Arup Ojha

Arup Ojha

Share

Musings of Life

11/02/2026

মা ছেলেকে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, “ আমার ছেলে পাগল না, ও স্পেশ্যাল, অন্যদের থেকে আলাদা।”
যখন পৃথিবীর রাস্তাঘাট অমাবস্যার রাতে অন্ধকারে ডুবে থাকত, রাতের আঁধার মানুষের কাছে ভয়ানক ব্যাপার স্যাপার ছিল, তখন একজন ছেলে ছিল যাকে স্কুল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল পাগল, অস্বাভাবিক বলে, কিন্তু ওর মা মাথায় হাত বুলিয়ে বলেছিলেন, “তুই পাগল না, তুই স্পেশ্যাল”, তখন কেউ ছেলেটার প্রতিভা বুঝতে না পারলেও মা ঠিকই বুঝেছিলেন, এ ছেলে একদিন পৃথিবীর মানুষকে আলো দেখাবে, হয়েওছিল তাই, রাতের অন্ধকারের ভয় থেকে সে ছেলে আমাদের মুক্তি দিয়েছিল, সেই ছেলেটি আর কেউ নয়, থমাস আলভা এডিসন।
আজ এডিসনের অজানা দিক নিয়ে ছোট্ট একটা ভিডিও।

08/02/2026

রজনীকান্ত- এক সুপারস্টার শিক্ষক।
আজ একজন শিক্ষকের গল্প বলব,
যিনি আশার আলো জ্বালিয়ে রাখেন, শিক্ষক ছাত্র সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখেন।


#শিক্ষক

03/02/2026

দ্যুতি চাঁদ -লড়াইয়ের অন্য নাম

“এ তো মেয়ে না, এ ছেলে”- এই অপবাদ পেয়ে কমনওয়েলথ গেমস থেকে ব্যান হওয়ার পর ভারতের দ্রুততম নারী স্বীকৃতি পেয়ে অর্জুন পুরস্কারে সম্মানিত হওয়া- বোধহয় সবচেয়ে কঠিন কাজ ছিল, কিন্তু তা সম্ভব করেছিলেন দৌড়বিদ দ্যুতি চাঁদ।

01/02/2026

“বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর
সবার আমি ছাত্র
নানান ভাবের নতুন জিনিস
শিখছি দিবারাত্র”-
যে গুণ অর্জুনকে শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা হতে সাহায্য করেছে।

14/09/2024

কভি আলিভিদা না কহেনার শেষের দিকের সেই দৃশ্যটার কথা মনে আছে, যেখানে শাহরুখ প্রীতির ডিভোর্স হয়ে গেছে, শাহরুখ রানী মুখার্জির থেকে দূরে আছেন, মনোকষ্টে ডিপ্রেশনে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেই খেলার গ্রাউন্ডের পাশে বেঞ্চে বসলেন। সেখানে একজন মোটা লোক পেপার পড়তে এলেন। শাহরুখকে দেখেই চমকে উঠে পড়লেন, কারণ এর আগে বারবার শাহরুখ নিষ্ঠুর ব্যবহার করেছেন, তাড়িয়ে দিয়েছেন। এবার সেটা করলেন না, বরং বসতে ইশারা করলেন। প্রত্যুত্তরে লোকটি কী করলেন জানেন, তাকে জড়িয়ে ধরলেন। এই দৃশ্যটা দু-তিন সেকেন্ডের। কিন্তু এর ব্যপ্তিকে সময় দিয়ে বাঁধা যাবেনা।

লোকটি বসতে নাও পারতেন, বা বসলে অন্যদিকে ঘুরে বসতেন, বা আগের খারাপ ব্যবহারের জন্য ঝগড়াও করতে পারতেন বা দুর্ব্যবহার ফিরিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু শাহরুখের মনের অবস্থা দেখে যা করলেন, তা অনেক বড়ো মানবিকতার পরিচয় দেয়।

আমরা জানিনা আমাদের আশেপাশের চেনা অচেনা মানুষজন কেমন অবস্থায় আছে, মানসিক অবস্থা কেমন, তবু আমরা কারোর মনখারাপ দেখে যদি অন্তত তার হাতে হাত রাখতে পারি, দু-একটা হাসি মজা করতে পারি, বা নিদেন পক্ষে জড়িয়ে ধরতে পারি, তাহলে সেই মানুষের মনটা কিছুক্ষণের জন্যও ভালো হয়ে যায়।
এতে সে ভাবে, না সে একা নয়, তার পাশে কেউ একজন অন্তত আছে, হোক না সে অচেনা।
শক্তি চট্টোপাধ্যায় সেই লাইনটা তাই বারবার মনটাকে নাড়া দেয়-

“এসে দাঁড়াও, ভেসে দাঁড়াও এবং ভালবেসে দাঁড়াও
মানুষ বড়ো কাঁদছে, তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও
মানুষ বড়ো একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও।”

Want your business to be the top-listed Media Company in Contai?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Contai
721401