AJUC
Collect money from investor and provide loan to the customer.
এই মেয়ে এত বয়স হয়েছে, এখনো বিয়ে হয় নি? !! রাজপুত্রের অপেক্ষায় বসে আছ নাকি?
-ওমা! ডিভোর্স হয়ে গেছে? কিভাবে হল? আবার বিয়ে করছ না কেন!!??
- আহারে, জামাই মারা গেছে? কিভাবে চলবে এখন? আবার বিয়ে করছ না কেন!!?? :O
-এত বছর হয়েছে বিয়ের, এখনো বাচ্চা হয় নি কেন?!!!
- মাত্র একটা বাচ্চা আপনার, আরেকটা হচ্ছে না কেন?
- ছেলে নাই? ছেলে বাচ্চার জন্য ট্রাই করছেন না কেন?
-বাচ্চা ফেলে চাকরি করেন কেন??
-এত পড়াশোনা করে বসে আছেন কেন? চাকরি করছেন না কেন?!
-বাহ! আপনি বউ কে চাকরি করতে দেন? কেন নিজের কামাইতে চলে না?
-আরে আপনার বউ কিছু করে না!! আপনি নিশ্চয় করতে দেন না!!
এরকম হাজারো প্রশ্ন সমাজের লোকজন করতেই থাকে। মোটা হলে জিজ্ঞেস করে এত খাও কেন? শুকনা হলে বলে খাওনা কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি। সমাজ তো আসলে কোন আলাদা স্বত্বা নয়, আমাদেরকে মিলেই তৈরি হয়!
মূল সমস্যা হল, অন্যের 'প্রাইভেসি' কে বা 'পারসোনাল লাইফ' কে যে সম্মান করতে হয়, সেটাই আমরা ভুলে গেছি!
আপনি কি ব্যবসা শুরু করতে চান? অথবা তা বড় করতে চান?ব্যবসা শুরুর এবং ব্যবসা পরিচালনার সব রকম তথ্য রয়েছে এই ওয়েব সাইট এ-www.byabsharkhobor.com। উদ্যোক্তাদের সুবিধার জন্য রয়েছে ঋণ প্রদানকারী বিভিন্ন বাংক বা এনজিও, জেলাভিত্তিক যোগাযোগের ঠিকানা, সবোর্চ্চ ঋণ প্রদানের পরিমান, সুদের হার, ঋণ পরিশোধের সময়সীমা, কিস্তির পরিমান ইত্যাদির তথ্য। বাংলাদেশের তৃণমূল এলাকার উদ্যোক্তারা এর মাধ্যমে তাদের বব্যসা শুরু করতে পারেন।
এক সময় ছিল যখন মানুষ চাকরি বলতে সরকারী চাকরিকেই বুঝত। কোম্পানি চাকরিকে তেমন প্রাদান্য দিত না। আবার গ্রাম অঞ্চলে এমনও দেখা যেত ছেলে কোম্পানিতে চাকরি করলে তার কাছে মেয়ে বিয়ে দিতেও ইতস্তবোধ করত।
দুই হাজার সালের পরে দেখা গেছে, কিছু বছর মানুষ শুধু এস এস সি পাস করেই আর্মির চাকরির পেছনে দৌড়াচ্ছিল, যদিও এখন এই চাকরির তেমন সাড়া নেই। এ গেলো সরকারী চাকরির কথা, এবার আসি কোম্পানি চাকরির কথা। কিছু দিন মানুষ ব্যাংকের চাকরির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল, এখনো কিছুটা প্রভাব তার রয়েই গেছে।
এবার আসুন একটু অন্য প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলি, মেয়ের পরিবার যখন মেয়ের জন্য পাত্র খুঁজে তখন তাদের প্রথম চয়েজ থাকে ছেলে সরকারী চাকুরীজীবী হতে হবে, দ্বিতীয় চয়েজ ছেলে ব্যাংকার, তৃতীয় চয়েজ ছেলে চাকুরীজীবী হলেই চলবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যে সব পরিবারে চাকুরীজীবী লোক নেই তারাই এমনটি আশা করে থাকে। কারন তারা বুঝেনা যে চাকরী কি জিনিস।
এতসময় ধরে যা বললাম তার শিকার হচ্ছে নিন্মবিত্ত অথবা নিন্মমধ্যোবিত্ত পরিবার গুলো। এবার বলি মধ্যোবিত্ত বা উচ্চমধ্যোবিত্ত পরিবারের কথা। এসব পরিবারগুলো আর্মি চাকরী, ব্যাংকের চাকরী অথবা চাকুরীজীবী লোকের হাতে মেয়ে তুলে দিতে রাজীই হন না, আমার মনে হয় এরা বুঝে চাকরী কি জিনিস। কারন তারা জানে চাকরীর খাঁটি বাংলা অর্থ হচ্ছে অন্যের গোলামি করা। নিজের স্বাধীনতাকে বিক্রি করা।
অনেক আগে গ্রামে গঞ্জে বাড়ির গরু পালনের জন্য অথবা বাড়ির কাজকর্ম করার জন্য ধনী বাড়িগুগোতে কাজের ছেলে রাখা হতো যাদেরকে বলা হতো বারোমাইসা কামলা বা চাকর। বারোমাইসা কামলা বা চাকর বলার পেছনের কারন, তারা ছিল অশিক্ষিত, নিজেদের নামও লিখতে পারতোনা। আর বর্তমানে যারা বারোমাইসা কামলা দেয় তাদেরকে বলা হয় চাকুরীজীবী, কারন এরা শিক্ষিত, নিজেদের নাম ইংলিশেও লিখতে পারে।
বর্তমানে সেই ধনীবাড়িগুলো যারা বারোমাইসা কামলা রাখতো, তারা এখন কোম্পানি খুলে ফেলেছে আর সেই বারোমাইসা কামলাগুলো এখন সেই কোম্পানিতে বারোমাইসা কামলাগীরি করছে, মানে চাকরী করছে (চাকুরীজীবী)। শুধু মাত্র স্থান এবং নামের পরিবর্তন এটাই শিক্ষিত হওয়ার গুন। যদি এরা শিক্ষিত না হতে পারতো তাহলে সারা জীবন এদেরকে বারোমাইসা কামলা বলেই ডাকতো।
আর ঐ সময় যারা ধনীও ছিলনা আবার বারোমাইসা কামলাগীরিও করতনা, মানে গেরস্তগীরি করত। তারাও কিন্তু এখন শিক্ষিত, কারন বারোমাইসা কামলারা যখন শিক্ষিত হয়ে গেছে তখন তারা শিক্ষিত না হলে কেমন দেখায়। যখন বারোমাইসা কামলাদের নাম পরিবর্তন হয়ে চাকুরীজীবী হয়ে গেলো তখন গেরস্তদেরও নাম পরিবর্তন হয়ে ব্যাবসায়ী হয়ে গেলো, কারন এরাওতো শিক্ষিত।
তাই সেই সময় মেয়ে বিয়ে দিতে গেলে কখনোই বলতো না যে মেয়ের জন্য চাকুরীজীবী মানে বারো মাইসা কামলাগীরি ছেলে চাই। তখন শুধুই মেয়ের জন্য গেরস্ত ছেলেই খুঁজতো। কিন্তু বর্তমানে কিছু কিছু লোক শিক্ষিত হয়েও, গেরস্তর চেয়ে বারোমাইসা কামলাগীরিদের মানে ব্যবসায়ীদের চেয়ে চাকুরীজীবীদেরকে সুখি মনে করে, এই বিষয়টার ব্যাখ্যা আমি খুঁজে পেলাম না। আর এজন্যই মেয়েকে সুখি রাখার জন্য পরিবার সুখি ছেলে মানে চাকুরীজীবী ছেলে খুঁজে। এটাও মনে হয় শিক্ষিত হওয়ার গুন তাইনা বন্দুরা???
আরে ভাই বারোমাইসা কামলাগীরি মানে চাকরী করে যে টাকা রোজগার করা যায় তার চেয়ে বেশী টাকা ব্যবসায়ীরা রোজগার করে। একথা বললাম এ কারনে আপনিতো মনে করেন টাকাতেই সুখ তাইনা? তাহলে টাকা ব্যবসায়ীদের কাছেই বেশী। আর যদি মনে করেন না টাকাতে সুখ নেই শান্তিতেই সুখ, তাহলে বলবো চাকুরীজীবীদের চেয়ে ব্যবসায়ীরাই বেশী শান্তিতে আছে।সে সরকারী বা ব্যাংকের চাকরী যাই হোক না কেন। আপনার বিশ্বাস না হয় আপনি দুটোই করে দেখেন। শুধু যদি চাকরী করেন তাহলে চাকরী এবং ব্যবসা দুইটা তুলনা করতে পারবেন না। আবার যদি শুধু ব্যবসা করেন তাহলেও পারবেন না। তখন আপনার কাছে মনে হবে চাকুরীজীবীরাই সুখে আছে, আমার চেয়ে বেশী টাকা তারাই রোজগার করছে।
আরে ভাই, আমাদের এলাকার লালমিয়া প্রামানিক রাজমিস্ত্রির কাজ করেই চাকুরীজীবীদের চেয়ে বেশী টাকা রোজগার করে। তাহলে টাকার জন্য চাকরী করবেন কেন রাজমিস্ত্রির কাজই করেন। রাজমিস্ত্রির কাজ অনেক কষ্টের এইটা ভাবতেছেন? তাহলে একবার ভাবুন চাকরী কত কষ্টের!
প্রকৃতপক্ষে সুখির দিক দিয়ে, টাকার দিক দিয়ে, সন্মানের দিক দিয়ে, শিক্ষিতের দিক দিয়ে, সাংসারিক দিক দিয়ে যে দিকই বলুলনা কেন সব দিক দিয়েই ব্যবসায়ীরাই আগানো। যদিও আজ সুখির দিক দিয়ে এবং টাকার দিক ছাড়া অন্য বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারলাম না। আবার সময় পেলে বলবো।
তাই সকল বন্দুদেরকে বলতে চাই, যে যাই বলুক তুমি ব্যবসা শুরু করো, হোক ছোট ব্যবসা। আজ যদি আমার সব বন্দুরা ব্যবসা শুরু করো তাহলে এমন একসময় আসবে যখন সরকারী চাকুরীজীবীর জন্যও এলাকায় খুঁজে বেড়াতে হবে, যেমন ১৯৯০ সালের দিকে হয়েছিল। এলাকায় বৃদ্ধ লোক থাকলে তাদের কাছ থেকে শুনতে পারবা ঐ সময় চাকরী দেওয়ার জন্য লোক খুঁজা হতো, কিন্তু চাকরী করার মত লোক পাওয়া যেত না। এমনকি যখন আর্মিতে লোক নেওয়া হতো তখন মাঠে লোকই পাওয়া যেত না।
আজকের বর্তমান অবস্থার জন্য কিন্তু আমরাই দায়ী, তার কারন, আমরা বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী কমার্স নিয়ে লেখাপড়া করছি, অথচ চিন্তা করি কি চাকরী করবো! ব্যবসা শাখায় লেখাপড়া করে যদি চাকরী করতে হয় তাহলে আজকের অবস্থার জন্য আমরা দায়ী না তো কারা দায়ী?? আজ ছোট বা মাঝারী ব্যবসায়ীদেরকে সন্মানই দেওয়া হচ্ছে না কেন? কারন ব্যবসাশিক্ষা শাখার স্টুডেন্টরা ছোট বা মাঝারী ব্যবসা না করে অন্যের চাকরী করে দিচ্ছে। যদি আজ ছোট বা মাঝারী ব্যবসা আমরা হাতে তুলে নিতাম তাহলে এই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। যাদের চাকরী করার কথা ছিল তারা কিনা হাল ধরেছে এই ছোট এবং মাঝারী ব্যবসায়ের! দিক্ষার জানাই আমি সেই সব স্টুডেন্টদেরকে যারা ব্যবসা শাখার ছাত্র হয়ে অন্যের গোলামি করছে।
কারো মনে কষ্ট লেগে থাকলে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত! ব্যবসায়ের বিভিন্ন টিপ্স পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
ছাতা অন্যের হাতে রেখে নিজেকে সুরক্ষিত মনে করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়, কারন সে যে কোন সময় ছাতাটি সরিয়ে নিতে পারে। আর তখন অবশ্যই ভিজতে হবে। তাই নিজের ছাতাটি নিজ হাতেই শক্ত করে ধরে রাখতে হবে, তাহলে কেবল মাত্র নিজেকে সব সময়ের জন্য সুরক্ষিত ভাবা যাবে।
এই সহজ বিষয়টা আমরা সকলেই বুঝি, কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, বাস্তবে এসে আমরা এতটাই অন্ধ হয়ে পড়ি যে এই সহজ বিষয়গুলো বুঝার মত হিতাহিত জ্ঞান আমরা হারিয়ে ফেলি। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কিভাবে? আসুন একটি উদাহারণ দিচ্ছি আশা করি বুঝতে পারবেন।
ধরুন আপনি অনার্স, মাষ্টার্স শেষ করে ছোট খাটো কোন চাকরি করছেন অথবা চাকরি খুজছেন। বর্তমানে এটাই স্বাভাবিক এবং আপনার পরিবারও তাই চাইবে। একটু গভীর ভাবে ভেবে দেখুন চাকরি করা মানে নিজেকে অন্যের ছাতার নিচে আশ্চিত রাখার মত। তাহলে ভাবতে পারেন এত লেখাপড়া করে চাকরি করবো না তো কি করবো? চাকরি না করলে লোকে কি বলবে? চাকরি যদি নাই করি তাহলে এত লেখাপড়া করার কি দরকার ছিল? এরকম হাজার প্রশ্ন মনে জাগতে পারে।
এসব প্রশ্নের উত্তরে আমি বলবো আপনি অনার্স, মাষ্টার্স, BBA, MBA করেছেন ভালো, তাহলে কেন চাকরি করবেন?? আপনার তো প্রয়োজন ব্যবসা করা, কারন আপনি বিজনেসের ছাত্র হয়ে কেন আপনি অন্যের ব্যবসায়ের ঘানি টানতে যাবেন? আপনি নিজেই ব্যবসায়ের মালিক হোন, তাহলে দেখবেন আপনার ব্যবসায়েই অনেক লোক চাকরি করছে।
তাহলে বলতে পারেন চাকরি কারা করবে? আমি এ প্রশ্নের জবাবে বলবো চাকরি তারাই করবে যারা নিন্মবিত্ত পরিবারের কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে।
আপনি যদি উচ্চ বিত্ত বা মধ্যোবিত্ত পরিবারের হয়েও চাকরি করেন তাহলে সেটা নিহাত বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। কারন আপনার জন্য চাকরি নয় আপনার জন্য ব্যবসাই উত্তম। আর আপনি যদি ব্যবসা করেন তাহলে নিন্মবিত্ত পরিবারের ঐ ছেলেগুলো চাকরি করার সুযোগ পেয়ে যাবে, তাহলে আর কোটি কোটি গরিব যুবককে বেকার দিন গুনতে হবে না।
তবে মধ্যোবিত্ত পরিবারগুলোতে ব্যবসাকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না এখানে ব্যবসার চেয়ে চাকরিকে বড় করে দেখা হয়। বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে এর প্রভাব বেশি লক্ষনীয়। তবে আপনি শিক্ষিত হয়ে তাদের সাথে মত মিলালে তো আর চলবে না। তাই আপনার পরিবারকে বুঝান এবং চাকরির পেছনে না ঘুরে ব্যবসা শুরু করুন। তাহলেই কেবল মাত্র দুখি সমাজের অন্ধকার ঘুচবে।
বড় কোম্পানি/ ব্যবসায়ে চাকরি করার চেয়ে নিজের ছোট ব্যবসায়ের মালিক হওয়া শত গুনে শ্রেষ্ঠ। বড় কোম্পানিতে বড় চাকরি করলে হয়ত বড় অঙ্কের বেতন পাবেন, কিন্তু ভেবে দেখুন এত টাকা আপনাকে বেতন দিবে এমনি এমনি কিন্তু নয়, আপনাকে যত টাকা বেতন দিবে তার দ্বিগুন কষ্ট আপনাকে দিয়ে করাবে এটাই সত্যি। আপনি যদি ঠিক ঐ পরিমান পরিশ্রম নিজের ব্যবসায়ে করেন তাহলে আপনিতো আপনার জীবন পার করবেনই তার সাথে আপনার পরবর্তী প্রজন্ম সেই ব্যবসায়ের আলোতেই পথ চলতে পারবে।
অনেক কথাই বললাম, এবার সিগ্ধান্ত আপনার, আপনি চাকরি করবেন নাকি ব্যবসা।
ব্যবসায়ের সমস্ত টিপ্স পেতে আমাদের সাথে থাকুন
চাকরি করে কেউ কোন দিন বিলিয়নিয়ার হয় নাই!উদোক্তো হও!
কথাটি আমার না বিল-গেটস এর কথা। কিন্তু কথাটি বর্তমান বাজারে একদম সত্যি, ভেবে দেখুন আপনি প্রথম অবস্থায় চাকরি করে বিশ হাজার টাকা বেতন পেলেও সমস্ত টাকা খরচ হয়ে যায়। সঞ্চয় করার জন্য তেমন কিছু থাকেনা।
তার চেয়ে বড় কথা আপনাকে যখন কোন কোম্পানি বা সরকার বিশ হজার টাকা বেতন দিবে তখন তারা আপনাকে রোবটের মত কাজ করাবে, জীবনে আনন্দ কি তা আপনি বুঝতে পারবেন না।
অনেকে মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে চাকরি না করে ব্যবসা করবো! লোকে কি বলবে? আমি আপনাকে বলবো লোকের কথায় কান দেওয়া যাবেনা, কারন কোন লোকই আপনার কাজ করে দিবে না। আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে। সুতরাং আজ শপথ নিন চাকরির পেছনে ঘুরে সময় নষ্ট না করে আজই কোন ব্যবসা বেছে নিন।
একদিন দেখবেন আপনার চাকরি করা বন্দুর চেয়ে আপনি অনেক এগিয়ে এবং তার চেয়ে অনেক সুখি।
আর ব্যবসার সকল প্রয়োজনীয় উপাদানের যোগান দিতে আমাদের একতা যুব উন্নয়ন ক্লাব আছে আপনার পাশে।আপনি যদি চান তাহলে AJUC অবশ্যই আপনাকে সকল বিষয়ে সহযোগিতা করবে।
ধন্যবাদ সবাইকে...
03/04/2017
In the office room.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Tangail
1976
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Friday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |