Atanu Das Gupta
Atanu Das Gupta is a writer, poet lives in Nova Scotia, Canada
05/17/2026
প্রথমে সিডনি, কেপ ব্রেটন,
এরপর হ্যালিফ্যাক্স।
এবার কানাডার মানচিত্রে উত্তরের শেষ প্রান্ত থেকে ৪০০ মাইল দূরের শহর থম্পসনে।
শুরু করছি থম্পসনের ডায়েরি ✍️🍁
Prothom Alo
Prothom Alo Entertainment
থম্পসনের ডায়েরি 📰🗞️
অতনু দাশ গুপ্ত
✒️
অফার লেটার সাইন করার পরপরই জানতাম এমন এক জনপদে যাচ্ছি যেটা বাকি পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। বসন্তকালে আশপাশের শহরে যখন ঝলমলে রোদ্দুর তখন এখানে দিব্যি তুষার ঝরছে। আবার উইনিপেগে অক্টোবর মাসের ঝলমলে এক দিনে থম্পসনে আচমকা ভয়ংকর দমকা হাওয়াসহ নেমে আসে তুষার ঝড়। এতটাই বেগতিক পরিস্থিতি যে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পুরো শহর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল চৌদ্দ ঘন্টার বেশি সময়ের জন্য!
মানুষজন ভিডিও আপলোড করে ইন্সটাগ্রামে দিয়ে বলছে - "দিস ইস থম্পসন, দি সিটি অব ওলফস্, দি মিস্ট্রি অব নর্থ ।” নেকড়ে বাঘের প্রসঙ্গটা পরে শোনাবো।
থম্পসনের পরের শহরের তো জগৎজোড়া খ্যাতি। চার্চিল, এর অপর নাম দ্য পোলার বিয়ার ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড, যার পাশেই রয়েছে সুবিশাল হাডসন বে। শ্বেতকায় ভাল্লুকের আবাসস্থল এই চার্চিল শহর। মূলত অক্টোবর থেকে নভেম্বরের দিকেই দর্শন পাওয়ার সুসময়। ফিরে আসি থম্পসনে। ম্যানিটোভার প্রদেশের উত্তর দিককার শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় শহর। লম্বা সময় ধরে এই শহর সুনামের চেয়ে দুর্নাম কুড়িয়েছে অঢেল (এখনও ফুরিয়ে গেছে তা নয়!)। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের জন্য বেশ কিছু পূর্নবাসন কেন্দ্র রয়েছে এখানে। রাস্তায় সাধারণ মানুষের বেশে হাঁটতে বের হলে কোন স্বাভাবিক জনগণের দেখা পান বা না পান, তেনাদের বেশ ঢুলুঢুলু অবস্থায় দেখতে পাবেন। বেশ ভালো সংখ্যায় দেখবেন। মাঝে মধ্যে মনে হবে শহরটা বোধ হয় এনাদেরই! হোশ-বোধ থাকলে কাছাকাছি এসে হয় পয়সা চাইবেন না হয় শুধু হাই বলে চলে যাবেন। কাজেই অত আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। রাতে বেরুলে কি হয় তা বলতে পারবো না!
রাজধানী উইনিপেগ থেকে বাস, ট্রেন, প্লেনে চেপে পৌঁছে যাবেন। ট্রেনের যাত্রা একটু দীর্ঘই হয়। একদিন পুরো কেটে যাবে পথ পাড়ি দিতে। বেশ আরামের হয় যদিও। আমার মত ছাপোষা মানুষের জন্য সহজ মাধ্যম বাস। তবে নির্ঘুম রাত কাটিয়েই পৌঁছুতে হবে গন্তব্যস্হলে। পাক্কা সাড়ে নয় ঘন্টার পথ। পথিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় বিরতি দেওয়ার কারণেই অবশ্য দীর্ঘসূত্রিতা হয়। যেদিন সকালে গিয়ে আমি পৌঁছাই তখন ঘড়িতে সকাল ছয়টা তেইশ। একে তো বেশম ঠান্ডা অন্যদিকে বাসস্ট্যান্ডকে ঠিক যাত্রীবান্ধব মনে হল না মোটেও। সবাই কেমন যেন তাড়াহুড়ো করে যার যার লাগেজ নামিয়ে নিয়ে গাড়ি খুঁজছে। নামার সময় জানালা দিয়ে দেখলাম বেশ কিছু ট্যাক্সি দাঁড়ানো আছে। অথচ নেমে নিজের লাগেজ বুঝে নিতে নিতেই সব হাওয়া! ঠান্ডায় জমে জবুথবু হয়ে যেতে যেতে চটজলদি ম্যাপ বের করে দেখে নিলাম আনু ভাইয়ের কাজের জায়গাটা কোথায়। ওখান থেকে কাছেই থাকার কথা। ম্যাপ ফলো করে পৌঁছে তো গেলাম কিন্তু দেখি মূল দরজা বন্ধ। আর ভেতরেও কাউকে দেখা যাচ্ছে না। নিরুপায় হয়ে কল দিলাম উনাকে। পরে জানতে পারলাম ওরা আপাতত বন্ধ করে রেখেছেন। সাতটার আগে খোলা হবে না। পরে জানিয়েছিলেন ভোরে অধিকাংশ সময়ই মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা মাঝে মধ্যেই কোন কারণ ছাড়াই ঢুকে পড়ে আর এটা ওটা খুঁজে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। আনু ভাইয়া আমাকে বাসায় পৌঁছে দিয়ে আবার ফিরবেন। আপাতত চাকরির প্রাথমিক অবস্থায় উনাদের সাথেই ডেরা গড়েছি।
পরেরদিন সকাল। বাসা থেকে ওয়ালমার্ট দেখা যায়। হাঁটা পথের রাস্তা। ভাবলাম যাই, একটা ঢুঁ মেরে সাময়িক প্রয়োজনীয় জিনিসপাতি নিয়ে আসি। তবে রাস্তায় নেমে একটা বড়সড় ধাক্কা খেলাম! মনে হচ্ছিল কোন একটা ভুতুড়ে পাড়ায় চলে এসেছি। রাস্তাঘাট খাঁ খাঁ করছে। কোন গাড়িঘোড়াও চোখে পড়ছে না। প্রথমে ভাবলাম হয়তো এখানকার মানুষ একটু আরামপ্রিয়। ওইদিন ছিল রবিবার সকাল। বাজার সেরে বের হওয়ার সময় রাস্তায় ঠিকঠাক মানুষজন দেখতে পাব। ওয়ালমার্টে বাজার করতে গিয়ে নর্থ সিডনি ওয়ালমার্টের কথা খুব মনে পড়ছে। না পড়ে উপায় কি? দুটো ওয়ালমার্টের আকার হুবহু এক। কানাডায় আমার প্রথম কাজের জায়গা। ওখানকার সাড়ে তিন বছরের কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা আপনাদের বিস্তারিত বলেছি "কানাডার পথ ও রথের বৃত্তান্তে"★। বাজার করার সময় এটাও মাথায় রাখতে হচ্ছিল যে বেশি ভারি যেন না হয়ে যায়। এখানকার হাঁটা পথেও যদি ট্যাক্সি করে যাতায়াত করতে হয় তো পকেটে বাড়বে চাপ আর মাথায় পড়বে হাত। বের হয়েও রাস্তাঘাটে কোন মানুষজন না দেখে কেমন যেন নিজেকে বেখাপ্পা লাগলো। কিছু মানুষজন দূরে দেখতে পাচ্ছি কিন্তু এরা কেউই সুস্থ মস্তিষ্কের নন। বেশ ঢুলুনি খেয়ে হাঁটছেন। মনে হয় পড়েই যাবেন। কয়েকটা জায়গায় জটলা দেখা যাচ্ছে। এনারাও একই গোত্রের। এখন সকালের তুলনায় গাড়ির ব্যবহার কিছুটা বেড়েছে। তবে রাস্তায় বা আশেপাশে কোথাও আমি ছাড়া আর কোন মানুষ নেই আর কারা আছেন সেটা তো না বললেও আপনারা ইতিমধ্যেই ঠাহর করতে পেরেছেন। ভেবে দেখুন একদিন ঘুমের অতলে তলিয়ে গিয়ে দেখলেন আপনি এক জম্বি শহরে এসে পড়েছেন। সবদিকেই গা ছমছম করা আধপচা লাশ আপনার পিছু নিচ্ছে! যেদিকেই যেতে চাইছেন মাথা ভাঙা, ঘাড় ভাঙা, মুখ-চোখ কোঁচকানো জীয়ন্ত লাশ তাড়া করছে ফিরছে। যেদিকেই দুচোখ যায়, শুধু অদ্ভুত কিম্ভূতকিমাকার এইসব লাশের দেখা পাচ্ছেন! এমন দৃশ্য অবশ্য সিনেমার পর্দায় দেখেছেন। আমার কাছে থম্পসন শহরের প্রথমদিনের অভিজ্ঞতাটা ছিল অনেকটা ওইরকম। ওহ! বলতে প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম এর মধ্যে যখন বাজারের ভারি ব্যাগ নিয়ে যখন হেঁটে ফিরছিলাম তখন একজন আমাকে এগিয়ে এসে বললো, " হাই, ডু ইউ হ্যাভ এ ডলার ওর টু?" একে তো ঘেমে নেয়ে বেহাল অবস্থা, তারপর আবার উটকো ঝামেলা। প্রথমে কিঞ্চিৎ ভ্যাব
ঘবাচেকা খেয়ে গেলেও নিজেকে বেশ সামলে নিয়েই চটজলদি বললাম, "নো, সরি!" প্রথমদিনের কাজ তো মোটামুটি সারা হল। পরদিন থেকেই অফিস শুরু। রান্না-বান্নাও করতে হবে।
এখন স্বাভাবিকভাবেই সবার মাথায় প্রশ্ন আসছে, থম্পসনের অবস্থা এমন হল কেন? ইতিহাসের পাতায় থম্পসনের উৎপত্তি আমাদের ঠিক বিপরীতমুখী বার্তা দেয়। ১৯৫৬ সালে ম্যানিটোভা প্রভিন্সের কেন্দ্রস্হল উইনিপেগ থেকে ৭৬১ কি. মি. অদূরের এক শহরে নিকেলের খনির খোঁজ পাওয়া যায়। খনি আবিষ্কারের সাথে যে মার্কিন প্রতিষ্ঠান জড়িত ছিল তার চেয়ারম্যান জন ফেয়ারফিল্ড থম্পসনের নামানুসারে এই শহরের নামকরণ হয়। শুধু খনির উৎপত্তিস্থল নয় বরং পুরো শহরের গোড়াপত্তনেই চূড়ান্ত ভূমিকা ছিল এই মাইনিং কোম্পানির যার নাম ইনকো মাইনিং কোম্পানি। এরপর থেকে বেশ লম্বা একটা সময় অতিক্রম করে উত্তরের কেন্দ্রস্হল হিসেবে নিজের পরিচয় পাকাপোক্ত করে ফেলে নিকেল নগরী। ১৯৬৭ সালে বাড়ন্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল বিবেচনায় পৌরসভা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৭০ সালে রাণী এলিজাবেথের কানাডা সফরকালীন সময়ে অর্জন করে নগরীর মর্যাদা। কালক্রমে ২০১৮ সালে বন্ধ হয়ে যায় এর গলনাগার এবং পরিশোধনাগারের কার্যক্রম। শুধুমাত্র খনিজ পদার্থ অপসারণ এবং পরবর্তী ধাপের কাজ অব্যাহত থাকে। ২০২১ সালে এর কার্যক্রম আরও এক দশক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে অপরিশোধিত নিকেল অপসারণের কাজ কিছুটা বৃহৎ পরিসরে শুরু করা হয় যা এখনও চলমান রয়েছে। তবে ১৯৭০ সালে থম্পসন শহরে যে পরিবেশ বিরাজ করতো তার খণ্ডাংশও আজ অবশিষ্ট নেই। আর যখন নিকেল কোম্পানির কাজ শেষ হয়ে আসতে শুরু করলো তখন মূল কর্মসংস্থানের স্রোত অন্যদিকে বিশেষ করে রাজধানীতে বা অন্যান্য বড় শহরগুলোতে বাহিত হল। কোন শহরে জীবিকার অভাব হলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়। তার উপর সরকার এই শহরে স্হাপন করে মাদকাসক্ত পূর্নবাসন কেন্দ্র। বিভিন্ন শহর থেকে ভিন্ন ভিন্ন গোত্রের মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের এ সমস্ত কেন্দ্রগুলোতে এনে রাখা মানে এলাকাতে যত্রতত্র এরাই দাপিয়ে বেড়ানোও শুরু করে। বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের পাচারের কার্যক্রমও বৃদ্ধি পায় এর সূত্র ধরে। থমপসনের একসময়ের গৌরবোজ্জ্বল পরিচয় হারিয়ে যায় কালের করাল গ্রাসে। (চলমান...)
★কানাডার পথ ও রথের বৃত্তান্ত - লেখকের দ্বিতীয় বই যা পর্ব আকারে "কানাডার চাকরি বৃত্তান্ত" শিরোনামে দূর পরবাসের পাতায় প্রকাশিত হয়েছে।
05/09/2026
কৃতজ্ঞতা এবং ভালবাসা রইলো
Giban Ray দাদা
স্নেহাশিস Association of Atlantic canada পরিবারের সবার প্রতি
Sushmita Chatterjee
Aroop Chatterjee
Ish*ta Chowdhary
Goldy Das
আরোহীর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করছি ✍️🍁
আশা করছি এ বছরের পুজো সংখ্যা আরও জমজমাট হবে।
05/06/2026
A George - Subrata Conversation 🎙️✍🍁
Poet Laureate George Elliott Clarke - "I want to recognize where we are? We are in a city where there are 150 different languages. This is most probably one of the best multicultural cities in the world. The way multiculturalism has to work is we all have to share. We are sharing the cuisine. We taste each others food. Why not literature? "
"Poetry is about communicating. Ideas through voice, and words. But it's also about conversation. Understanding characters and psychology."
"Poetry is the best medium for exploring human beings. The very best! One of the best psychology. Because it is dynamic. It's presence in the voice & in the language."
'Anglo-Bangla Canadian Canticles’, the 22nd edition of a project named ‘5 Poets Breaking Into Song’, initiated by emeritus Parliamentary Poet Laureate, George Elliott Clarke, was supported by Toronto-based Bengali writer and organizer Subrata Kumar Das.
Subrata Kumar Das ‘Anglo-Bangla Canadian Canticles’: A George-Subrata Conversation
গল্পেসল্পে কিছুক্ষণ: (tea Time Stories) Book By Atanu Das Gupta, (Paperback) | Indigo https://share.google/SSE5PyAx92kUT7OMt
আমার প্রথম পুস্তক ✍️🍁
বাজারে এনেছে hemingway publishers
এখন সহজেই পাওয়া যাবে indigo.ca তে
গল্পেসল্পে কিছুক্ষণ: (tea Time Stories) Book By Atanu Das Gupta, ('tp') | Indigo Buy the book গল্পেসল্পে কিছুক্ষণ: (Tea Time Stories) by atanu das gupta at Indigo
08/13/2025
এনআরবি টিভি Weekly Bangla Mail ✍️🍁
কানাডীয় বাঙালি সাহিত্য উৎসব ২০২৪ - প্রবন্ধসাহিত্য পর্ব ৪
(মূল ভিডিও কমেন্টে)
২০২৪ সালের জুলাই মাস। ক্যালেন্ডারের পাতায় ২০ তারিখ।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আভাস তখনও কতজন ঠাহর করতে পেরেছিলেন তা বলা কঠিন। পৃথিবীর অপর প্রান্তে একই সময়ে কানাডার টরেন্টোতে আমরা সম্মিলিত হয়েছিলাম সাহিত্য উৎসবে। বহুমুখী গুণের অধিকারী, শিক্ষক, লেখক, সাহিত্যিক, সমালোচক, উপস্থাপক সুব্রত কুমার দাসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কানাডার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আমার মত আরও কবি, লেখক এবং সাহিত্যিকগণ একত্রিত হয়েছিলেন। বলাবাহুল্য আমি ছিলাম কনিষ্ঠদের একজন। বাকি সকলেই শুধু বয়োজ্যেষ্ঠই নন, অভিজ্ঞতা এবং সাহিত্যের ভুবনে তাঁরা এক একজন মহারথী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কানাডার তিনজন পয়েট লরিয়েট - অ্যান মাইকেলস, এ এফ জে মরিৎস এবং জর্জ এলিয়ট ক্লার্ক। সকলকে এত কাছাকাছি দেখে, তাদের কথা শুনতে পেয়ে আমি সত্যিই ধন্য হয়েছিলাম।
অনুষ্ঠানের মূল পর্ব ছিল তিনটি - কথাসাহিত্য, প্রবন্ধসাহিত্য এবং কাব্যসাহিত্য। আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম প্রবন্ধসাহিত্য পর্বে।
সঙ্গে ছিলেন ড. ঝর্ণা চ্যাটার্জি, হাসান মাহমুদ, সৈয়দ ইকবাল এবং সুধীর সাহা।
আমাদের প্রবন্ধসাহিত্য পর্বের শেষ বক্তা লেখক ও শিল্পী সৈয়দ ইকবাল।
আকবর হোসেন - আমরা এতক্ষণ কবি হাসান মাহমুদের কথায় বুঝলাম লেখক সমাজ পরিবর্তনে কি কাজ করেন। এরপর আমরা সৈয়দ ইকবালের কথা শুনবো। তবে তার কাছে যাওয়ার আগে আমি দুই একটি উদাহরণ দিয়ে সকলকে বলবো কবি কি করেন? আপনারা যারা উর্দু কবিতা পড়েছেন বা পড়েন নি তারা নিশ্চয়ই এটা জানেন যে ভাষার সঙ্গে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই। শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে যখন রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠানো হয় তখন তিনি একটা কবিতা লিখলেন। এর কয়েকটি পঙক্তি বলছি,
" Lagta Nahi Hai Ji Mera Ujde Dayar Me
Kiski Bani Hai Aalam-E-Naapaydar Me...."
"....এ ভাঙা ঘরে আমার হ্রদয়, মন আর টিকছে না।
এই যে জীবন যা ধরহীন, পায়াহীন, এটা বানালো কে? ...."
এই পর্যায়ে আমরা শুনবো সৈয়দ ইকবালকে।
সৈয়দ ইকবাল - ধন্যবাদ আকবর ভাই। আপনার প্রশ্নের উত্তর আজ আমি দিতে পারবো না। আজকে উত্তর দিতে দিয়ে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আমি নানান দ্বিধাদ্বন্দে ভুগছি। আমার এখানে উপস্থিত হওয়ার ইচ্ছে ছিল না। আসলেও দেখতেই পাচ্ছেন আগাগোড়া কালো জামাকাপড় পরিধান করেছি। খুব ভারাক্রান্ত মনে এসেছি। আমার খুবই দুঃখ হচ্ছে। সেই সাথে মাথায় কিছু প্রশ্ন ঘুরছে। আমাদের জাতির জনকের কন্যা কিভাবে এত বড় ভুল করলেন? খুবই দুঃখজনক! বঙ্গবন্ধুর কন্যা কিভাবে এই কাজ করলেন? তার আশেপাশে যারা পরামর্শক ছিলেন তারা কি তাকে বোঝাতে পারলেন না? এই যে শিশু, কিশোর, যাদের বয়স ২০ থেকে ২৫, তাদেরকে এমন পাখির মতো নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা? এটা কি করে সম্ভব? আমি বাকরূদ্ধ।
আর আমাকে করা প্রশ্নটা যেন কি ছিল? লেখা সংক্রান্ত সম্ভবত? আমি আকবর ভাইকে প্রশ্নটা আরেকবার করবো।
আকবর হোসেন - জীবনানন্দ দাশের একটা কবিতায় আছে, "জলের ভেতর অগ্নি অথবা বরফে নিহিত অগ্নি।" এরা তো পরস্পরবিরোধী।
সৈয়দ ইকবাল - হ্যাঁ, অনেকটা ছবির ভাষার মত মনে হয়।
আকবর - এটা কবির দৃষ্টিতে একটা অবস্থা।
সৈয়দ ইকবাল - আমি তো কবি নই।
আকবর - না, আমি এটা বলছি যে লেখকের প্রকাশের মাধ্যম কি বিচিত্র ধারায় প্রকাশিত হয় যা জীবনকে, দর্শনকে সদা মথিত করে। আপনি একজন লেখক হিসেবে আপনার জীবন দর্শনকে কিভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরবেন এটা সমবেত সকলের উদ্দেশ্যে বলুন।
ইকবাল - আসলে প্রকাশের ব্যাপারটা হচ্ছে আমি চাইলে নিজের মতো প্রকাশ করলাম যা সকলের জন্য না-ও হতে পারে। আমি আসলে বোধ হয় সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারিনি। যা বলতে চেয়েছি তা হয়তো বোধগম্য নয়। আমার কিশোর কাল থেকে আঁকাআকির চেষ্টা করতাম। নিজের সমাজকে, আমার আশেপাশের মানুষেরা, বন্ধুদের নিয়ে কিছু কাজ করেছি। আঁকা বেশিরভাগ ছবিগুলো সিরিজ আকারে হয়েছে। আর লেখালেখি তো আপনারা দেখছেন। আমি মূলত বিষয়ভিত্তিক লেখক। যাপিত জীবনের অনুভূতি নিয়ে লিখি ও ছবি আঁকি। শেষের চল্লিশটা বইয়ের মধ্যে প্রায় দশখানা বই লিখেছি প্রবাসীদের নিয়ে। তাদের সুখ দুঃখ, প্রেম, হতাশা, ভালবাসা - এসব নিয়ে। এই যে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে প্রকাশের মাধ্যম। আমি এখন প্রায়ই বাংলাদেশে থাকি তখন আমাকে দেখে অনেকেই মনে করেন আমি দালাল গোছের কিছু একটা। আমার সাথে কারও যোগাযোগ হলে অনুরোধ করতে থাকে, এই কাজটা করে দেন। টাকার প্রস্তাব নিয়ে আসে। আরও লোভনীয় অফারও আসে। তবে এসব আমার কাজ নয়। সবাই হয়তো আমায় ভুল বুঝেই অমন করে বলেন। আমি তো এসবের মানুষ নই। অন্য জগতের বাসিন্দা। ছবি আকাঁ আর লেখালেখি নিয়ে থাকতে ভালবাসি। আর অন্য এক ভাই (হাসান মাহমুদ) কত সুন্দর করে বললেন। উনার মত বাচনভঙ্গি থাকলে হয়তো আরও সুন্দর ভাবে বলতে পারতাম। আজ এইটুকুই।
আকবর - হ্যাঁ, আমরা বুঝতে পারছি। বাংলাদেশের বর্তমান যে পরিস্থিতি তা সকলের জন্য বেদনাদায়ক। এখানকার বাঙালিরা ঘটনাবলী নিয়ে যথেষ্ট উদ্ভিগ্ন। যা হওয়ার নয় ঠিক সেটাই হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশেষ কোন বক্তব্য আমি রাখতে চাই না। কারণ রাজনীতির জটিল রাস্তায় আমি কখনো চলিনি। অনেক ধন্যবাদ সকলকে। আপনার মূল্যবান সময়ের মাঝেও আজ এখানে উপস্থিত হয়েছেন এবং সময়োপযোগী মন্তব্য সকলের কাছে তুলে ধরেছেন। প্রতিটি লেখকের একটি নির্দিষ্ট বলয় থাকে। যেখানে বসে সে জগত ও জীবনকে প্রত্যক্ষ করে আর লিখে তা প্রকাশ করে। এই দেখা ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় হলেও এর ভেতরে একটি ঐক্য আছে। আমরা কেউ শেকসপিয়ার, ভলতেয়ার, রবীন্দ্রনাথ অথবা জীবনানন্দ দাশ নই। তবুও তাদের লেখায় আমাদের ভাবনা ও চিন্তার সাগরের ঢেউ উঠে। জীবনের সব প্রকাশের মাঝেও একটা লোকায়িত সাদৃশ্য থাকে বলে সৃষ্টি এত মধুর। তাদের প্রত্যেকের লেখার ভেতরে চিন্তার যে স্রোতধারা হয় সেটা সমান্তরাল না হলেও চিন্তাগুলো সব এক জায়গায় গিয়েই মিলিত হয়।
আয়োজনের প্রসঙ্গ এখানেই আমি ইতি টানছি। তবে একটা কথা বলে শেষ করি - আজকের অনুষ্ঠানের মূল রূপকার সুব্রত দাস মহাশয়কে অনেক ধন্যবাদ দিতে হয়। উনি একা কিন্তু দশ বাহু নিয়ে কাজ করেন এমনটাই বোধ হয়। যার মাথায় এত বুদ্ধি, এত কর্ম, এত প্রাবল্য। কোথা থেকে আসে? কিভাবে এত মানুষের সাথে যোগাযোগ স্হাপন করেন? তার ভাবনা দিয়ে আমাদেরকে একত্রিত করার চেষ্টা করেন। আমাদেরকে উদ্বেলিত করেন। এটা একটা বিস্ময়কর ব্যাপার! এমন কিছু এই শহরে আমার মনে হয় কেউ করেননি। আর কেউ করতে পারবেন কি না জানি না। আজকের সভায় সভাপতিত্ব করতে পেরে নিজে আনন্দিত এবং সম্মানিত বোধ করছি। যারা আমার সাথে এখানে বসে কথোপকথন করেছেন তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে আলোকিত মানুষ।
সকলের প্রতি আবারও শুভকামনা রইলো।
ধন্যবাদ। (ক্রমশ)
08/07/2025
Prothom Alo ✍️🍁 দূর পরবাস
মা - বাবাদের অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা
04/26/2025
#বাংলামেইল
গল্পেসল্পে কিছুক্ষণ ✍️🍁
আমার প্রথম বইয়ের রিভিউ লিখেছেন মম কাজী 📕 📖
তার প্রতি রইলো কৃতজ্ঞতা
03/09/2025
হ্যালিফ্যাক্স শহর ✍️🍁
Prothom Alo
01/13/2025
পাথরের চোখ (শাসকের মনোজগৎ) (শেষ পর্ব)
🖋️📖 সাজ্জাদ খান Bfi Sajjad Khan
একজন শাসক - একটি দেশের সকল দন্ড মুণ্ডের কর্তা/কত্রী!
অযুতহস্তীসম ক্ষমতাবলে তিনি সকলের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলেন! কথাটা কিছুটা বেখাপ্পা লাগলেও শাসকগণ মূলত সময়ের আবর্তনে "সব আমার, খবরদার!" - নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে উঠতে থাকেন! তার মনোজগত আসলে কেমন বা মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ কতটা প্রবল বা বিকল তা-ই জানবো সবাই৷
সাজ্জাদ খান মূলত একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা। এটি গত বছরের অমর একুশে বইমেলায় তার প্রকাশিত বই।
ইবন্ খালদুন,
চাণক্য
এবং কনফুসিয়াস -
এই তিন অমর প্রতিভা যাদের বাণী সকল যুগে সমাদৃত, আদৃত হয়েছে বিশ্বব্যাপী। এনাদের নিরানব্বই খানা বাণীর অনুবাদ সংকলনের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন একজন শাসক ও তার ক্রমাগত উত্থান ও পতন, শাসনামলে গৃহীত সিদ্ধান্তের পেছনের ধ্যান ধারণার সামগ্রিক চিত্র।
কনফুসিয়াস
চীন দেশে জন্ম নেওয়া এই মহান শিক্ষক, দার্শনিক, সংস্কারক, উপদেষ্টা নিজ দেশে যেমন ব্যাপকভাবে সমাদৃত তেমনি জাপান, কোরিয়া এবং ভিয়েতনামেও অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
প্রথমেই উল্লেখ করে রাখা প্রয়োজন - অন্য দুই চিন্তকদের তুলনায় কনফুসিয়াসের অংশটা কিছুটা আকারে ছোট। এখানে লেখক শাসক বিষয়ে, মানুষকে জানার বিভিন্ন দিক, শিক্ষাগুরুর শিক্ষাদান প্রসঙ্গে কনফুসিয়াসের বিভিন্ন উপদেশ তুলে ধরেছেন। এছাড়াও রয়েছে গুরু শিষ্য প্রশ্নোত্তর এবং সর্বশেষে আছে তবুও সুখের সন্ধান।
তবুও সুখের সন্ধানে অংশটি ঠিক কনফুসিয়াসয়ের উপদেশ দিয়ে বলা হয়েছে কি না তা নিয়ে আমার কিছুটা সংশয় রয়েছে। এতে বলা কথাগুলো একটু বেশিই সাদামাটা। ঠিক কনফুসিয়াসয়ের মত চৌকস, গুরুগম্ভীর ব্যক্তির সাথে মেলানো যায় না। অংশটি নিজেরাই পড়ে দেখার আমন্ত্রণ রইলো।
গুরু- শিষ্য প্রশ্নোত্তর পর্বে কিছু কথা সর্বজনীন -
একজন উন্নত মানুষের লক্ষণ বলতে বলা হয়েছে এমন কাউকে যার মাঝে কোন উদ্বেগ থাকে না, থাকে না ভয়। আমরা নিজের মনকে জিজ্ঞেস করে যখন জানতে পারি যে নিজের দিক থেকে দোষের কিছু নেই তখন আর ভয়, উদ্বেগ বা ব্যাকুলতা থাকে না। উন্নত দলনেতার বৈশিষ্ট্য হলো - টিমের যারা তার কাছে থেকে কাজ করেন তারা খুশি থাকবেন আর দূরের অনুরাগীগণ কাছে আসার তাগিদ অনুভব করবেন। সঠিকভাবে কোন দলকে পরিচালিত করার মূল সূত্র প্রোথিত রয়েছে সংশোধন করে নেওয়ার মাঝে। সদস্যদের দোষমুক্ত রাখা গেলেই কাজ সহজ হয়ে যায়, এতে বাকি সদস্যরা যারা পরবর্তীতে যুক্ত হতে আগ্রহী তারাও সঠিক পথে থাকার আগ্রহ অনুধাবন করবেন।
শিক্ষাদান প্রসঙ্গে কনফুসিয়াসের দেওয়া উপদেশ এমন যে, নিজেকে শুদ্ধ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যে যখন কেউ এগিয়ে আসে তখন ধরে নিতে হবে যে সে বিশুদ্ধ হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে তার অতীত বা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতোটা যাচাই-বাছাই না করে সরলতার পথে থাকার পক্ষে তিনি।
"মসৃণ নুড়িপাথরের চাইতে রুক্ষ অভব্য হীরকখণ্ড ভাল!"
কনফুসিয়াসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণী যা যুগে যুগে আদরের সাথে গৃহীত হয়েছে - যা তুমি নিজের জন্য সঠিক মনে করো না, অন্যের জন্যও তা সঠিক নয়!
কত সহজ অথচ এর গভীরতা প্রবল।
আরও এমন অনেক অসাধারণ কিছু মধুর বাণীর সমাহার ঘটেছে এ অংশে। অবশ্যই পড়বেন।
শাসক এবং মানুষ চেনা বিষয়ে তাঁর কথাগুলো বহুল আলোচিত - কেবল সিংহাসন আরোহন করেই রাজা হওয়া যায় না। জনগণের মনের কথা বুঝতে হবে, যথাযথভাবে সকলের মর্মকথা বুঝতে হবে, মনে রাখতে হবে রাজ্যশাসনের চাইতেও কঠিন কাজ হচ্ছে একজন যোগ্য রাজা হওয়া। রাজ্যের সামগ্রিক উন্নতি মূলত এর উপরেই নির্ভর করে।
যে কোন রাজ্যের বিনাশ হওয়ার জন্যও শাসককেই দায়ী করেছেন তিনি। শাসক তখনই সবচেয়ে বড় ভুল করে বসেন তখন নিজের কথা শেষ বা চূড়ান্ত কথা বলে মনে করেন। জনগণের রায় বা অভিমতকে অগ্রাহ্য করা হয়, প্রতিবাদের সকল ভাষা হারিয়ে যায়, এমন রাজ্য রসাতলে নিমজ্জিত হয়।
রাজ্যের সুশাসন নিশ্চিত করতে একদিকে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া, অন্যদিকে দুষ্টমতি,ক্রুর ব্যক্তিদের হটিয়ে দেওয়ার ছাড়া বিকল্প নেই। দুর্মতি ব্যক্তিরা তখন ভালো পথে চলতে বাধ্য হবে। এক্ষেত্রে আরও বিপরীতধর্মী কিছু কথাও রয়েছে - খারাপ মানুষেরা যখন ভালো হয়ে আমাদের সাথে মিশে যায়, আমাদের হার হামেশা ঠকায়, তাদের মনে কখনো কোন অনুশোচনা বোধ কাজ করে না।
সামরিক বাহিনী, খাদ্যশস্য, এবং জনগণের আস্হা - তিনটে উপাদানের মধ্যে কোন রাজ্য টিকিয়ে রাখতে হলে যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রয়োজন তন্মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম হিসেবে কনফুসিয়াস বেছে নিয়েছেন শাসকের প্রতি জনতার আস্হাকে। তাঁর আরও কিছু চিরকালীন উক্তি -
^ সাহসের চেয়ে বড় গুণ নৈতিকতা।
^ যে ক্ষমা করে উঠতে পারে না, সে এমন এক সেতুকে ভেঙে ফেলে যেটা দিয়ে একদিন তাকেই পার হতে হবে।
^ চরম জ্ঞানী আর চরম নির্বোধরা নিজেকে কখনো পাল্টাতে পারে না।
^ সব ধরনের দান দক্ষিণা সূর্যের মতো, যা সবকিছুকে আলোকিত করে, উজ্জ্বল করে তোলে।
^ মাত্র একটি শব্দ - এক শব্দের উচ্চারণই একজন মানুষকে মনে হতে পারে পরম জ্ঞানী কিংবা আকাট মূর্খ।
^ একটি ঘরে তুমি যদি সবচেয়ে বুদ্ধিমান লোক হও, তাহলে তুমি ভুল ঘরে অবস্থান করছো। আর যে লোক সকল প্রশ্নের উত্তর জানে,সে সঠিক প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হয়নি।
^ একজন একটি ভুল করল, এবং তা আর সংশোধন করল না। এরই নাম ভুল। আজকে যদি সে ভুল নিয়ে লজ্জিত না হয়, এই ভুল আগামীকাল অপরাধ হয়ে দেখা দেবে।
এর মধ্যে সবচেয়ে মজার উক্তি মনে হয়েছে এটা - "শয়তানের চেহারা দেখতে চাচ্ছ তো! ভালো। ভালো এবার আয়নার সামনে নিজে গিয়ে দাঁড়াও"
শেষের অংশে নিজের কথার চেয়ে কনফুসিয়াসের কথা সরাসরি বলে ইতি টেনেছি।
এই তিন প্রাচীন অথচ চিরকালের কিংবদন্তির কথা জানতে এবং একজন শাসকের মনোজগতের আদ্যোপান্তের খোঁজে একটি অবশ্য পাঠ্য বই - সাজ্জাদ খানের "পাথরের চোখ"।
01/09/2025
The Daily Star বাংলা ✍️🍁
দ্বিতীয় পর্ব
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Halifax, NS
B0J,B3A TO B4G