Shine with Roopkotha

Shine with Roopkotha

Share

Together, we have the power to inspire, connect, and deliver new opportunities and rich experiences. It all starts with one simple step, joining Oriflame.

From earning some extra money to building a real business of your own. You decide how far you progress and the type of lifestyle you achieve. There are even opportunities to travel worldwide, attend beauty conferences, and earn rewards.

24/04/2026

Amid vibrant greens, this weathered tree stands bare yet unbroken—a quiet testament that even in dryness, roots run deep, hope endures, and assurance whispers, "Your season will bloom again." 🌿✨

11/04/2026
Photos from Shine with Roopkotha's post 18/03/2026

Team family: chaos, laughter, and endless love.

Photos from Shine with Roopkotha's post 29/12/2025

আজ দীনবন্ধুমঞ্চে।

12/11/2025

It’s been 15 years since I first met you — a tiny little angel created from my own flesh and blood. It feels like yesterday. I still remember those sleepless nights, the mix of helplessness and joy, the laughter and the tears. Day by day, I’ve watched you grow into a fine young man. I feel proud to have created such a special soul, and even prouder to be your mom.

Photos from Shine with Roopkotha's post 22/10/2025

পুজো হবে আর প্যান্ডেল hopping হবেনা? তাই কখনো হয়? Well spent with my আমরা সুজন gang and family.

19/10/2025

কি শুধুই সংস্কার? কিছু কথা জানা অজানা।
আজ ভূত চতুর্দশী। আশ্বিন মাসের চতুর্দশী তিথিতে অর্থাৎ, দীপান্বিতা কালীপুজোর আগের দিন অনেক বাড়িতেই চোদ্দ শাক খাওয়ার রীতি। চোদ্দ শাক খেলে এবং চোদ্দ প্রদীপ জ্বালালে অশুভ শক্তি দূর হয় এবং প্রয়াত পূর্বপুরুষরা তুষ্ট হয় ।

⁉️এই চোদ্দ শাক খাওয়ার আসল উদ্দেশ্য কি?⁉️
⁉️কালীপুজোর আগের দিন চোদ্দ শাক খাওয়া, চোদ্দ প্রদীপ জ্বালানোর রীতি শুরু হল কেন?⁉️

☀️১) প্রথাগত কারণ (লোকাচার)☀️
কথিত আছে পঞ্চভূতে বিলীন হওয়ার পর এ দিনেই নাকি পিতৃপুরুষরা মর্ত্যের কাছাকাছি আসেন। তাঁদের উদ্দেশেই বাড়িতে জ্বালানো হয় চোদ্দ প্রদীপ। সেই প্রথারই অংশ হিসাবে আমাদের আগের সাত পুরুষকে উৎসর্গ করে, আগামী সাত পুরুষের জন্য এই চোদ্দ রকমের শাক রান্না করে খাওয়া হয়।

☀️২) বৈজ্ঞানিক কারণ (লোকাচারের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি):☀️
সব লোকাচারের পিছনেই বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা থাকে।
শরতের শেষ এবং হেমন্তের শুরুতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। নানা রকম রোগের উপদ্রব বৃদ্ধি পেতে থাকে। জয়ন্তী, শাঞ্চে, হিলঞ্চ, ওল, পুঁই, বেতো, সর্ষে, কালকাসুন্দে, নিম, পলতা, শুলকা, গুলঞ্চ, ভাঁটপাতা ও শুষণীর মতো শাক ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ। এর মধ্যে বেশ কিছু শাক শুধু মাত্র এই সময়েই পাওয়া যায়। তাই এই অতি প্রয়োজনীয় ভেষজ (harbs) সংগ্রহ করে আগামী দিন গুলির জন্য সংরক্ষণ করে রাখার প্রয়োজন হয়ে পরে। ঋতু পরিবর্তনকে চিহ্নিত করার জন্য সাধারণ মানুষের বোঝার সুবিধার্থে এই বিশেষ দিনটি (অশ্বিন মাসের চতুর্দশী তিথি )বেছে নেওয়া হয়।
✅** বলে রাখি এই প্রথার সাথে "ধানতেরাস " প্রথাটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তবে সে নিয়ে আলোচনা করবো অন্যদিন। ✅
আবার হেমন্তের শুরুতে পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়তে থাকে। পোকামাকড়ের হাত থেকে সরুক্ষিত থাকতেই বাজি পোড়ানো বা অনেক প্রদীপ জ্বালানোর প্রথা শুরু হয় (তখন তো বিজলি বাতি ছিল না!)। খাবার ও পরিবেশ কে পোকা মাকড়ের থেকে সুরক্ষিত রাখতে, দূরে রাখতেই এ সময়ে চোদ্দ প্রদীপ জ্বালানোর রীতি।

কোন কোন শাকের কী কী গুণ জেনে নেওয়া যাক?

🩸জয়ন্তী— উদরাময়, জ্বর, বহুমূত্র নিয়ন্ত্রণ করে।

🩸শাঞ্চে— রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

🩸হিংচে— পিত্তনাশক।

🩸ওল— অর্শ, রক্ত আমাশা, বাত, চর্মরোগ কমায়।

🩸পুঁই— হজমে সহায়ক।

🩸বেতো— কৃমিনাশক।

🩸সর্ষে— যকৃৎ, চোখ যত্নে রাখে।

🩸কালকাসুন্দে— অর্শ, কাশি দূর করে।

🩸নিম— যে কোনও চর্মরোগ নাশ করে।

🩸পলতা— শ্বাসযন্ত্র ভাল রাখে।

🩸শুলকা— হৃদ্‌যন্ত্র ভাল রাখে।

🩸গুলঞ্চ— উচ্চ রক্তচাপ, যকৃৎ যত্নে রাখে।

🩸ভাঁটপাতা— ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক।

🩸শুষণী— স্মৃতিবর্ধক।

©রূপকথা
ছবি : সংগৃহীত

Photos from Shine with Roopkotha's post 18/10/2025

ট্রাডিশনাল বাঙালি খাবার : গাড়ুর ডাল।

জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদ :
"আশ্বিনে রাঁধে কার্তিকে খায়, যে বর মাগে সে বর পায়।" এ বর কিন্তু টোপর পড়া বর নয়। এই বর হল মনোবাঞ্ছা।
লোককথা অনুসারে, গাড়ুর ডাল খাওয়ার আগে বর চেয়ে সেটা খেলে সেই মনের আশা পূরণ হয়। এটা মানুষের মনের বিশ্বাস।
আর আপামর মানুষের সাধারণ প্রার্থনা কি? "আমার সন্তান যেন থাকে দুধে - ভাতে।" এক কথায়, সবাই যেন ভালো থাকে, সুস্থ থাকে।

কিন্তু আমরা কেন এটি উদযাপন করি?

এটি প্রকৃতি মাতার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
এক ঋতুর বিদায়ের সাথে সাথে তার (প্রকৃতির) জাদুকরী রূপান্তর, পরবর্তী ঋতুর আগমনের সূচনা করে। এটি তার উদারতা, তার প্রচুর উৎপাদন, তার শস্য ও শাকসবজির মনোমুগ্ধকর সমাহারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি।

"গারুর ডাল" হল পূর্ব বাংলার একটি ঐতিহ্যবাহী, মৌসুমি ডাল এবং সবজি দিয়ে বানানো খাবার, যা পশ্চিমবঙ্গেও জনপ্রিয়।

এটি বছরে একবার, আশ্বিন মাসের শেষ দিনে রান্না করে পরের দিন অর্থাৎ কার্তিক মাসের প্রথম দিন খাওয়া হয়।
এই tradition প্রকৃতি মায়ের থেকে পাওয়া খাদ্য প্রাচুর্যকে সম্মান জানিয়ে, শরৎ থেকে হেমন্ত ঋতুর পরিবর্তনকে চিহ্নিত করে।

গরুর ডালের উপকরণগুলি একসঙ্গে প্রতি বছর শুধু এই সময়েই পাওয়া যায়। এটি বিদায়ী এবং আগত ঋতুর সবজির মিশ্রণ দিয়ে রান্না করা একটি অতি উপদেয় এবং পুষ্টিকর খাবার। এটি প্রোটিন, ফাইবার, নানা ধরণের ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ এবং ঋতু পরিবর্তনজনিত নানা ব্যাধি থেকে শরীর কে সুরক্ষা দিতে সমর্থ।

©রূপকথা

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Darjeeling?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Subhash Pally, Netaji Subhas Road, Siliguri
Darjeeling
734001