Unique voice
আমি এক এ্যাম্বুলেন্স—
অসংখ্য স্বপ্নের ডেড বডি নিয়ে ক্রমাগত ছুটে যাচ্ছি মৃত্যুর দিকে।
❤️
22/05/2025
এই ছবিটা দেখে কি মনে হচ্ছে ?
এই মেয়েকে বাসায় দীর্ঘ ছয় মাস আটকে রেখে ধর*ষণ করা হয়েছে ?
ঘটনা শুরু থেকে শেষ অবধি পড়ে ও তাদের ভাবভঙ্গি দেইখা এজাম্পশন করা যায় , এরা লিভ টুগেদার করছিলো।
নোবেল মাদকাসক্ত ছিলো । মাথা হিজবিজবিজ হয়ে গেলে নির্যাতন করতো । শেষমেষ মেয়ে সে সব আর সহ্য করতে পারে নি । পালিয়ে আসতে চাইলো ।
তার কপাল ভালো — বেঁচে ফিরতে পেরেছে । এই মেয়ে নোবেলের হাতে খু*ন হলেও অবাক হওয়ার মতো কিছু ছিলো না।
আমরা যখন কলেজে পড়ি , রেডিওতে একটা অনুষ্ঠান শুনতাম রাতে।
"যাহা বলিবো সত্য বলিবো...... " — কোন এফএম এর অনুষ্ঠান তা মনে নেই । একটা ঘটনা মনে আছে ।
একটা ছেলে নেশার টাকা না পেয়ে পেছন থেকে কোদাল দিয়ে মায়ের মাথায় অথবা পিঠে আঘাত করছিলো । ঐ আঘাতের পর তার মা সম্ভবত মারা যায়।
ছেলেটা যখন এফএমে এই ঘটনা বর্ণনা করছিলো সে তখন হু হু করে কাঁদছিলো । সামহাউ তার বোধ ফিরে এসেছিলো ।
এই ঘটনা কেনো বর্ণনা করলাম ?
এটা বোঝানোর জন্য যে — একজন মাদকাসক্ত মানুষের আসলে এইটুকু বোধও থাকে না , দুনিয়ার কোনটা ভালো — কোনটা খারাপ ।
এরা যতো সহজে একটা মানুষের জীবন নিয়া নেয়, আপনি ততো সহজে একটা মুরগীর জীবনও নিতে পারবেন না ।
নোবেল রিহ্যাবে ছিলো । নোবেল মাদকাসক্ত ।
নোবেল মাইয়াবাজি করে । নোবেলের বউ আছে ।
এই খবর এই মেয়েটা জানতো না?
জানতো ৷ তাও সে নোবেলকেই চয়েজ করেছে ।
জগতে এক ধরনের অদ্ভুত মাইয়া মানুষ আছে যারা—
সুগার ড্যাডির গলা জড়াইয়া ধইরা আহ্লাদ কইরা বলবে , আমি তোমারে ভালোবাসি , তোমার টাকা পয়সারে না ।
নেশাখোর ক্ষমতাধর নেতার বিছানায় থেকে ফিরে আসার সময় বলবে , আমি তোমার সাহসিকতারে ভালোবাসি, তোমার ক্ষমতারে না।
কেনো এই ভন্ডামি?
জাস্ট টু এনজয় এ স্মল মোমেন্ট অফ লাইফ?
এরা আসলে জীবনটাকে এনজয় করতে চায় ভিন্ন ওয়েতে। এরা সবসময় লাইমলাইটে রাখতে চায় নিজেরে, নিজের জীবনরে — হুইচ ওয়ে, ইট টোটালি ডাজনট ম্যাটার ।
পরিবারের শাসনকে এরা তুচ্ছজ্ঞান করে । ধর্মকে এরা গোঁড়ামি ভাবে । নৈতিকতাকে এরা হ*ত্যা করে প্রজন্মের দোহাই দিয়ে—" এই যুগে এসব হয়-ই...
শৃঙ্খলাকে খাঁচার বন্দী টিয়া মনে করে । বেপরোয়া জীবনকে মনে করে প্রিয় স্বাধীনতা ।
বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি আনভীর সোবহান ও মুনিয়া কান্ডের কথা মনে আছে ?
মুনিয়া কলেজ ছাত্রী , থাকতো গুলশানে লাখ টাকার ফ্ল্যাট বাসায় । দু'হাতে টাকা উড়াইতো ।
শেষমেষ "লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু... এই প্রবাদকে সত্য বানিয়েই মৃত্যু ধরা দিছিলো মুনিয়ার জীবনে ।
এই মেয়েদের ভুলের জীবনটাও আসলে মাদকের এই সুখের মতো ক্ষণস্থায়ী ।
মদ , ইয়াবা , কোকেইন সব ধরনের মাদকেই এমন রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যা শুরুতে ডোপামিন নিঃসরণ কইরা আনন্দ দেয় । পরে ধীরে ধীরে মাদকাসক্তকে নিয়ন্ত্রণহীন ও বিষণ্ণ কইরা ফেলে ।
" My Life , my rules , my choice " এই স্লোগানরে নেগেটিভ পথে ব্যবহার করা মেয়েরাও একটা সময় জীবন, জীবনের রুলস আর চয়েজ কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ।
শেষটা এতই বিস্বাদ হয় , শুরুর আনন্দের কথা আর কেউই মনে করতে চায় না ।
কেউ আইসা বইলেন না — আপনি নোবেলের বিপক্ষে না বইলা মেয়েটারে কেনো ব্লেইম করতেছেন?
আমি বলি— নোবেল গ্রেফতার হইছে । ও দোষী । ওর বিচার হবে । ও অলরেডি নিজের জীবন নষ্ট করছে ।
কিন্তু এই যে একটা জীবনরে এই ওয়েতে এনজয় করার প্রবণতা ছড়িয়ে , নিজের জীবন নষ্ট করে ,
তার পরিবাররে— সমাজের মোরাল এথিকসগুলারেও ফাঁসিয়ে দিয়ে যায় ,
is this the worth of her life?
প্রশ্নটা মাথার ভেতর আশ্চর্যবোধক চিহ্ন হয়ে ঘোরে ।
পুরুষ মানুষ-
সে একজন বাবা, একজন ভাই, একজন স্বামী, একজন ছেলে ❤️🩹
#ভাই #বাবা #একজন
সাগরে বাস করা এক রহস্যময় জাতি, যেন সত্যিকারের মাছ-মানব!
#এক #মাছ #করা
"নারীর ডাকে মৈত্রী যাত্রা " নামে নারী অধিকার আদায় আন্দোলনের ডাক দেওয়া হলো । অথচ দেখে মনে হলো — যাত্রাপালা হচ্ছে ।
দুই তিনটা স্লোগান আমার বেশ অদ্ভুতই লাগলো ।
যেমন, পাহাড়ে সেনাশাসন হটাও ।
এটার সাথে নারীবাদের কি সম্পর্ক?
ধরে নি , পাহাড়ে সেনাবাহিনীরা আদিবাসী নারী ধ*র্ষণ করে।
তাহলে স্লোগান লিখুন , "পাহাড়ে সেনাবাহিনীর দ্বারা নারী ধ*র্ষণ বন্ধ হোক। "
পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার দিক থেকে অন্তত কৌশলগত ও সংবেদনশীল স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ।
সেখান থেকে সেনাশাসন হটানোর যুক্তি কি?
দেশের সার্বভৌমত্বকে নষ্ট করার প্ল্যান কষে কোন ধরনের নারীর অধিকার আদায় করতে চান আপনারা?
আবার —
টান্সজেন্ডার ইস্যু কিভাবে নারীবাদ ইস্যু হয়?
একজন ট্রান্স নারী কেমনে একজন নারীর সমান হয়।
সান্ডা ভেবে গুইসাপ খেয়ে হাসপাতালে শুয়ে থাকার মতো ইস্যু হয়ে গেলো না?
একটা মেয়ে দেখলাম , ডানা পরে ঘুরছে । দ্যাটস লজিক্যাল । সাম হাউ ইউ ক্যান ডিফেন্ড ।
ডানা স্বাধীনতার প্রতীক বোঝানো যায়।
কিন্তু একজন পোলায় ক্যান ডানা পইরা ঘুরতেছে?
ঐটা এঞ্জেল? এঞ্জেলের সাথে নারীবাদের সম্পৃক্ততা কি!
বিশ্বের বড় বড় প্যারেডগুলাতে আবার খালি গায়ে ব্যাডা মানুষ ডানা পইরা ঘুরে মূলত গে'দের সিম্বল বহন করার জন্য ।
সবচেয়ে মজার ব্যাপারটা এখন বলি।
এই আন্দোলনের লিডিং পজিশনে একজন আছে যার নাম মার্জিয়া প্রভা ।
এই মেয়েটা নিজ বান্ধবীরে গাঁজা খাইয়ে তার বন্ধুদের হাতে তুলে দিয়েছিলো ধর্ষ*ণ করার জন্য ।
বন্ধুরা রুমের ভেতর তার বান্ধবীকে কয়েকবার ধর্ষ*ণ করে , প্রভা বাইরে হেঁটে তাদের পাহারা দেয় ।
এই ঘটনা মৌলভীবাজারের ।
ধর্ষ*ক দুজন ছিলেন প্রভার বন্ধু ছাত্রফ্রন্টের রায়হান আনসারি ও সজীব তুষার ।
বন্ধুদের দিয়ে নিজ বান্ধবীকে ধর্ষ*ণ করায়ে এভাবেই নারীর অধিকার সুরক্ষা করতে করতে প্রভারা একসময় রাস্তায় নেমে স্লোগান দেয় ,
" আমরা সবাই বে-শ্যা, বুঝে নিবো হিস্যা৷ "
এই আন্দোলনে স্লোগানগুলো এতই এলোমেলো ও জগাখিচুড়ি লাগছে , এদের কতজন আসলে দেশের নারীদের প্রতিনিধিত্ব বহন করছে সেটা প্রশ্ন থেকে যায়।
আন্দোলন নারীর, সেখানে আদিবাসীর অধিকার ছিলো, এঞ্জেল ছিলো, ট্রান্সজেন্ডার ছিলো না , নাভি বের করা শাহবাগী ছিলো কিন্তু ছিলো না কোনো নারী —
যারা আসলেই নারীর অধিকার সুরক্ষা দিতে পারে...
তোমরা আগে বেগম রোকেয়ার ' নারীর অধিকার ' ও তসলিমা নাসরিনের নারীর অধিকারের ভেতর পার্থক্যটা বোঝো , তারপর নাহয় নারীর অধিকার আদায়ে মাঠে নাইমো...
কিছুদিন আগে লিখছিলাম , এই দেশে মানুষরে তারাই ফাঁ-সিতে ঝু-লায় যাদের নিজেদেরই আগে ফাঁ-সির দড়িতে ঝুলে যাওয়ার কথা ।
নারীবাদের বেলায় ও একই জিনিসটাই হচ্ছে , নারীর অধিকার রক্ষা করার ভং ধরতে আইসা এরা উল্টো
নারীর অধিকার নষ্ট কইরা ফেলতেছে...
14/12/2024
হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো😊❤️🩹
এমন বউ যেন আমার শত্রুর ও না হয় 🙏🙂🥵
- কথা গুলো কলিজায় লাগলো রে বোন ~💔🥀
- তাকে ছাড়া আমি থাকতে পারবো না কখনো,😭🥀
26/01/2022
প্রিয় তুমি,
লেখার শুরুতেই জানতে চাইবো না কেমন আছো তুমি, কারণ যে মানুষটা আমাকে ছাড়া থাকতে পারে আমি আশা করি সে নিঃসন্দেহে ভালো থাকতে পারে।জানো আজকাল আর সেই আগের মতো করে নিয়ম করে লেখা হয় না তোমাকে নিয়ে কারণ আমার সব ভাবনা গুলো এখন কোন শব্দে রূপান্তরিত হয় না কেমন জানি ভাবনা গুলো বিলিন হয়ে যায়।
খুব একটা ইন্টারনেটের জগতেও আশা হয় না কেমন জানি এই সব কিছু বিষাক্ত হয়ে গেছে। যে মানুষটা সারা দিন নেট ঘেটে ঘেটে তোমার খোঁজ করত সে এখন দুই দিনে একবার ও নেটে আসে না।জানো প্রিয় খুব আপন ও কাছের মানুষ গুলোর ফোন কল আসলেও চেয়ে চেয়ে দেখি রিসিভ করতে ইচ্ছে করে না।
আর তার সাথে সাথে তোমার প্রতি আমার যে একটা আকুলতা ছিল সেটাও মুছে গেছে। সব কিছুর হয়তো একটা সীমারেখা থাকে আর সেটা অতিক্রম হয়ে গেলে জিনিসটার প্রতি আর কোন কিছু কাজ করে না।আমি ভাবতাম যাই হয়ে যাক আমাদের যোগাযোগ কখনো শেষ হবে না।
এই ধারনাটা আমার ভুল প্রমাণ করার জন্য ধন্যবাদ তোমাকে। তবে এইটা জেনে রেখ আমি আর তোমাকে কখনো বিরক্ত করব না। জানো প্রিয় আমার চোখ থেকে এখন আর জল পড়ে না কারণ তোমাকে নিয়ে ডাইরীটা আর লেখা হয় না।জানো একটা মানুষের মন থেকে যখন সব রং শেষ হয়ে যায় তখন বোধহয় অনুভুতিরা শব্দহারা হয়ে নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।
কিছু কিছু সময় সেই সব হারিয়ে যাওয়া শব্দ গুলো খুঁজে পেতে মরিয়া হয়ে উঠি আর তখন একটা ক্ষুব্ধ হয়ে তোমার কাছে ছুটে যাই,,, অন্তঃপর আমার উপস্থিতি দেখেও তোমার যখন কোন প্রতি উত্তর দেখা হয় না তখন সেই আমিটা বাক রুদ্ধ হয়ে নিজ গন্তব্যে ফিরে আসি।জানো প্রিয় তোমার যদি আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারতাম তাহলে হয়তো এই জীবনেটা আমার কাছে খুব সহজ হতো।
কিন্তু না আমি পারি না রে প্রিয়,আমি সত্যি পারি না তোমার মতো করে পাথরে পরিণত হতে। আমি মাঝে মাঝে উন্মাদ হয়ে তোমার কাছে ছুটে যাই আর তুমি হয়তো সেটাকে নাটক বলে গন্য কর। আজ তবে এটুকুতেই থাক আবার কখনো কথোপোকথন হবে কোন এক চিঠিতে।
ভালো হোক তোমার জীবনের প্রতিটি অধ্যায়।
ইতি তোমার-মায়াবতী
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet