ASB Bricks
Best Quality Bricks and average price. We can ensure you the best quality of Bricks in this era.
20/04/2023
asbbricksstorerecord খাগাইল (সুন্দ্রগাঁও ব্রিজ সংলগ্ন) সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ রোড, সিলেট।
26/11/2020
সিলেটের ভালো কোয়ালিটির একমাত্র ইট সময় এখন প্রযুক্তির। দুনিয়া খেল দেখাচ্ছে প্রযুক্তি দিয়ে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের পুরোটিই এখন প্রযুক্তি নির্ভর। তাইতো, পুরাতন গৎবাঁধা নিয়ম থেকে বেড়িয়ে এসে আমরা তৈরী করতে চলেছি নতুন নিয়ম। সিলেটের অদূরে কোম্পানীগঞ্জ সংলগ্ন সালুটিকর এর পরেই খাগাইল এর মধ্যে আমরা তৈরী করেছি সিলেটের একমাত্র ভাল মানের অটো ব্রিকস। সিলেটের ভোলাগঞ্জ রোড থেকে শুরু করে হাই-টেক পার্ক বা সরকারী অন্য সকল প্রতিষ্টানের সাথে যুক্ত আছি আমরা। এর একটাই কারন আমাদের গুনগত মান।...
হাজী আব্দুস সালাম অটো ব্রিকস সিলেটের ভালো কোয়ালিটির একমাত্র ইট সময় এখন প্রযুক্তির। দুনিয়া খেল দেখাচ্ছে প্রযুক্তি দিয়ে। আমাদের দৈনন্দিন জীবন...
24/11/2020
গুনগত মান অক্ষুন্ন রেখে আমরা তৈরী করেছি স্ট্যান্ডার্ড মানের ইট। আপনার দালানের দীর্ঘস্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।
স্ট্যান্ডার্ড দেড় নং গুনগত মান অক্ষুন্ন রেখে আমরা তৈরী করেছি স্ট্যান্ডার্ড মানের ইট। আপনার দালানের দীর্ঘস্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে আমরা...
24/11/2020
সম্পূর্ণ মেশিনের মাধ্যমে তৈরী। ভালো কোয়ালিটি ও মান নিশ্চিত করে আমরা দিচ্ছি ১ নং এক্সিলেন্ট অটো ইট। ইট তৈরী থেকে পুড়ানো পর্যন্ত ইটের মান থাকে অক্ষুন্ন।
১ নং এক্সিলেন্ট সম্পূর্ণ মেশিনের মাধ্যমে তৈরী। ভালো কোয়ালিটি ও মান নিশ্চিত করে আমরা দিচ্ছি ১ নং এক্সিলেন্ট অটো ইট। ইট তৈরী থেকে প....
17/11/2020
27/10/2020
শুভ উদ্বোধন
ষষ্ট বারের মতো আমাদের চতুর্থ ম্যানুয়াল মিলের শুভ উদ্বোধন।
Lifestyle
*২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২২ জনের প্রাণহানি, মোট মৃত্যু ৪০৮
*২৪ ঘণ্টায় ১০২৬২ টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত ১৭৭৩
*করোনায় এ পর্যন্ত সারা দেশে আক্রান্ত ২৮৫১১ জন
*২৪ ঘণ্টায় করোনায় সুস্থ ৩৯৫, মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৬০২
একটি ছেলে একটি বড় আম গাছকে খুব পছন্দ করতো।
বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতো। গাছের ডালে উঠত। আম খেত। গাছের গুড়িতে শুয়ে তার ছায়ায় বিশ্রাম নিত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতো আর আম গাছটিও এতে খুবই আনন্দিত ছিল।
সময় অনেক গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন হয়ে গেল, বালকটি আর গাছের নিচে খেলতে আসে না।
একদিন হটাৎ
বালকটি আবার গাছের কাছে ফিরে এলে। গাছটি বললো, “তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসো, আবার খেলা করি ”
কিন্তু বালকটি বললো,
“না..আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনা চাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন। আর আমার কাছে টাকা নেয়।
তখন গাছটি বললো, ”আমার কাছে তো টাকা নেই।
কিন্তু তুমি চাইলে আমার সকল ফল পেরে
বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করতে পারো”।
কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আম গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুব আনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো।
আম পেরে নিয়ে গেলো অনেক দিন হল,কিন্তু বালকটির আর দেখা নেই। গাছটি খুব দুঃখ পেলো। হটাৎ একদিন বালকটি গাছের কাছে ফিরে এলো , ততদিনে সে পরিপূর্ণ যুবক।
গাছটি এতে খুব আনন্দিত হলো। বালকটিকে আবারো গাছের সাথে খেলতে অনুরোধ করলো ।
কিন্তু বালকটি জানালো, “এখন আর তার সে সময় নেই।
সে এখন অনেক ব্যাস্ত। তার এখন বাড়ি বানানো খুবই দরকার। এ জন্য গাছটির সাহায্য চাইলো”
কিন্তু গাছটি জানালো তার কোন বাড়ি নেই, তাই তাকে
সাহায্য করতে পারছে না।
তবে একটা বুদ্ধি দিলো, “তুমি চাইলে আমার কিছু ডাল-পালা কেটে নিয়ে যেতে পারো আর তা দিয়ে বাড়ি বানাতে পারো”।
বালকটি তখন গাছের সকল ডাল-পালা কেটে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি অভিমুখে চলে গেলো, পেছন ফিরে একবার ও গাছটির দিকে তাকালো না। বালকটির
আনন্দে গাছটিও খুব আনন্দিত ছিল।
এরপর অনেক দিন আর বালকটির দেখা নেই গাছের গোঁড়ায়। গাছটি আবারো একা হয়ে গেলো। অনেক দিন পরে, হটাৎ এক গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে গাছের গোঁড়ায় বালকটির আগমন।
ততদিনে তার যৌবন পড়তির দিকে। জীবনের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত তখন। গাছটি বালককে দেখে খুব খুশি হলো, আবারো তার সাথে খেলার অনুরোধ করলো।
কিন্তু বালকটি জানালো,”আমার এখন আর খেলার বয়স নেই। আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে আজ আমি ক্লান্ত। আমাকে এখন আনন্দের জন্য, ক্লান্তি কাটাতে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হবে। কিন্তু আমার কোন নৌকা নেই। তুমি কি আমাকে কোন সহায়তা করতে পারো?
গাছটি হাসিমুখে বললো...
“তুমি চাইলে আমার গুড়ি কেটে নিয়ে যেতে পারো এবং এটা দিয়ে নৌকা বানিয়ে নিতে পারো। গাছের এমন পরামর্শে বালকটির চোখে মুখে আনন্দের শিহরন খেলে গেলো।
সে তৎক্ষণাৎ কুড়াল দিয়ে গাছের গুড়ি কেটে নিয়ে গেলো। এবং নৌকা বানিয়ে নদীতে চলে গেলো মাছ শিকারে। অনেকদিন আর তার দেখা নেই এখানে।
হটাৎ অনেকদিন পর শেষ পর্যন্ত গাছের কাছে ফিরে এলো লোকটি। ততদিনে সে জীবন সীমার শেষ প্রান্তে।
কিন্তু গাছটি বললো,”দুঃখিত বালক।
আমার কাছে এখন আর তোমাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই।
বৃদ্ধ হাসলো এবং বললো, “আমারো এখন আম খাওয়ার মতো দাত ও নেই”
:
“কোন ডাল- পালা বা গুড়ি ও নেই যেখানে তুমি চড়বে”
“গাছের ডালে চড়ার মতো ডাট ও এখন আমার নেই”
– গাছটি বললো।
-“সত্যি ই এখন তোমাকে দেওয়ার মতো আমার আর কিছু অবশিষ্ট নেই শুধু মৃতপ্রায় মূলগুলো ছাড়া ”
বৃদ্ধ বললোঃ-
“আমার এখন এগুলোর কোনটাই দরকার নেই। আমারশুধু বিশ্রাম নেওয়ার মতো একটা জায়গা চাই, যেখানে বসে আমি আমার এতোগুলো বছরের পাওয়া- না পাওয়ার হিসাবটা একটু মিলাবো। আমার কাটানো সময় গুলাকে একটু স্বরণ করবো।
লোকটি গাছের মূলে বসলো আর গাছটি অনেক আনন্দিত হলো। আনন্দ গাছের কান্না হয়ে ঝড়ে পড়লো।।
আমাদের প্রত্যেকের জীবনে এমনি একটি "গাছ” আমাদের মা-বাবা। যারা নিজেদের প্রতিটা মুহুর্তে হাজারো ইচ্ছা আর স্বপ্ন কুরবানী করে দেন শুধুমাত্র সন্তানদের জন্য।
নিজের ভবিষ্যত কে খুজতে থাকে সন্তানদের ভবিষ্যতের মাঝে। আর নিজেদের আনন্দ খুশীর সন্ধান পায় সন্তান্দের হাসি খুশীময় সুন্দর জীবনের মাঝে।
সন্তন যখন ছোট থাকে, তখন থেকে হাজারো স্বপ্ন আশা অন্তরে লালন করতে থাকে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে।
যাদের কাছে সন্তানরা আজীবন ঋণী।
যেই ঋণ পরিশোধ অযোগ্য।
একটু মায়া মমতা পাশে থাক কেয়ারিং শ্রদ্ধা ভালোবাসায় তাদের মনের চাওয়া।
সকল "মা বাবার" প্রতি রইলো...
অন্তরের গহীন থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet