Sati
বিনোদন দিতে চাই
20/09/2023
কাল রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আমি মা*রা গিয়েছি। আমার ছেলে মেয়ে দুটো মাটিতে বসে একটা একটা মুড়ি নিয়ে খাচ্ছে। কারণ ওদের খিদা লেগেছে এখনো কেউ ওদের খাবার দেয় নি। সবাই আমার শরীর সবার কাছে যা এখন লা*শ,তা নিয়ে বিজি।
এই শরীর টাকে কেউ তো এতদিন শরীর ভাবে নি। কারো কাছে কাজ করানোর অটো মেশিন ছিল, কারো খিদে মেটানোর।
নিজেও যত্ন নিই নি বহুকাল। কেউ অবশ্য বলে নি যত্ন নিও।
আজ খুব যত্নে সাজানো হচ্ছে আমার এই শরীর টা। ফুল চন্দনে ডেকে গেছে। বড় করে সিদুর পড়িয়ে সাজিয়ে দেওয়া হলো।
যারা কোন দিন একবার ও জন্য আমায় বলে নি তুই বড় সুন্দর রে, আজ ওরা কি মায়া চোখে তাকিয়ে আছে।
যারা কখনো বলে নি, তুই বড্ড ভালো রে, বেঁচে থাক আমাদের সাথে। তারা বড্ড আহাজারী করছে।
কিছু বুঝতে পারছে না শুধু আমার পাঁচ বছরের মেয়ে আর দুই বছরের ছেলে টা।
তাদের মা এখনো খাবার নিয়ে ছুটছে না এতেই তারা খুশি আপাতত।
আমি শিমুল। ঠাম্মি খুব শখ করে এই নাম রেখেছিল আমার। আমি নাকি শিমুল তুলো মতো ধবধবে ফর্সা আর তুলতুলে ছিলাম। মায়ের ভীষণ আপত্তি ছিল। ছেলেদের নাম নাকি এইটা।
মা আমায় পুতুল বলে ডাকতো।
খুব আদর যত্নে বড় হয়েছি বড় পরিবারে। পাঁচ ভাইয়ের এক বোন ছিলাম।
সবার পছন্দে মিতুনের সাথে আমার বিয়ে হয়েছিল। মা বলত - বড় পরিবারে দিলে সারাজীবন কাজ করতে করতে ম*রেও নাম নেই। নিজের মত করে নিজের সংসার গুছিয়ে নিবি। বেশ সুখে থাকবি।
মিতুনের মা ছিল না। বাবা ছিলো। তাও মিতুনের বোনের সাথে থাকত। মাঝেমধ্যে আসতো।
পড়ালেখা চুলোয় তুলে বসে গেলাম সংসার সংসার খেলায়। দুইজনের সংসারে এলো আমার মেয়ে, শুরু হলো জীবন যুদ্ধ। সব দিক সামলে উঠার আগেই এসে গেলো ছেলে।
না আমি আর পারছিলাম না। হাপিয়ে উঠতাম। মিতুন সারাদিন কাজ শেষে যখন আসতো তখন আমার মেজাজ সপ্তম আকাশে।
বাচ্চা ছাড়া আর কোন কাজ নেই আমার। ওদের খাওয়া, দুষ্টমি সামলাও, ঘরের কাজ সব এক করতে করতে আমি চরম খিটখিটে হয়ে গেছি।
তবে ছেলে মেয়ে গুলোকে অযত্নে করতাম না। একটা থাপ্পড় ও লাগাই নি ওদের গালে।
আমার কলিজার টুকরো। ওরা কি খাবে? কি করলে ভালো হবে? কোন খেলায় বুদ্ধি বিকাশ হয় এই সব চিন্তা করতে করতে আমার দিন যাই।
মিতুনের সাথে প্রায় আমার ঝগড়া হয়, আমার মনে হতে থাকে ও অন্য মেয়ের সাথে আছে। ও আমাকে বার বার বিশ্বাস করাচ্ছে আমি কাজের চাপে সত্যিই টাইম পাই না।
আমার অবিশ্বাস দিন দিন বাড়তেই থাকে। এই নিয়ে প্রায় ঝগড়া হয়, বাচ্চাগুলো খুব কান্না করে তখন৷ তাই আবার চুপ হয়ে যাই আমি। ওদের কান্না আমি নিতে পারি না।
কাল ব্যাগ থেকে বড় এক জোড়া কানের দুল পেলাম। ওকে বলায় ও বলে, তোমার জন্য এনেছি।
আমার বিশ্বাস হয় নি, এই নিয়ে কথা কাটাকাটি। এক পর্যায়ে ও বলে, কি শুনতে চাও? অন্য মেয়ের জন্য? ঠিক আছে যাও তোমার শান্তির জন্য বলছি অন্য মেয়ের জন্য।
আমি আর ঠিক থাকতে পারি নি। সে রাতেই রাগের মাথায় এই কাজ টা করে ফেললাম।
ঘুম যখন ভা'ঙ্গে তখন মনে হলো, হয়ত সত্যিই আমার জন্য ছিলো।
উঠে কাজ করতে যাচ্ছিলাম, বাচ্চাদের খাবার বানাতে হবে। ওকে অফিসে যাওয়ার জন্য নাস্তা।
না, আমি কিছুই ধরতে পারছিলাম না। আমি দৌড়ে গেলাম মিতুনের কাছে ওকে বলতে। কিন্তু ও শুনছে না। ঘুমাচ্ছে।
বাচ্চাদের কাছে গেলাম। ওরা কি সুন্দর ঘুমাচ্ছে।
কিন্তু ফ্লোরে পড়ে আছে আমার শরীর৷ আমি অবাক হয়ে থাকিয়ে আছি৷
মিতুন নাস্তা না পেয়ে ডাকতে আসে৷ এই অবস্তা দেখে তারাতাড়ি কোলে নিয়ে খাটে শুয়ে দেয়।
কি আকুল ভাবে ডাকতে থাকে,
সবাইকে ফোন দেয়, ডাক্তার আনে।
ততক্ষনে সবার জানা হয়ে গেছে শিমুল আ'র নেই।
আস্তে আস্তে ভীড় জমতে থাকে, মানুষ জন আসতে শুরু করে। অনেক আত্নীয় এসে অনেক তদারকি শুরু করে দিয়েছে।
আমি সবাইকে দেখছি, সবার কথা শুনছি। এইসবের মধ্যে আমার বাচ্চা দুটো উঠে বসে আছে অনেকক্ষন হলো।
এতক্ষন আমি ওদের দুইবার খাওয়াতাম। কিন্তু এখনো ওরা কিছু খাই নি।
সবাই কান্না জুড়ে দিয়েছে। মিতুনের বোনেরা এসে রান্না ঘরে ডুকে গিয়েছে। তাদের আত্নীয় স্বজন আসতে শুরু করেছে সবাইকে চা নাস্তা ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।
আমার মেয়েটা পুতুল বুকে নিয়ে এক দিকে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটা বার বার আমার কাছে আসতে চাইছে। ঘুম থেকে উঠে যে মায়ের বুকে থাকতে হয় কিছুক্ষন। তার মা কেন এখনো ঘুমাচ্ছে সে তা বুঝতে পারছে না। আমার মা এসে নাতি গুলোকে বুকে নিয়ে বসল।
শোকের মধ্যেও চলছে নানা আয়োজন। শে'ষ অনুষ্টান। মিতুন চাইলে বসে থাকতে পারছে না। ওকে নানা দিকে ফোন দিতে হচ্ছে। নানা কাজ।
এত কিছুর মধ্যেও মিতুন মা কে বলে গেল বাচ্চা গুলো কিছু খায় নি। কিছু যাতে মুখে দিয়ে দেয় ওদের। কখন খাবার হবে তা তো কেউ জানে না।
মা তো জানে না কোথায় ওদের খাবার কোথায় কি?
মা চা তে ডুবিয়ে বিস্কুট খাইয়ে দিলো। এতে কি ওদের পেট ভরে?
ছেলে অন্য বাচ্চাদের সাথে দৌড়া দৌড়ি শুরু করে দিয়েছে। মেয়ে পারছে না। ওর খিদে লেগেছে।
আমার বুক টা ফেটে যাচ্ছে।
মা ও অন্য দিকে চলে গেল। বাচ্চা দুটো আমার আশেপাশে ঘুরছে। মায়ের কাছে যাবে ওরা। ওদের এই অবস্তায় দেখে সবার চোখ ভিজে যাচ্ছে।
-আহারে, এই বাচ্চাগুলো কি হবে এখন? মা ছাড়া বাচ্চা গুলো কে একেবারে শে'ষ হয়ে যাবে।
বেলা বয়ে যাচ্ছে। লোকজন আরো বাড়ছে। কেউ খাচ্ছে, কেউ দিচ্ছে খাবার, কেউ গল্প জুড়েছে। আমার ছেলে মেয়ে গুলো ধুলো মাখা সকাল থেকে কিছু না খেয়ে একেবারে অসহায় লাগছে।
মিতুনের বোন ওদের ডেকে এনে খাওয়াতে বসল তখন তিনটা। ওর একটা ছোট ছেলে আছে ওর সাথে। এত ঝালের তরকারী কি ওরা খায়?
মেয়েটা তাও খেয়ে নিলো। খুব খিদে যে লেগেছে। এমনে তো মায়ের সাথে কত ছুটোছুটি। ছেলেটা কান্না শুরু করেছে। কোলে কোলে নিচ্ছে সবাই।
কিন্তু ওর যে খিদে পেয়েছে। শেষমেশ ঘুমিয়ে গেলো। সবাই একটু শান্তি পেল।যাক বাবা।
আমি কি পারতাম ছেলেকে এইভাবে না খাইয়ে ঘুম পাড়াতে?
সভা শে'ষ হলো, আমাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মেয়েটা এত বুঝে না তাও একটু ছুয়ে দিলো। ছেলে তখনো ঘুম।
সভা শেষে সবার আবার চা খাওয়ার ধুম। সবাই চলে যাচ্ছে। কেউ কেউ থাকছে। আরো অনেক কাজ বাকি।
দিন গেল রাত এল। ছেলেকে কিছু খাওয়ালো মা।
মা বুকে নিয়ে শুয়ে আছে ওদের। ওরা তো মা চেয়েই যাচ্ছে।
এইভাবে এক দিন দুই দিন তিন দিন পার হচ্ছে। ঘরে অনেক মানুষ। সবার খাওয়া দাওয়া চলছে। তাও বাচ্চা দুটোর যে মা নেই, তাই কাপড় চোপড় ওই একটা পড়ছে আর কি। দুপুরে আর রাতে ভাত টা ছাড়া আর তেমন কিছু হচ্ছে না খাওয়া ওদের। কখনো ঝাল তো কখনো শক্ত ভাত। পারছে না ওরা।
মেয়েটা বড় অদ্ভুত চোখে তাকায়। মাঝেমধ্যে সে নিজেই ভাইকে বিস্কুট তুলে দেয়।
কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে যায় ছেলেটা। উঠে কান্না করতে করতে। সারাদিন খিটখিটে। সবাই আর কত সহ্য করবে? দেয় দু চার কিল বসিয়ে। মিতুন চেষ্টা করে। পারে না।
আমার বুক ফেটে যাই। কিছু তো করতে পারি না।
সবাই বলে, মা তো স্বার্থপরের মতো নিজে বেঁচে পালালো। বাচ্চা গুলো কে মানুষ করবে?
থাক নিজের মত। না খেলে না খাক। নিজেই শিখবে। বাচ্চা গুলো অসহায়ের মতো চেয়ে থাকে।
আমি জোরে চিৎকার করে উঠি।
আমি উঠে বসি। আমি কি বেঁচে আছি?
আমি ঘমছি, হাতড়ে পানির বোতল নিয়ে পানি খাই।
ফ্লোর থেকে উঠে খাটে যাই। আমার সোনামণিরা ঘুমাচ্ছে। এতক্ষন দেখা সব কিছু মনে পড়তে আবার ডুকরে উঠলাম। দুইজন কে বুকে নিয়ে জোরে চেপে ধরি।
নিজেকে নিজে বলি, যত সমস্যা হোক আমি লড়ে যাবো তাও তোদের ফেলে যাবো না।
মৃত্যুর_একদিন
লেখনিতে_দোলনা_বড়ুয়া_তৃষা
সমস্যা যত থাকুক না কেন, সমাধান আছে। বাচ্চা রেখে কেউ যেন ম*রা*র চিন্তা না করে। কি হবে বাচ্চা গুলো? চিন্তা করলেই আতঁকে উঠি।
ভালো লাগলে পেজটি ফলো করে শেয়ার করবেন প্লিজ,,, 💙🖤💚🤍💛
20/09/2023
Kutti : জান শুনো?😁
Kutta :হুমম বলো জানু🥰
Kutti : জান আজকে রাতে ১০ টায় আমাদের বাসায় আসবা,যখন মা বাবা ঘুমিয়ে পড়বে😁
Kutta :কিন্তু রাতে কেন?🙄
Kutti :তোমাকে একটা সারপ্রাইজ দিবো😊☺️
Kutta : আচ্ছা আাসবো 🥰
রাত ১০ টায় গেলাম বাসায়😑
Kutti : জান ভিতরে আসো😀🙈
Kutta : আসলাম😑
Kutti: জান এবার দরজাটা লাগিয়ে দেও 😜
Kutta : লাগালাম জানু,কিন্তু কেন?
Kutti : ও জান গো, এবার জানালা দুইটা বন্ধ করো😇🙈🙈🤐
Kutta : কিছু বুঝতে পারতাছি না🙄,,নাও বন্ধ করলাম🤦♂️🤦♂️
Kutti : ওই জান এবার সুইজটা Off করো🙈🙈😋😋
Kutta : আচ্ছা জানু এই যে Off করলাম😌😌
Kutti : জান এবার নিচের দিকে তাকাও 😐🙈🙈
Kutta : তাকালাম😕😒
Kutti : দেখছো জান আমার জুতায় লাইট জ্বলে😹😹🤣
ফাইজলামির একটা লিমিট থাকা দরকার 😩😾
Collect
💕মন ছুঁয়ে যাওয়া নতুন নতুন গল্প পড়তে পেইজটি ফলো করে রাখুন,
16/09/2023
ভোট হয়ে যাক💛🧡💚🧡💛💚💙💜
আল্লামা,,,, সাইদি,,, হুজুর ,,,, যদি,,, ইসলামের,,,, প্রথি,,,, মনে করে,, তাহলে,, ফলো,,, করেন 👆💯🤍🖤🤎💙❤️🧡
রাজাকার,, মনে,,, করলে,, তাহলে লাইক করেন,,,
❤️🧡💛🤍🖤💚🌳🌲🎆🌏🌎🌍
11/09/2023
সবাই ফলো করেন প্লিজ,, এবং ফলো বেক বুঝেনিন
- ছোটবেলার সেরা ১৩ টি ধারনা...🙂👍
১. পৃথিবীতে দুইটা দেশ আছে বাংলাদেশ
আর বিদেশ।
২. বিয়ে করলে বাচ্চা হয় নাইলে হয় না।
৩. সাড়ে বারোটার পর বাজে সাড়ে একটা,
সাড়ে একটার পর সাড়ে দুইটা।
৪. কারো মাথার সাথে যদি নিজের মাথা
একটা গুঁ*তা খায় তাইলে শিং ওঠে, দুইটা
খাইলে আর ওঠে না।
৫. কোন ফলের বিচি খাইয়া ফেললে
পেটের মধ্যে সেই ফলের গাছ হয়।
৬. সিনেমার মধ্যে নায়ক নায়িকারা
নিজের গলায় গান গায়।
৭. "আই লাভ ইউ" খুব খা*রাপ একটা শব্দ,
একেবারে অ*শ্লীল।
৮. টিভির পেছনে উকি দিলে ভেতরে মানুষ
দেখা যাবে।
৯. যে যত ভালো ছাত্র তার রোল তত কম
আর যত খারাপ তত বেশি... এইটা কেমন
সিস্টেম?
১০. সিনেমার গানের মধ্যে নায়ক নায়িকা
এত তাড়াতাড়ি ড্রেস চেঞ্জ করে কেমনে?
নিশ্চয়ই একটার উপর আরেকটা পরে
থাকে, হুট করে উপরেরটা খুলে ফেলে
দেয় কোনো সময়।
১১. আপনি শুয়ে থাকলে উপর দিয়ে
কেউ আপনাকে ডিঙিয়ে গেলে আপনি
আর বড় হবেন না।
১২.হাটলে চাঁদ ও পিছু পিছু হাটে ।
১৩. কালো পিঁপড়া মুসলমান, আর লাল পিঁপড়া হিন্দু্।😑
🙂🥺,,
ভালো লাগলে পেজটি ফলো করে,পাশে থাবেন,,,
ইসলামিক পোস্ট
,, কথা দিলাম ফলো করব,,,
খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) স্ত্রীকে বললেন- ‘প্রিয়তমা স্ত্রী, আমি বেশিক্ষণ বাঁচবো বলে মনে হচ্ছে না। তুমি আমার সারাটা শরীর পরীক্ষা করে দেখ, এমন কোনো স্থান কি আমার শরীরে আছে যেখানে শত্রুর তরবারীর আঘাত নেই’?
দীর্ঘক্ষণ পরীক্ষা করে স্ত্রী উত্তর দিলেন- ‘না। আল্লাহর রাস্তায় আপনি এত বেশি যুদ্ধ করেছেন যে আপনার সারাটা শরীরেই শত্রুর আঘাত আছে’।
খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) তখন দুঃখ নিয়ে বললেন- ‘আল্লাহর কসম, প্রতিটা জিহাদে আমার নিয়ত থাকতো যেন আমি ময়দানে শত্রুর আঘাতে মারা যাই, তাতে যেন শহীদের মর্যাদা পাই। কিন্তু আফসোস, দেখ আজ যুদ্ধের ময়দানে মৃত্যু না হয়ে আমার মৃত্যু হচ্ছে আমারই বিছানায়! আমায় কি আল্লাহ শহীদদের মাঝে রাখতে চান না’?
স্বামীর আফসোস দেখে স্ত্রী কিছুক্ষণ মৌন রইলেন। এরপর করলেন সেই বিখ্যাত উক্তি :- ‘আপনার নাম স্বয়ং রাসুল (সা.) রেখেছিলেন সাইফুল্লাহ/আল্লাহর তরবারী (⚔️) এমন কোনো তরবারী কি দুনিয়ায় আছে যেটা আল্লাহর তরবারীর মোকাবিলা করতে পারে? তাইতো ময়দানে আপনার মৃত্যু হয়নি কারণ আল্লাহ তার তরবারী মাটিতে লুটিয়ে যেতে দেননি’।
রাত ১২ টার সময় আমার বউকে উ/ল/ঙ্গ হয়ে শাওয়ারে গোসল করতে দেখে বেশ অবাক হলাম।শরীরে কাপড়ের কোনো ছিটেফোটাও নেই।কিন্তু হঠাৎ করে এত রাতে এভাবে গোসল করছে কেন?
--মারিয়া তুমি এত রাতে এভাবে গোসল করছো কেন?
ভেতর থেকে কোনো সাড়া এলোনা।মারিয়া শাওয়ারের নিচে দাড়িয়ে আছে।মুখটা আয়নার কাচের দিকে।আমার কথা তার কানে পৌছাছে কি বুঝতে পারলাম না।আমি দ্বিতীয়বার তাকে ডাক দিলাম।কিন্তু আবার কোনো সাড়া এলোনা।আমি বাথরুমের ভিতরে প্রবেশ করি।মারিয়ার কাধে হাত দিতেই মারিয়া চমকে উঠে।
--সাগর তুমি এখানে কি করছো?আর আমার কাপড় কোথায়?
--প্রশ্ন গুলো আমি তোমাকে করবো কিন্তু তার আগে তুমিই করে দিলে।
--মানে বুঝলাম না।
--মানে হলো তুমি এত রাতে বাথরুমে উ/ল/ঙ্গ হয়ে গোসল করছো কেন?আর কত ডাকছি সাড়া দিচ্ছোনা।
---কি বলছো এসব?আমি তো পানি খেতে উঠেছিলাম তারপর তুমি ঘাড়ে হাত দিলে মাঝখানে কি হয়েছে কিছু মনে নেই।
আমিও আর তখন মারিয়াকে আর কিছু জিগ্যেস করিনি।মারিয়া কাপড় পড়ে গিয়ে শুয়ে পড়ে।আমিও শুয়ে পড়ি।কিন্তু আজকে আমার আর ঘুম আসবেনা।আজকে আমাকে অনেক ভাবাচ্ছে।কয়দিন থেকে মারিয়া মধ্যে রাতে রুমে থাকছেনা।আমি ভাবছি বাথরুমে যায়।তাই এত খুজিনি।কিন্তু আজ যখন তাকে খুজতে উঠলাম ঠিক তখন দেখি মারিয়া উ/ল/ঙ্গ হয়ে বাথরুমে গোসল করছে।
সকালে অফিস আছে তাই বেশি না ভেবে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।নয়তো অফিস মিস হয়ে যেতে পারে।সকালে ঘুম ভা/ঙে দেখি মারিয়া তখনো ঘুমাচ্ছে।এমনটা কখনো হয়না মারিয়ার আগে আমি কোনোদিন ঘুম থেকে উঠতে পারিনি।কিন্তু বেস কয়দিন থেকে আমি আগে উঠি।মারিয়া পরে।তার কাপড় সব এলো মেলো থাকে।কখনো কাপড় শরীরে থাকেইনা।কিন্তু যখন ঘুম ভাঙে সব স্বাভাবিক।
আমার তখন অনেকটা টেনশন হয়।প্রথম দিন এমন দেরি করে ঘুম থেকে উঠার জন্য অনেক বকা দেই।কিন্তু মারিয়া আমার কোনো কথার উত্তর দেয়নি চুপচাপ শুনেছে।পরেরদিন করাতে আবার বকেছি সেদিনো শুনেছে কোনো উত্তর দেয়নি।তাই তারপর থেকে আমি আর তাকে কিছু বলিনা।খাবার ফ্রিজে থাকে।সেখান থেকে বের করে গরম করে খেয়ে অফিসে চলে যাই।
আমি অফিস শেষে বাসায় ফিরার পথে মারিয়ার ফেবারিট হায়দ্রাবাদী বিরিয়ানি কিনি।সাথে রেশমি চুড়ি আর একটা গোলাপ ফুল।সেগুলো নিয়ে বাসায় আসি কলিংবেল চাপি কিন্তু ঘর খুলছেনা।আবার চাপ দেই।তাও কোনো সাড়া শব্দ নেই।এমন তো হয়না।আমি কলিং বেল দিলে মারিয়া সাথে সাথে দরজা খুলে দেয়।মনে হয় যেন আমারি অপেক্ষায় দরজার সামনে দাড়িয়ে থাকে।কিন্তু আজ দরজা খুলছেনা।
আমি আবার কলিং বেল চাপ দেই।দরজা ধাক্কা দেই।
--মারিয়া দরজা খোলো।এত দেরি হচ্ছে কেন?কোথায় তুমি?
ঠিক তখনি ভেতরে কিছু পড়ার শব্দ হয়।ঝনঝন করে উঠে।আমি শব্দটা শুনে বারবার দরজা ধাক্কা দিতে থাকি ঠিক তখন মারিয়া দরজা খুলে দেয়।
আমি হ/ন্তদ/ন্ত হয়ে ভেতরে প্রবেশ করি।
--কি ব্যপার সেই কখন থেকে কলিং বেল দিচ্ছি শুনতে পাচ্ছিলে না?
--সরি শুনতে পাইনি।
চলবে...................
্রতিশোধ
১
নেক্সট পার্ট গুলো সবার আগে আইডি তে দেয়া হবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে আইডি ফলো করুন 👉 LEO XAKIBBA
মানুষ কি ধরনের চ্যাটিং করে🤔
-N8. W8..F9..M9..R8.Os3r..?😇
তোগো ইংলিশ কি গণিত স্যার এ শিখাইছে?😄😄
একজন বলল আমি নাকি CNG হয়ে গেছি..??
কেমনডা লাগে বলেন তো..? 😡
২ ঘন্টা পরে বুঝলাম""CNG মানে Changel..😂😄
হায়রে দিপু খালা তুমি কই..! 😎
কি শিখাইলা এতদিন..!🧐
-আজকে থেকে ঘুমানোর সময় মোবাইল সাথে
নিয়ে ঘুমাবো🥱🐸
-না মানে👉প্রতিদিন সপ্নে ঘুড়তে যাই তো পিক তুলতে পাড়িনা😇🫣🤦♂️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Sylhet