Naderbd.com

Naderbd.com

Share

Moja neta এkune like din. Like din ar moja nen

09/11/2014

ফেইসবুকে পাওয়া কিছু অতি আধ্বাত্নিক নোটিফিকেশন :

1. পাতলা পায়খানা wants to be your
friend.
Confirm. not now
(কিছু কওয়ার আছে?)

2. মৃত মানুষ has his birthday today.
(কেম্নে সম্ভব?)

3. ফইন্নির ঘরের ফইন্নি is following you.
(কি সাংঘাতিক ব্যাপার)

4. মকবুল invited you to
like his new page 'মকবুইল্লা'
(কেমনে সহ্য করুম, কন?)

5. খেঁজুর কাটা poked you.
(মহা বিপদ সংকেত)

6. চাইনিজ কুড়াল added you to the public group কোপা শামছু
(এইডা কিছু হৈল?)

7. বোরকা পড়া সানি লিওন shared
your status.

8.বিধবা নারী comment on your photo
"I want to marry you"

9. তোমার ভালবাসা added you to the
close group
# I_hate_you. !!!

02/11/2014

কিছু দিন আগে একটা খবর এফবিতে এমন কি সারা পৃথিবীতে আলোচিত ছিল খবরটা হল ইরানের একটা মেয়ের মৃত্যুদণ্ড সেটাও আবার হয়েছে একজন ধর্ষক কে হত্যা করার জন্য।আমি যখন প্রথম খবরটা দেখই বিশাল একটা ধাক্কা খাই!! ইরানের মত এমন একটা ইসলামী দেশ একজন ধর্ষক কে হত্যার দায় একটা মেয়ের ফাঁসি দিয়ে দিবে এই জিনিষটা কি কারনে জানে ইরানের মত একটা রাষ্ট্রে সাথে যায় না।
মেয়েটার/রেহানা জাব্বারি চিঠি পরে মন খারাপ করে নাই এমন লোক খুবই কম। পশ্চিমা বিশ্ব এইটা নিয়া ব্যাপক ভাবে প্রচার করে নেগেটিভ ভাবে। কারণ আর কিছু না বর্তমানে পৃথিবীর একমাত্র মুসলিম শক্তি যাকে হিসবে করে চলতে হয় সেই রাষ্ট্র হল ইরান সেই ইরান কে একটু খাট করা। এই ফাঁসির ব্যাপারটা মনে হয় কেউ মেনে নিতে পারে নাই আমিও পারি নাই।
আজকে বিষয়টা ক্লিয়ার হল কারণ ইরান রাষ্ট্রীয় ভাবে এই মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে মুখ খুলছে। ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তরের কিছু খবর তুলে দিলাম

“২০০৭ সালের জুলাই মাসে মোর্তেজা আব্দুল আলী সারবান্দি নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন জাব্বারি এবং গত শনিবার ভোরে তাকে ফাঁসি দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর তেহরানের সরকারি কৌঁসুলি এ খবর নিশ্চিত করেন এবং তিনি জানান, জাব্বারি তার পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে সারবান্দিকে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ড ঘটানোর জন্য তিনি দু দিন আগে ছুরি কিনেছিলেন বলেও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মামলা চলার সময় ২৬ বছর বয়সী রেহানা দাবি করেছিলেন, মোর্তেজা সারবান্দি তাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করলে আত্মরার জন্যই তিনি তাকে ছুরি মেরে হত্যা করেন। তবে মামলার অধিকতর তদন্ত ও ঘটনাস্থলের আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার ওই দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়।“
এখন আমি কিছু ব্যাখ্যা দেই ….
ভাই মনে করেন তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম মেয়েটা ধর্ষক কেই হত্যা করছে কিন্তু সেটা সে প্রমান করতে পারে নাই আদালতে। আর ইরান একটা ইসলামী দেশ সেই দেশের আইন খুব কড়া কোন ফাঁক-ফোকর নাই। আর এইটা গ্রামের কোন পঞ্চায়েত না যে আবেগ দিয়া সামাজিক ভাবে একটা বিচার করে দিবে। এইটা একটা দেশের প্রধান আদালত ঐখানে চলে শুধু যুক্তি আর প্রমান আর কিছু না।
এখন প্রশ্ন হল সে যদি নিজেকে বাঁচাতে হত্যা করে তাহলে ফাঁসি হবে ক্যান? ভাই সে যে নিজেকে বাঁচাতে হত্যা করেছে সেটা তো আদালতে প্রমান করতে হবে একটা দেশের আদালত চলে যুক্তি আর প্রমান দিয়ে আবেগ দিয়ে না। ও দেশের সকল নাগরিক যদি জানে যে সে নিজেকে রক্ষা করতে হ্যতা করছে কিন্তু সেটা আদালতে প্রমান করতে না পারে সেই ক্ষেত্রে কিছু করার নাই কার। যেমন মনে করেন দেশের ১৬ কোটি লোক জানে যে এইটা আপনার আইডি আর আপনি যদি সেই আইডি আর পাস না জানি কার ক্ষমতা নাই আমারে সেই আইডি তে লগইন করতে দিবে। এইটাই নিয়ম এইটাই চলে আসছে এবং চলবে।

চলতি মাসে জাব্বারির মৃত্যুদণ্ডাদেশ কয়েকদিনের জন্য স্থগিত রাখা হয় এবং তার আইনজীবীকে সময় দেয়া হয় যাতে তিনি ভিক্টিম পরিবারকে খুনের দায় মাফ করে দেয়ার বিষয়ে রাজি করাতে পারেন। কিন্তু নিহত মোর্তেজা সারবান্দির পরিবার আসামী জাব্বারিকে মাফ করে দিতে রাজি হয়নি।
তাই সরকারের কোন কিছু করার ছিল না কারণ সরকার একটা চলমান পক্রিয়া। কিছু নিময় এর মধ্য দিয়ে যেতে হয় সরকার কে। আশা করি সবাই ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন। অনেকে হয়ত বলবেন টাকার কথা তাদের বলি ভাই ওইটা বাংলাদেশ না ঐ দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট লোকাল বাসে চড়ে সো টাকার প্রশ্ন করা বোকামি। ঐখানে যদি কোন ভুল করে সেটা হল মেয়ের আইনজীবী বা ফ্যামিলি তারা কারণ তারা প্রমান করতে ব্যর্থ হয়েছে মেয়ে নির্দোষ। আদালতের কিছু করার নাই।

05/10/2014

হজমের সমস্যা দূর করার ঘরোয়া ৫টি উপায়!
ঈদ মানেই খাওয়া দাওয়ার ধুম পড়ে যায়। ফলে খাওয়ার পর থেকে এক
ধরণের অস্বস্তি কাজ করতে থাকে। এতো খাবারের চাপে অনেক
সময় পাকস্থলির এনজাইম ঠিক মত কাজ করে না।
ফলে হজমে গন্ডগোল দেখা দেয়। এসময়ে পেট ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি,
পেটফাঁপা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
তাই বলে তো ঈদে শুধু সাদা ভাত আর নিরামিষ খাওয়া যায় না তাই
না? ঈদে হজমের গন্ডগোল দেখা দিলে ঘরেই কিছু উপায়ে প্রতিকার
পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেয়া যাক হজমে গন্ডগোলের
ঘরোয়া প্রতিকারগুলো।
ঘৃতকুমারীর রস (অ্যালোভেরা)
যাদের হজমে প্রায়ই গন্ডগোল হয় তাঁরা ঘৃতকুমারীর রস
খেলে উপকার পাবেন। ঘৃতকুমারীর রসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও
মিনারেল থাকে যা হজম সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। ঘৃতকুমারীর
রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে।
ঘৃতকুমারী পাতা থেকে চামচ দিয়ে রস বের করে নিন। এরপর এই
রসে কিছুটা পানি মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ও
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে খান। তাহলে হজমের সমস্যা দূর
হয়ে যাবে কিছুদিনের মধ্যেই।
মৌরি
যে কোনো মশলার দোকানেই মৌরি কিনতে পাওয়া যায়।
খেতে কিছুটা মিষ্টি স্বাদের এই মশলাটি। প্রতিবার খাওয়ার
পরে অল্প কিছু শুকনো মৌরি চিবিয়ে খেয়ে নিন। সকালের নাস্তায়,
দুপুরের খাবারে কিংবা রাতের খাবার খাওয়ার পড়ে আধা চামচ বা তার
চেয়ে একটু কম শুকনো মৌরি ভালো করে চিবিয়ে গিলে ফেলুন।
শুকনা গিলতে সমস্যা হলে একটু পানি দিয়ে গিলুন। নিয়মিত
খেলে হজমের সমস্যা দূরে থাকবে চিরকাল এবং স্বাস্থ্য
ভালো থাকবে।
আদা ও লেবু
হজমের গন্ডগল ঠিক করতে আদাও লেবুর রস মিশিয়ে খেলে বেশ
উপকার পাওয়া যায়। জেনে নিন এটা প্রস্তুত করার নিয়ম।
১ চা চামচ আদা বাটা
অর্ধেকটা লেবুর রস
এভাবে সব উপকরন হাল্কা গরম পানির সাথে এক সাথে মিশিয়ে পান
করুন। হজমের গন্ডগোল থেকে নিস্তার মিলবে।
ইসবগুল
দীর্ঘমেয়াদি হজমের সমস্যা সমাধানের জন্য অত্যন্ত প্রচলিত
একটি পদ্ধতি হলো ইসবগুলের সরবত খাওয়া। ইসবগুলের সরবত
খেলে পেট ঠান্ডা থাকে এবং হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়।
যেনে নিন ইসবগুলের সরবত তৈরি ও খাওয়ার নিয়ম।
১ টেবিল চামচ ইসবগুল
এক গ্লাস হালকা গরম পানি
পানিতে ইসবগুল ভালো করে মিশিয়ে নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার
আগে প্রতিদিন এভাবে সরবত বানিয়ে খেয়ে নিন। কয়েকদিনের
মধ্যেই হজমের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
পেঁপে বা আনারস খান
পেঁপে হজম সমস্যা সমাধানের জন্য একটি উপকারী ফল।
এতে আছে পাপেইন ও কাইমোনপ্যাপাইন নামক এনজাইম। এই
দুটি এনজাইমই হজমে সহায়ক। এই এনজাইম দুটি পেট পরিষ্কার
করে এবং হজম সমস্যার সমাধান করে।
আনারসে ব্রোমেলাইন এনজাইম আছে। ব্রোমেলাইন বদহজমের জন্য
দ্বায়ী প্রোটিনগুলোকে ধ্বংস করে। ফলে আনারস খেলে পেট ফাঁপা,
ডায়রিয়া ও বদহজম সমস্যার সমাধান হয়।
এই দুটি ফল জুস করে কিংবা টুকরো করে চিবিয়ে খেলে পেটের সব
ধরণের হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
এসিডিটি হলে পেঁপে বা আনারস খেলে তা অ্যান্টাসিডের কাজ করে।
ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে পেইজ এর পোস্ট এ নিয়মিত লাইক, কমেন্ট
না করলে ধীরে ধীরে পোস্ট আর দেখতে পাবেন না। তাই পোস্ট ভাল
লাগলে লাইক দিয়ে শেয়ার করে পেজে একটিভ থাকুন।

05/10/2014

হাত-পায়ের দাগ
রোজকার আয়োজনে ত্বকের যত্ন বললেই ঘুরেফিরে মুখের যত্নই প্রধান
হয়ে ওঠে। কিন্তু সেই সঙ্গে হাত-পায়ের যত্ন না নিলে ত্বকের রঙে দেখা যায়
বৈসাদৃশ্য। অবহেলায় হাত ও পায়ে দেখা যায় কালো দাগ। হাত-পায়ের
কালো দাগ তুলতে কিছু প্রাকৃতিক যত্নের পরামর্শ।
প্রতিদিনের চলাফেরায় স্বাভাবিকভাবেই দেহে দাগ পড়ে। অতি ব্যবহার ও
সারাক্ষণ কিছু না কিছুর স্পর্শের কারণে কনুই ও হাঁটুতে বেশি দাগ পড়ে।
আঙুলের গিঁটে, গোড়ালিতে ও নখে কালো ছোপ পড়তে দেখা যায়। এ
ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক যত্নের কোনো বিকল্প নেই। ঘরে বসেই হাত-পায়ের
কালো ছোপ দূর করতে কী করতে পারেন, তাতে চোখ বুলিয়ে নিন ঝটপট।
কালো দাগ দূর করতে সপ্তাহে এক দিন স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন।
এ জন্য প্রয়োজন হবে এক টেবিল-চামচ করে চালের গুঁড়া, ময়দা, দুধ, শসার
রস ও লেবুর রস। এর সঙ্গে মেশাবেন এক টেবিল-চামচ নারকেল তেল
অথবা তিলের তেল। অলিভ অয়েলও মেশানো যায়। আর লাগবে আধা চা-
চামচ মধু। ক্রিমের মতো করে মিশিয়ে দাগে ঘষবেন।
হালকা ঘষে পানিতে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম লাগাতে হবে।
আরও সহজ পদ্ধতিতেও দাগ দূর করতে পারেন। এক চা-চামচ লেবুর রসে এক
চা-চামচ মধু মিশিয়ে দাগে ঘষতে পারেন। সরাসরি কখনো লেবুর রস
দাগে মাখবেন না। লেবুর রস ত্বকে সহ্য
না হলে অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী ব্যবহার করতে পারেন। দুই টেবিল-চামচ
ঘৃতকুমারীর শাঁসে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে দাগে মাখালেও দাগ কমবে।
অনেকের নখে কালো দাগ পড়তে দেখা যায়। তারা পা ভিজিয়ে রেখে ফাইলার
দিয়ে প্রথমে নখের কোনা পরিষ্কার করে নেবেন। তারপর শুধু নখে লেবুর
টুকরো ঘষবেন। নখে লেবু ক্ষতি করে না। খেয়াল রাখবেন যেন চামড়ায় লেবুর
রস না লাগে।
প্রতিদিন ঘরে ফিরে কুসুম গরম পানিতে লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে ১০ মিনিট
পা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। ফলে পা পরিষ্কার থাকবে, পায়ে কোনো দুর্গন্ধ
থাকবে না।
সবশেষে ত্বক সুন্দর থাকাই মানুষের আসল সৌন্দর্য। তাই হাত-পায়ের
যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। কারণ, হাত-পায়ের ত্বকেই মানুষের সুস্থ রুচি ও
ব্যক্তিত্বে ফুটে ওঠে।
লাইক দেন বা নাই দেন আপনারা আমাদের পোস্টগুলো পড়ে উপকৃত হলেই
আমাদের লিখা স্বার্থক। কারন আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।

05/10/2014

চুলপরা রোধে পাঁচ কথা!
বর্তমান সময়ে সৌন্দর্য ঠিক রাখার সবচেয়ে বড়
প্রতিবন্ধকতা হলো চুলপরা। অনেকেরই এই নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই।
প্রতিদিন গড়ে ১০০টা করে চুল পরা শরীরের একটি স্বাভাবিক ক্রিয়া। কিন্ত
যদি এর বেশি চুল পরে তাহলে তা সত্যিই চিন্তার বিষয়। এটি রোধ করার
জন্য অনেকেই অনেক পন্থা অবলম্বন করে। তবে আপনি যদি চুল ঝরার
বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করতে চান তাহলে মানতে হবে পাঁচটি কথা। দেখা যাক
কি সেই পাঁচ কথা।
প্রথমত, খেতে হবে সঠিক খাবার:
চুলপরা রোধে প্রথম ধাপ হলো সঠিক খাবার। আপনার শরীর যদি সঠিক
পুষ্টি না পায় তাহলে আপনার চুলও দূর্বল হয়ে যাবে, যার ফল
হলে চুলঝরে যাওয়া। আপনার খাবারে থাকতে হবে প্রচুর ভিটামিন-ই
এবং আয়রন যা আপনি পেতে পারেন সয়াবিন থেকে।
বর্তমানে বাজারে সয়া নাগেটস্ খুবই জনপ্রিয়। আয়রন মাথার
ত্বকে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং ভিটামিন-ই রক্ত চলাচল স্বাভাবিক
করে।
ভেজিটেবল প্রোটিনও চুলের জন্য খুবই দরকারী, করণ এতে আছে ওমেগা-৩
ফ্যাটি এসিড যা চুলপরা রোধে এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। এর জন্য
খেতে হবে মাছ এবং প্রচুর শাক-সব্জি। ভিটামিন সি একইভাবে কাজ
করে যা পাবেন লেবু এবং কমলা থেকে। ছোলার ডালে আছে জিংক
এবং ভিটামিন বি৬। এই দুটোর অভাবে চুল খুশকি দ্বারা আক্রান্ত হয়,
যা চুল পরার অন্যতম কারণ।
দ্বিতীয়ত, চুলে নিয়মিত ম্যাসাজ করুন:
প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট চুলের ম্যাসাজ মাথার ত্বকে রক্ত সরবরাহ
বৃদ্ধি করে। যার ফলে চুলপরা রোধ এবং নতুন করে চুল গজানোর সম্ভাবনাও
বৃদ্ধি পায়। কোকোনাট কিংবা এলমন্ড অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ
করলে চুলপরা রোধ হওয়ার সাথে সাথে খুশকি দূর হবে এবং চুল
স্বাস্থ্যজ্জ্বল ঝলমলে হয়ে উঠবে।
মাথার ত্বকে পেঁয়াজবাটা ঘষলে নতুন চুল গজানোর সম্ভাবনা অনেক
বেড়ে যায়।
তৃতীয়ত, চুলে দিন হারবাল যত্ন:
এলোভেরার গুণের কথা আমরা সবাই জানি। এলোভেরার নির্যাস মাথার
ত্বকে প্রয়োগ করুন। এটি আপনার চুলের গোড়ার pH (এসিড ব্যালেন্স)
ঠিক রেখে এবং পরিষ্কার করে চুলপরা প্রতিরোধ করবে।
চুলপরা রোধে মেহেদী সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত। এটি চুলকে করে স্বাস্থ্যজ্জ্বল
ও মজবুত।
মেথি গুড়াও চুলপরা রোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
উক্ত প্যাকগুলো মাসে দুই-তিনবার ব্যবহার করলে চুলপরা অনেক কমে যাবে।
এছাড়া চুলে মাঝে মাঝে ডিম, ভিটামিন-ই ক্যাপ মাখলেও উপকার পাওয়া যায়।
চতুর্থত, পরিষ্কার রাখুন শরীরের ভেতর এবং বাহির:
অস্বাস্থ্যকর খাবার শরীরের ভেতর টক্সিন তৈরী করে, যা আপনার চুল
এবং ত্বকের জন্যও ক্ষতি বয়ে আনে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার যেমন শাক-
সব্জি, ফলমূল অর্থাৎ ভিটামিন এবং খনিজ লবন সমৃদ্ধ খাদ্য আপনার
শরীরের ভেতরের জীবাণু যেমন দূর করে তেমনি ত্বক ঠিক
রেখে চুলপরা রোধেও সাহায্য করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি খাওয়ার
ফলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে, যা চুলকেও সতেজ রাখে।
পঞ্চমত, সবশেষে একটু ব্যায়াম:
প্রতিদিন একটু করে ব্যায়ম করলে শরীর ফিট থাকার পাশাপাশি রক্ত
সরবরাহ ঠিক থাকে। যার ফলে চুলও পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হয় না।
চুল নিয়ে যারা এতোদিন দুশ্চিন্তায় ঘুমাতে পারেননি তাদের বলছি,
মেনে চলুন এই পাঁচ কথা আর দুশ্চিন্তাও ঝেড়ে ফেলুন। কারণ
দুশ্চিন্তা করাও কিন্তু চুল পরার একটি কারণ।
█ স্বাস্থ্য কথা'র স্বাস্থ্য বিষয়ক পোষ্ট নিয়মিত পেতে চাইলে লাইক,
কমেন্ট বা শেয়ার করুন, তা না হলে পরবর্তীতে স্বাস্থ্য কথা'র পোষ্ট
গুলো দেখতে পাবেন না।
তাই স্বাস্থ্য কথা'র প্রতিটি পোষ্টে শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ
দিন এবং স্বাস্থ্য কথা'র পোষ্ট গুলো যদি আপনাদের সামান্য ভাল
লেগে থাকে অথবা উপকারে এসে থাকে কমেন্টে অন্তত একটা Thx
জানাইয়েন ...!

05/10/2014

অন্তঃসত্বা অবস্থায় যেসকল খাবার খাবেন না।
১. কফি অথবা ক্যাফেইন যুক্ত পানীয়ঃ পরীক্ষায় প্রমানিত অতিরিক্ত
পরিমান ক্যাফেইন গ্রহন করলে গর্ভধারনের প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুন
মারা যেতে পারে।
২. মদঃ গর্ভকালীন সময়ে মদ্যপান করলে গর্ভের সন্তানের স্বাভাবিক
বিকাশ ব্যহত হওয়া সহ সমুহ বিপদের সম্ভাবনা থাকে।
৩. কিছু গভীর সমুদ্রের মাছঃ টুনা ফিশ, শার্ক সহ অনেক নোনা পানির
মাছে মাত্রাতিরিক্ত পারদ জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে যার
বিষক্রিয়ায় গর্ভস্থ ভ্রুন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৪. কাঁচা মাংস, কাঁচা ডিম, কেক বাটার, বারবিকিউ, সুশী (জাপানী খাবার),
মেইওনাস, কাঁচা ডিম দিয়ে তৈরি মিষ্টন্ন জাতীয় খাবারঃ এ সব
খাবরে সালমোনিল্লা নামক রাসায়নিক উপাদান এবং ক্ষতিকারক
ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে যা গর্ভের সন্তানের জন্য মঙ্গলকর নয়।
৫. অল্প রান্না করা মাংস অথবা সিদ্ধ
করা মাংসঃ ভালভাবে রান্না না করলে মাংসে ক্ষতিকর 'ই-
কোলী ব্যাকটেরিয়া' নষ্ট হয়না, যা গর্ভের ভ্রুনের জন্য বিপদজনক।

05/10/2014

পুদিনা পাতার চা ব্যথা সারাতে ওস্তাদ!
পুদিনা চা তৈরি করতে পুদিনা পাতাগুলো পানিতে আধঘণ্টা ধরে সেদ্ধ করুন।
এরপর পাতা নিঃসৃত পানি ঠান্ডা করে চা হিসেবে পান করুন।
পুদিনা পাতা মুখের স্বাদ বাড়াতেও কার্যকর। এর
তাজা পাতা পিষে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন, মুখের তৈলাক্ত ভাব
দূর হয়ে যাবে। ব্রণ ওঠাও বন্ধ হবে।
পুদিনার পাতা পিষে রস করে তার ভেতর দু'তিন ফোঁটা লেবুর রস
দিয়ে তা পান করলে ক্লান্তিভাবও দূর হয়। কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার
নাকের কাছে তাজা পুদিনা পাতা ধরুন। জ্ঞান ফিরে আসবে। পুদিনার
পাতা ভালো করে পিষে তার রস ভালো করে মাথায় ব্যবহার করলে চুলের
উকুন দূর হয়।
---------------------------------------------
------------------------------
আপনার সুস্থতাই আমাদের কাম্য

05/10/2014

৲৲ প্রতিদিন ১ চামচ মধু খাওয়ার ১২টি স্বাস্থ্য উপকারিতা ৲৲৲
মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও
কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান
যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ
অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য
সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন
দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ
উপকারে লাগতে পারে আপনার।
১)মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার
কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট
যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন
বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের
সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার
করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর
করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।
২)মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।
মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও
কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে,
কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও
দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত
পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত
ক্ষত নিরাময় করে।
৩)মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য
কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক
গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান।
এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
৪)মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের
অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত
থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু।
রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ
মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান।
রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।
৫)মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের
কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর
ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।
৬)প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান
ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য
বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।
৭)মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও
গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু
লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।
৮)মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক
দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ
থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু
খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।
৯)সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু
মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।
১০)প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়।
ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও
জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।
১১)মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম
পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও
ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির
বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।
১২)যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার
রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।
লাইক ও শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকুন।

04/10/2014

বাঙালিরা সর্বোচ্চ দেশপ্রেম
দেখায় মুরগির সাথে!!
শাড়ি ইন্ডিয়ান-
জামা পাকিস্তানি-
জুতা থাই-
মোবাইল চাইনিজ-
পারফিউম ইউরোপের-
কসমেটিক্স আমেরিকান।
খালি মুরগি কিনতে গিয়েই সবাই
খাটি দেশপ্রেমিক।

04/10/2014

ঘুড়ি বাতাসের কারনে যতই
পাগলামি করুক এর
সুতো নাটাই
ধরা থাকে কারো না কারো হাতে।
এক
সময় সেই সুতোর
টানে ফিরে যেতে হয়..
তবে সেই
নাটাই এর মালিক হয়ত
মাঝে মাঝে মজার জন্য সেই
ঘুড়ি নিয়ে কাটাকাটি খেলে,
তখন সেই
সুতো কাটা ঘুড়ি হাওয়ায়
ভেসে যায় গন্তব্যহীন
গন্তব্বে হয়ত নতুন কোন নাটাই
এর
মালিক এর
কাছে অথবা গাছের
ডালে অথবা পানিতে ভিজে ছিঁড়ে যায়........

03/10/2014

I love you" কথাটা অনেকেই জীবনে বলেছেন, অনেকে হয়তো বলার জন্য
আকুল হয়ে আছেন, কিন্তু বলার মানুষ পাচ্ছেন না।
কেন ভাই, আপনি কি আপনার স্রষ্টাকে একবার প্রাণভরে বলতে পারেন
না-"O Allah !! I love you !!" পারেন না?
যে প্রভু আপনাকে সৃষ্টি করলেন, আপনাকে অনন্ত নিয়ামতের
সাগরে ডুবিয়ে রাখলেন, তাঁর এত এত নিয়ামত প্রতিনিয়ত ভোগ করে একটিবার
তাঁরই দেওয়া বিবেককে কাজে লাগিয়ে, তাঁরই দেওয়া চক্ষু আর হৃদয়কে সিক্ত
করে ডাকতে পারেন না?
পরম ভালোবাসায় বলতে পারেন না-"Ya my Lord !! I am just for you,
just for you, just for You. I love you more than anything in
the universe."
আপনি কোন মানুষকে হৃদয়ের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে ভালোবাসলেও
সে আপনাকে তার প্রতিদানে হয়তো কেবল কষ্টই দিয়ে যাবে।
হতে পারে সে আপনার ভালোবাসা বুঝতেই পারে না। কিন্তু আল্লাহ??
বান্দা একবার তাঁকে ডাকলে সাথে সাথে তিনি সাড়া দিয়ে বলেন-“হে আমার
বান্দা !! আমি হাজির !! বল তুমি কী চাও আমার কাছে !!” সুবহানআল্লাহ !!
এই তো স্রষ্টা আর সৃষ্টির পার্থক্য !! আল্লাহকে ডাকতে দেরি আছে কিন্তু
আল্লাহ্র সাড়া দিতে দেরি নেই !! তিনি তৈরি হয়েই আছেন বান্দা কখন
আমাকে ডাকবে, আর আমি সাথে সাথে সাড়া দেব !! এই তো আমার
পরওয়ারদিগার !! এই তো আমার আল্লাহ !!
এই আল্লাহকে একটাবার ডেকে দেখেছেন কি? আল্লাহ্র সাথে বান্দার
সম্পর্ক এতটাই গাঢ় যার তুল্য কোন সম্পর্ক দুনিয়ায় নেই। আর সেই
সম্পর্কের স্বাদ পেতে হলে আল্লাহ্র দেখানো পথে চলতে হবে।
আল্লাহকে অনুভব করার চেষ্টা করতে হবে। সমস্ত কিছু আল্লাহরই
হাতে সঁপে দিয়ে তাঁর কাছে চাইতে হবে। এই সম্পর্কের স্বাদ যে একবার
পেয়েছে, তার কাছে দুনিয়ার সমস্ত সম্পর্কের বেড়াজাল নিতান্ত তুচ্ছ
হয়ে যায়। বেশ রাত হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে হয়তো অনেকে ঘুমিয়ে পড়বেন।
অনেকে আবার গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডের সাথে আলাপ করে রাত
কাটিয়ে দেবে। সেখানে বহু বার বলা হবে- I love you.
বলা হবে না কেবল আল্লাহকে, সেই সত্ত্বাকে, যার হাতে আমার- আপনার
জীবন ও মরণ।
প্রেমিক- প্রেমিকার জন্য মন কাঁদবে, কতবার চোখে জল আসবে।
আসবে না কেবল আল্লাহ্র জন্য, তাঁর জন্য থাকবে না কোন
ভালোবাসা বরাদ্দ।
রাতের পর রাত কেটে যাবে প্রেমালাপে, কেবল রাতের কিছু সময় তাহাজ্জুদের
নামাজে দাঁড়িয়ে ক্রন্দন করা হবে না।
সত্যিই, আমরা কতই না মূর্খ আর অকৃতজ্ঞ।

02/10/2014

>>>>>> 2014 সালের
সেরা পোস্ট

Want your business to be the top-listed Photography Service in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Khadim Para, Sylhet
Sylhet