Abdur Rashid
This page is for news, islamic/quranic description & educational services.
মরণের আযাব সত্য। কেউ এ থেকে রেহাই পাবে না। মহানবীও (সা.) এ থেকে রেহান পাননি। রব্বুল আলামিন বলেন-
وَ جَآءَتۡ سَكۡرَۃُ الۡمَوۡتِ بِالۡحَقِّ ؕ ذٰلِكَ مَا كُنۡتَ مِنۡهُ تَحِیۡدُ -
আর মৃত্যুর যন্ত্রণা যথাযথই আসবে। যা থেকে তুমি পলায়ন করতে চাইতে।
সুরা ক্বফ, আয়াত-১৯
# #ওফাতের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মধ্যে এই অবস্থা দেখা দিলে তিনি হাত ভিজিয়ে মুখমণ্ডলে মালিশ করেছিলেন এবং বলেছিলেনঃ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ، إِنَّ لِلْمَوْتِ سَكَرَاتٍ আল্লাহ ছাড়া কোন হক ইলাহ নেই, মৃত্যু যন্ত্রণা বড় সাংঘাতিক। [বুখারী: ৪০৯৪, ৭১৭৫]
মৃত্যু অবধারিত, এ থেকে বাঁচার কিংবা পালানোর বিকল্প কোনো পথ নাই। রব্বুন জলীলুন বলেন-
اَیۡنَ مَا تَكُوۡنُوۡا یُدۡرِكۡكُّمُ الۡمَوۡتُ وَ لَوۡ كُنۡتُمۡ فِیۡ بُرُوۡجٍ
مُّشَیَّدَۃٍ-
তোমরা যেখানেই থাক না কেনো মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই পাবে, যদিও তোমরা সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান কর।
সুরা নিসা, আয়াত- ৭৮
আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন। আমরা যেনো রাসূলের মামলার আসামি না হই।।
وَ قَالَ الرَّسُوۡلُ یٰرَبِّ اِنَّ قَوۡمِی اتَّخَذُوۡا هٰذَا الۡقُرۡاٰنَ مَهۡجُوۡرًا-
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (আল্লাহর আদালতে দাঁড়িয়ে) বলবেন, হে আমার রব, আমার সম্প্রদায়ের লোকেরা কুরআনকে অহেতুক বিষয়বস্তু, অনর্থক বিষয়বস্তু মনে করে পিছনে ফেলে রেখেছিল।
সুরা ফুরকান, আয়াত-৩০
বিশ্বনবী (সা.) বলেন,
مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَلَمْ يُوَقِّرْ كَبِيرَنَا فَلَيْسَ مِنَّا-
যারা ছোটদের স্নেহ করে না এবং বড়দের সম্মান করে না, তারা আর যাইহোক আমার উম্মত হতে পারে না।
পবিত্র কুরআনে উল্লিখিত ২৫ জন নবীর নাম ও তাঁদের বিশেষত্ব:
১. হজরত আদম আলাইহিস সালাম। তিনি সর্বপ্রথম মানুষ ও নবী ছিলেন। তাঁর উপাধি ছিল সফিউল্লাহ
২. হজরত ইদ্রিস আলাইহিস সালাম। তিনি সর্বপ্রথম কলম দ্বারা লিখেছেন। আল্লাহতায়ালা তাকে সিদ্দিক হিসেবে কোরআনে আখ্যা দিয়েছেন এবং তিনি সর্বপ্রথম কাপড় সেলাই করে পরিধান করা শুরু করেন।
৩. হজরত নুহ আলাইহিস সালাম। তিনি নিজ জাতিকে সাড়ে ৯শ’ বছর দাওয়াত দিয়েছেন। তার ছেলে কেনানকে কুফরির কারণে আল্লাহতায়ালা মহাপ্লাবনে ডুবিয়ে মেরেছিলেন। তাঁর উপাধি ছিল নাজিউল্লাহ।
৪. হজরত হুদ আলাইহিস সালাম। তাকে আদ জাতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল। নূহ (আ.)-এর সম্প্রদায়কে প্লাবন দ্বারা ধ্বংস করার পর সর্বপ্রথম তার সম্প্রদায়ের লোকেরা মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয় এবং আল্লাহ তাদেরকে প্রচন্ড ঝড় দ্বারা ধ্বংস করে দেন।
৫. হজরত সালেহ আলাইহিস সালাম। তাকে ছামূদ জাতির নিকট প্রেরণ করা হয়। সালেহ (আ.)-এর মুজেযা ছিল উটনি।
৬. হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম। তিনি ইরাকে জন্মগ্রহণ করেন ও ফিলিস্তিনে বসতি স্থাপন করেন। পরে আল্লাহতায়ালার হুকুমে স্ত্রী ও শিশু সন্তান ইসমাঈলকে জনমানবহীন মক্কায় রেখে আসেন। উপাধি ছিল খলিলুল্লাহ।
হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে আবুল আম্বিয়া বা নবীদের পিতা বলা হয়। তিনি ছেলে ইসমাঈলকে সঙ্গে নিয়ে কাবা ঘর নির্মাণ করেন ও সর্বপ্রথম মানুষকে বায়তুল্লাহর হজ করার জন্য আহবান করেন।
৭. হজরত লুত আলাইহিস সালাম। তার স্ত্রী কাফের ছিল। তার সম্প্রদায়ের লোকেরা সমকামিতার মতো পাপে লিপ্ত ছিলো। ফলে আল্লাহতায়ালা তাদের কঠোর শাস্তি প্রদান করেন।
৮. হজরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম। জন্মের পূর্বেই তাকে বিজ্ঞ বলে সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল। উপাধি জাবীউল্লাহ।
৯. হজরত ইসহাক আলাইহিস সালাম। তিনি ও ইসমাঈল (আ.) সম্পর্কে ভাই ছিলেন।
১০. হজরত ইয়াকুব আলাইহিস সালাম। তার আরেক নাম হলো- ইসরাইল। তার নামানুসারে বনী ইসরাঈল সম্প্রদায়ের নামকরণ করা হয়েছে।
১১. হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম। তিনি নিজে নবী ছিলেন এবং তার পিতা ইয়াকুব (আ.), তার দাদা ইসহাক (আ.) ও পরদাদা ইবরাহীম (আ) নবী ছিলেন।
উপাধি ছিল সিদ্দিকুল্লাহ
১২. হজরত শোয়াইব আলাইহিস সালাম। তার সম্প্রদায়ের লোকেরা মাপে বা ওজনে কম দেওয়ার প্রেক্ষিতে আজাবপ্রাপ্ত হয়েছিল।
১৩. হজরত আইয়ুব আলাইহিস সালাম।আল্লাহতায়ালা তাকে দীর্ঘকাল কঠিন অসুখ দিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন। কিন্তু তিনি ধৈর্যধারণ করে ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।
১৪. হজরত যুলকিফল আলাইহিস সালাম।
১৫. হজরত মুসা আলাইহিস সালাম। পবিত্র কোরআনে সবচেয়ে বেশি বার তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ৩৪টি সূরায় ১৩৭ বার আলোচিত হয়েছেন তিনি। বনী ইসরাঈলের প্রথম নবী ছিলেন তিনি। জন্মের পর মুসা আলাইহিস সালামকে তার মা বাক্সে ভরে নীল নদে ভাসিয়ে দেন। আল্লাহর কুদরত হিসেবে পরে তিনি জালেম বাদশা ফেরাউনের বাড়ীতে লালিত-পালিত হন। নবী মূসাকে আল্লাহতায়ালা অনেকগুলো মুজেযা দিয়েছিলেন। তন্মধ্যে একটি হলো- মূসা (আ.) তার হাতের লাঠি মাটিতে রেখে দিলে তা বিশাল বড় সাপে পরিণত হতো। পরে তিনি সেটা হাতে নিলে আবার লাঠি হয়ে যেত। উপাধি ছিল কালিমুল্লাহ
১৬. হজরত হারুন আলাইহিস সালাম। তিনি নবী মূসা (আ.)-এর ভাই ছিলেন। বাগ্মীতার পারদর্শী ছিলেন তিনি।
১৭. হজরত দাউদ আলাইহিস সালাম।তিনি নিজে রোজগার করে সংসার চালাতেন। তাকে যাবুর কিতাব প্রদান করা হয়েছিল। তিনি একদিন রোজা রাখতেন, আরেকদিন রাখতেন না।
১৮. হজরত সোলায়মান আলাইহিস সালাম। তিনি সারা পৃথিবীর বাদশাহ ছিলেন। পশু-পাখীদের ভাষা বুঝাসহ মুজেযাস্বরূপ বাতাস নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পেয়েছিলেন তিনি।
১৯. হজরত ইলিয়াস আলাইহিস সালাম।
২০. হজরত ইয়াসা আলাইহিস সালাম।
২১. হজরত ইউনুস আলাইহিস সালাম। তাঁকে মাছে গিলে ফেলেছিল। পরে তিঁনি দোয়া করার পর আল্লাহতায়ালা তাকে মুক্তি দিয়েছেন। তিঁনি নিনুওয়া এলাকার লোকদের নিকট প্রেরিত হয়েছিলেন। পূর্ববর্তী সমস্ত নবীর অধিকাংশ উম্মত তাদের সঙ্গে কুফরি করলেও ইউনুস (আ.)-এর সম্প্রদায়ের সবাই তাঁর প্রতি ঈমান এনেছিলেন।
২২. হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম। পেশায় কাঠুরে ছিলেন।
২৩. হজরত ইয়াইয়া আলাইহিম সালাম। তাকে কিশোর অবস্থাতেই আল্লাহ জ্ঞানী করেছিলেন এবং তাকে তাওরাতের শিক্ষা দিয়েছিলেন।
২৪. হজরত ঈসা আলাইহি সালাম। তিনি বনী ইসরাইল সম্প্রদায়ের সর্বশেষ নবী। তার আরেক নাম মাসিহ।
২৫. হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।খাতামুন্নাবী, সায়্যিদুল মুরসালিন, রহমাতাল্লিল আলামিন, সায়্যিদুল বাশার ও সায়্যিদুল কাওনাইন এবং সায়্যিদুল আম্বিয়া।
চলেন যেনে নেই-
রাসূল এবং নবী কারা?
যেসব নবীর প্রতি কিতাব নাজিল করা হয়েছে এবং নতুন শরীয়ত দেওয়া হয়েছে, তাঁদেরকে রাসূল বলা হয়।
আর প্রত্যেক পয়গম্বরকেই নবী বলা হয়, তাঁকে নতুন কিতাব ও নতুন শরীয়ত দেওয়া হোক বা না হোক। যেসব নবীর প্রতি কিতাব নাজিল হয়নি তাঁরা আগের রাসূলদের প্রচারিত শরীয়তের অনুসরণ করে দ্বীনের কাজ আঞ্জাম দিয়েছেন।
وَ مَا خَلَقۡتُ الۡجِنَّ وَ الۡاِنۡسَ اِلَّا لِیَعۡبُدُوۡنِ -
আমি জ্বীন আর মানুষকে শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।
সুরা আয যারিয়াত, আয়াত নম্বর: ৫৬
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Tangail