Mahabub Hasan Rabbi

Mahabub Hasan Rabbi

Share

Mahabub Hasan Rabbi

Mobile uploads 03/06/2026
বাবার সাথে ছোটবেলার যে স্মৃতিচারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | PM | Channel One News 31/05/2026

বাবার সাথে ছোটবেলার যে স্মৃতিচারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান | PM | Channel One News বাবার সাথে ছোটবেলার যে স্মৃতিচারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ⨳About Channel One News⨳ Channel One News is a 24/7 news ...

31/05/2026
10/05/2026

✅✅✅

10/05/2026

তোমরা যারা প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর প্রতি প্রেম দেখে স্বামীকে খোচাও! জেনো রেখো, ২০০৬ এর আমলে হাসিনা সরকার ও মিডিয়া যখন তারেক রহমানকে দেশের সবচেয়ে বড় ভিলেন বানিয়েছিল, লেখার অযোগ্য অপবাদ ডিজিএফআই দিচ্ছিল, তখন এই মহীয়সী উচ্চ শিক্ষিত, অভিজাত ও ধনাঢ্য পরিবারের নারীটি তার স্বামীকে দুর্দিনে এড়িয়ে যায়নি, স্বামীর প্রতি রাগ অভিমান করেনি। বরং সর্বস্ব দিয়ে স্বামীর পাশে দাড়িয়েছিলেন।

স্বামীর জন্য যখন বড় উকিল খুজে পাচ্ছিলেন না, তখন বাবার পরিবার- স্বামীর পরিবারের আভিজাত্য ও নিজের ব্যক্তিত্ব ভুলে ব্যারিষ্টার রফিকুল হকের চেম্বারে চোখের পানি ফেলেছেন, দিনের পরে দিন বসে থেকেছেন।

বিদেশে চিকিৎসার কথা বলা হলে সরকার পক্ষ থেকে চিকিৎসার খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।

তখন এই জোবায়দা রহমান স্বামীর অসহায় দশা দেখে অশ্রুসজল নয়নে ঘোষণা দিয়েছিলেন, "দরকার হলে আমার পৈতৃক সম্পত্তি বেচে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাবো। "

জেল কিংবা জেল বন্দী অবস্থায় হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন ওড়নায় মুখ চেপে ক্রন্দনরত অবস্থায় বের হতেন ডা: জোবায়দা রহমান।

এগুলো মিথ না, এগুলো ছিল চরম সত্য। অথচ মিডিয়া, ডিজিএফআই ও জাতির কাছো সবচেয়ে বড় ভিলেন ছিলেন তখন তারেক রহমান।

সবাই ছেড়ে গেলেও অন্তত একজন মানুষ যদি সেদিন তারেক রহমানের পাশে থাকত, সেটা হতেন এই জোবাইদা রহমান।

তারেক রহমানের মত স্বামীর সম্মান, ভালোবাসা ও নির্ভরতা চাও? তবে-

জোবায়দার মত নি:স্বার্থ হয়ে দেখাও।
ভালবাসার জন্য কাঙাল হতে হবে না,
স্বামীই ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিবে তোমার ভুবন।

04/05/2026

🚨 বাংলাদেশে আসতে যাচ্ছে জ্বালানি খাতে এক বড় বিপ্লব। প্রায় ২.৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে দেশের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক তেল শোধনাগার নির্মাণের আলোচনা শুরু হয়েছে।

​এই মেগা প্রজেক্টে Islamic Development Bank (IDB) প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি শক্তিশালী জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি হওয়ার পথ খুলছে। বর্তমানে বাংলাদেশের তেল শোধন ক্ষমতা মাত্র ১.৫ মিলিয়ন টন। কিন্তু নতুন Eastern Refinery Limited-2 চালু হলে একাই ৩ মিলিয়ন টন ক্যাপাসিটি যোগ হবে।

​সব মিলিয়ে দেশের মোট উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন টন। অর্থাৎ বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি সক্ষমতা তৈরি হবে।

​এর সরাসরি প্রভাব পড়বে আমদানির ওপর। এখন যেখানে আমরা বড় অংশের জ্বালানির জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরশীল, সেটি অনেকটাই কমে যাবে।

​দেশীয় উৎপাদন ২০% থেকে বেড়ে ৫০-৬০% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। মানে অর্ধেকের বেশি জ্বালানি আমরা নিজেরাই তৈরি করতে পারবো।

​এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বছরে ২ থেকে ৩ মিলিয়ন টন জ্বালানি আমদানি কমে যেতে পারে। এতে সরাসরি ১.৫ থেকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় সম্ভব।

​শুধু সাশ্রয়ই না, এই রিফাইনারি থেকে বছরে ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। অর্থাৎ জ্বালানি খাতই হয়ে উঠতে পারে বড় আয়ের উৎস।
​সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো, এখানে শুধু পেট্রোল বা ডিজেলই তৈরি হবে না। তেল শোধনের সময় আরও অনেক মূল্যবান বাই-প্রোডাক্ট পাওয়া যায়।

​LPG, ন্যাফথা, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েল, সালফার ও পেট্রোকেমিক্যাল ফিডস্টক—সবই এই প্রক্রিয়ার অংশ। যেগুলোর জন্য এখন আমাদের বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে আমদানি করতে হয়।

​ধরা হচ্ছে, বছরে ৩ থেকে ৬ লাখ টন পর্যন্ত এসব বাই-প্রোডাক্ট উৎপাদন সম্ভব। যার বাজার মূল্য ১২০ থেকে ৪৮০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে।

​মানে, যেটাকে আমরা এখন খরচ মনে করি, সেটাই ভবিষ্যতে ইনকামের বড় উৎস হয়ে দাঁড়াতে পারে। এখান থেকেই তৈরি হবে নতুন শিল্প ও কারখানার সুযোগ।
​আরেকটি বড় পরিবর্তন আসবে জ্বালানির মানে। এই প্রজেক্টে Euro-5 স্ট্যান্ডার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানের খুব উচ্চ পর্যায়।

​এর ফলে ভবিষ্যতে যদি অতিরিক্ত জ্বালানি থাকে, বাংলাদেশ সরাসরি ইউরোপের বাজারে রপ্তানি করতে পারবে। এই সুযোগ আগে কখনো ছিল না।

​বর্তমানে ভারত ঠিক এই মডেলেরই রাশিয়ান ক্রুড তেল শোধন করে ইউরোপে বিক্রি করে বিলিয়ন ডলার আয় করছে। বাংলাদেশও সেই পথে হাঁটার সুযোগ পাচ্ছে।
​ভবিষ্যতে যদি ERL-3 বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে দেশের জ্বালানি উৎপাদন ১০০% দেশীয়ভাবে পূরণ করা সম্ভব হতে পারে। তখন আমদানির ওপর নির্ভরতা প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।

​সবকিছু মিলিয়ে, এই প্রজেক্ট শুধু একটি রিফাইনারি নয়। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং শিল্প খাতের জন্য এক বড় টার্নিং পয়েন্ট।

​⚡ শেষ কথা একটাই—যে দেশ আগে তেলের জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করতো, সেই দেশই এখন তেল শোধন করে বিদেশে বিক্রি করার স্বপ্ন দেখছে।


যাষ্ট ওয়াকআপ বিএনপি! জাস্ট ডু সাম এগ্রেসিভ ব্র্যান্ডিং। বাঘের মতো কাজ করতেছেন, এখন বাঘের মতোই গর্জন করা শিখেন!

04/05/2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানাগুলোতে যারা আন্তরিকভাবে বিনিয়োগ করতে চান তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাসও দেন।

আজ সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা ও করণীয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান জটিলতা দূর করা জরুরি।’

তারেক রহমান প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও সময়োপযোগী করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘যেসব মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের অনুমোদন অপরিহার্য নয়, সেগুলো অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে হবে।’

বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান এবং বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশন (বিজেএমসি)-এর চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন সিকদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।


#সবারআগেবাংলাদেশ #বিএনপির_সরকার #গণমানুষের_সরকার
#তারেকরহমান #বিএনপি

02/05/2026

উপরে উপরে আমেরিকা, কিন্তু তলায় তলায় পুরো গেম চেঞ্জ!

যারা বড় বড় লেকচার দিচ্ছিলেন যে অর্থনীতি শেষ, তাদের জন্য এক বালতি সমবেদনা। ব্রো, দিস ইজ জিওপলিটিক্যাল মাস্টারস্ট্রোক! ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে হচ্ছে স্পেশালাইজড ‘চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল’। ক্যান ইউ ইমাজিন? শুধু চায়না একাই ঢালছে ৫০০ থেকে ৭০০ মিলিয়ন ডলার!

ইলেকশনের আগে এক জ্ঞানী লোক বলছিলো, আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হলো শীর্ষে আমেরিকা, কিন্তু নীচে চীনা অর্থে প্লাবিত। এখন ফিল পাচ্ছেন বিষয়টা? পলিটিক্স শুধু মুখে হয় না, মাঠে খেলতে হয়!

কী হচ্ছে এই জোনে? একটু চোখ বুলান:

চীনের মাটিতে ডিরেক্ট BIDA অফিস! (Foreign policy level up!)

৫০+ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্লট রেডি।

ফ্যাক্টরি কিসের? স্মার্টফোন অ্যাসেম্বলি, চিপ ডিজাইন, সোলার প্যানেল, আর ডিরেক্ট EV (ইলেকট্রিক ভেহিকল) ম্যানুফ্যাকচারিং!

শুধু কি সস্তা লেবার খাটবে? নেভার! ইঞ্জিনিয়ার, মেকানিক, আইটি এক্সপার্ট—কোয়ালিটি ওয়ার্কফোর্স মোবিলাইজ হবে। ডিরেক্ট ১.৫ থেকে ২ লাখ মানুষের জব! সাপ্লাই চেইন আর লজিস্টিক্সে আরও ৩-৪ লাখ মানুষের রিজিকের ব্যবস্থা।

আপনার কি মনে হয় এই ইনভেস্টমেন্ট এমনি এমনি আসছে?
টানা ১০ বছরে ৫-৭ বিলিয়ন ডলারের FDI আর বছরে ৩-৪ বিলিয়ন ডলারের এক্সপোর্ট টার্গেট। সাথে থাকছে ডিজিটাল পোর্ট, শুল্কমুক্ত কাঁচামাল, আর নিরবচ্ছিন্ন ফাইবার অপটিক ও গ্যাস-বিদ্যুৎ।

BNP-র যে "১ ট্রিলিয়ন ডলার জিডিপি"-র ভিশন নিয়ে অনেকে ট্রল করতেন, সেটা কি এখন আর আকাশকুসুম স্বপ্ন মনে হচ্ছে?

দরকার শুধু ডেডিকেটেড কাজ আর দুর্নীতির শেকড় উপড়ে ফেলা। জিরো টলারেন্স অন করাপশন মেইনটেইন করতে পারলে, বাকিটা সময় কথা বলবে।

জাস্ট বসে বসে গেম দেখেন। একটি নতুন অর্থনৈতিক শক্তির উত্থান বাস্তব।

Tarique Rahman

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Tejgaon?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Bangladesh
Tejgaon
1215