Amal Guides
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amal Guides, Blogger, Sylhet.
আসসালামু আলাইকুম সকলকে। জানবো #নেকী_বাড়ানোর_দোয়া
আপনি 'সুরা ইখলাস' ১০ বার পড়ে জান্নাতের একটি
বাড়ির মালিক হয়ে যান। তারপর 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' পড়ে সেই বাড়িকে রত্ন ভান্ডার দিয়ে পরিপূর্ণ করে দেন।
তারপর, 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম'
পড়ে জান্নাতে খেজুর গাছ রোপণ করতে
থাকেন। ভাবতে থাকেন সেই খেজুরগুলো
দিয়ে আপনি জান্নাতিদের মেহমানদারী করছেন।
এইভাব সারা দিন পড়তে পারেন আর জান্নাতের জন্য
নেকী কামাতে থাকেন।
জাযাকাল্লাহু খাইরান
রেফারেন্স __ ★★নবীজী (সাঃ)বলেছেন,
"যে ব্যক্তি সূরা
ইখলাস ১০ বার পাঠ করবে,জান্নাতে তার জন্য একটি
ঘর বানানো হবে।"
(সহিহ জামে আস-সাগীরঃ৬৪৭২)
★★নবী (সঃ) বলেনঃ
‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা
বিল্লাহ’ হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে
একটি গুপ্তধন।
[সহীহ বুখারী -১১/২১৩, সহীহ
মুসলিম-৪/২০৭৬]
★★ যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল
আযিম' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে
একটি করে (জান্নাতী) খেজুর গাছ রোপন করা
হবে।
[তিরমিযী-৫/৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১,
তাহাজ্জুদ
টানা ৪০ দিন পড়েন, যা চাবেন, তাই পাবেন।
চাকরি নাই, তাহাজ্জুদ পড়েন। টাকা নাই, তাহাজ্জুদ পড়েন। বিপদে আছেন, তাহাজ্জুদ পড়েন। কি দরকার আপনার, ইন শা আল্লাহ সব পাবেন।
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কেউ যদি তার কোনো ইচ্ছে আল্লাহর নিকট পেশ করতে চায়, আল্লাহর থেকে কিছু পেতে চায়, সে যেনো টানা ৪০ দিন তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহর নিকট তার ইচ্ছে চেয়ে নেয়। অবশ্যই অবশ্যই তার যে কোন হালাল ইচ্ছে আল্লাহ তায়ালা কবুল করেই নিবেন৷ (বুখারী)
আল্লাহ প্রতি রাতেই নিকটবর্তী আসমানে অবতীর্ণ হন যখন রাতের শেষ তৃতীয় ভাগ অবশিষ্ট থাকে। তিনি তখন বলতে থাকেন- কে আছো যে আমায় ডাকবে, আর আমি তার ডাকে সাড়া দেবো? কে আছো যে আমার কাছে কিছু চাইবে, আর আমি তাকে তা দান করব? কে আছো যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আর আমি তাকে ক্ষমা করব? (বুখারি ও মুসলিম)
অনেকেই ভাবে যে তাহাজ্জুদ মানেই মনে হয়, ভোর রাতে উঠেই পড়তে হবে। তা না আসলে, এশার পর বেতের নামাজের আগে আপনি ২ রাকাত তাহাজ্জুদের নিয়ত করে পড়ে ফেলুন। সারাজীবনেও আপনার কোনোদিন তাহাজ্জুদ ছুটবে না। তাহাজ্জুদ এর সময় শুরু হয় এশার এর পর থেকেই। কারো সন্দেহ থাকলে গুগলে দেখে নিতে পারেন।
এই আমলটি ছিল হযরত আবু বকর রাঃ এর। রাসূল (স.) বলেন, আবু বকর, তোমার তো সারাজীবনেও কখনো তাহাজ্জুদ ছুটবে না।
আমাদের যার যা দরকার, আমরা যেনো আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নেই। কারো কাছ থেকে কিছু পেতে হলে তার সাথে যেমন খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি ভাবে আল্লাহ তায়ালার কাছ থেকে কিছু পেতে হলে আমাকে আপনাকে আল্লাহর সাথে ভালো সম্পর্ক স্থাপন করা প্রয়োজন। আর বান্দা আল্লাহর সাথে সবচেয়ে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে পারে একমাত্র তাহাজ্জুদের মাধ্যমে। কারণ, তখন আল্লাহ পাক নিজে বান্দার কাছে ছুটে আসেন, ডাকতে থাকেন কার কি প্রয়োজন।
সূত্র- ইন্টারনেট
পোস্টেড বাই - লিপি সরকার
দিনের এক চতুর্থাংশ তাসবীহ পাঠ করার সওয়াব পেতে ফজর নামাযের পর তিনবার পাঠ করুন “সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবিহামদীহী 'আদাদা খলক্বিহী অরিদ্ব- নাফসিহী অযিনাতা 'আরশিহী অমিদা-দা কালিমা-তিহ।” [মুসলিম- ২৭২৬]
হাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
“কবর চর্বি ও গোশত খেয়ে ফেলে কিন্তু ঈমান খেতে পারে না৷”
[আল-উজলা ওয়াল-ইনফিরাদ ১/৭৮]
আপনি রাস্তা দিয়ে কারো সাথে কথা বলতে বলতে হাটছেন বা গাড়িতে চড়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাচ্ছেন। হঠাৎ আপনার দৃষ্টি থেমে গেলো রাস্তার পাশের একটি কবর দেখে।মুখ থেকে বেরিয়ে গেলো_
"আসসালামু আ'লাইকুম ইয়া আহলাল কুবুর"
অর্থঃ হে কবরবাসী! আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
ঠিক সেই সময়ে সেই কবরবাসী ছিলো আযাবের ফেরেশতাদের দখলে যারা মারাত্মক আঘাতে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছিলো সেই কবরবাসীর দেহকে। আশ্চর্য! আপনার কয়েক সেকেন্ডর এই দুয়াতে আল্লাহর আরশ থেকে নির্দেশ এলো, তার শাস্তি থামিয়ে দিয়ে তার উপর শান্তি বর্ষিত হলো।
প্রায় ২০/৩০ বছর পর আজ আপনিও এক অন্ধকার কবরের বাসিন্দা। ক্রমান্বয়ে আপনার উপরেও চলছে আযাবের ফেরেশতাদের মারাত্মক আঘাত। হঠাৎ করেই তারা আঘাত করা বন্ধ করে দিলো। কিছু সময়ের জন্য আপনি সুকুন পেলেন।
আপনার মনে পড়ে গেলো ওই যে সেই দিনগুলোর কথা যেদিন আপনি রাস্তার পাশের কবর দেখে এই ছোট্ট দুয়াটি করে যেতেন। আজ সেভাবেই কোনো এক পথিকের ও আপনার কবর দেখে মায়া হলো, আপনার মতো তিনিও সেই ছোট্ট দুয়াটি পড়ে আপনাকে কিছুক্ষণ এর জন্য আযাব থেকে মুক্তি দিলো।
আপনি যে দুয়া করবেন তা আপনার জন্যও আল্লাহ ফিরিয়ে দিবেন। কেননা, আল্লাহ প্রতিটি ভালো কাজের জন্য পুরস্কার দেন।
প্রতিদিন আমরা এভাবে কত কবর পার করি।অথচ ভুলেই যাই এরাও একদিন আমাদের মতো দুনিয়ায় বিচরণ করতো। দৈনিক রাস্তা পার হতে ততক্ষন কবর দেখে দুয়া করুন, যতক্ষন আপনি কবরের আযাব থেকে মুক্তি পেতে চান।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ছোট্ট আমলের তৌফিক দিন।
সহজ ৪টি যিকির যা আপনার প্রতিদিনের রুটিনে রাখা বাধ্যতামূলক ‼️
🔘 যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহিল আজীম ওয়াবিহামদিহি’ পাঠ করবে, প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে খেজুরগাছ রোপন করা হবে। (তিরমিজি: ৫/৫১১; হাকিম: ১/৫০১; সহিহ আল-জামে: ৫/৫৩১; সহিহ তিরমিজি: ৩/১৬০)
🔘 ‘আলহামদুলিল্লাহ’ মিজানের পাল্লাকে ভারী করে এবং সর্বোত্তম দোয়া। (তিরমিজি: ৫/৪৬২; ইবনে মাজাহ: ২/১২৪৯; হাকিম: ১/৫০৩; সহিহ আল জামে: ১/৩৬২)
🔘‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ হলো সর্বোত্তম জিকির। (তিরমিজি: ৫/৪৬২; ইবনে মাজাহ: ২/১২৪৯; হাকিম: ১/৫০৩; সহিহ আল জামে: ১/৩৬২)
🔘 প্রিয়নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। (সহিহ বুখারি: ১১/২১৩; সহিহ মুসলিম: ৪/২০৭৬)
ইয়া আল্লাহ, আমাদের সবাইকে বেশিবেশি আপনার যিকির করার তৌফিক দান করুন।
আমিন🤲
কোন মানুষের উপর আপনি যুলুম করছেন,তার সাথে আপনি খারাপ আচরণ করছেন বা আপনার দ্বারা কোন মানুষ কষ্ট পাচ্ছে।
কিন্তু, আপনি জানেন না আপনার মৃত্যু খুবই নিকটে,হঠাৎ মৃত্যু আসলে আপনি তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ টুকু কি পাবেন?তাহলে কেন মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন?
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নম্র আচরণ থেকে বঞ্চিত সে প্রকৃত কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত।
(সহিহ মুসলিমঃ ৬৪৯২)
ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
‘দুআর আগে, মাঝে ও শেষে রাসূলুল্লাহ’র প্রতি দুরুদ পাঠ করা এতোটাই শক্তিশালী যে এর মাধ্যমে দুআ কবুল হওয়ার আশা করা যায়।’
[ ইকতিযাউস সিরাতিল মুস্তাকিম : ২/২৪৭ ]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
3100