Sefat Mahmud

Sefat Mahmud

Share

মরে গেলে মানুষ পঁচে যায়
কিন্তু
বেঁচে থাকলে মানুষ বদলে যায়

11/02/2026

আম্মু: নাটক কম করো প্রিয় 🥴

10/02/2026

কিসের এত অহংকার?
যে দেহ নিয়ে আজ গর্ব,
যে দেহ নিয়ে আজ ব্যস্ততা—
একদিন সেই দেহই শুয়ে থাকবে
কবরের গভীর নীরবতায়।
সেদিন সাথে যাবে না টাকা,
যাবে না কোনো সম্পদ,
যাবে না দুনিয়ার কোনো পরিচয়।
থাকবে শুধু একজন মানুষ—
তার রবের সামনে,
আর তার আমল।
“كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ”
(কুল্লু নাফসিন যাইকাতুল মাউত)
প্রত্যেক প্রাণকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।
— সূরা আলে ইমরান : ১৮৫
আজ সময় আছে,
আজই ফিরে আসো আল্লাহর দিকে।

04/02/2026

দুলী, দুলী, তুমি ! এমনি নিঠুর !
ইহা ছাড়া আর কোন কথা বলে মোরে-
জীবনের এই শেষ সীমানায়
দিতে পারিতে না আজিকে বিদায় করে?
ভুলে যে গিয়েছ, ভালই করেছ, –
আমার দুখের এতটুকু ভাগী হয়ে,
জনমের শেষ বিদায় করিতে
পারিতে না মোরে দুটি ভাল কথা কয়ে ?

#সোজন_বোদিয়ার_ঘাট

03/02/2026

দুলী, দুলী, তুমি ! এমনি নিঠুর !
ইহা ছাড়া আর কোন কথা বলে মোরে-
জীবনের এই শেষ সীমানায়
দিতে পারিতে না আজিকে বিদায় করে?
ভুলে যে গিয়েছ, ভালই করেছ, –
আমার দুখের এতটুকু ভাগী হয়ে,
জনমের শেষ বিদায় করিতে
পারিতে না মোরে দুটি ভাল কথা কয়ে ?

23/01/2026

মানুষের চরিত্র সেভাবেই তৈরি হয়।
মানুষের আশপাশ সেভাবেই গঠিত হয়।
মানুষের ভবিষ্যৎ সেভাবেই নির্মিত হয়।
মানুষের বডি, পারপাস, এচিভমেন্ট, আইডল, স্বপ্ন, সিদ্ধান্ত, সম্পর্ক, এমনকি মনের প্রশান্তি পর্যন্ত—
সবকিছুর জন্ম এক জায়গা থেকেই হয় 👉 চিন্তা থেকে।

আমরা যেরকম চিন্তা করি, সেরকম কাজ করি।
যেরকম কাজ করি, সেরকম রেজাল্ট পাই।
আর এই রেজাল্টগুলোর যোগফলই হলো আমাদের পুরো জীবন।

এই কথাটা আজকের কোনো মোটিভেশনাল স্পিকার বানায়নি।
এই কথাটা কোনো ইউটিউব গুরু প্রথম বলেনি।
এই কথাটা কোনো আধুনিক কোচিং ইন্ডাস্ট্রির মার্কেটিং লাইনের ফল না।

এই কথাটা বলা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ১২২ বছর আগে।

একজন মানুষ লিখে গিয়েছিলেন—
👉 James Allen
একটা পাতলা বইয়ের ভেতরে,
যার নাম—
👉 As a Man Thinketh

পাতলা বই।
৫০ পৃষ্ঠারও কম।
হাতে নিলে মনে হয় কিছুই না।
কিন্তু মাথার ভেতরে ঢুকলে ভারী হয়ে বসে যায়।

এই বই পড়ে মজা লাগবে না।
এই বই পড়ে হাসি আসবে না।
এই বই পড়ে “ওয়াও মোটিভেশন” ফিল হবে না।
এই বই পড়ে চুপ করে বসে থাকতে ইচ্ছে করবে।
নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে।
নিজের চিন্তা নিয়ে ভাবতে হবে।
নিজের জীবন নিয়ে ভাবতে হবে।

কারণ এই বই আরাম দেয় না—
এই বই আয়না দেখায়।

---

জেমস অ্যালেনের জীবনটাই ছিল কষ্টের গল্প।
শ্রমিক পরিবার।
দরিদ্রতা।
ছোটবেলায় বাবার মৃত্যু।
সংসারের দায়িত্ব কাঁধে।
দিনভর পরিশ্রম, রাতভর পড়াশোনা।

একটা কথা খুব বিখ্যাত—
“He left school, but never left learning.”
স্কুল ছেড়েছিলেন, কিন্তু শেখা ছাড়েননি।

এই বই কোনো থিওরি না।
কোনো ফিলোসফির বুলি না।
কোনো আদর্শবাদী বক্তৃতা না।
এটা বাস্তব জীবনের ফিল্টার করা অভিজ্ঞতা।

যা তিনি বাঁচতে পেরেছেন,
যা তিনি প্রয়োগ করতে পেরেছেন,
যা থেকে তিনি রেজাল্ট পেয়েছেন—
সেটাই লিখেছেন।

---

এই বইয়ের মূল দর্শন খুব সোজা, খুব নিষ্ঠুরভাবে সত্য—

চিন্তা → কাজ → ফলাফল → জীবন

আমরা জীবন নিয়ে অভিযোগ করি।
ভাগ্যকে দোষ দিই।
মানুষকে দোষ দিই।
পরিস্থিতিকে দোষ দিই।
সময়কে দোষ দিই।
সমাজকে দোষ দিই।

কিন্তু একবারও চিন্তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাই না।

আমরা বলি— আমার জীবন কেন এমন?
আমার সাথে কেন এমন হয়?
আমি কেন পারি না?
আমার কপাল কেন এমন?

কিন্তু প্রশ্নটা আসলে হওয়া উচিত— আমি কীভাবে ভাবি?
আমি কীভাবে সিদ্ধান্ত নেই?
আমি কীভাবে পরিস্থিতিকে দেখি?
আমি কীভাবে নিজেকে দেখি?

---

এই বইয়ে একটা ভয়ংকর সুন্দর উপমা আছে—

একটা বীজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কী?
ফল না।
পাতা না।
ফুল না।
কান্ড না।

👉 শেকড়।

মানুষের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ 👉 চরিত্র।
আর চরিত্র তৈরি হয় 👉 চিন্তা থেকে।

ভালো বীজ → ভালো গাছ → ভালো ফল
খারাপ বীজ → বিষাক্ত গাছ → বিষাক্ত ফল

চিন্তাও ঠিক তেমন।

---

আরেকটা উপমা—
মন একটা কৃষি জমির মতো।

তুমি যদি ভালো বীজ না বপন করো,
জমি খালি থাকবে না।
আগাছা জন্মাবে।

মনও খালি থাকে না।
তুমি যদি ভালো চিন্তা consciously ঢোকাও না,
অটোমেটিক ঢুকবে—

নেগেটিভ চিন্তা
ভয়
হীনমন্যতা
নিজেকে ছোট ভাবা
তুলনা
হতাশা
রাগ
ফ্রাস্ট্রেশন
নিজের প্রতি ঘৃণা

এইগুলোই মানসিক আগাছা।

আর এগুলো কোথা থেকে আসে?
তোমার আশপাশ থেকে।
তোমার কনটেন্ট থেকে।
তোমার নিউজ ফিড থেকে।
তোমার বন্ধুদের কথাবার্তা থেকে।
তোমার পরিবেশ থেকে।
তোমার চিন্তার ইনপুট সোর্স থেকে।

---

আরেকটা উদাহরণ—

বাসায় চুরি হলে তুমি কী করো?
দরজা জানালা আরও শক্ত করো।
গ্রিল লাগাও।
তালা বদলাও।
নিরাপত্তা বাড়াও।

কিন্তু জীবনে ক্ষতি হলে?
আমরা দরজা শক্ত করি না।
আমরা বরং অতীত নিয়ে কাঁদি।
নিজেকে দোষ দিই।
ভাগ্যকে দোষ দিই।
জীবনকে গালি দিই।

বই বলে— চিন্তার দরজা শক্ত করো।
mental security system বানাও।
একই ভুল বারবার ঢুকতে দিও না।

---

আরেকটা গভীর উপমা—

জীবন একটা মিউজিয়ামের মতো।
ভালো বই আছে।
তলোয়ার আছে।
গ্রেনেড আছে।
অস্ত্র আছে।
জ্ঞান আছে।
ধ্বংসও আছে।

তুমি কোনটা ধরছো—
সেটাই নির্ধারণ করবে
তুমি কী হবে।

---

আরেকটা—

মাটি আর বালি সব জায়গায় পাওয়া যায়।
সোনা পাওয়া যায় না।
সোনা পেতে হলে খনি খুঁড়তে হয়।
কষ্ট করতে হয়।
ধৈর্য রাখতে হয়।
পরিশ্রম করতে হয়।

সাধারণ জীবন = মাটি-বালি
মূল্যবান জীবন = সোনার খনি

সাধারণভাবে বাঁচতে কষ্ট নেই।
মূল্যবানভাবে বাঁচতে কষ্ট আছে।

---

আরেকটা—

নদীতে নৌকা ভাসে।
কচুরিপানাও ভাসে।

কিন্তু পার্থক্য একটাই—

নৌকার লক্ষ্য আছে।
কচুরিপানার নেই।

নৌকা যায় যেখানে মাঝি চায়।
কচুরিপানা যায় যেখানে স্রোত নেয়।

প্রশ্নটা খুব সোজা— তুমি নৌকা, না কচুরিপানা?

---

এই বইয়ের মূল কথা একটাই—

তুমি পৃথিবী বদলাতে পারবে না আগে।
তুমি সমাজ বদলাতে পারবে না আগে।
তুমি মানুষ বদলাতে পারবে না আগে।
তুমি পরিস্থিতি বদলাতে পারবে না আগে।

কিন্তু তুমি চিন্তা বদলাতে পারো এখনই।

আর চিন্তা বদলালেই ধীরে ধীরে বদলাবে—

তোমার সিদ্ধান্ত
তোমার অভ্যাস
তোমার আচরণ
তোমার কাজ
তোমার রেজাল্ট
তোমার জীবন

এইটাই আসল চেইন।

এই বই কোনো মোটিভেশনাল হাই দেয় না।
এই বই সেলফ-হেল্প ড্রাগ না।
এই বই ফিলিংস না।
এই বই বাস্তবতা।

এই বই বলে— তুমি যেমন ভাবো, তেমনই হয়ে যাও।

এটাই সবচেয়ে ভয়ংকর কথা।
এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী কথা।
এটাই সবচেয়ে সত্য কথা।

আপনার জীবনে কি কখনো এমন কোনো চিন্তা ছিল,
যেটা তোমার জীবন বদলে দিয়েছে?
ভালো বা খারাপ যাই হোক।

কারণ বই বদলায় না মানুষকে,
চিন্তা বদলায় মানুষকে।
আর চিন্তা বদলালেই বদলে যায় জীবন।

18/01/2026

যে গোপনেই আসিয়াছিল, তাহাকে গোপনেই যাইতে দিলাম। কিন্তু এই নির্জন নিশীথে সে যে তাহার কতখানি আমার কাছে ফেলিয়া রাখিয়া গেল, তাহা কিছুই জানিতে পারিল না।

16/01/2026

কুকুরকে ভালোবাসুন — কখনো প্রতারিত হবেন না। 🐶❤️

কখনো ভেবেছেন,
কুকুর কেন মানুষের চেয়ে কম বাঁচে?

এই প্রশ্নের উত্তর আমাকে একদিন সত্যিই স্তব্ধ করে দিয়েছিল।

আমি একজন পশুচিকিৎসক। একদিন আমাকে ডাকা হয়েছিল বেলকার নামে দশ বছর বয়সী একটি বৃদ্ধ আইরিশ উলফহাউন্ড কুকুরকে পরীক্ষা করতে। ক্যান্সারে আক্রান্ত, শেষ সময় গুনছে।
বেলকারের পাশে ছিল তার পুরো পরিবার—রন, লিসা, আর তাদের ছয় বছরের ছোট্ট ছেলে শেন। সবার চোখে একটাই আশা, যদি কোনো অলৌকিক কিছু ঘটে।

কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের সীমা আছে। আমি জানালাম, বেলকারকে আর বাঁচানো সম্ভব নয়। কষ্ট থেকে চিরমুক্তির জন্য ইথানাসিয়ার প্রস্তাব দিলাম। তারা রাজি হলো।
আর চাইল—এই শেষ মুহূর্তে ছোট্ট শেন যেন পাশে থাকে।

পরদিন বেলকার তার পরিবারকে ঘিরে শান্তভাবে শুয়ে ছিল। শেন খুব ধীরে ধীরে তার প্রিয় কুকুরটির গায়ে হাত বুলাচ্ছিল। কোনো আতঙ্ক নেই, কোনো কান্না নেই—শুধু গভীর বোঝাপড়া।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই বেলকার সব যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হলো।

কিছুক্ষণ নীরবতা।
তারপর কথায় কথায় কেউ বলল—
“কুকুরের জীবন মানুষের তুলনায় এত ছোট কেন?”

হঠাৎ শেন বলে উঠল,
“আমি জানি কেন।”

আমরা সবাই অবাক হয়ে তার দিকে তাকালাম।

শেন বলল—
“মানুষকে জন্মের পর থেকেই শিখতে হয় কিভাবে ভালো মানুষ হতে হয়। সবাইকে ভালোবাসা, দয়া করা, শান্ত থাকা—এইসব শিখতে আমাদের অনেক সময় লাগে।
কিন্তু কুকুররা এসব আগেই জানে।
তাই তাদের এতদিন বাঁচতে হয় না।”

সেদিন বুঝেছিলাম—
একটি কুকুর শুধু পোষা প্রাণী নয়,
সে একজন নীরব শিক্ষক।

কুকুর আমাদের শেখায়—
• প্রিয়জন বাড়ি ফিরলে দৌড়ে গিয়ে অভিবাদন জানাতে
• সুযোগ এলে আনন্দকে কখনো পিছিয়ে না দিতে
• প্রতিদিন একটু রোদ, একটু বাতাস নিতে
• পর্যাপ্ত ঘুম আর খেলাধুলা করতে
• গভীর মনোযোগ দিয়ে ভালোবাসতে
• অকারণে আঘাত না করতে
• খুশি হলে সেটা প্রকাশ করতে
• বিশ্বস্ত থাকতে
• ভান না করতে
• আর কারো খারাপ সময়ে—চুপচাপ পাশে থাকতে

খুব সাধারণভাবে বাঁচা,
উদারভাবে ভালোবাসা,
গভীরভাবে কেয়ার করা,
বিনয়ী ও দয়াশীল হওয়া—
এই সুখের গোপন রহস্যগুলো কুকুররা আগেই জানে।

তাই হয়তো তারা আমাদের চেয়ে কম বাঁচে।
কিন্তু আমাদের অনেক বেশি কিছু শিখিয়ে যায়। 🤍🐾

28/12/2025

শুধু তোমার জন্য আমার কতটা অশ্রুজল গড়িয়েছে, তার কোনো ইয়ত্তা নেই।
যদি অশ্রুকণাগুলো সঞ্চয় করে রাখা যেত,
তাহলে পৃথিবীকে কয়েক হাজার বছর ধরে স্নান করানো যেত।

তোমার জন্য যে আমার কতটা নির্ঘুম রাত কেটে গেছে, তার কোনো সীমানা নেই।
যদি এই রাত্রির আঁধারগুলোকে সঞ্চয় করা যেত,
তাহলে পৃথিবী কয়েক হাজার বছর অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকতো।

আমি নূহের প্লাবন দেখিনি,
আমার হৃদয়ের রক্তক্ষরণ দেখেছি আমি।
আমি জানি না প্রশান্ত মহাসাগর কতটা উতাল হয়ে ওঠে,
কিন্তু আমি এটা নিঃসন্দেহে জানি—
তোমাকে না পাওয়ার বেদনা আমাকে কতটা উতাল করে রাখে।

আমার পৃথিবীতে কোনো কিছু চাওয়ার ছিল না,
আমার এমন কোনো চাওয়া ছিল না যার মধ্যে তুমি নেই।
তোমার অবর্তমানে আমি কতটা উন্মাদ—
তা আমার সৃষ্টিকর্তা আর আমি ব্যতীত
কেউ হয়তো উপলব্ধি করতে পারে না।

আমার হৃদয়ের প্রতিটা কণা
এখনও বীণার মতো তোমার নাম বেজে ওঠে।
আমার জীবনে আর কোনো রঙ নেই,
আমি কোনো রঙ দেখতে পাই না।
আমার চোখ মনে হয় দিন দিন বর্ণহীন হয়ে উঠেছে।

বসন্ত ধরাতে আসে, আবার চলে যায়;
কিন্তু কখন বসন্তের আগমন ঘটে, প্রস্থান ঘটে—
তা হয়তো আমার গোচরে আসে না।

- উড়ো চিঠি

উৎসর্গ (প্রিয় প্রাক্তন)

28/12/2025

আমাদের চারপাশে এমন কিছু মানুষ থাকে, যাদের মূল কাজই হলো আমাদের প্রতিটা কাজে খুঁত ধরা, যারা সবসময় আমাদের ছোট করতে বা ভুল প্রমাণ করতে ব্যস্ত থাকে।

আপনি হয়তো ঠিক কাজটিই করছেন, তবুও তারা এমনভাবে কথা বলে যেন সব দোষ আপনার।

আপনার সাথেও কি এমনটা ঘটছে?

যখন কেউ আপনাকে বারবার নিচু দেখানোর চেষ্টা করে, তখন ধীরে ধীরে আপনার মধ্যে কিছু পরিবর্তন আসতে শুরু করে:

নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা:

আপনি নিজের বিচারবুদ্ধি নিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করেন।

মানসিক অস্থিরতা:

সারাক্ষণ এক ধরণের দুশ্চিন্তা কাজ করে যে, "আমি কি আবারও ভুল করলাম?"

গ্যাসলাইটিং (Gaslighting):

এটি একটি মানসিক ফাঁদ যেখানে অন্যপক্ষ আপনাকে বিশ্বাস করায় যে আপনার স্মৃতি বা চিন্তা ভুল।

নিজেকে এসব থেকে দূরে রাখবেন কীভাবে?

আপনি যা জানেন এবং যা অনুভব করছেন, তা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকুন।
অন্যের কথায় নিজের ওপর থেকে বিশ্বাস হারাবেন না।

যারা আপনাকে বারবার আঘাত করছে, তাদের সাথে কথা বলার সময় একটি সীমা বজায় রাখুন।

মনে রাখবেন, আপনার মানসিক শান্তি অন্য কারো দেয়া সার্টিফিকেটের ওপর নির্ভর করে না।

আপনি যেমন, আপনি তেমনই সেরা।

22/12/2025

ভালোবাসা বা বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে আমরা প্রায়ই একটা ভুল মানুষের পেছনে ছুটে ক্লান্ত হয়ে পড়ি।

অথচ যে আপনাকে পাওয়ার যোগ্য, সে কখনো আপনাকে অবহেলা করবে না।

অবহেলা যেখানে, ভালোবাসা সেখানে নেই।

আমরা অনেক সময় ভাবি, হয়তো সে ব্যস্ত বা হয়তো সে এমনই।

কেউ যদি আপনাকে সত্যিই গুরুত্ব দেয়, তবে তার ব্যস্ততার মাঝেও আপনার জন্য সময় থাকবেই।

অবহেলা কোনো অনিচ্ছাকৃত ভুল না, এটা একটা পরিষ্কার সংকেত যে,তার জীবনে আপনার জায়গাটা আর আগের মতো নেই।

যে আপনাকে ভালোবাসে, সে আপনার অস্তিত্বকে সম্মান করে। সে জানে তার ছোট একটি অবহেলা আপনাকে কতটা কষ্ট দিতে পারে।

কেউ সারাদিন কাজ করেও প্রিয়জনের একটা মেসেজের উত্তর দেওয়ার সময় পায়, আবার কেউ সারাদিন শুয়ে থেকেও "ব্যস্ততা" দেখায়।
এটা পুরোটাই গুরুত্বের ওপর নির্ভর করে।

সঠিক মানুষটি আপনাকে সবসময় এটা অনুভব করাবে যে আপনি তার জীবনে কতটা স্পেশাল। তাকে পাওয়ার জন্য আপনাকে প্রতিমুহূর্তে যুদ্ধ করতে হবে না।

আমরা অনেক সময় অন্যের একটু মনোযোগ পাওয়ার জন্য নিজের আত্মসম্মান বিলিয়ে দেই।

মনে রাখবেন, যে আপনার মূল্য বোঝে না, তাকে আপনার জীবনের সেরা সময়গুলো উপহার দেওয়ার কোনো মানে হয় না।

যে আপনাকে অবহেলা করছে, সে আসলে আপনাকে আপনার প্রাপ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ।

তাই তার জন্য অপেক্ষা না করে বরং নিজেকে সময় দিন। যখন আপনি নিজে নিজের মূল্য বুঝতে পারবেন, তখন পৃথিবীও আপনার কদর করতে শুরু করবে।

যে আপনাকে পাওয়ার যোগ্য, সে আপনার নীরবতাও বুঝতে পারবে, আপনার উপস্থিতিই তার দিনটিকে স্পেশাল করে তোলে।

সঠিক মানুষের অপেক্ষায় থাকা ভালো, কিন্তু ভুল মানুষের অবহেলা সয়ে যাওয়া নিজের ওপর অন্যায়।

07/08/2025

বাংলাদেশের মতো উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর দেশে যৌন সম্পর্কের জন্য শারীরিক আরাম এবং মানসিক প্রশান্তি—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। আবহাওয়া অনুযায়ী যৌনতার উপযুক্ত সময় নির্ভর করে তাপমাত্রা, ঘামঝরা পরিবেশ, ক্লান্তি এবং ব্যক্তিগত আরামবোধের ওপর। নিচে ঋতুভিত্তিক ও সময়ভিত্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

---

🔥 দিনের কোন সময় সেক্সের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত?

✅ ভোরবেলা (সকাল ৫টা–৭টা)

হরমোন লেভেল (Testosterone) এই সময় সর্বোচ্চ থাকে, ফলে যৌন উত্তেজনা ও শক্তি বেশি থাকে।

শরীর ও মস্তিষ্ক বিশ্রামপ্রাপ্ত থাকে, ফলে পারফরম্যান্স ও উপভোগ দুটোই বাড়ে।

তাপমাত্রা ঠান্ডা থাকে, যা আরামদায়ক।

✅ রাত ১০টা–১২টার মধ্যে

কাজকর্ম শেষ, মানসিক চাপ কম থাকে।

গরমের দিনে রাতের ঠান্ডা পরিবেশ যৌনতার জন্য আরামদায়ক।

---

🌦️ ঋতুভিত্তিক যৌনতার উপযুক্ত সময়

১. গ্রীষ্মকাল (এপ্রিল–জুন)

🔥 উচ্চ তাপমাত্রা ও ঘাম বেশি হয়।

উপযুক্ত সময়: রাত ১০টা–সকাল ৭টার মধ্যে, যখন পরিবেশ ঠান্ডা থাকে।

পরামর্শ: এসি/ফ্যান চালিয়ে ঘর ঠান্ডা করে নিন। শরীর ঘেমে গেলে বিরক্তি আসতে পারে।

২. বর্ষাকাল (জুলাই–সেপ্টেম্বর)

☔ আবহাওয়া রোমান্টিক হলেও আর্দ্রতা বেশি থাকে।

উপযুক্ত সময়: ভোরবেলা ও গভীর রাত

পরামর্শ: মশা বা ঠান্ডা লাগার বিষয়ে সচেতন থাকুন। তবে বৃষ্টির শব্দ অনেককে রোমান্টিক মুডে আনে।

৩. শরৎ ও হেমন্তকাল (অক্টোবর–নভেম্বর)

🍃 আবহাওয়া আরামদায়ক ও ঠান্ডা-মিষ্টি।

উপযুক্ত সময়: দিনের যেকোনো সময়ই আরামদায়ক হতে পারে।

এই সময় সবচেয়ে উপযুক্ত বলে ধরা হয়, কারণ তাপমাত্রা ভারসাম্যপূর্ণ।

৪. শীতকাল (ডিসেম্বর–ফেব্রুয়ারি)

❄ ঠান্ডা পরিবেশে শরীর উত্তপ্ত হতে চায়।

উপযুক্ত সময়: রাত বা সকাল, বিশেষ করে কাঁথার নিচে।

রোমান্টিকতা বাড়ে এবং শরীর উষ্ণ রাখতে যৌনতা প্রাকৃতিক উপায় হতে পারে।

৫. বসন্তকাল (মার্চ)

🌸 আবহাওয়া মিষ্টি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সুন্দর।

উপযুক্ত সময়: সন্ধ্যা বা সকাল – খুব গরম পড়ে না, আবার ঠান্ডাও না।

---

✅ সারসংক্ষেপে সেরা সময়:

ঋতু সেরা সময় কারণ

গ্রীষ্ম : ভোর বা গভীর রাত ঠান্ডা পরিবেশ
বর্ষা : ভোর বা রাত রোমান্টিকতা, ঠান্ডা পরিবেশ
শরৎ : যেকোনো সময় আরামদায়ক আবহাওয়া
শীত : সকাল/রাত শরীর উষ্ণ রাখতে সহায়ক
বসন্ত : সকাল/সন্ধ্যা আবহাওয়া হালকা ও আনন্দময়

14/07/2025

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই কারণ তারা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের শত্রু। ভারতের এজেন্ট। তাই তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই।

তাহলে ১৯৭১ সালে যারা যুদ্ধাপরাধী দল তারা এই দেশে অবাধে রাজনীতি করার অধিকার পায় কিভাবে? তাদের কেন নিষিদ্ধ করা হলো না?

তাহলে স্বাধীনতার পর আপনি কিভাবে বলতে পারেন এটা নতুন বাংলাদেশ এবং বৈষম্য বিরোধী বাংলাদেশ?

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের নামে দেশকে ভারতের কাছে বেঁচে দিয়েছে।

কিন্তু জামায়েত ইসলাম, ইসলামের নামে দেশ কে পাকিস্থানের কাছে বিক্রি করে দেবে। এই কঠিন সত্য আমরা মানতে নারাজ। কারণ আমরা মানুষ হওয়ার আগে বাঙালি হয়ে গেছি।

আমরা বাঙালি হয়েছি কিন্তু এখনো মানুষ হয়নি। কারণ সত্য মিথ্যা চিনতে পারি না এখনো।

৭১ এর গণহত্যাকারী দল জামাত ইসলাম এদেশে যদি এখনো নিরাপদে রাজনীতি করতে পারে তাহলে সেই ধারা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ও এই দেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে।

আপনি যদি নিজেকে বাঙালি পরিচয় দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করেন। তাহলে আপনি বাংলাদেশকে অস্বীকার করছেন।

একাত্তরে আওয়ামী লীগের নেতা শেখ মুজিবের ভূমিকা ছিল। যুদ্ধের সময়ে যুদ্ধের মাঠে সরাসরি মেজর জিয়ার ভূমিকা ছিল। জামাত ইসলামের কি ভূমিকা ছিল বলতে পারবেন?

মা বোনের ইজ্জত নষ্ট করা ছাড়া এরা এই জাতিকে কি দিতে পেরেছে?আর ধর্ম ব্যবসা করে আপনাদেরকে অন্ধ করে রেখেছে। তাই বাঙালি হওয়ার আগে মানুষ হন। অন্ধের মত ধর্মব্যবসায়ীদের পথে হাঁটবেন নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন।

এখন বলবেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মানুষ এখন আর খায় না। তাহলে মনে রাখবেন মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করলে আপনি জারজ। কারণ আপনি বাংলাদেশকেই অস্বীকার করলেন।

আল্লাহ আপনাদেরকে বিবেক দিয়েছে, তাই সিদ্ধান্ত আপনাদের কোন দলকে আপনারা বেছে নেবেন। গণতন্ত্র এবং ইসলাম কায়েমের নামে দেশকে অন্য দেশের কাছে বেচে দিবেন।

নাকি সঠিক দলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।

একটা কথা মনে রাখবেন গণতন্ত্রের বিকল্প বর্তমানে কিছু নেই। গণতন্ত্রের বাইরে গেলে দেশটা জঙ্গি রাষ্ট্র হয়ে যাবে। কারণ একটা দেশের ক্ষমতায় সরাসরি গেলে কখনো ইসলাম কায়েম হয় না।

জামাত ইসলাম এদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে বিরোধিতা করছে। কারণ এদের তো মানবতা নেই। এরা তো বিরোধিতা করবেই যারা ৭১ এ হাজার মা বোনের সম্মান কেড়ে নিয়েছে।

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, ইনক্লাব জিন্দাবাদ।

© Mohammad Bin Sefat

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Area?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Bangladesh-India Highway, Jessore Road
Area
7431