Life Development Sujit Roy
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Life Development Sujit Roy, Motivational Speaker, Garbalia, Jagatballavpur, Howrah.
Here you will have all about motivational quotes, speech, video & story that human beings can motivate in negative situation in their life and get Success.Get a happy & energetic life.
পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী কে জানো?
তোমার নিজের ব্রেইন।
কারণ সে তোমাকে রোজ রাতে কানে কানে বলে, আজকে থাক, কালকে একদম ফাটায় দিবো!
আর তুমিও সেই মিথ্যাটা বিশ্বাস করে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমাও।
কিন্তু সকালবেলা অ্যালার্ম বাজার পর সেই "কাল"টা আবার "আজ" হয়ে যায়।
তোমার ব্রেইন আবার নতুন ডেডলাইন সেট করে
"আচ্ছা, বিকেল থেকে শুরু করব।"
এই লুপটা একটা মারণফাঁদ।
তুমি ভাবছো তুমি বিশ্রাম নিচ্ছো, আসলে তুমি তোমার পটেনশিয়াল বা সম্ভাবনাকে তিলে তিলে খুন করছো।
এই কাল থেকে শুরু করব রোগটা ক্যান্সারের চেয়েও ভয়াবহ, কারণ এটা তোমাকে মারবে না, কিন্তু তোমাকে জীবিত লাশ বানিয়ে রাখবে।
একটু ফ্ল্যাশব্যাকে যাও।
গত মাসেও তুমি এই একই কথা ভেবেছিলে।
গত বছরও নিউ ইয়ারের রেজোলিউশন নেওয়ার সময় এই একই ডায়লগ দিয়েছিলে।
লাভটা কী হয়েছে?
তোমার বন্ধু যে কিনা কম ট্যালেন্টেড ছিল, সে হয়তো শুধু কনসিস্টেন্সি দিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
আর তুমি পারফেক্ট সময়-এর অপেক্ষায় বসে আছো।
পারফেক্ট সময় বলে কিছু নেই।
তুমি ভাবছো কালকে সকালে আবহাওয়া ভালো থাকবে, মুড ভালো থাকবে, তারপর টেবিলে বসবে। কিন্তু রিয়ালিটি হলো কালকেও তোমার আলসেমি লাগবে, কালকেও ফেসবুকে স্ক্রল করতে ইচ্ছা করবে।
এই যে জমে থাকা কাজগুলো, এগুলো তোমার মনের ওপর একটা অদৃশ্য পাহাড় তৈরি করছে। ডিপ্রেশন, এনজাইটি এগুলো আকাশ থেকে পড়ে না, এগুলো আসে এই ছোট ছোট কথা না রাখার গিল্ট থেকে।
আমরা কাজ ফেলে রাখি কারণ আমরা সেই কাজের পেইনকে ভয় পাই। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, কাজটা ফেলে রাখলে যে মানসিক যন্ত্রণা হয়, সেটা কাজটা করার কষ্টের চেয়ে অনেক গুণ বেশি।
কোনো কাজ শুরু করতে যদি আলসেমি লাগে, তবে নিজেকে বলো
আমি এটা মাত্র ২ মিনিট করব।
পড়তে ইচ্ছা করছে না?
বলো আমি মাত্র ২ মিনিট বইটা খুলে বসে থাকব।
জিমে যেতে ইচ্ছা করছে না? বলো আমি শুধু জুতোটা পরব।
ওই শুরু করাটাই আসল যুদ্ধ।
নিউটনের mama বলেছেন স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকতে চায়, কিন্তু একবার গতি পেলে সে চলতেই থাকে। তোমার দরকার শুধু ওই ইনিশিয়াল ধাক্কাটা।
কাল এর আশা বাদ দাও।
তোমার ক্যালেন্ডারে আগামীকাল বলে কোনো দিন নেই, তোমার আছে শুধু আজ এবং এখন।
পারফেক্টলি শুরু করতে হবে না, জঘন্যভাবে শুরু করো, তাও শুরু করো।
একটা ভাঙা লাইন কোড লেখো,
এক পৃষ্ঠা যা ইচ্ছা লেখো, কিন্তু আউটপুট জিরো হতে দিও না।
নিজেকে চ্যালেঞ্জ করো আগামী ১ ঘণ্টা আমি দুনিয়ার সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শুধু আমার কাজটা করব।
ফোনটা উল্টে রাখো, একটা গভীর শ্বাস নাও এবং ঝাঁপিয়ে পড়ো।
মনে রাখবে, স্বপ্ন দেখার জন্য ঘুমাতে হয়, কিন্তু স্বপ্ন পূরণের জন্য জাগতে হয়। অনেক ঘুমিয়েছো, এবার জাগার পালা। কাজ শুরু করো, এখনই!!
দিন দিন আপনার ভিতর থেকে মোটিভেশন হারিয়ে যাচ্ছে কেন জানেন?
🟥 Day - 1️⃣7️⃣
খেয়াল করলে দেখবেন কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে…
নিজেকে আরও বেশি useless লাগছে…
এগুলো কিন্তু random না।
কারণ, আপনার মনে একটা নীরব ক্যান্সার বাসা বেঁধেছে যেটার নাম Self Doubt.
আর cancer তো একদিনে হয় না, তাই না?
বছরের পর বছর ধরে অসম্মান, ব্যর্থতা, ভুল সিদ্ধান্ত, মানুষের তুলনা, নিজের প্রতি রাগ, ক্ষোভ, হতাশা,ঠিকমত একটা কিছু করতে না-পারা, একবুক অভিমান, না পাওয়ার ভয়…এইসব ছোট ছোট emotional injury জমতে জমতেই একটা internal টিউমার তৈরি হয়।
সেখান থেকেই জন্ম নেয় exhausting, life draining self-doubt.
জন্ম নিয়ে তিলে তিলে আপনার মোটিভেশনকে মেরে ফেলে। আপনাকে action থেকে দূরে ঠেলে দেয়, আর কয়েকদিন পর আপনাকে এমন জায়গায় ফেলে দেয় যেখানে কিছুই আর ঠিকঠাক মনে হয় না। দিনকে দিন এক্কেবারে ডিপ্রেশনের রোগী বানিয়ে ছাড়ে।
আপনি নিজেই এই ক্যান্সাররের রোগী কিনা আগে টেস্ট করে নেন। আমি কয়েকটা লক্ষণ বলি দেখেনতো মিলে কিনা -
🚩 আপনি সবসময় overthink করেন
যেকোনো একটা সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ১০ মিনিট না ভেবে ১০ দিন ভাবেন।
🚩 নতুন কিছু চেষ্টা করার কথা ভাবলেই anxiety উঠে যায়
“পারব না”, “লজ্জা লাগবে”, “লোকেরা কি বলবে?” এই তিনটা চিন্তা সবার আগে মাথায় ready থাকে।
🚩 নিজের কোনো achievement মনে থাকে না অথচ ভুলগুলো বেশি মনে থাকে
আপনি ১০টা ভালো কাজ করলেও ব্রেইন সেই ৬ বছর আগের একটা ভুলকে আঁকড়ে ধরে বসে থাকে।
🚩 আপনার কাছে অন্যকে সবসময় নিজের চেয়ে smarter মনে হয়
যদিও আপনি অন্যদের চেয়ে ভালো করছেন তারপরেও নিজেকে underqualified ভাবা।
🚩 কমপ্লিমেন্ট নিতে পারেন না
“ভালো হইসে” শুনলেই মনে হয় “আরে ধুর, বাড়ায়ে বলতেসে আমি actually তেমন কিছু করি নাই…”
🚩 নিজের progress কে ছোট করে দেখা
আপনাকে কেউ যদি বলে তুমি অনেক এগিয়ে গেছো তখন সবকিছুতেই বলেন “হুম… ঠিকই চলছে, but… আমি এখনো কিছুই করিনি।”
🚩 Fail করার আগেই Give-up করা
এমন মনোভাব রাখেন যেন outcome already fixed. আপনি যা ই করেন "It won’t work anyway."
এই ৭ টা লক্ষণের মধ্যে ৪ টার বেশি মিলে গেলে বলবো ভাই টিউমার অলরেডি বাসা বাঁধা শুরু করেছে। আপনাকে silent damage দিচ্ছে। তবে যেহেতু early stage এ আছে তাই বেশি টেনশনের কিছু নেই।
এখন বলেন সুস্থ হওয়ার জন্য দ্রুত কেমো থেরাপি শুরু করবেন?
নাকি এভাবেই ধুকে ধুকে দিন পার করবেন?
আমি ডিসিশন আপনার হাতে ছেড়ে দিলাম।
আজকের পোস্টে শুধু সমস্যাটা জানালাম, নেক্সট পার্টে থাকবে সমাধান।
Prescription জানতে এই পোস্টটা শেয়ার করে নিজের কাছে রেখে দিন নাহলে পরের পার্ট মিস হয়ে যেতে পারে।
Don't worry, রোগ যেহেতু শনাক্ত করা গেছে এখন ট্রিটমেন্ট করলে ( I mean কিছু daily practice follow করলে ) পুরোপুরি সুস্থ ই হয়ে যাবেন 🥰🌸
Btw, লক্ষণ কয়টা মিললো জানাবেন কিন্তু 😬
Self doubt আপনার মন আর মস্তিষ্ক থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে Life development আছে always আপনার সাথে 🤝🏼
Best wishes and best of luck 🌷
ডিপ্রেশনে থেকে শক্ত হয়ে ওঠা মানুষগুলোকে কখনো সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখবেন না।
বরং তাদেরকে সারাদিন হাসতে দেখবেন।
আপনার পাশে থেকে আপনাকে সাপোর্ট করতে দেখবেন।
According to my point of view, জীবনে হোঁচট খাওয়া খুব দরকার।
অন্তত একবার হলেও দরকার।
ধাক্কা খেলে মানুষ Matured হয়।
মানুষকে বুঝতে শেখে, কাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে তা বুঝতে শিখে।
এরা যদিও আবার হোঁচট খায় তবে আরো শক্ত হয়।
নিজেকে শান্ত করার মতো শক্তি এরা রাখে।
প্রাণ খুলে হাসার অভিনয়টা পুরোদমে শিখে ওঠে।
অন্যদের হাসাতে জানে।
নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ হিসেবে সবার কাছে নিজের অজান্তেই প্রাণোচ্ছল হাসি দিয়ে পরিচয় করিয়ে দিতে জানে।
এরা একা কাঁদে, লুকিয়ে আর গোপনে।
গভীর রাতে এরা যখন খুব মানসিকভাবে টায়ার্ড ফিল করে তখনই কাঁদে।
সারাদিন অক্লান্ত সুখী হবার অভিনয়ের পরিশ্রম করার পর রাতে যখন একা হয় তখন একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া এরা আর কারো কাছেই ঠাঁই পায় না। চিৎকার করে এরা কাঁদতে চায়, তবে মুখ বুঁজেই কাঁদে। কেউ ভুল করে কাঁদতে দেখে ফেললেই বালিশে মুখ বুঁজে চোখ শুকিয়ে নিয়ে মাথা তুলে অভিনয় করে বলে,
উউফ! চোখে খুব জ্বালা করছে এক্ষুনি জল বেড়োবে।
এরা আবার পরে কিন্তু উঠেও দাঁড়ায়।
মনে মনে বলে,
আর পারছি না। খুব ক্লান্ত লাগছে।
তারপর সামান্য কাঁদে আর সামান্য কেঁদেই নিজেকে আবার শক্ত বানিয়ে দিব্বি কাটিয়ে দেয় সময়।।
সুযোগটা মিস হয়ে গেল, মানুষটা থাকল না, স্বপ্নটা পূরণ হলো না, এরকম অনেক কিছুই আমাদের মাথায় আসে বিভিন্ন সিচুয়েশন এ...
কিন্তু সত্যি হলো, যেটা সত্যিই আমাদের জন্য, সেটা হারিয়ে যায় না।
জীবনের কিছু জিনিস তাড়াহুড়ো করে আসে না, আসে সঠিক সময়ে। কারণ অনেক সময় জীবন কিছু জিনিস আটকে রাখে আপনার প্রস্তুতির জন্য।
হয়তো আপনি আজ যেটা চাচ্ছেন এটার জন্য আপনি এখনো প্রস্তুত নন।
যেটা আপনার জন্য নির্ধারিত, সেটা পেতে আপনাকে যুদ্ধ করতে হবে না, নিজেকে প্রমাণ করতে হবে না।
আপনার কাজ শুধু নিজেকে এমনভাবে গড়ে তোলা যাতে আপনি সেই সুযোগের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারো।
ভুল মানুষ, মিস হওয়া সুযোগ, ব্যর্থ পরিকল্পনা এসব আমাদের ক্ষতি নয়, বরং একধরনের দিকনির্দেশনা।
এগুলো আমাদের শেখায় কোনটা সত্যিই আমাদের জন্য, আর কী নয়।
অতএব, হারিয়ে যাওয়া নিয়ে ভয় নয়। বরং বিশ্বাস রাখতে হবে যে যা সত্যিই আপনার তা একদিন আপনার জীবনে চলে আসবে।।
আমি
Motivational story
Real speach
আমাকে হারাতে পারবে না
💖✨ আপনার সম্পর্ককে বাঁচাতে চান? সঙ্গীকে এই ৩টি সত্যি বলাটা খুবই জরুরি। ✨💖
সম্পর্ক মানে শুধু ভালোবাসা নয়, সম্পর্ক মানে গভীর বিশ্বাস আর অবিচল সততা। যখন এই বিশ্বাসের সুতোয় মিথ্যের জট বাঁধে, তখন সবচেয়ে মধুর সম্পর্কও ফাটল ধরে। একটি সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখতে, তাকে আরও মজবুত করতে কিছু সত্যি স্বীকার করে নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। হয়তো শুরুতে কষ্ট হবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর ফল হবে অমূল্য। আসুন জেনে নিই, সঙ্গীকে কোন ৩টি বিষয়ে কখনোই মিথ্যে বলবেন না।
১. অতীতের ছায়া: 🥀
মানুষের জীবনে অতীত থাকে। সে অতীত ভালো হোক বা মন্দ, সঙ্গীর কাছে তা লুকিয়ে রাখা মানেই ভবিষ্যতের জন্য এক অদৃশ্য দেওয়াল তৈরি করা। আপনার অতীতের প্রেম, বিচ্ছেদ, ভুল সিদ্ধান্ত – সবকিছুই আপনার বর্তমান ব্যক্তিত্বের অংশ। আপনি যখন নিজের অতীত সম্পর্কে সৎ থাকেন, তখন সঙ্গী আপনাকে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে, আপনার প্রতি তার বিশ্বাস দৃঢ় হয়। মিথ্যে দিয়ে গাঁথা অতীত একদিন ঠিকই ধরা পড়ে, আর সেদিন সম্পর্কটা তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায়।
২. আর্থিক স্বচ্ছতা: 💰
অর্থ সম্পর্ক ভাঙার এক অন্যতম কারণ। আপনার উপার্জনের উৎস, ঋণের বোঝা, সঞ্চয় বা বিনিয়োগ সম্পর্কে সঙ্গীর কাছে মিথ্যা বলা এক বিশাল ভুল। একটি সুস্থ সম্পর্কের ভিত্তি হল স্বচ্ছতা, বিশেষত আর্থিক বিষয়ে। একসঙ্গে জীবন কাটানোর পরিকল্পনা থাকলে, উভয়েরই একে অপরের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। এই বিষয়ে অসততা ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিবাদ ও অবিশ্বাস সৃষ্টি করতে পারে, যা সম্পর্কের ভিত নাড়িয়ে দেয়।
৩. হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা কথা: ❤️🩹
ভালোবাসার মানুষকে খুশি করতে গিয়ে আমরা অনেক সময় নিজেদের অনুভূতি বা ভালো না লাগার কথা লুকিয়ে রাখি। 'না' বলতে না পারা, বা সঙ্গীর অপছন্দ হবে ভেবে নিজের পছন্দকে চেপে রাখা দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্কের জন্য বিষের মতো কাজ করে। আপনার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, স্বপ্ন, ভয় – সবকিছুই সঙ্গীর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া উচিত। নিজের অনুভূতি সম্পর্কে সৎ না থাকলে, এক সময় ক্ষোভ জন্মাতে শুরু করে, যা সম্পর্কের উষ্ণতা নষ্ট করে দেয়। সত্যিকারের ভালোবাসা মানে একে অপরের দুর্বলতা এবং পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান করা।
মনে রাখবেন, সততা এক কঠিন পথ হলেও, এটিই সম্পর্কের জন্য সবচেয়ে মজবুত ভিত্তি তৈরি করে। সাময়িক স্বস্তির জন্য মিথ্যের আশ্রয় নিলে তা ধীরে ধীরে সম্পর্ককে অন্তঃসারশূন্য করে দেয়। আপনার সঙ্গীর প্রতি আপনার ভালোবাসা যদি খাঁটি হয়, তাহলে তাকে প্রতিটি কঠিন সত্যি বলার সাহস রাখুন। কারণ এই কঠিন সত্যিগুলোই আপনাদের ভালোবাসার গল্পকে চিরন্তন করে তুলবে।
ভালো থাকবেন! ❤️
#সম্পর্ক #ভালোবাসা #সততা #বিশ্বাস #প্রেম #দাম্পত্যজীবন #সত্যিকথা #ভালোবাসারগল্প #আত্মবিশ্বাস #ভালোথাকা #সম্পর্কেরটিপস #জীবনদর্শন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Address
Garbalia, Jagatballavpur
Howrah
711410