BanglaQuote.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BanglaQuote.com, School, Sylhet.
01/10/2019
স্বামী প্রথম রাতেই স্ত্রীকে বলছে, দেখ আমি এই বিয়েতে রাজি ছিলাম না, আমার পরিবার জোর পূর্বক বিবাহ দিয়েছে, সো তোমার মতো তুমি, আর আমার মতো আমি। স্ত্রী একদম চুপ, কিন্তু হতাশ হলেন না। মধ্যে রাতে স্ত্রী তাহাজ্জুদ সালাতের জন্য উঠলেন, স্বামীর এলোমেলো চুলে শীতল পরশ হাতখানা বুলিয়ে দিয়ে, আলতো করে কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল, চলুন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার একমাত্র সেতু হলো সালাত, স্বামী চোখ খুলে স্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে অবাক, কি মিষ্টি হাসি, অপূর্ব চাহনি, স্বামী বলল তুমি যাও, আমি ঘুমাবো, সকালে কাজ আছে।
স্ত্রী বলল আমি আপনাকে জান্নাতের পথে ডাকছি, সুখ, শান্তি, সচ্ছলতা, সম্মৃদ্ধির পথে ডাকছি, স্বামী বলল ওকে ঠিক আছে, তাহলে আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাও, স্ত্রী বলল তাহলে ওযু করে এসে আল্লাহর কাছে জান্নাত চাও পেয়ে যাবে, স্বামী বলল আমি অনেক সুখ চাই, স্ত্রী বলল পৃথিবীর সবাই সুখের ক্রেতা, আর আল্লাহ রাব্বুল আলামিন হলেন একাই সুখের বিক্রেতা, স্বামী বলল কিভাবে, স্ত্রী বলল, আল্লাহ মুমিন ব্যাক্তির জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে। স্বামী বলছে আমি তো খারাপ, আর তুমি এই জামানার একজন পুত ও পবিত্র নারী, আমার মতো একজন অপবিত্র ছেলের সাথে তুমি জীবন কাটাতে পারবেনা।
স্ত্রী বলল, আপনার সমস্ত শরীর যদি হযরত আইয়ুব (আঃ) মতো পোকাই ভরে যায়, তবে আমি বিবি রহিমার মতো আপনার পাশে থেকে সেবা যত্ন করবো। আপনার সাথে বিয়ের পর, আপনার সম্পদ, আমার ইজ্জত, সবই আপনার আমানত, আর এই আমানতের খিয়ানত আমি কখনোই করবোনা, আমাদের ঘরটা রাসূলের ঘরের মতো হোক। দিনের পর দিন রান্না না হোক, কিন্তু আপনার মুখে মুক্তা ঝরা হাসি থাকুক। স্বামী ভাবছে, এমন জীবন সঙ্গীনি ভাগ্যক্রমে পেয়েছি, আর তাকে অবহেলা নয়, বরং আমার শরীরের একটা অংশ করে নিই, স্বামী তার স্ত্রীকে বলছে, আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে বললে, কিন্তু এটাতো বললে না যে, জান্নাতে আমার বুকে মাথা রেখে, এমন মিষ্টি পরশ বুলাবে কিনা। স্ত্রী চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে, মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সূচক বাক্য প্রকাশ করলো।
আপনার স্বামী যেমনই হোক না কেন, সে তো আর ফেরাউন নয়, তাহলে তাকে জান্নাতের দিকে ডাকুন, আর আমি এটা বিশ্বাস করি, সমস্ত ছেলেই ভালবাসার কাছে হেরে যায়, আর মেয়েরা ভালবাসার ক্ষেত্রটি ছেলেদের চাইতে ভাল বুঝে, যার কারনে আল্লাহ মেয়েদেকে মা বানিয়েছেন।।।।।
,
11/12/2017
ভারতের " শিলং, চেরাপুঞ্জি ও ডাউকি ভ্রমন "
ভিসা প্রসেস সম্পূর্ণ ফ্রি !! নতুন বছরের দারুন অফার !! আসলে আগে পাবেন, সীমিত সময়ের জন্য) >> +৮৮-০১৭২২২২৬৪১৩ ,
(y) সিলেট থেকে মাত্রঃ ৮,০০০ টাকা ! ( ৩ দিন ২ রাত ।)
(y) ঢাকা থেকে মাত্রঃ ১২,০০০ টাকা ।( ৩ দিন ৪ রাত ।)
ভ্রমন তারিখ : যে কোন দিন :) ! ভ্রমন সঙ্গী সর্বনিম্ন ৬ জন (y)
যাদের ভিসা নেই অতি সত্তর যোগাযোগ করুন।। ভিসা প্রসেস সম্পূর্ণ ফ্রি !!
ফামিলি নিয়ে ভ্রমনের জন্য উপযুক্ত ।
ঘুরে আসুন মেঘালয় এর রানী শিলং ।।
**** পাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কল করুন **** ।
পাকেজ এ যা যা থাকবে
----------------------------------
# সকালের নাস্তা ,
# সম্পুর্ন যাতায়াত বেবস্থা,
# হোটেল ,
# যাবতীয় টিকেট ফি ,আমরা বহন করব।
# দর্শনীও ভ্রমন এলাকা ঘুরে দেখা গাইড ১৮ টি, দর্শনীও স্থান
>>> ভিসা পেতে যোগাযোগ করুন ।।
বুকিং মানি ঃ ২,০০০ টাকা মাত্র (অফেরত)
{{ বিকাশে বুক করতেঃ ০১৯৫৪ ০২০৫ ৮৭ }} personal
যোগাযোগ করুন :
(সকাল ১০.০০ থেকে বিকাল ৫.০০ )
+৮৮-০১৭২২২২৬৪১৩ ,
+৮৮ ০১৭৯২০০৭৮৪৭,
+৯১৯৬১৫৩০৯৪৬৬ (ইন্ডিয়ান নাম্বার)
>>> যারা #ঢাকা , #চট্রগ্রাম , #রাজশাহি , অন্যান্য জেলা থেকে যাবেন #ভিসা সহযোগিতা ও #বুক করতে আমাদের কল করুন
24/10/2017
তিনটি শিক্ষা এই ছবি থেকে পাওয়া যায়।
১ঃ কখনো কখনো জ্বালাতনকারীর সাথে তর্কে না জড়ানো ই উত্তম।
২ঃ সব সুবিধাই নেয়া উচিৎ না। কারন কিছু সুবিধা দেখতে সুবিধা মনে হলেও, এটা আসলে হচ্ছে পতনের ফাঁদ।
৩ঃ অন্যের ধ্বংসের জন্যে কোন কিছু যদি করার ইচ্ছা পূষন করলে , নিজের ধ্বংস ও হতে পারে খুব সহজেই।
25/08/2017
“যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার জন্য। কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে।
আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়ে ছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে, মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি কোনদিন ভুলব না। বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ।’
পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা।
বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন। তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি।
আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম ক্ষেত্রেই ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই আমিও জন্মদিন এবং বিভিন্ন বার্ষিকীর তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি যা শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে অপরের ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হবে।
জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অনুতপ্ত বোধ করার কোন মানেই হয় না। যে মানুষগুলো তোমাকে যথার্থ মূল্যায়ন করে তাদের ভালোবাসো আর যারা তোমাকে মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও সহানুভূতিশীল হও।”
তখন ১৯৪১ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। আমরা থাকতাম রামেশ্বরম শহরে। এখানে আমাদের পরিবার বেশ কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে সময় পার করছিল।
আমার বয়স তখন মাত্র ১০ বছর। কলম্বোতে যুদ্ধের দামামা বাজছে, আমাদের রামেশ্বরমেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। খাবার থেকে শুরু করে নিত্যব্যবহার্য পণ্য, সবকিছুরই দারুণ সংকট।
আমাদের সংসারে পাঁচ ভাই, পাঁচ বোন। তাদের মধ্যে তিনজনের আবার নিজেদেরও পরিবার আছে, সব মিলিয়ে এক এলাহি কাণ্ড। আমার দাদি ও মা মিলে সুখে-দুঃখে এই বিশাল সংসার সামলে রাখতেন।
আমি প্রতিদিন ভোর চারটায় ঘুম থেকে উঠে অঙ্ক শিক্ষকের কাছে যেতাম। বছরে মাত্র পাঁচজন ছাত্রকে তিনি বিনা পারিশ্রমিকে পড়াতেন। আমার মা আশিয়াম্মা ঘুম থেকে উঠতেন আমারও আগে। তিনি আমাকে গোসল করিয়ে, তৈরি করে তারপর পড়তে পাঠাতেন।
পড়া শেষে সাড়ে পাঁচটার দিকে বাড়ি ফিরতাম। তারপর তিন কিলোমিটার দূরের রেলস্টেশনে যেতাম খবরের কাগজ আনতে। যুদ্ধের সময় বলে স্টেশনে ট্রেন থামত না, চলন্ত ট্রেন থেকে খবরের কাগজের বান্ডিল ছুড়ে ফেলা হত প্ল্যাটফর্মে।
আমার কাজ ছিল সেই ছুড়ে দেওয়া কাগজের বান্ডিল সারা শহরে ফেরি করা, সবার আগে গ্রাহকের হাতে কাগজ পৌঁছে দেওয়া।
কাগজ বিক্রি শেষে সকাল আটটায় ঘরে ফিরলে মা নাশতা খেতে দিতেন। অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই দিতেন, কারণ আমি একই সঙ্গে পড়া আর কাজ করতাম।
সন্ধ্যাবেলা স্কুল শেষ করে আবার শহরে যেতাম লোকজনের কাছ থেকে বকেয়া আদায় করতে। সেই বয়সে আমার দিন কাটত শহরময় হেঁটে, দৌড়ে আর পড়াশোনা করে।
একদিন সব ভাইবোন মিলে খাওয়ার সময় মা আমাকে রুটি তুলে দিচ্ছিলেন, আমিও একটা একটা করে খেয়ে যাচ্ছিলাম (যদিও ভাত আমাদের প্রধান খাবার, কিন্তু রেশনে পাওয়া যেত গমের আটা)।
খাওয়া শেষে বড় ভাই আমাকে আলাদা করে ডেকে বললেন, ‘কালাম, কী হচ্ছে এসব? তুমি খেয়েই চলছিলে, মাও তোমাকে তুলে দিচ্ছিল। তার নিজের জন্য রাখা সব কটি রুটিও তোমাকে তুলে দিয়েছে। এখন অভাবের সময়, একটু দায়িত্বশীল হতে শেখো। মাকে উপোস করিয়ে রেখো না।’ শুনে আমার শিরদাঁড়া পর্যন্ত শিউরে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে মায়ের কাছে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরলাম।
মাত্র পঞ্চম শ্রেণিতে পড়লেও পরিবারে ছোট ছেলে হিসেবে আমার একটা বিশেষ স্থান ছিল। আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না। কেরোসিন দিয়ে বাতি জ্বালানো হতো; তাও শুধু সন্ধ্যা সাতটা থেকে নয়টা পর্যন্ত।
মা আমাকে কেরোসিনের ছোট্ট একটা বাতি দিয়েছিলেন, যাতে আমি অন্তত রাত ১১টা পর্যন্ত পড়তে পারি। আমার চোখে এখনো পূর্ণিমার আলোয় মায়ের মুখ ভাসে।আমার মা ৯৩ বছর বেঁচে ছিলেন।
ভালোবাসা আর দয়ার এক স্বর্গীয় প্রতিমূর্তি ছিলেন আমার মা। মা, এখনো সেদিনের কথা মনে পড়ে,যখন আমার বয়স মোটে ১০। সব ভাইবোনের ঈর্ষাভরা চোখের সামনে তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাতাম।
সেই রাত ছিল পূর্ণিমার। আমার পৃথিবী শুধু তোমাকে জানত মা! আমার মা! এখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে উঠি। চোখের জল গড়িয়ে পড়ে। তুমি জানতে ছেলের কষ্ট মা। তোমার আদরমাখা হাত আমার সব কষ্ট ভুলিয়ে দিত।
তোমার ভালোবাসা, তোমার স্নেহ, তোমার বিশ্বাস আমাকে শক্তি দিয়েছিল মা। সৃষ্টিকর্তার শক্তিতে ভয়কে জয় করতে শিখিয়েছিল।
[সূত্র: এ পি জে আবদুল কালামের নিজস্ব ওয়েবসাইট। ইংরেজি থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ: অঞ্জলি সরকার] (collected)........
মনে রাখবেন:
আহাম্মক (বোকা) নম্বর পাঁচ
সীমানার উপর লাগায় যে গাছ,
আহাম্মক নম্বর ছয়
স্ত্রীর নিকট যে গোপন কথা কয় ।।
বি:দ্র: সীমানার উপর গাছ লাগানোর অর্থই হচ্ছে ভবিষ্যত ঝগড়া বিবাদের বীজ বপন করা। কারন এ গাছ যখন মোটা ও বড় হবে তখনই এর মালিকানা নিয়ে ঝগড়া এমন কি মারামারিও হতে পারে।
এছাড়া স্ত্রীর নিকট যদি আপনার গোপনীয় কোন কথা বলেন তাহলে দেখবেন, ভবিষ্যতে স্ত্রীর সাথে কোন ঝগড়া বা মনোমালিন্য হলে রাগের বশবর্তী হয়ে আপনার গোপনীয় সব ফাসঁ করে দিবে। আপনার মানসম্মান নষ্ট হবে। এটা হলো নারীদের স্বভাব। রাগ উঠলে পেটের ভিতর কিছুই রাখতে পারে না। কাজেই সাবধান ও সতর্ক থাকবেন, দু'জনের মধ্যে সম্পর্ক ভাল থাকাবস্থায় নিজের সবকিছু স্ত্রীকে খুলে বলবেন না। বিশ্বাস হয় না? একবার পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
10/07/2017
ডেল কার্নেগীর কয়েকটি বাণী ও
উক্তি
খুবই উপকারী পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।
✒- জীবনে পাওয়ার হিসাব করুন, না
পাওয়ার দুঃখ থাকবেনা।
✒- ভদ্র আচরন করতে শিক্ষা লাগে,
অভদ্র আচরন করতে অজ্ঞতাই যথেষ্ট।
✒- আত্মসম্মান, আত্মজ্ঞান, আত্ম
নিয়ন্ত্রন- এই তিনটিই শুধু মানুষকে
সর্বশক্তিমান করে তুলতে পারে। সঠিক
জীবন যাপন নির্ভর করে এদের উপরে।
✒- দক্ষতা অর্জনের পথ হল-
১) অপরের অভিজ্ঞতা মনে রাখুন
২) নিজের উদ্দেশ্য সামনে রাখুন
৩) সাফল্যের জন্য মন কে তৈরি করুন
৪) যতটা সম্ভব অভ্যেস করুন।
✒- শুধু আজকের জন্য আমি সুখী হব।-
আব্রাহাম লিঙ্কন এতে বোঝা যায়
আব্রাহাম লিঙ্কন যা বলেছেন তাই ই
ঠিক যে, অধিকাংশ মানুষ ই যতখানি
সুখী হতে চায় তাদের মন যা চায়
ততটাই তারা হয়। সুখ বাইরের বস্তু নয়-
এটা হল অন্তরের।
✒- দুশ্চিন্তা দূর করার এক নম্বর উপায় হল-
ব্যস্ত থাকুন।
✒- অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন,
নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন।
✒- সবসময় হাসতে হবে। হাসির মাধ্যমে
আমরা জীবনের অনেক সমস্যাকেই দূর
আকাশে পাঠাতে পারি।
✒- আমরা যখন আমাদের কর্তব্যকর্মে
অবহেলা দেখাই, কোনো দায়িত্বকে
নিষ্ঠার সঙ্গে গ্রহণ করি না, তখনই
অকৃতকার্যতা আসে।
✒- জগতে যা সবচেয়ে খারাপ হতে
পারে তা মেনে নাও। তুমি যদি
সবচেয়ে বড় হতাশাগ্রস্ত হও তাহলে
মেনে নাও মৃত্যু তোমার জন্য সবচেয়ে
খারাপ হতে পারে। এখন তুমি তোমার
কাজে মনযোগী হও। মনে রেখ শরীরের
জন্য জীবন নয় বরং জীবনের জন্য শরীর।
তুমি তো কবেই মারা গেছ। তাহলে
এখন থেকে যা করবে তা তোমার জন্য
বোনাস। তুমি হয়তোবা 'চালস
ডিকেন্স' বা শেক্সপিয়ার হতে
পারবে না।কিন্তু তুমি তোমার
সময়কালের সেরা একজন হতে পার।তুমি
ও রচনা করতে পার তোমার সময়কাল
নিয়ে আধশতাব্দী।
✒- নিজের কাজকে ভালোবাসুন।
আমাদের কাজের পিছনে যখন অনুভুতি
কাজ করে আমরা তখনই সবচেয়ে সেরা
হয়ে উঠি।
✒- নিজের ইচ্ছাকে রোজ কাজে
লাগান। যতবার পারেন চেষ্টা করুন।
কঠিন কোন কাজের চেষ্টা করুন। যে
কাজ করতে আপনার আদৌ কোন ইচ্ছে
নেই। 'সুখকে' একবার ফিরিয়ে দিন।
সুখকে অন্তত একবারের মত ত্যাগ করুন।
এটাই হলো ইচ্ছা সমন্বিত কাজের পথ,
নিয়মিত কাজের পথ, সৎ উদ্দেশ্যে
প্রনোদিত কাজের পথ।
01/06/2017
Right .
যদি তুমি তোমার রুটি জোগাড় করতে পার, মাখন লাগাবার লোক অনেক পাবে।।
-এ.পি.জে আব্দুল কালাম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Sylhet
3100