Syloti Canadian

Syloti Canadian

Share

A Sylheti individual exploring Canada

A Sylheti individual exploring Canada, rooted in the rich cultural heritage of Sylhet, a region in Bangladesh known for its natural beauty, tea gardens, and vibrant traditions, while embracing the diverse landscapes and multicultural environment of Canada. As I traverse bustling urban centers like Toronto or Vancouver, they may admire the harmony of diverse communities, which might feel reminiscen

03/28/2026

কানাডায় বাংলাদেশী রিফিউজি এসাইলাম সিকারের সংখ‍্যা কত? হ‍্যাঁ, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কানাডায় ৪০৭০ জন বাংলাদেশীর রিফিউজি এসাইলাম ক্লেইম রেফারড করা হয়েছে।

এই একই সময়ের মধ‍্যে ২৫৫৭ জনের এসাইলাম কেইস কোর্টে নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১২০৩ জনের এসাইলাম কোর্টে এক্সেপ্ট হয়েছে, ৮৬৭ জনের এসাইলাম কোর্টে রিফিউজ হয়েছে, ২২৮ জনের এসাইলাম রিফিউজি বোর্ড থেকে পরিত‍্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে এবং ২৫৯ জন এই সময়ের মধ‍্যে এসাইলাম উইথড্রো করে কানাডা থেকে বাংলাদেশে ফিরে গেছেন।

২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত কানাডায় বাংলাদেশী সর্বমোট ২০০৯৯ জনের রিফিউজি এসাইলাম কেইস পেন্ডিং আছে।

কানাডায় ৩১/১২/২০২৫ ইং তারিখে সর্বমোট ২,৯৯,৬১৪ টি রিফিউজি এসাইলাম কেইস পেন্ডিং আছে।

তন্মধ‍্য, ভারত ৪৫৬৮৭ টি, হাইতি ২৯৩৪৯ টি, মেক্সিকো ২৪০৫৯ টি, নাইজেরিয়া ২১৫৭৩ টি, বাংলাদেশ ২০০৯৯ টি, শ্রীলংকা ১২৬২৭ টি, ইরান ১১৪৪৮ টি এবং ঘানার ৯৭৮৪ টি রিফিউজি এসাইলাম কোর্ট হিয়ারিং এর জন‍্য পেন্ডিং আছে।

ইমিগ্রেশন এবং রিফিউজি বোর্ড অব কানাডার বিভিন্ন তথ‍্যানুসারে এই পেন্ডিং এসাইলামগুলো খুব দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা চলছে। এ বছর ম‍্যাক্সিমাম এসাইলাম নিষ্পত্তির জন‍্য রিফিউজি বোর্ড সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সুতরাং হঠাৎ যে কারো ইন্টারভিউর ডাক আসতে পারে। তাই, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিন ভাল রেজাল্টের জন‍্য।

মনে রাখবেন, যদি প্রথম কোর্ট হিয়ারিং এ এসাইলাম কেইস জিততে না পারেন তাহলে প্রচুর অর্থ ও সময় ব‍্যয় হবে এবং লয়ারের পিছনে দৌড়তে দৌড়তে একসময় জীবনটা পাগল হয়ে যাবে।

এরপর যত দিন যাবে তত পজিটিভ রেজাল্টের আশা কমতে থাকবে। যারা কানাডায় আছেন তারা নিশ্চয় আমার এই কথাটির অর্থ বুঝতে পেরেছেন। সুতরাং সবাই শক্ত ভাবে প্রস্তুতি নিন। প্রথম শটেই গোল দিতে হবে।

Photos from Syloti Canadian's post 11/10/2025

সিলেটিরা আবাদি বলতে রিফুজি মিন করে। অর্থাৎ বাঙালি কিংবা অবাঙালি যারা ব্যবসা, চাকরি অথবা বিবাহসূত্রে সিলেট বিভাগে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাস করে কিন্তু তাদের পূর্বপুরুষ সিলেটি নয় তারাই আবাদি। এটা কোনো গালি নয়, এটা একটা সম্বোধন।

11/10/2025

সিলেট শহরের প্রতিটা প্রতিষ্ঠান ও দোকানে সিটি চার্জযুক্ত ময়লার বিন রাখা বাধ্যতামূলক করা হোক। এবং রাস্তায় ১০০ গজ পর পর বিন রাখা হোক। আর কতকাল প্রাচীন স্টাইলে চলবে আমাদের সিস্টেম? উন্নত শহরগুলো কতটা এগিয়ে যাচ্ছে আপনারা কি দেখেন না! অন্তত সিলেটকে আমরা রিকশা, হকার এবং ময়লামুক্ত দেখতে চাই। সেই সাথে ননস্টপ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সুবিধা চালু করা হোক।

11/06/2025

"ফুটপাতের মালিক পথচারী"
"চলবেনা অবৈধ দোকানদারি"
-নাসির উদ্দিন হেলাল।
প্রিয় সিলেটবাসী,
যথারীতি, সালাম,আদাব,প্রীতি,শুভেচ্ছা ও বুকভরা ভালবাসা নিবেদন, শ্রেণী মতো আপনারা সকলের করকমলে।
আজ আলোচনা করবো:-
১. সিলেট শহরের ফুটপাত হকারমুক্ত হইলে ক্ষতিগ্রস্ত কাহারা বেশী?? হকারগণ? নাকি, হকার থেকে যারা মাসে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করতো??
২. ফুটপাত হকারমুক্ত করতে প্রশাসন ১০০% সফল, কিন্তু নাগরিক দ্বায়িত্ব পালনে নাগরিকবৃন্দ ১০০% উদাসীন কেনো??
৩. কোন কোন পদ্ধতিতে নাগরিক দ্বায়িত্ব পালন করতে সুবিধা হবে।।

প্রিয় সিলেটবাসী,
আসুন প্রথমেই তৃতীয় ধাপ অর্থাৎ ফুটপাত হকারমুক্ত রাখতে:-
ক:-সিলেট শহরের মসজিদ কমিটি মুসল্লীগনকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে বিশেষ করে মাগরিব ও এশার নামাজের পর মসজিদ সংলগ্ন আশপাশ এলকায় হকারমুক্ত রাখার ভুমিকা নিতে পারেন।
যেমন কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমিটি ও মুসল্লি সমন্বয়ে জেলাপরিষদ মিলনায়তন থেকে বঙ্কবাবু বাজার পর্যন্ত রাস্তার দুনো পার্শ্ব মনিটরিং করতে পারেন।
খ:-কোর্ট পয়েন্ট মসজিদ কমিটি ও মুসল্লি মিলে জিন্দাবাজার ও বন্দর বাজার সংলগ্ন ফুটপাত মনিটরিং অনায়াসেই করতে পারেন।
গ:- আবুতুরাব ও জামে মসজিদ থেকেও অনুরুপ পদক্ষেপ নিতে পারেন।
ঘ:- টি&টি সংলগ্ন মসজিদ থেকেও সমান পদক্ষেপ নিতে পারেন
ঙ:- এরকম আল মারজান মসজিদ থেকে শুরু করে আম্বরখানা পর্যন্ত রাস্তা ও ফুটপাত সংলগ্ন মসজিদ কমিটি মুসল্লী সমন্বয়ে উদ্যোগ গ্রহণ ও ফুটপাত হকারমুক্ত রাখতে সচেষ্ট হওয়াও নাগরিক দায়িত্বে বর্তায়।।
তাছাড়া, দাড়িয়াপাড়া,জল্লারপার,মির্জাজাঙ্গাল, শেখঘাট, পুরান মেডিকেল, দরগামহল্লা, তাতিপাড়া,কুমারপাড়া, নয়াসড়ক, চারা দীঘির পার সহ আশপাশের সকল সমাজিক সংগঠন গুলোও এগিয়ে এসে সরকারি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বয়ে সিলেট শহরের ফুটপাতকে হকারমুক্ত রাখতে সচেষ্ট হইলে আশাকরি সুফল আসবেই আসবে।।

প্রিয় সিলেটবাসী,
দ্বিতীয় ধাপে বলেছিলাম প্রশাসন সিলেট শহরের ফুটপাত ১০০% সফল হওয়ার পিছনে সিলেটের বর্তমান ডিসি সারোয়ার আলম ও এসএমপি কুদ্দুস সাহেবের সদিচ্ছা নিশ্চয়ই।
তবে বর্তমান সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়। দলীয় চাপমুক্ত বা কোনো দলীয় হোমরাচোমরার প্রেশারমুক্ত ছিলেন। তাদের কাজে বাধার সৃষ্টি করতে পারেনি কেউ। তাছাড়াও আমাদের ডিসি সাহেবের ইতিহাস এপর্যন্ত স্বচ্ছ ও পরিষ্কার, তিনি একজন চৌকস ও সৎ কর্মকর্তা।।

প্রিয় সিলেটবাসী,
এখন প্রথম ধাপ নিয়ে কিছু অপ্রিয় সত্য আমাকে বলতেই হবে। বিগত বছরগুলোতে হকাররা কিভাবে অবৈধ ভাবে পথচারী চলাচল ফুটপাত দখল করে রাস্তা পর্যন্ত হকাররা দখলে নিয়েছিলো। কোন খুঁটির জোরে?? তাহা ওপেনসিক্রেট ছিলো।। যেমন সরকার দলীয় নেতা, পাতিনেতা ও কিছু প্রশাসনের অসাধু সদস্যগন।। এই সরকারি দলীয় নেতা খতা, অসাধুদের
পুষতে গিয়ে প্রতি মাসে হকারদের পঞ্চাশ লক্ষ টাকা চাঁদা গুনতে হতো।
টাকার এমাউন্টটা জানতে পেরেছি গতমাসে কোনো একটি দলের বহিষ্কৃত ব্যাক্তি সিলেট ফুটপাতের হকারদের থেকে মাসের চাঁদাবাজির হিসাব অনুযায়ী ।।
সিলেটবাসীকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, ফুটপাত শুধু পথচারীর। দলীয় চাঁদাবাজ ও কতিপয় অসাধু প্রশাসনিক সদস্যরা যাহাতে আর তাদের কালো থাবা বসাতে না পারে।।

প্রিয় সিলেটবাসী,
অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে দোকানদারি, অবৈধ ব্যাটরি চালিত রিক্সা বন্ধের জন্য প্রশাসন যেখানে জিরো টলারেন্স ফর্মূলায়, সেখানে কিছু কুচক্রী মহল
*আবাদী-অনাবাদী*র জিকির তুলে মুল বিষয় থেকে দৃষ্টি সরাতে ওরা সচেষ্ট।।
সিলেটে যে বা যাহারা বাস করেন সকলেই সিলেটের সৌন্দর্য, কৃষ্টি, লালন করতে হবে।।
আশা করি প্রশাসন ও নাগরিক সচেতনতায়, আগামীর সিলেট হবে হকারমুক্ত ফুটপাত, নতুন করে কোনো চাঁদাবাজ গজাবেনা।।

11/06/2025

হবিগঞ্জী সুনামগঞ্জী মৌলভীবাজারী বলে কেউ কেউ সিলেটিদের মধ্যে বিভাজন ধরাতে চায়। এটা বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের চার জেলা এবং ভারতের আট জেলার সবাই সিলেটি। এখানে ভিন্ন সম্বোধন চলবে না।

10/27/2025

হায়রে আমার প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ!

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের রাস্তায় একটি বিলবোর্ডে চোখ আটকে গেল। তাতে পর্তুগিজ ভাষায় লেখা—“ISTO NÃO É O Bangladesh”, অর্থাৎ “এটা বাংলাদেশ নয়।” পর্তুগালের বিরোধীদলীয় নেতা আন্দ্রে ভেনচুরা (Andre Ventura) তার দেশের সরকারকে উদ্দেশ্য করে এই কথাটি বলেছেন।

শব্দগুলো নিছক একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গ নয়; এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এক জাতির প্রতি অবমাননা। শুধু পর্তুগাল নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আজ “বাংলাদেশ” নামটি দুর্নীতি আর অরাজকতার প্রতীক হয়ে উঠছে।

মাতৃভূমি বাংলাদেশকে নিয়ে বরাবরই আমরা গর্ব করি। একসময় বিদেশি বন্ধুদের বলতাম, বাংলাদেশ কোনো পিছিয়ে পড়া দেশ নয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করা এই জাতি প্রতিনিয়ত বিশ্বকে চমকে দিচ্ছে।

গর্ব হতো ভেবে যে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দক্ষ বাঙালি কর্মীরা নিজেদের মেধা ও পরিশ্রমে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছেন। বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা নাসায় গবেষণায় অবদান রাখছেন, আর বাঙালি শিক্ষার্থীরা পড়ছেন বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। আরও গর্বে বুক ভরে যেত যখন শুনতাম, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বহু উন্নয়নশীল দেশকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ কথা মানতে হবে যে, আমরা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা কিংবা মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের দেশগুলোতে বসবাসরত বাঙালিরা সৎ, পরিশ্রমী ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শত মতপার্থক্য থাকলেও, অন্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় বাঙালিদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

প্রশ্ন জাগে তবে কেন আমাদের দেশের এত বদনাম? কেন বিদেশিরা আমাদের জাতিকে আজ হেয় চোখে দেখছে?

বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে লক্ষ্য করেছি প্রবাসী বাংলাদেশিরা কিভাবে দেশকে ভালবাসে। আমি উপলব্ধি করেছি নাড়ির টান কাকে বলে! বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক কিছু শুনলেই আমার রক্তে আগুন জ্বলে ওঠে। কেবল আমারই নয়; আমি মনে করি প্রত্যেক প্রবাসী বাঙালির রক্ত টগবগ করে ওঠে।

বছর কয়েক আগের এক ঘটনা আজও আমার স্নায়ুতে দোলা দেয়। দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার, আমার ছুটির দিন। দুপুরে টরন্টোর ব্যস্ততম এলাকায় ঘুরছিলাম। ঘুরতে ঘুরতে এক ইলেকট্রনিক্স দোকানে ঢুকলাম। দোকানে বাজছিল উচ্চস্বরে ক্যারিবিয়ান সংগীত। হঠাৎ গানের মাঝে শুনতে পেলাম ‘বাংলাদেশ’। চমকে উঠে ঐদিকে গেলাম। এক কৃষ্ণাঙ্গ সেলসম্যান গানের তালে তালে নাচছিল।

তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “এই গানটিতে কি বাংলাদেশের কথা বলা হচ্ছে?”
সে হেসে বলল, “অবশ্যই।”
আমি তাকে গানটি আবার প্লে করতে অনুরোধ করলাম, আর সে হাসিমুখে গানটি আবার চালাল। শুনলাম, সত্যিই বাংলাদেশের কথা এসেছে। কিন্তু ক্যারিবিয়ান ভাঙা ইংরেজিতে অর্থ বুঝতে পারলাম না। জানতে চাইলাম, এটি কোন দেশের গান। সেলসম্যান জানাল, এটি এন্টিগুয়ার (দক্ষিণ আমেরিকার ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে দেশটি অবস্থিত) গান, গেয়েছেন সেদেশের গণসংগীত শিল্পী Brother Emmanuel।

আমি কৌতূহলভরে জিজ্ঞেস করলাম, “গানে বাংলাদেশের নাম কেন এসেছে?”
সেলসম্যানের উত্তর আজও কানে বাজে। “Brother Emmanuel তাঁর দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘হে আমার দেশের মানুষ, দেশকে ভালোবাসো, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি ত্যাগ করো, না হলে একদিন তোমাদের দেশও বাংলাদেশ হয়ে যাবে।’”

পলকে শরীরের প্রতিটি শিরা যেন কেঁপে উঠল। মুহূর্তেই বুঝতে পারলাম, ‘বাংলাদেশ’ আজ কেবল একটি দেশের নাম নয়, এটি বিশ্বের কাছে এক সতর্কবার্তা। এই বুঝি আমাদের পরিচয়! যে জাতি একসময় সাহস, ত্যাগ আর সংগ্রামের প্রতীক ছিল, আজ তার নাম উচ্চারিত হচ্ছে হতাশা ও দুর্নীতির উদাহরণ হিসেবে! নিজের মনকে প্রশ্ন করি—কীভাবে সেই গর্বিত বাংলাদেশ এমন অবস্থায় এসে দাঁড়াল? একদিন যে পৃথিবীর মানুষ বাঙালির বীরত্ব ও আত্মত্যাগে মুগ্ধ হয়েছিল, আজ তারাই কেন আমাদের দিকে তাকায় তাচ্ছিল্যের, এমনকি ঘৃণার দৃষ্টিতে?

না, হতাশ হচ্ছি না। হতাশ হব না। স্বপ্ন দেখি, আবারও বাঙালি জেগে উঠবে; যেভাবে একদিন মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জেগে উঠেছিল। যেদিন আমরা সৎ নেতৃত্ব বেছে নেব, দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলব, স্বজনপ্রীতির সংস্কৃতি ভাঙব তখন হয়তো আবার পৃথিবীর মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ’ নামটি গর্বের প্রতীক হয়ে উঠবে। সেদিন বিশ্ববাসী আবার বলবে— “সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী আবার অবাক তাকিয়ে রয়, জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।”

©Nazrul Minto

10/20/2025

পেপার ভার্শন G1 নলেজ টেস্ট বাংলায় দেওয়া যাবে।

10/07/2025

Sylheti Language - ꠍꠤꠟꠐꠤ ꠝꠣꠔ
Sylheti Calendar 2026

09/25/2025

অন্টারিওতে স্পিড ক্যামেরা থাকছে না।

অন্টারিওতে স্পিড ক্যামেরা নিষিদ্ধের আইন আগামী মাসেই অন্টারিও প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড ঘোষণা করেছেন, তাঁর সরকার আগামী মাসে একটি আইন আনবে যা পৌরসভাগুলোর ব্যবহৃত স্পিড ক্যামেরাগুলো পুরো প্রদেশজুড়ে তুলে দেবে। ফোর্ডের ভাষায়, এগুলো মূলত স্থানীয় সরকারের জন্য “ক্যাশ গ্র্যাব” ছাড়া আর কিছু নয়। বৃহস্পতিবার ভন-এ এক সংবাদ সম্মেলনে ফোর্ড বলেন, এমন সময়ে যখন সব স্তরের সরকারকে খরচ কমানোর এবং মানুষের জীবনকে আরও সাশ্রয়ী করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত, অনেক পৌরসভা স্পিড ক্যামেরাকে ক্যাশ গ্র্যাব হিসেবে ব্যবহার করছে।
নতুন আইন পাশ হলে, অন্টারিওর ৪০টি শহরের ৭০০-রও বেশি স্পিড ক্যামেরা তুলে দেওয়া হবে। পৌরসভাগুলোকে এ বছরের নভেম্বরের মধ্যে বড় বড় সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বসাতে হবে এবং ২০২৬ সালের শরৎ নাগাদ স্থায়ী ফ্ল্যাশিং লাইট সাইন বসানো বাধ্যতামূলক হবে। প্রদেশ বলছে, সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করতে “নতুন প্রাদেশিক তহবিল” গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে স্পিড বাম্প, রাউন্ডএবাউট, উঁচু ক্রসওয়াক, কার্ব এক্সটেনশন, জনসচেতনতা কার্যক্রম এবং সাইনেজ উন্নয়নের মতো বিকল্প উদ্যোগে অর্থ দেওয়া হবে। ভন-এর মেয়র স্টিভেন ডেল ডুকা, যিনি ইতিমধ্যেই তাঁর শহরের ক্যামেরা প্রোগ্রাম বাতিল করেছেন, তিনি ফোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্পষ্টতা দেওয়ার জন্য এবং অন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য সম্পদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞ।

09/15/2025

Do you find any similarities :
ইংল্যান্ড ও আমার অভিজ্ঞতা:

লন্ডনে আসার পর গত তিন বছরে এই প্রশ্নের উত্তর এখন আমার কাছে দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট। এক কথায় যদি বলি, ইংল্যান্ডে আমার ধারণা মতে ৭০ - ৮০% মুসলিমের শরীরে হারাম রক্ত। ইনকামে হারামের গন্ধ।

এই বছরের পহেলা রমজান থেকে চার মাস তাবলীগে ছিলাম। সেই সুবাদে ইংল্যান্ডের অনেক শহরেই ঘুরে বেড়িয়েছি। এর মধ্যে প্রায় তিন মাস ছিলাম একটি বিদেশী জামাতের অনুবাদক হিসেবে। কখনো আরবী থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ, কখনো উর্দু থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করতে হতো। বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ পড়ানোর জন্য এবং ধর্মীয় আলোচনার জন্য আমাকে বড়দের থেকে আদেশ করা হতো।

একদিন বাংলাদেশী একটি মসজিদে জুমার বয়ানের আগ মুহূর্তে সেই মসজিদের ইমাম সাহেব আমাকে কানে কানে বলে দিলেন, মাওলানা! মদের বিষয় ছাড়া অন্য যেকোনো বিষয়ে আলোচনা করতে পারেন। শুধু মদের বিষয়টি নিয়ে কোন কথা বলবেন না। ইমাম সাহেবের মুখ থেকে এই কথা শুনে আমি থ হয়ে গেলাম।

পরে জানতে পারলাম, সেই মসজিদ কমিটির সভাপতি থেকে শুরু করে মোটামুটি সবাই তাদের রেস্টুরেন্টে মদ বিক্রি করেন। এবং এটাই তাদের প্রধান ইনকাম। অথচ আবার দেখা যায়, তাদের ছেলেরা মাদ্রাসায় পড়ছে। আপনারাই বলুন! যেই সন্তানের রক্তে বাবার ইনকামের হারাম মিশে আছে, সেই সন্তানের হৃদয়ে কুরআন কতটুকুই বা প্রভাব বিস্তার করতে পারে?

আমার তখন মনে পড়ে গেল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই হাদিসের কথা, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, এমন একটা সময় আসবে যখন বান্দা কোরআন তেলাওয়াত করবে, কিন্তু কুরআন তার কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না।

আজ ইংল্যান্ডে ঘরে ঘরে কোরআনের হাফেজ মিলে কিন্তু তারা ইসলামিক বিধান থেকে যোজন যোজন দূরে। দাওরায়ে হাদিস পড়ুয়া আলেমা পাওয়া যায় মোটামুটি সবার ঘরেই। কিন্তু এসব আলেমা বোনদের থেকে আমার গ্রামের মূর্খ দাদী নানীরা আরো ভালো পর্দা করে।

আমার একটা ইচ্ছে ছিল, বাংলাদেশী মুসলিম ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট বা এই ধরনের চ্যারিটি-মূলক কাজ করার। এটা আমার একটা স্বপ্ন বলা চলে। অভিজ্ঞতার জন্য এশিয়ান রুরাল ফাউন্ডেশন এর অধীনে বেশ কিছুদিন কাজ করেছি। উম্মাহ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এবং অন্যান্য কিছু চ্যারিটির সাথে ওঠা-বসা হয়েছে।

একদিন কোন এক চ্যারিটির হেড অফিসে গেলাম, সেখানে এক বোন আমাকে স্বাগত জানালেন। স্মার্টনেস আর আধুনিকতায় তার কোন কমতি ছিল না। আমি ভেবেছিলাম হয়তো তিনি নাম মাত্র মুসলমান। কথা বলার এক পর্যায়ে পাকিস্তানি সেই বোনটি আমাকে জানালেন, তিনি দাওরায়ে হাদিস সমাপ্ত করে আলেমা উপাধি গ্রহণ করেছেন। আমার চোখ তখন কপালে উঠে গেল। এ আমি কি শুনছি? এই যদি হয় একজন আলেমা বোনের পোশাকের অবস্থা। ইংল্যান্ডে আমাদের ভবিষ্যৎ কি হতে যাচ্ছে?

তার থেকেও বেশি অবাক আমি সেদিন হয়েছিলাম, যেদিন হাসপাতালে 19 বছর বয়সী এক মুসলিম যুবককে শূকরের গোস্ত খাইতে দেখলাম। ছেলেটির নাম ছিল মোহাম্মদ। আগ্রহের বসে তার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম তিনি ইরানের ছেলে। ইংল্যান্ডেই তার জন্ম। জিজ্ঞেস করলাম, তুমি যে শুকরের গোশত খাচ্ছো, এটা কি তোমার আব্বু-আম্মু জানে? ছেলেটি জানালো, তার মা-বাবার সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই।সরকারি আশ্রয়ে সরকারি ভাতা গ্রহণ করে বেনেফিটে আছে। নিজের মতো করে চলে।

ইংল্যান্ডের আইন হলো, সন্তান 18 বছর হওয়ার আগ পর্যন্ত মা-বাবা যদি কখনো সন্তানকে চোখ রাঙিয়ে কথা বলে কিংবা ধমক দেয়, সোশ্যাল সার্ভিস জানতে পারলে কিংবা সন্তান যদি স্কুলে গিয়ে তার শিক্ষকদের জানিয়ে দেয়, তাহলে কোন সাক্ষী প্রমান ছাড়াই সেই মা-বাবাকে জেলে থাকতে হবে এবং সোশ্যাল সার্ভিস এসে এই সন্তানকে এমন কোথাও নিয়ে যাবে যে, এই মা-বাবা সন্তানকে আর খুঁজে পাবে না। আর সন্তানের বয়স যখন ১৮ হয়ে যাবে, তখন সে চাইলেই মা-বাবাকে ছেড়ে আলাদা সরকারি বাসায় চলে যেতে পারবে। এই কারণে অভিভাবকগণ সব সময় আতঙ্কে থাকেন।

পাকিস্তানি এক পরিবারের ঘটনা তুলে ধরছি। এক ভদ্রলোকের দ্বিতীয় সন্তান দুনিয়াতে আসলো। প্রথম সন্তান তখন প্রাইমারি স্কুলে পড়ে। বয়স আনুমানিক পাঁচ কিংবা ছয়। বাবা তার প্রথম সন্তানকে বুঝালো, আমি আল্লাহর কাছে তোমার জন্য একটা ছোট ভাই চেয়েছিলাম, আল্লাহ তায়ালা ডাবের ভিতরে করে তোমার জন্য এই ছোট্ট ভাইটি উপহার দিয়েছেন।

পরের দিন ছেলেটি স্কুলে গিয়ে তার সহপাঠীকে খুশির সংবাদ দিল, আমার আব্বু ডাবের ভিতরে আমার জন্য একটা বেবি পেয়েছেন, এটা বড় হলে আমাকে ভাই ডাকবে। ঘটনাক্রমে এই সংবাদটি স্কুল শিক্ষিকার কানে পৌঁছে গেল। তখন স্কুল শিক্ষিকা ক্লাসের সবাইকে ডিজিটাল ওয়াল স্ক্রিনে দেখালেন, কিভাবে মায়ের পেটে সন্তানের জন্ম হয় এবং কিভাবে দুনিয়াতে আসে। এবং আরো বলে দিলেন, তোমার আব্বু যা বলেছেন 'সন্তান ডাবের ভিতর থেকে পেয়েছেন' এটা মিথ্যা কথা।

বাসায় ফিরে পাকিস্তানি পাঁচ বছর বয়সী ছেলেটি যখন বাবাকে জানালো, তার শিক্ষিকা তাকে সবকিছু শিখিয়েছেন, মায়ের পেটে কিভাবে সন্তান তৈরি হয়? কিভাবে সন্তান দুনিয়াতে আসে? সন্তানের মুখের কথাগুলো শুনে বাবা লজ্জায় নত হয়ে গেলেন। এবং পরদিনই তিনি পাকিস্তানের টিকেট কেটে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ইংল্যান্ড ছেড়ে পাকিস্তান চলে গেলেন।

আরেকটি গোপন ঘটনা শেয়ার করছি, ম্যানচেস্টারের এক ভদ্র মহিলা (যিনি সম্পর্কে আমার খালা হন) তার নিজের আপন ভাতিজার জন্য বাংলাদেশ থেকে তার আপন বোনজি তানি ( ছদ্মনাম) আপুর সাথে বিবাহ পাকাপুক্ত করলেন।

অথচ এই ভদ্র মহিলা জানতেন না যে, ভদ্র চেহারার আড়ালে তার ভাতিজা একজন ড্রাগ ডিলার ( যা ইসলামিক আইনে এবং ইংল্যান্ডের আইনে অবৈধ)। তিনি তো ভাতিজার সাদামাখা চেহারা দেখে ভালো মনে করেই নিজের কলিজার বোনজির সাথে তার বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে করে যদি বোনজি লন্ডনে আসতে পারে।

কিন্তু সেই ভদ্র মহিলার বড় ছেলে মুটামুটি একজন ভালো আলেম বলা চলে। তিনি জানতেন তার চাচাতো ভাই ড্রাগ ডিলিং এর সাথে জড়িত। তখন তিনি গোপনে আপন চাচাতো ভাইকে ব্ল্যাকমেইল করলেন এই বলে যে, তুমি যদি আমার খালাতো বোনকে বিয়ে করতে চাও, তাহলে তোমার গোপন অবৈধ ব্যবসার কথা আমি পরিবারের সবাইকে জানিয়ে দিব। যদি বাঁচতে চাও, তাহলে আমার মাকে বলে দাও যে, মেয়ে পছন্দ হয়নি। তুমি এই বিয়ে ক্যানসেল করে দাও। পড়ে তাই হল। আজ পর্যন্ত কেউ জানে না, এই বিয়েটি কেন ক্যান্সেল হয়েছিল। বড় ভাই মাওলানা সাহেব নিজেই আমাকে এই ঘটনাটি শুনিয়েছেন।

এখন হয়তো আপনারা কিছুটা অনুমান করতে পারছেন, ইংল্যান্ডের ছেলেগুলো উপরের দিক থেকে যতটা সহজ-সরল মনে হয়, ভিতরের দিক থেকে তারা ততটাই শিয়ানা‌। পাক্কা খেলোয়ার।

আরো অবাক হয়েছিলাম সেই ভাইকে দেখে, যার বাবা অনেক বড় একজন আলেম এবং ইংল্যান্ডে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা, অথচ তিনি মদকে খান না বরং মদ তাকে খায়।

এই ইংল্যান্ডে সবকিছুই হলো আই ওয়াশ। যেখানে ধর্মের পোশাক পরে ধর্মের আড়ালে অধর্ম চলে। তারপর দু-একবার ওমরা করে তারা মনে করে পবিত্র হয়ে গিয়েছে।

সুদ হারাম। কোন সন্দেহ নেই। মসজিদের এক আলেম সুদের মাধ্যমে ঘর কিনেছেন। জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তর দিলেন, থাকার জন্য একটি ঘর সুদের মাধ্যমে কিনা জায়েজ। নাউজুবিল্লাহি মিন জালিক। অথচ ইংল্যান্ডের এবং সারা বিশ্বের বড় বড় মুফতিদের ফতোয়া হল সুদ সব সময়ই হারাম।

কিন্তু আমার কাছে মদের ব্যবসায়ীর চাইতেও ভয়ানক মনে হয় সে সকল ভন্ড কিছু মোল্লাদের, যারা ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে শরিয়া কাউন্সিল নাম দিয়ে ধর্মের নামে অধর্ম করে বেড়ায়। আমি বলি এরা শয়তানের কাউন্সিল। যদিও এরা লিবাসে আলেম, এদের শরীরে তো এদের বাপ-দাদাদের হারাম ইনকামের রক্ত মিশে আছে। এসব ভন্ড মোল্লারা সমাজে ফেতনা তো ছড়াবেই। এতে যদি এদের পকেট ভারি হয়!

এমনকি কত বড় দুঃসাহস, ভন্ড ফেতনাবাজ মোল্লারা স্বামীর অনুপস্থিতে কিংবা স্বামীকে না জানিয়ে, স্বামীর থেকে অনুমতি না নিয়ে মনগড়া তালাকের সার্টিফিকেট বানিয়ে ব্যবসা করে। অথচ ইসলামে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র স্বামীর।

এই বিষয়ে বুখারী শরীফের ইংরেজি অনুবাদক ব্রাডফোর্ডের মুফতি সাইফুল ইসলাম হাফিজাহুল্লাহ, বার্মিংহামের দারুল ইলম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি তাওছির হাফিজাহুল্লাহ, ম্যানচেস্টারের প্রখ্যাত দায়ী মিশরীয় আলেম শায়েখ আওয়াদাল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ সহ আরো অনেক বড় বড় আলেমদের সাথে আমার কথা হয়েছে।

সবাই এই ব্যাপারে একমত, এসব মনগড়া শরিয়া কাউন্সিল

থেকে যেসব মহিলারা মনগড়া তালাকের সার্টিফিকেট বানিয়ে প্রথম স্বামীকে ছেড়ে দ্বিতীয় পুরুষের কাছে যায়, আল্লাহর বিধান অনুসারে এসব মহিলারা আজীবন যিনায় লিপ্ত থাকে। এদের থেকে কোন সন্তান হলে সেই সন্তান জারজ সন্তান হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিনীতভাবে আমি সেসব শ্রদ্ধাভাজন মাথার মুকুট ইলমের বিদ্যাপীঠ মুফতি সাহেবদের যখন জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা কেন এসব ভন্ড শরিয়া কাউন্সিলের বিরুদ্ধে কথা বলছেন না?

উত্তর ছিল খুবই স্বাভাবিক। এটা ইংল্যান্ড। এখানে যার যা ইচ্ছা সে তা করতে পারে। বাধা দেওয়ার কেউ নেই।

এই দেশে বিবাহ ছাড়াই যদি কোন ছেলে মেয়ে একসাথে থাকে, মা-বাবার কোন অধিকার নেই এই ছেলে মেয়েকে ধমক দেয়ার। সেখানে আমরা কিভাবে এসব শরিয়া কাউন্সিল নামের শয়তানের কাউন্সিল দমন করব?

আমার এখন বারবার শুধু রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই হাদিসটির কথাই মনে পড়ছে, এমন একটা সময় আসবে যখন মানুষ কোরআন পাঠ করবে কিন্তু এই কুরআন তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না।

ইংল্যান্ডে প্রতিবছর হাজারো মুসলিম নারী প্রথম স্বামী থেকে ইসলামীক বিধান মুতাবেক সত্যিকার অর্থে তালাক না নিয়েই সাময়িক সুখ ও বিলাসিতার আশায় দ্বিতীয় পুরুষের সাথে সংসারের নামে আজীবন যিনায় লিপ্ত হচ্ছে।

উসুল হল- কেউ যদি কোন হারাম কাজ করে তাহলে সে গোনাহগার হবে। কিন্তু কেউ যদি এই হারামকে হালাল বলে দাবী করে, তখন সে কাফের হয়ে যাবে। ঈমান চলে যাবে।

সেই হিসেবে যেসব মহিলারা প্রথম স্বামীর থেকে তালাক না নিয়ে দ্বিতীয় পুরুষের সাথে সংসার করছে, সে যদি বিশ্বাস করে যে এটা হারাম তাহলে তো কেবল গুনাহগার হবে। আর যদি এই হারামকে হালাল বলে দাবি করে তাহলে তার ঈমান চলে যাবে।

এসব বিষয় যখন আমার সামনে আসলো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসটির কথা মনে পড়ে গেল, একটা সময় আসবে যখন ঈমান নিয়ে বান্দা ঘুমাবে কিন্তু সকাল বেলা ঈমানহারা হয়ে ঘুম থেকে উঠবে। সকালে ঈমান আনবে তো বিকালে ঈমানহারা হয়ে যাবে।

এখন আমার কাছে এই মাসআলাটি পরিষ্কার যে, কেবল দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে মুসলিম দেশ থেকে অমুসলিম দেশে সফর করাকে আহলে হক ওলামায়ে কেরাম নাজায়েজ ফতোয়া কেন দিয়ে থাকেন।

শেষ যমানার ফেতনার যুগে আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে ঈমানের উপর অটল ও অবিচল থাকার তৌফিক দান করুন। আমাদের সকল দুঃখ-কষ্টকে সুখে রূপান্তরিত করে দিন। ভবিষ্যতের সকল বালা-মুসিবত দূর করে দিন। আমীন।।

- শোয়াইব আহমাদ

08/18/2025

✋🇨🇦 সব দোষ নতুনদের উপর তুলে দিবেন না, এর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী পুরাতন বাংলাদেশী বাঙালি কমিনিটির লোক,আমি আমার ঘরে সুযোগ না দিলে কারও বাবার ক্ষমতা নেই আমার ঘরে আড্ডা দিবে, এদের কারা সুযোগ দেয়? কারা বসায়? সব ডেনফোর্থ এর ওই দিকের ব্যারিস্টার ,দোকানদার,ব্যাবসায়ী,সব পুরোনো লোক জড়িত , এতো মেলা,গান ,বাজনা,লটারী,পিকনিক, খেলাধুলা ,মিটিং,মিছিল ,বাংলা মেলা,পথও মেলা,বিজয় উৎসব,,বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী ইত্যাদি এসব কারা করে? কানাডার আর কোথাও কি এসব হয় ডেনফোর্থ এর মতো মাসে মাসে, কানাডায় সব দেশেরই উৎসব পালন করা হয় বছরে এক দুবার,তবে বাঙালির মতো না, হুম ভালো ছিল মানুষ ছিল না, পরিস্কার ছিলো না ইত্যাদি ,তাহলে নতুন মানুষ নিয়ে এতো ব্যাবসা কেন? দুই বছর আগে কয়টা দোকান ছিল? ডেনফোর্থ এতো নতুন নতুন দোকান রেসটুরেট কেন? আপনারা ডেনফোর্থ নিয়ে পড়ে আছেন আসেন ডাউনটাউন কফি খাই, বাঙালি কয় হাজার লোক আসছে,অন্য দেশের কি পরিমাণ লোক আসছে আপনি চিন্তা ও করতে পারবেন না, Mexico, China indian , ইত্যাদি , পুরোনো বাঙালি কমিনিটির বেশির ভাগ লোক মোটা অংকের টাকা নিয়ে আত্মীয় সজন ও এলাকার লোক কানাডা আনলেন , তাহলে এখন এতো নতুদের নিয়ে এতো চিন্তা আর হিংসা হয় কেন,কয়জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আমরা নতুন দের সাহায্য সহযোগিতা করেছি? না ভালো একটা উপদেশ ও দেন নি, ডেনফোর্থ এর বেশির ভাগই লোকের কাজ নেই, নতুন দের নিয়ে ব্যাবসা বানিজ্য করবেন আবার তাদের নিয়ে সমালোচনা ও করবেন হিংসা ও করবেন কেন,এসব বাদ দিয়ে মানুষ কে সাহায্য করেন,ভালো উপদেশ দেন, সবাই সচেতন হই, তাহলে সব বাঙালির দের সুনাম অর্জন হবে ,আমি অনেকের লেখা দেখি,তাই লিখতে বাধ্য হলার, কে সিলেটি কে নোয়াখালি, কে ঢাকা ,কে নতুন কে পুরাতন এসব টেনশন বাদ দিন,
কেউ কষ্ট পেলে কিছু করার নেই যা সত্যি তাই বললাম ,আমি সব জানি কারও নাম নিলাম না,আসুন সবাই মিলে ডেনফোর্থ কে বাংলা টাউন হিসাবে সুন্দর ও মডেল করে গড়ে তুলি।
লেখা গুলো ভালো করে পড়ে তারপর comment করবেন। ধন্যবাদ।

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Toronto?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


33 Bexhill Avenue
Toronto, ON
M1L3B5