Sayed Hossain
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sayed Hossain, Public Figure, Teknaf.
14/04/2026
25/03/2026
গনহত্যা দিবস,জাতী আজ শোকাহত।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) স্বাধীনতা আন্দোলনকে দমিয়ে দেওয়ার জন্য অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের মাধ্যমে দেশের প্রধান শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়।অভিযান শুরু করার পূর্বে সকল বিদেশি সাংবাদিকদের পূর্ব পাকিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।বাঙালিদের ওপর আক্রমণের পর গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক অপারেশন সার্চলাইটে নিহত ও আক্রান্তদের স্মরণে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ২৫শে মার্চকে "গণহত্যা দিবস" হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
22/02/2026
শুভ জন্মদিন ছোট্ট মা-মণি রাইমা ইসলাম
22/02/2026
শুভ জন্মদিন ছোট্ট মা মণি রাইমা ইসলাম
17/01/2026
আলহামদু লিল্লাহ,হলবনিয়া তালিমুল উম্মাহ হেফজ খানার জন্য বাহার ছড়া ইউনিয়ন উত্তর শাখা কৃষক দলের সদস্য সচিব ভাই হায়দর আলীর মাধ্যমে বিশিষ্ট ধর্মীয় দানবীর মানতার ফেরিওয়ালা সৌদি প্রবাসি গিয়াস উদ্দীন ভাই (১০০০০) দশ হাজার টাকা সাহায্য পাঠিয়েছেন।মহান আল্লাহ রহমানুর রহিম,প্রবাসি গিয়াস উদ্দিন ভাইয়ের দানকে কবুল করুন আমিন
07/06/2025
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যক্ষ রোবায়েত ফেরদৌস স্যারকে আমার পরিবারের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ঈদ মোবারক।
08/05/2025
সাবেক রাষ্টপ্রতি আব্দুল হামিদও খারাপ মানুষ।
তাহলে এই দেশে ভালো মানুষ কি সমন্বয়ক আর উপদেষ্টারা?
জীবনের শেষ সময়ে এসে আমাদের সাবেক রাষ্টপ্রধান আব্দুল হামিদকে দেশ ছাড়তে হয়েছে, তাতেই ক্ষিপ্ত শিবির ও সমন্বয়ক গোষ্ঠী। তারা এমন ভাব করছে তিনি যেন চিহ্নিত স'ন্ত্রাসী ছিলেন! তার বিরুদ্ধে অভিযোগ কি? তিনি চাঁদাবাজি করেছেন? টাকা পাচার করেছেন? তার এক্স্যাক্ট অপরাধ কি? একটু তার লাইফটা সম্পর্কে জানাই আপনাদের....
আবদুল হামিদ তাঁর জন্মস্থান ও তদসংলগ্ন অঞ্চলে ৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৪টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ৩টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। এর বাইরে কিশোরগঞ্জ নামে যে একটা এলাকা আছে এটা আমরা অনেকে জানি আমাদের সাবেক রাষ্টপ্রধানের মাধ্যমে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানগুলোতে যখন বক্তব্য রাখতেন সবাই কত উৎফুল্ল, আনন্দিত থাকতো। একজন রাষ্টপ্রধান শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে যেতেন। আমরা কি উনার এসব আচরণ ভুলে গেছি?
তাছাড়া আবদুল হামিদ এক বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী।
১৯৫৯ সালে স্কুলের ছাত্র থাকাকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু।
১৯৬২-র ছাত্র আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তখন কলেজের ছাত্র। কার্যত তখনকার শরীফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী আন্দোলনে শামিল হন। এ সময় তিনি কারাবরণ করেন।
১৯৬২-১৯৬৩ সালে তিনি গুরুদয়াল কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৬৪ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ মহকুমা ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনি ছিলেন এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
১৯৬৫-১৯৬৬ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।
১৯৬৬-১৯৬৭ সময়ে তিনি ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানের কারণে ১৯৬৮ সালে তিনি পুনরায় গ্রেপ্তার হন। মুক্তিলাভের পর ১৯৬৯ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১৮ নির্বাচনী এলাকা থেকে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ৭১-এর মার্চের উত্তাল দিনগুলোতে তিনি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে কিশোরগঞ্জে অসহযোগ আন্দোলন সফল করা এবং স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। ১৭ই মার্চ কিশোরগঞ্জ শহরের রথখোলা মাঠে হাজার-হাজার ছাত্রজনতার উপস্থিতিতে তিনি বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত পতাকা উত্তোলন করেন। ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা এবং টেলিগ্রাফের মাধ্যমে তা প্রাপ্ত হয়ে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিরোধে জনগণ, পুলিশ, বাঙালি সেনা সদস্যদের নিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দেওয়াসহ অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ব্যয় নির্বাহের কথা ভেবে তাঁর নেতৃত্বে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান-এর কিশোরগঞ্জ, ভৈরব ও বাজিতপুর এই ৩ শাখা থেকে ১১ কোটির অধিক রুপি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখা হয়। অতঃপর মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি ভারতের আগরতলা যান। সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘটে। যুদ্ধের কৌশল নিয়ে তাঁরা একাধিক বৈঠক করেন। সেখানে ভারতের রাজ্য সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়। এপ্রিল মাসের শেষ দিকে মো. আবদুল হামিদ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে যুবকদের সংগ্রহ করতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন এবং একদল যুবকসহ মেঘালয়ের বালাট পৌঁছান। তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠিত ইয়ুথ রিসিপশন ক্যাম্পের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। এ ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাথমিক বাছাই কার্য হতো। এছাড়া মেঘালয়ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও শরণার্থী ব্যবস্থাপনায় গঠিত জোনাল এডমিনিস্ট্রেটিভ কাউন্সিলের তিনি অন্যতম সদস্য ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সুনামগঞ্জ-কিশোরগঞ্জ নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ; যা মুজিব বাহিনী হিসেবে পরিচিত ছিল)-এর সাব-সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হন। ১৬ই ডিসেম্বর দেশ শত্রুমুক্ত ও মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জিত হলেও, তাঁর ওপর অর্পিত সকল দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
দেশে ফিরে এসে তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি কিশোরগঞ্জ মহকুমা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। ১৯৭৪ সালে তিনি মহকুমা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে নির্মম হত্যার পর ক্ষমতাসীন জেনারেল জিয়ার শাসনকালে তিনি প্রায় ৪ বছরের জন্য কারারুদ্ধ হন। ১৯৭৮ সালে তিনি মুক্তিলাভ করেন। ১৯৭৮ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত জেলা বার এসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মো. আবদুল হামিদ ১৯৭০, ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ মোট ৭ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠিত হলে প্রথমে তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার (১৯৯৬-২০০১) এবং পরে স্পিকার নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর তিনি জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তখন বিরোধী দলের নেতা ছিলেন শেখ হাসিনা।
২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হলে তিনি সর্বসম্মতক্রমে দ্বিতীয়বার জাতীয় সংসদ-এর স্পিকার নির্বাচিত হন এবং ২০১৩ সাল পর্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৩ সালের ২০শে মার্চ রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান মৃত্যুবরণ করলে মো. আবদুল হামিদ একই দিনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২০তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ৫ বছরের প্রথম টার্ম শেষে ২০১৮ সালের ২৪শে এপ্রিল তিনি দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হয়।
এ পর্যন্ত জীবনে তার বিরুদ্ধে গুরুতর কোন অভিযোগ নেই। এরপরও তিনি খারাপ। আর ২ দিনের পোলারা ২-৪শ কোটি টাকার মালিক! তারা কিন্তু ফেরেশতা। রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ সাহেবকে ফা'সি দিয়ে দেওয়া দরকার ছিলো বোধহয়!!!
12/01/2025
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আওতাধীন জার্মান রেড ক্রসের আর্থিক সহযোগিতায় হলবনিয়া টেইলারিং সেন্টারে ১৫ দিন ব্যাপী টেইলারিং প্রশিক্ষনার্থীদের সমাপনি দিনে সিলাই মেশিন সহ শিলাই সহায়ক বিভিন্ন সরঞ্জামাদি বিতরন।
04/01/2025
সম্পর্কে চাচা হলেও ছিল বন্ধুর মত,সুখে দুঃখে ব্যবসা বাণিজ্যে এক সাথে কাটিয়েছি অনেক বছর।রক্তের কোন সম্পর্ক না থাকলেও আত্নার সম্পর্ক ছিল গভীর,প্রতি বছর রমজান আসলে খুব মনে পড়ে চাচা তোমায়।আল্লাহ এই রমজানের সমস্ত নেক আমলের বদৌলতে চাচাকে বেহেস্ত নছিব করুন আমিন।ছুম্মা আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Website
Address
Teknaf