Be SMART
Be Smart your career
24/05/2024
অনলাইনে স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে Whats App +8801840159684 ম্যাসেজ দিন।
Health and beauty products use and sale.
Products Marketing.
International Products.
USA based products.
World best products.
Paid and Free Training.
Building big team.
International Business.
180 Countries Business.
Easy life.
01/03/2024
হযরত ইব্রাহীম (আ) ও বিভিন্ন জাতির রোযা:
নূহ (আ)-এর পর নামকরা নবী ছিলেন ইবরাহীম (আ)। তাঁর যুগে ক'টা রোযা ছিল তার কোন বর্ণনা আমরা পাইনি। ইব্রাহীম (আ) এর যুগে ৩০টি সিয়াম ছিল বলে কেউ কেউ লিখেছেন, কিন্তু তারা কোনো প্রমাণ দেননি। সে জন্য আমরা ঐসব লেখকদের উপরে আস্থা রাখতে পারিনি। ইব্রাহীম (আ)-এর কিছু পরের যুগ বৈদিক যুগ। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, বেদের অনুসারী ভারতের হিন্দুদের মধ্যেও ব্রত অর্থাৎ উপবাস ছিল। প্রত্যেক হিন্দী মাসের ১১ তারিখে ব্রাহ্মণদের ওপর 'একাদশীর' উপবাস রয়েছে। এ হিসেবে তাদের উপবাস ২৪টি হয়। কোনো কোনো ব্রাহ্মণ কার্তিক মাসে প্রত্যেক সোমবারে উপবাস করেন। কখনো কখনো হিন্দু যোগীরা ৪০ দিন পানাহার ছেড়ে চল্লিশে ব্রত পালন করেন। হিন্দুদের মত জৈনরাও উপবাস রাখেন। তাদের মতে সুদীর্ঘ ৪০ দিন ধরে একটি করে উপবাস হয়। গুজরাট ও দাক্ষিণাত্যের জৈনরা কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতি বছরে একটি করে উপবাস রাখেন। প্রাচীন মিসরীয়রাও উপবাস করতো। গ্রীস দেশে কেবল মেয়েরা থিমসোফিয়ার ৩রা তারিখে উপবাস করতো। ফার্সীদের ধর্মগ্রন্থের একটি শ্লোক দ্বারা বোঝা যায় যে, তাদের ধর্মেও উপবাস ছিল। বিশেষ করে তাদের ধর্মগুরুদের জন্য পাঁচ সালা উপবাস আবশ্যক ছিল।
(ইনসাইক্লোপেডিয়া অফ ব্রিটানিকা ১০ম খন্ড ১৯৩ পৃষ্ঠা, সীরাতুন নাবী ৫ম খণ্ড ২৮৬ পৃষ্ঠা)
ইব্রাহীম (আ)-এর পর কিতাবধারী প্রসিদ্ধ নবী মুসা(আ) তাঁর যুগেও সিয়াম ছিল। আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীমন মদীনায় (হিজরত করে) এসে ইয়াহুদীদেরকে আশুরার দিনে (মুহাররম চাঁদের ১০ তারিখ) রোযা অবস্থায় পেলেন। তাই তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, আজকে তোমরা কিসের রোযা করছো? তারা বলল, এটা সেই মহান দিন যেদিনে মহান আল্লাহ মুসা (আ)-ও তাঁর কওমকে যুক্ত করেছিলেন এবং ফিরআউন ও তার জাতিকে ডুবিয়ে মেরেছিলেন। ফলে শুকরিয়াস্বরূপ মূসা (আ) ঐদিনে রোযা রেখেছিলেন। তাই আমরা আজকে ঐ রোযা করছি। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১৮০ পৃষ্ঠা)
ব্যাবিলনে বন্দী যুগে শোক ও মাতম প্রকাশের জন্য ইয়াহুদীরা রোযা রাখতো। কেউ বিপদের সম্ভাবনা থাকলে কিংবা কোনো গণকের ইলহাম ও নবুওয়াত প্রাপ্তিয় প্রস্তুতিকল্পেও রোযা রাখতো। যখন তারা মনে করত যে, আল্লাহ তাদের প্রতি নারায হয়ে গেছেন তখন ও তারা রোযা রাখতো। দেশের প্রতি যখন কোন মহামারী ও বিপদ আসতো কিংবা দুর্ভিক্ষ দেখা দিত অথবা বাদশাহ কোন বড় অভিযানে বের হতেন তখনও রোযা রাখতো। এ সব সিয়ামের সংখ্যা ছিল পঁচিশ। বছরের ১লা তারিখে অনেক ইয়াহুদীদের মধ্যে রোযার প্রচলন আছে। ইয়াহুদীদের রোযা সূর্যোদয়ের সময় থেকে আরম্ভ করে রাতে প্রথম তারকা উদয় পর্যন্ত চলতো। কাফফারা বা শরয়ী জরিমানার রোযার নিয়ম অবশ্য আলাদা। যে মাসের ৯ম তারিখে ইয়াহুদীরা রোযা রাখে। এ রোযা সন্ধ্যা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। সাধারণ রোযার জন্য তাদের বিশেষ কোনো বিধি-বিধান নেই। অর্থাৎ এদিনে গোশত ও মদ পান নিষিদ্ধ। (জিউশ ইনসাইক্লোপেডিয়া দ্রষ্টব্য)।
উপরের বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত হল যে, মুসা (আ)-এর যুগে এবং তার আগে ও পরে ইয়াহুদীদের মধ্যে রোযার প্রচলন ছিল।
01/03/2024
হযরত নূহ (আ)-এর রোযা:
আদম (আ)-এর পর নূহ (আ)-কে দ্বিতীয় আদম বলা হয়। এ যুগেও সিয়াম ছিল। কারণ, নবী করীম (স) বলেন নূহ (আ) ইয়াওমুল ফিতর ও ইয়াওমুল আযহা ছাড়া গোটা বছর রোযা রাখতেন। (ইবনে মাজাহ ১২৪ পৃষ্ঠা)
মুআয, ইবনে মাসউদ, ইবনে আব্বাস, আতা, কাতাদাহ ও যাহ্হাক (রা) থেকে বর্ণিত, নূহ (আ)-এর যুগ থেকে প্রত্যেক মাসে তিনটি করে রোযা ছিল। পরিশেষে রমযানের এক মাস সিয়ামের দ্বারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তা রহিত করে দেন। (তাফসীর ইবনে কাসীর, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২১৪)
ইবনে কাসীর (র)-এ বর্ণনা প্রমাণ করে যে, নূহ (আ)-এর যুগ থেকে মুহাম্মাদ (স) এর যুগ পর্যন্ত রমযানের রোজা ফরয হবার আগে কমপক্ষে তিনটি করে সিয়াম ফরয ছিল।
01/03/2024
হযরত আদম (আ)-এর রোযা:
কোনো কোনো সুফী বলেছেন যে, আদম (আ) যখন নিষিদ্ধ ফল খেয়েছিলেন এবং তারপর তাওবা করেছিলেন তখন ৩০ দিন পর্যন্ত তার তাওবা কবুল হয়নি যতক্ষণ তার দেহে ঐ ফলের কিছু অংশ ছিল। অত:পর তাঁর দেহ যখন তা থেকে পাক পবিত্র হয়ে যায় তখন তাঁর তাওবা কবুল হয়। তারপর তাঁর সন্তানদের ওপরে ৩০টি রোযা ফরয করে দেয়া হয়। হাফিয ইবনে হাজার আসকালানী (র) বলেন, একথা প্রমাণে সনদ নেই। এর কোনো দলীল পাওয়া দুরূহ ব্যাপার।
(ফাতহুল বারী ৪র্থ খণ্ড, ১০২-১০৩ পৃষ্ঠা)
বিশ্বের ইতিহাসে সর্বপ্রথম রোযা কে রেখেছিলেন- এ বিষয়ে সাধক শিরোমনি শায়েখ আব্দুল কাদির জিলানী (র) বর্ণনা করেছেন, যির ইবনে হুবাইশ (রা) বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (সা) এর বিশিষ্ট সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা)-কে আইয়্যামে বীয (চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখকে আইয়্যামে বীয বলে) সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আদম (আ)-কে একটি ফল খেতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু আদম (আ) সেই ফল খেয়ে জান্নাত থেকে দুনিয়ায় নেমে আসতে বাধ্য হন। সে সময় তাঁর শরীরের রং কালো হয়ে যায়। ফলে তাঁর এ দুর্দশা দেখে ফেরেশতাগণ কেঁদে কেঁদে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করলেন, হে আল্লাহ! আদম তোমার প্রিয় সৃষ্টি!!! তুমি তাঁকে জান্নাতে স্থান দিয়েছিলে, আমাদের দ্বারা তাকে সিজদাও করালে, আর একটি মাত্র ভুলের জন্য তার দেহের রং কালো করে দিলে? তাদের জবাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আদম (আ)-এর কাছে এ ওহী প্রেরন করলেন, তুমি চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখ। আদম (আ) তাই করলেন। ফলে তার দেহের রং আবার উজ্জ্বল হল। এ জন্যই এ তিনটি দিনকে আইয়্যামে বীয বা উজ্জ্বল দিন বলে। (গুনইয়াতুত-ত-লিবীন, বাংলা অনুবাদ, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩০৭) আব্দুল কাদির জিলানী (র) উক্ত বিষয়টির প্রমাণে কোনো হাদীস বা তফসীরের উদ্ধৃতি দেননি। কাজেই বিষয়টি কতটা সত্য তা চিন্তা সাপেক্ষ। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ঘরে ও সফরে আইয়্যামে বীযে কখনো সিয়াম না করে থাকতেন না। (নাসায়ী, মিশকাত ১৮০ পৃষ্ঠা) (বই: রমযানের ৬০ শিক্ষা, ৩০ ফতোয়া।)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Uttara