Healing Journeys With Rajoshree
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Healing Journeys With Rajoshree, Alternative & holistic health service, 9/3, Malik Para Lane, Howrah.
The real life amazing journeys of people who got answers through alternative healings will be shared here along with some great tools to enhance your life by Rajoshree Bhattacharya Ghosh.
29/05/2026
সদ্য ডিপ্রেশনে ভোগা একজন বিচক্ষণ,ক্ষুরধার বুদ্ধিসম্পন্ন প্রিয় চিত্রপরিচালক আত্মহত্যা করেছেন।ডিপ্রেশন আমিও দেখেছি খুব কাছ থেকে।এটা এমন একটা clinical disorder যে শারিরীক ভাবে সুস্থ বুদ্ধিমান মানুষকেও সকালে মেঘলা আকাশ দেখে হাউ হাউ করে কাঁদতে দেখেছি।
কষ্টের ঘটনা ঘটে যায় একবারই।কিন্তু তার প্রভাব বছরের পর বছর ধরে একইরকম রক্তক্ষরণ ঘটাতে থাকে মানুষের মনে।
যে থেরাপির কাজটা আমি করে থাকি সেটা বহু মানুষ কে তাদের অত্যন্ত কষ্টের স্মৃতি গুলোর কুপ্রভাব থেকে বের হতে সাহায্য করেছে।তেমনই একজনের থেকে পাওয়া এক টুকরো অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলাম।
26/05/2026
আজকের দ্রুতগতির পৃথিবীতে অনেক শিশুই ভয়, দুশ্চিন্তা, আত্মবিশ্বাসের অভাব ও পড়াশোনার চাপে মানসিকভাবে প্রভাবিত হয়। আমার নিজের সন্তান-ও এর ব্যতিক্রম নয়।🌸
“আত্মদীপ” শিশুদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ, যেখানে তারা শিখবে —
✨ মন শান্ত রাখতে
✨ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে
✨ আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলতে
✨ Meditation ও Visualisation-এর মাধ্যমে মানসিক ভারসাম্য উন্নত করতে
প্রতিটি সেশন যত্ন ও আন্তরিকতার সঙ্গে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে শিশুরা সুস্থির ও আত্মবিশ্বাসী অনুভব করতে পারে। 🌼
কারণ একটি শান্ত ও সুস্থ মনই গড়ে তোলে আত্মবিশ্বাসী, সংবেদনশীল ও সুন্দর ব্যক্তিত্ব। 💜
🪷 Online Meditation Class For Children
🗓 Every Saturday
⏰ 7:00 PM – 7:30 PM
💰 ₹111 per class (Non-refundable)
📅 Starting from 6th June 2026
📲 Google Pay / PhonePe by Friday 9 PM
9231132883
✨ An initiative of Healing Journeys With Rajoshree ✨
Please feel free to connect through messenger or WhatsApp on the payment numbet
#আত্মদীপ ChildHealing MindfulnessForKids EmotionalWellbeing ConfidentChildren InnerPeace
26/05/2026
Discover the transformative power of deep inner healing through two sacred therapeutic journeys.
Benefits of Earth Rebirthing:
🌿 Releases stored emotional pain and trauma
🌿 Helps reduce stress, anxiety, and emotional overwhelm
🌿 Encourages deep relaxation and inner peace
🌿 Reconnects you with your body, breath, and life force
🌿 Supports emotional renewal and personal transformation
Benefits of Soul Retrieval:
🕊️ Restores lost inner strength and emotional wholeness
🕊️ Helps heal past emotional wounds and energetic blockages
🕊️ Deepens self-awareness and spiritual connection
🕊️ Brings clarity, purpose, and emotional balance
🕊️ Awakens inner wisdom, intuition, and soul remembrance
Two days. Two deep journeys. One powerful transformation. ✨
Join us for an immersive Online Therapy Workshop where healing meets soul remembrance.
🌿 Day 1: Earth Rebirthing Session with Mahua Sai Dasgupta
🕊️ Day 2: Soul Retrieval Session with Rajoshree Bhattacharya Ghosh
Release emotional burdens, reconnect with your inner self, and awaken the wisdom your soul already carries.
📅 20–21 June 2026
⏰ 2 PM – 5 PM
💻 Online Session
💰 Energy Exchange: ₹3,333 (Non-Refundable)
📲 Payment & Contact:
PhonePe / Google Pay at :
9836625650 or 9231132883
Feel free to connect through WhatsApp on these numbers for registration and queries. 🌸
Heal. Release. Rebirth. Remember Your Soul. 💫
25/05/2026
When meeting some people for the first time doesn’t feels like the first time,you must know that you have a past connection with them ❤️
25/05/2026
🌸 Welcome to Healing Journeys With Rajoshree 🌸
A sacred space for healing, self-discovery, inner peace and spiritual awakening. ✨
Join our WhatsApp Channel to receive:
🪷 Meditation & healing insights
🪷 Positive energy & affirmations
🪷 Updates about workshops & classes
🪷 Spiritual guidance & soulful reflections
🪷 Past Life Regression & healing content
🪷 A peaceful community of like-minded souls
Let us walk together on a journey of healing, transformation and inner light. 💜
✨ Heal • Transform • Awaken ✨
Click the link below and become a part of our healing family. 🌿
Healing Journeys with Rajoshree - WhatsApp channel
Follow Healing Journeys with Rajoshree's WhatsApp Channel. 🌸 Welcome to Healing Journeys With Rajoshree 🌸
A sacred space for healing, self-discovery, inner peace and spiritual awakening. ✨
Join our WhatsApp Channel to receive:
🪷 Meditation & healing insights
🪷 Positive energy & affirmations
🪷 Updates about workshops & classes
🪷 Spiritual guidance & soulful reflections
🪷 Past Life Regression & healing content
🪷 A peaceful community of like-minded souls
Let us walk together on a journey of healing, transformation and inner light. 💜
✨ Heal • Transform • Awaken ✨
Click the link below and become a part of our healing family. 🌿
. Join 9 followers for the latest updates.
25/05/2026
আজকের দ্রুতগতির পৃথিবীতে অনেক শিশুই ভয়, দুশ্চিন্তা, আত্মবিশ্বাসের অভাব ও পড়াশোনার চাপে মানসিকভাবে প্রভাবিত হয়। আমার নিজের সন্তান-ও এর ব্যতিক্রম নয়।🌸
“আত্মদীপ” শিশুদের জন্য একটি সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ, যেখানে তারা শিখবে —
✨ মন শান্ত রাখতে
✨ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে
✨ আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মানসিকতা গড়ে তুলতে
✨ Meditation ও Visualisation-এর মাধ্যমে মানসিক ভারসাম্য উন্নত করতে
প্রতিটি সেশন যত্ন ও আন্তরিকতার সঙ্গে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে শিশুরা সুস্থির ও আত্মবিশ্বাসী অনুভব করতে পারে। 🌼
কারণ একটি শান্ত ও সুস্থ মনই গড়ে তোলে আত্মবিশ্বাসী, সংবেদনশীল ও সুন্দর ব্যক্তিত্ব। 💜
🪷 Online Meditation Class For Children
🗓 Every Saturday
⏰ 7:00 PM – 7:30 PM
💰 ₹111 per class (Non-refundable)
📅 Starting from 6th June 2026
📲 Google Pay / PhonePe by Friday 9 PM
9231132883
✨ An initiative of Healing Journeys With Rajoshree ✨
Please feel free to connect through messenger or WhatsApp on the payment numbet
#আত্মদীপ
24/05/2026
কখনও কখনও আমাদের হৃদয় অতীতের আগ্রহ, ভুলভ্রান্তি এবং বর্তমান জীবনের নানারকম পার্থিব ইচ্ছার জটিল গলিপথে হারিয়ে গিয়ে নিজেদের জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ভুলে যায়।
অভিরাজ (নাম পরিবর্তিত) খুব অল্প বয়সে তার ছোটবেলার প্রেমিকাকে বিয়ে করেছিল। এখন এক দশকেরও বেশি দাম্পত্য জীবন এবং দুই সন্তানের পর সে নিজেকে যেন শৃঙ্খলাবদ্ধ মনে করে। সে মুক্তি চায়। সে হারিয়ে যাওয়া রোমান্সকে মিস করে এবং কখনও কখনও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের আকাঙ্ক্ষাও অনুভব করে, কিন্তু তার বিবেক তাকে থামিয়ে দেয়। নিজের সংসারকে বাঁচানোর জন্য সে বহুবার ম্যারেজ কাউন্সেলর বা মনোচিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা ভেবেছে। যোগব্যায়াম ও ধ্যানও করেছে, কিন্তু কিছুতেই যেন কাজ হচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত সে Past Life Regression Therapy-র সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
খুব একটা বিশ্বাসী না হওয়া সত্ত্বেও, সে সহজেই গভীর ধ্যানমগ্ন অবস্থায় পৌঁছে যায়, যেখানে তার পূর্বজন্মের দরজা খুলে যায়। সে নিজেকে দেখতে পায় চল্লিশের কোঠায় এক বাঙালি জমিদার হিসেবে—সাদা ধুতি, সাদা শাল এবং নকশাদার নাগরাই জুতো পরিহিত। তার ছিল বিশাল পৈতৃক প্রাসাদ এবং গ্রামের পর গ্রাম ধানক্ষেত। সে দেখতে পায় তার পূর্বপুরুষদের অয়েল পেইন্টিং—মাথায় মুক্তো খচিত পাগড়ি, হাতে তলোয়ার। দুটি ছবিতে লেখা সাল তার চোখে পড়ে—১৪২৫ এবং ১৮৭৩।
বাড়িটি ছিল দাসী-চাকরে পরিপূর্ণ এবং সবাই সেই অহংকারী জমিদারকে ভয় পেত, যে নারীদের শুধুই ভোগের বস্তু বলে মনে করত। তার হাতে থাকত বন্দুক, এবং দাসীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে গুলি করে হত্যা করাও তার কাছে অস্বাভাবিক ছিল না। সে দেখতে পায় এক রোগা দাসী তাকে এক গ্লাস জল এনে দিচ্ছে, আর কোনও কারণ ছাড়াই তাকে হত্যা করার প্রবল ইচ্ছা এবং অকারণ রাগ জেগে উঠছে তার মধ্যে। দৃশ্যটি এতটাই জীবন্ত ছিল যে তার শরীর সেশনের মধ্যে রাগে কাঁপতে শুরু করে এবং সে প্রচন্ড ঘামতে থাকে। সে বারবার বলতে থাকে—“আমার বন্দুকটা কোথায়? আমার বন্দুকটা কোথায়?”
সে ছিল অত্যন্ত রাগী, অহংকারী এবং নারীসঙ্গপ্রিয় এক জমিদার, তবে তার একটি গুণ ছিল—সে সবসময় তার প্রজাদের কল্যাণের কথা ভাবত।
এভাবেই চলছিল জীবন, যতদিন না সে এক বিশেষ নারীর সঙ্গে পরিচিত হয়। সেই নারী ছিল তার কোনও আত্মীয়ের স্ত্রী এবং বয়সে তার চেয়ে বড়। একদিন সে তাদের বাড়িতে আসে এবং ছাদে বসেছিল একটি সুন্দর শাড়ি পরে, পায়ের নূপুর ঝংকার তুলছিল। অভিরাজ প্রথমবার কোনও নারীর প্রতি এক অদ্ভুত শ্রদ্ধাবোধ অনুভব করে। ধীরে ধীরে সে সেই নারীর প্রেমে পড়ে। তার বুকে সে খুঁজে পায় আশ্রয়।
এই সম্পর্ক একজন মানুষ হিসেবে তাকে বদলে দেয়। সে তার উচ্ছৃঙ্খল যৌন জীবন ছেড়ে দেয়। এখন সে শুধুই সেই নারীকে ভালোবাসত। কিন্তু সম্পর্কটি অসম্ভব ছিল, কারণ নারীটি অন্যের স্ত্রী। সে তার প্রজাদের জন্য একজন ভালো জমিদার হিসেবেই কাজ করে যেতে থাকে, কিন্তু তার হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। সে অতীত জীবনের অভিজ্ঞতা করতে করতে দেখতে পায় তার নায়েব মশাই, তার মা, পেয়াদারা এবং কাছারিবাড়ির বহু মানুষকে—কিন্তু তার মন কেবল সেই নারীকেই খুঁজতে থাকে।
পঞ্চাশের কোঠায় সে দেহত্যাগ করে এক গভীর অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা নিয়ে—সেই নারীকে ভালোবাসার এবং তাকে নিজের বুকে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। দেহত্যাগের সময় তার বুকে ব্যথা হচ্ছিল। তার মৃতদেহের চারপাশে বিশ্বস্ত প্রজারা কাঁদছিল। গ্রামের মানুষ কাঁদছিল, কারণ তারা তাদের জমিদার বাবুকে খুব ভালোবাসত, যিনি সবসময় তাদের যত্ন নিতেন।
Astral realm-এ অভিরাজ উপলব্ধি করে যে এই জীবনে তার স্ত্রীই সেই নারী, যাকে সে পূর্বজন্মে এত গভীরভাবে ভালোবেসেছিল। খুব অল্প বয়সে তাকে বিয়ে করার কারণ ছিল তাকে পাওয়াই তার শেষ ইচ্ছা। এই জীবনেও অভিরাজ বহু সমাজসেবামূলক কাজ করে এবং আরও বড় পরিসরে তা করার পরিকল্পনা রাখে। কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে সমস্যা এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের আকাঙ্ক্ষা এসেছে তার পূর্বজন্মের সেই চরিত্র থেকে, যে নারীদের ব্যাপারে ছিল অত্যন্ত কুখ্যাত।
থেরাপির পর অভিরাজ তার ভালোবাসার জীবনের প্রতিটি সমস্যার কারণ উপলব্ধি করতে পারে। থেরাপির আগে সে শুধুই নিজের প্রবৃত্তির যন্ত্রণা ভোগ করছিল, কিন্তু এখন সে কারণ সম্পর্কে সচেতন। তাই সে বুঝতে পারছে কীভাবে নিজের মন এবং পারিবারিক পরিস্থিতিকে সামলাতে হবে। যদি সে নিজের উপর কাজ করতে প্রস্তুত থাকে, তবে জীবনের প্রতিটি বাধাকে জয় করে মানুষের সেবার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারবে, কোনও বিভ্রান্তিতে না পড়েই।
: “জলসাঘর” ছবির একটি দৃশ্য — এক বাঙালি জমিদারকে কেন্দ্র করে নির্মিত অমর চলচ্চিত্র। রেফারেন্স হিসেবে Google থেকে নেওয়া।
17/05/2026
এই প্রথম আমি এমন একজনের কেস হিস্ট্রি লিখতে বসেছি, যিনি তাঁর নিজের আসল নাম ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন। নামটি হল শর্মিষ্ঠা দে ব্যানার্জী। অনেকের মতোই সেও আমার লেখা পড়ে আমার কাছে পাস্ট লাইফ রিগ্রেশন থেরাপি নিতে আসে।
তার অনেকগুলো সমস্যা ছিল। প্রথমত, তার বাবা-মার সঙ্গে সম্পর্কে আন্তরিকতার অভাব ছিল। OCD ছিল এবং বাবা-মা ও মেয়ের মধ্যে কোনো proper emotional connection-ই ছিল না। শর্মিষ্ঠা ছিল খুবই anxiety-prone। মাঝে মাঝে ঘুমের ওষুধও খেতে হত ঘুমানোর জন্য। কোনো সম্পর্কের প্রতি গভীর আন্তরিক টান অনুভব না করাটাই ছিল তার Past Life Regression Therapy করার মূল কারণ। স্বামী, বাবা-মা, সংসার — কিছুতেই তার মন থেকে টান অনুভব হত না।
বিশদে counselling session করার পরে প্রথমে তার Inner Child Healing করা হয়। সেখানে তার মা-বাবার সঙ্গে energy cord change করে মা-বাবা ও সন্তানের মধ্যে “energy triangle of love and support” তৈরি করা হয় চিৎশক্তির মাধ্যমে। এরপর শুরু হয় মূল পূর্বজীবনের অভিজ্ঞতার session।
পূর্বজীবনে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই শর্মিষ্ঠা বুঝতে পারে তার নাম ছিল “রুলি”। তার পায়ের নিচে শুকনো, ফেটে যাওয়া মাটি। ক্ষরায় জর্জরিত মাঠ। আলতা পরা খালি পায়ে, ডোরাকাটা সাদা-লাল শাড়ি পরে রুলি সেই মাঠের উপর দিয়ে এগিয়ে চলেছে। পায়ে আঙটি, রূপোর নূপুর। গায়ে এলোমেলো করে জড়ানো শাড়ি, বাহুতে বালা, বড় লাল টিপ, নাকে নথ, মাথায় খোপা, গলায় রূপোর কয়েনা। বয়স বাইশ-তেইশ হবে।
রুলি একটি খড়ের চালের বাড়িতে থাকে। বাঁশের খুঁটি দেওয়া বাড়ি। একপাশে বাঁধা সাদা গরু। রান্নাঘরে মাটির উনুন, কাঁসার বাসন। একজন লাল শাড়ি পরা বয়স্ক মহিলা রান্না করছেন — যাকে দেখে মনে হয়, এই জীবনে তিনি মাসি হলেও ওই জীবনে তিনিই ছিলেন মা। রুলির বাবা লম্বা মানুষ, ধুতির উপর কোমরে গামছা বেঁধে কাজ করছেন।
দৃশ্য বদলে যায়। চারিদিকে অন্ধকার জঙ্গল। বড় বড় সাপ। কিন্তু রুলির ভয় লাগছে না। সে চলেছে কালী মন্দিরের দিকে। জঙ্গলে হিংস্র প্রাণীর আওয়াজ। গভীর রাতে ফাঁকা মন্দিরে যখন কেউ থাকে না, তখন রুলি পুজো করে। মায়ের মাথায় রূপোর চাঁদ ঝলমল করছে। মনে হচ্ছে মায়ের চোখের পাতা নড়ছে। ছোট্ট নূপুর পরা মেয়ের মতো মা কালী যেন হাসছেন।
এই মন্দিরের মা কালী ছাড়া রুলি আর কারও প্রতি গভীর টান অনুভব করত না।
যিনি এই জীবনের স্বামী, তিনিই সেই জীবনেও তার স্বামী ছিলেন। স্বল্পভাষী, খেটে খাওয়া মানুষ। রুলির প্রতি তাঁর দিক থেকে কোনো কমতি ছিল না। একসময় একটি সন্তানও হয় — কাজল পরা চোখের ছোট্ট ছেলে। সারাদিন “মা, মা” বলে ডাকে। মায়ের হাতের রুটি খেতে চায়। সংসারের নানা কাজে স্বামী ডাকে।
কিন্তু ভরাভর্তি সংসারও রুলির মনকে বেঁধে রাখতে পারে না। তার মন ছটফট করতে থাকে মা কালীর কাছে যাওয়ার জন্য। মন্দিরে যাওয়ার অবকাশ না পাওয়ায় সংসারের প্রতি ধীরে ধীরে অনীহা জন্মায়।
দিন যায়, মাস যায়, বছর কেটে যায়। রুলির বাবা মারা যায়। ধীরে ধীরে ধুলো জমে মা কালীর মূর্তির গায়ে। রুলির জীবন সংসারের বৃত্তেই ঘুরপাক খেতে থাকে।
প্রায় ৬০-৬৫ বছর বয়সে মৃত্যুশয্যায় একদিন হঠাৎ রুলি দেখতে পায় দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন সেই ছোট্ট নূপুর পরা পায়ের মা কালী। মায়ের চোখে জল। মা হাত বাড়িয়ে ডাকছেন। কিন্তু রুলির আর ওঠার ক্ষমতা নেই। শরীর ভারী হয়ে এসেছে।
সেই মুহূর্তে রুলি বুঝতে পারে — এতদিন সে কাউকে সত্যিকারের ভালোবাসতে পারেনি। তার মন পড়ে থাকত শুধু কালী মন্দিরে। সংসারে কন্যা, স্ত্রী, মা — যে ভূমিকা মা কালী তাকে দিয়েছিলেন, সেই ভূমিকা পালনে তার আন্তরিকতার অভাব ছিল। সে কারও প্রতি মনোযোগী ছিল না।
মৃত্যুর মুহূর্তে মা কালী যখন তাকে নিতে এসেছেন, তখন নিজের ভুল বুঝতে পেরে রুলি কান্নায় ভেঙে পড়ে।
মৃত্যুর পর আত্মিক জগতে প্রবেশ করে সে অনুভব করে — জাগতিক সম্পর্কগুলোকে গুরুত্ব না দেওয়ার কারণেই এই জীবনে সে বাবা-মা, স্বামী, বন্ধু — সকলের কাছ থেকেই এমন পরিস্থিতি পেয়েছে, যা তাকে বারবার কষ্ট দিয়েছে।
শর্মিষ্ঠা অনুভব করে, এই জীবনে তার soul purpose হল — সকলকে আন্তরিকভাবে ভালোবাসা এবং সংসারের সমস্ত কর্তব্য মন দিয়ে পালন করেও আধ্যাত্মিক জীবনে এগিয়ে চলা।
Session শেষ হয় তার বাবা, মা, স্বামী ও সন্তানের সঙ্গে পূর্বজীবনের detachment-এর energy cord পরিবর্তন করে নতুন energy cord স্থাপনের মাধ্যমে — যেখানে ভালোবাসা, মনোযোগ ও আন্তরিক বন্ধন অটুট থাকবে।
🌺 মজার ব্যাপার হল এই case history ২০২৩ সাল থেকে পোস্ট করব করব করে করা হয়নি।কিন্তু শেষ পর্যন্ত আজ হল যখন গত কাল মন্দিরে মন্দিরে রাত জেগে ফলহারিণী অমাবস্যায় মা কালীর পুজো হয়েছে সমগ্র ভুবন জুড়ে।এই সমাপতন হিসেব কষে করা সম্ভব বলে মনে হয় না।
শুভ ফলহারিণী অমাবস্যা 🌑 🌺
16/05/2026
দারিদ্র্য দহন শিব স্তোত্র শোনা বা পাঠ করার অনেক আধ্যাত্মিক ও মানসিক উপকারিতা আছে বলে ভক্তদের মধ্যে বিশ্বাস প্রচলিত। এই স্তোত্রটি Shiva-এর উদ্দেশ্যে রচিত এবং “দারিদ্র্য” বলতে এখানে শুধু অর্থের অভাব নয়, মানসিক কষ্ট, ভয়, নেতিবাচকতা ও জীবনের অভাববোধকেও বোঝানো হয়।
দারিদ্র্য দহন শিব স্তোত্র শোনার উপকারিতা
🌿 মানসিক শান্তি দেয়
এই স্তোত্রের সুর ও শব্দ মনকে শান্ত করে এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে।
🌿 নেতিবাচক শক্তি দূর হয় বলে বিশ্বাস করা হয়
অনেকের মতে, নিয়মিত শুনলে ঘরের ও মনের নেগেটিভ এনার্জি কমে।
🌿 আত্মবিশ্বাস ও সাহস বাড়ায়
কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি ও ভরসা দেয়।
🌿 আধ্যাত্মিক অনুভূতি বৃদ্ধি পায়
ভক্তি, ধ্যান ও ঈশ্বরের প্রতি সংযোগ গভীর হয়।
🌿 প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই স্তোত্র জীবনের বাধা, অর্থকষ্ট ও অশান্তি কমাতে সাহায্য করে।
🌿 ধ্যান ও একাগ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে
নিয়মিত শ্রবণ মনকে স্থির করতে সাহায্য করতে পারে।
কখন শোনা ভালো?
* ভোরবেলা
* সোমবার
* ধ্যান বা পূজার সময়
* শ্রাবণ মাসে
* মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার সময়
অনেক মানুষ বিশ্বাস করেন, ভক্তি ও নিয়মিত শ্রবণ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে।
🌿 ব্যক্তিগতভাবে আমি বারবার অনুভব করেছি এই স্তোত্র শুনলে আর্থিক বাধা অবশ্যম্ভাবী ভাবে দূর হয় এবং অপ্রত্যাশিতভাবে অর্থপ্রাপ্তি ঘটে।
This Shiva Stotra Removes Financial Problems,Brings Abundance - Daridra Dahan Stotram by Rajoshree Traditional BeliefsAccording to devotional tradition, regular chanting or listening helps :* Remove obstacles in life* Reduce financial instability and scarc...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
9/3, Malik Para Lane
Howrah
711104