/10/2025

আজ অফিস ফেরত ঘুরে এলাম নিউ টাউন জগন্নাথ মন্দির থেকে। আমার কাছে ট্রাভেল বা ট্যুরিজম মানে ইচ্ছে মতন বেরিয়ে পড়া, সেটা অফিস ফেরত হতে পারে বা কোন কাজে বেরিয়ে সেখান থেকে কোথাও ঘুরে আসার বা কিছু দেখে আসা। মন্দিরটি এক বছর হল তৈরি হয়েছে। কয়েকদিন ধরে ভাবছিলাম যে একদিন এই জগন্নাথ মন্দির টা দেখে আসবো তো ঠিক সময় হচ্ছিল না। সেদিন অফিস থেকে একটু আগে বেরিয়ে আমি ও আমার এক কলিগ দুজনে মিলে চলে গেলাম এই মন্দিরটায়। মন্দিরটা বিশ্ব বাংলা গেট থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে, সেখান থেকে অটো পাওয়া যায় যাওয়ার জন্য। আমার অফিস থেকে এটা বড়জোর দু থেকে আড়াই কিলোমিটার, আমরা বাইকে গেছিলাম। মন্দিরটা বেশ বড়, জানতে পারলাম এটাই কলকাতার উচ্চতার দিক থেকে সবথেকে বড় জগন্নাথ মন্দির। মন্দিরটির উচ্চতা কমবেশি ৬০ ফুট। মন্দিরের বাইরের দেয়ালে বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা রয়েছে এবং সমুদ্র মন্থনের একটি দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মন্দিরের অগ্রভাগে জগন্নাথদেবের একটি মূর্তি রয়েছে যা শ্রীকৃষ্ণের ভঙ্গিতে বাঁশি বাজাচ্ছে।। মন্দিরের ভিতরের অংশ বেশ কিছু দেবীর মূর্তি খোদাই করা রয়েছে। ভিতরে প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পড়বে জগন্নাথ দেব বলরাম এবং সুভদ্রার মূর্তি। ডানদিকে রয়েছে হানুমানজির একটি মূর্তি এবং বাঁদিকে রয়েছে রাম লক্ষণ ও সীতার মূর্তি। আমরা গিয়েছিলাম সন্ধ্যের দিকে ওই সময় শ্রীকৃষ্ণের লীলা গান হচ্ছিল, জানলাম প্রতিদিনই সন্ধ্যাবেলা এরকম গান হয় এবং সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা থেকে সন্ধ্যা আরতি শুরু হয়। মন্দিরটি রাত নটা অব্দি খোলা থাকে। দুপুরে অন্নপ্রসাদেরও ব্যবস্থা আছে। এই জগন্নাথ মন্দিরের পাশে আরো দুটি মন্দির রয়েছে। একটি হলো শিব পার্বতীর মন্দির। এক পাশে রয়েছে একটি শিবলিঙ্গ এবং অপর পাশে রয়েছে একটি কালী মূর্তি। এটা ছাড়াও আরো একটি মন্দির আছে রাধা কৃষ্ণের।

পথ নির্দেশ:
শাপূর্জি যাবার যেকোনো বাস ধরে আপনাকে আসতে হবে এবং নামতে হবে কারিগরি ভবন স্টপেজে। কারিগরি ভবনের পাশেই এই মন্দিরটি দেখতে পাবেন।

মন্দিরের সামনে রকমারি খাবারের দোকান রয়েছে তাই ওখানে গেলে খাবার নিয়ে কোন সমস্যা এমনিতেও হবে না। এছাড়াও ফেরার বাস একদম মন্দিরের সামনে মানে বাইরে রাস্তার সামনে থেকেই পাওয়া যাবে। তাহলে একদিন বিকেলে প্ল্যান করতেই পারেন এবং কয়েক ঘন্টার জন্য ঘুরে আসতে পারেন এই নিউটাউন জগন্নাথ মন্দির, কথা দিচ্ছি বেশ ভালো লাগবে।

ধন্যবাদ



For Video Link:
https://youtu.be/w67fjE4a4Vc?si=utsaw3Kgyhy5VXT4

https://youtube.com/shorts/FtNgVet2LE8

04/08/2025

🙏নমস্কার🙏
আশা করি আপনারা প্রত্যেকে ভাল আছেন। একটা বিরতির পর আবার আমরা ফিরে এসেছি। এখন থেকে Travel Now⛱️ এর পক্ষ থেকে বিভিন্ন বেড়ানোর গল্প ঘটনা এই পেজে পোস্ট করা হবে। আপনারা সঙ্গে থাকবেন, আশাকরি বেড়ানো সংক্রান্ত বিভিন্ন ইনফরমেশন🎁 আপনাদের দিতে পারব।

অসংখ্য ধন্যবাদ। 👍💞

Photos from Travel Now's post 11/03/2017

SOME SNAPS OF OLD MEMORIES, VASANTOTSAV 2015 AT SHANTINIKETAN WITH 'TRAVEL NOW'

11/03/2017

OUR SHANTINIKETAN 2017 TOUR (VASANTOTSAV) WILL START AFTER SOMETIME
THANKS EVERYBODY
STAY WITH US

11/03/2017

WISH ALL OF YOU A VERY HAPPY & COLOURFUL HOLY

Photos 07/01/2017

BOOK YOUR SEAT AGAINST RS. 1000/- ONLY FOR CONFIRMATION, HURRY! LIMITED SEATS

Photos from Travel Now's post 18/12/2016

Chau Jhumur Utsav 2016

Photos from Travel Now's post 27/11/2016

BEAUTIFUL BARANTI

27/11/2016

বরন্তি
কলকাতা থেকে দূরত্ব ২৬৫ কিলোমিটার। রুক্ষ রাঢ় বাংলার বদনাম ঘুচিয়ে দেবে বরন্তির সৌন্দর্য। বরন্তি লেকের পাশেই মাথাচাড়া দিয়েছে ছোট্ট টিলা। আর লেক ঘিরে শুধুই সবুজ। আশপাশের ছোট্ট পাহাড়গুলোয় পায়ে হেঁটে ট্রেক করতেই পারেন। গড়পঞ্চকোট, জয়চণ্ডী পাহাড়, বিহারীনাথ, পাঞ্চেত ড্যাম— সবই বরন্তির আশপাশে। জয়চণ্ডী পাহাড়কে বিখ্যাত করেছিল ‘হীরক রাজার দেশে’র শ্যুটিং। উদয়ন পণ্ডিত যে জায়গায় গুহায় লুকিয়ে থাকত। অবশ্য এখানে যাওয়ার জন্য শীতের শেষটাই সেরা সময়। পলাশের বাহার চোখ জুড়িয়ে দেবে।
কীভাবে যাবেন ট্রেনে গেলে আসানসোল হয়ে মুরাডি স্টেশন নামতে হবে। অথবা গাড়িতে গেলে আসানসোল থেকে রামচন্দ্রপুরের দিকে যেতে হবে। শেষ অংশটা গ্রামের মেঠো পথের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। থাকার কটেজের অভাব নেই বরন্তিতে। বাঁকুড়ার বিহারীনাথ কিংবা গড়পঞ্চকোটে থেকেও গাড়ি নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন বরন্তি।
কোথায় থাকবেন পলাশবাড়ি অথবা আরণ্যক হোটেলে থাকতে পারেন। ঘরভাড়া ১০০০টাকার কাছাকাছি।

23/11/2016

গেলেই হয়— বাংরিপোশি
হাতে দু’দিন সময় থাকলে বেড়িয়ে আসুন পড়শি রাজ্য থেকে। ওড়িশার বাংরিপোশি কলকাতা থেকে মাত্র ২৩০ কিলোমিটার দূরে।

বুদ্ধদেব গুহের ‘বাংরিপোশির দু’রাত্তির’ যদি পড়ে থাকেন, এখানে যেতে মন চাইবেই। আর যদি জঙ্গল ভালবাসেন, তাহলে তো কথাই নেই। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের ঠাকুরানি পাহাড়ের কোলে ছোট্ট আদিবাসী গ্রাম বাংরিপোশি। শহরের ধুলো ঝেড়ে দু’দিনের জন্য হারিয়ে যাওয়ার আদর্শ ঠিকানা।
পাহাড়ঘেরা গ্রাম। পাশেই তিরতির করে বয়ে চলেছে বুড়িবালাম। ঠিক ধরেছেন, বাঘাযতীন যে নদীকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা দিয়েছিলেন। লোধা, সাঁওতাল, ভিল, মুণ্ডাদের এই গ্রামে গেলে প্রাণে ঠান্ডা বাতাস লাগতে বাধ্য। শাল-মহুয়ায় মোড়া বাংরিপোশির সৌন্দর্য সবচেয়ে ভাল উপভোগ করা যায় বর্ষায় গেলে। পাহাড়ের মাথায় কনকদুর্গা বা বনবিবির মন্দির নাকি খুব জাগ্রত। পায়ে হেঁটে কিংবা ট্রেকারে ঘুরতে পারেন আশপাশের জায়গা। খরকাই নদীর উপর সুলাইপাত বাঁধ কিংবা অদূরে কুলিয়ানা গ্রামের ডোকরা শিল্পের কাজ দেখে আসুন। ওখান থেকে হাতে গড়া ডোকরার মূর্তি কিনতেও পারেন বাড়ি সাজানোর জন্য। পথে নানা রকমের পাখি আর প্রজাপতি চোখ জুড়িয়ে দেবে। ক্যামেরা নিয়ে তৈরি থাকতে হবে কিন্তু। উত্সবের মরসুমে গেলে আদিবাসী নাচ দেখতে পাবেন। বুড়িবালামে চাইলে নৌকা নিয়ে ভেসে আসতে পারেন খানিকদূর। ট্রেকিংয়ের অভ্যেস থাকলে চলে যান ঠাকুরানি পাহাড়ের দিকে। অর্ধেশ্বর, বুড়াবুড়ি, বিদ্যাভাণ্ডার— অজস্র পাহাড়চুড়ো রয়েছে ট্রেক করার জন্য। কাছেই বিষয়ী গ্রাম। সেখানকার হাটে ঢুঁ মারলে মোরগের লড়াই দেখতে পেয়ে যাবেন। ছোট ছোট বাঁশের জিনিসও কিনতে পাওয়া যায় হাটে। তাজা মধু কিনতে পারেন। চেখে দেখতে পারেন হাঁড়িয়াও!
বাংরিপোশি থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে সিমলিপাল ন্যাশনাল পার্ক। তবে সেখান থেকে ঘুরে আসতে গেলে হাতে আরেকটু সময় চাই। বারিপাদা কিংবা জোশীপুর থেকে পারমিট করাতে হয়। একসময় পুরো এলাকাটা মাওবাদী-অধ্যুষিত ছিল। তবে এখন তেমন ভয়ের কিছু নেই।

কীভাবে যাবেন
কলকাতা থেকে কেওনঝড় বা সিমলিপাল যাওয়ার বাসে উঠে পড়ুন। বাবুঘাট থেকে ওটিডিসি’র বাস ধরতে পারেন। কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে ছাড়ে বারিপাদা যাওয়ার বাস। কোলাঘাট, খড়্গপুর ছাড়িয়ে ছ’নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে যেতে যেতেই পথে পড়বে সুবর্ণরেখা নদী, লোধাশুলির জঙ্গল। ওড়িশার বর্ডারে জামশোলা চেকপোস্ট পেরিয়ে নামতে হবে বম্বে চৌকি বা ঝারপোখারিয়ার মোড়ে। সেখান থেকে ট্রেকার, শেয়ার জিপ কিংবা অটোয় বাংরিপোশি চেকপোস্ট। ট্রেনে যেতে চাইলে হাওড়া থেকে ভোরবেলা ধৌলি এক্সপ্রেস ধরে বালাসোরে নামতে হবে। সেখান থেকে কানেক্টিং লোকাল ট্রেনে বাংরিপোশি পৌঁছতে পারেন। একটাই ট্রেন আছে। অথবা বালাসোর থেকে ট্রেকারে বাকি পথটা পাড়ি দিতে হবে।

কোথায় থাকবেন
হোটেল বাংরিপোশি এখানকার সবচেয়ে পরিচিত থাকার জায়গা। বুদ্ধদেব বসু নাকি এখানে বসেই লিখেছিলেন বাংরিপোশিকে নিয়ে তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস। এখানে কেয়ারটেকার বুধুয়া আর তার স্ত্রীও বেশ পরিচিত আতিথেয়তার জন্য। হোটেলের ওয়েবসাইটে গিয়ে বুকিং করতে পারবেন। এছাড়া ওড়িশা ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের পান্থশালায় থাকতে পারেন। লেনিন সরণির ‘উত্কল ভবন’ থেকে বুকিং করতে পারবেন। অদূরে রয়েছে সিমলিপাল রিসর্ট। ওটিডিসি’র রিসর্ট এখন নাম পাল্টে খৈরি রিসর্ট হয়েছে।

11/11/2016

1 Night 2 Days "BARANTI" tour organised by "Travel Now" on January 2017, All are requested join our tour program and take a taste of Offbit Tourism. Thanks to all

Want your business to be the top-listed Travel Agency in Howrah?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Howrah
711409