Respect Everyone

Respect Everyone

Share

Alhamdulillah for everything �

01/06/2024

💖বাচ্চার জন্য হারিয়ে ফেলা জীবন, ঘুম, শান্তি, আরাম সবই একদিন ফিরে আসবে.......
শুধু বাচ্চার শৈশবটা ফিরে আসবে না, সকাল সকাল তার ময়লা কাঁথা কাপড়গুলো আর সযত্নে ধুতে হবে না.......☺
তার জন্য শখ করে আর খেলনা কেনা হবে না।
জিদ করে দাঁত হীন মারি দিয়ে কামড় দিতে চাইবে না, দুই হাত মুঠ করে আমার চুল ছিড়বে না,বাবার চুল ধরে টান দিবে না.......
ঘন্টায় ঘন্টায় তার জন্য আলাদা খাবার রান্নার পেরেশানি টা থাকবে না। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খেলনা গুলো গুছানোর কাজ আর পাবো না। নতুন খেলনা দেখলে তার বাবা আর কিনবে না 🙂 এই হাতে তাকে আর গোসল করিয়ে দিতে হবে না,খালি বুকটায় তাকে আর জড়িয়ে ধরে ঘুম হবে না....
কারণ সন্তান বড় হয়ে যাবে। অসীম যে যন্ত্রণায় ভুগে তাকে নিজের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে জন্ম দিয়েছিলাম, সেই যন্ত্রণার ব্যথাও শেষ হয়ে গেছে.......
কাটা ছেঁড়া সেলাই হওয়া শরীরটা নিয়ে এই দুই হাতে তাকে প্রথমবার জড়িয়ে ধরেছিলাম সেই দিনও গত হয়ে গেছে.....
এইভাবে কত শত দিন, কাল,মাস, বছর, পেরিয়ে যাবে, আমার কোল ছেড়ে দিয়ে নিজে সংগ্রাম করে বাঁচা শুরু করবে।বুলি না ফোটা যে মুখটার কথার সাথে আমি মা তাল মিলাই এই মায়ের সাথে অনেক কথা তার আর বলা হবে না।
মিস করবো, ভীষণ মিস করবো____😭😭

এই আমাদের তখন তাকে নিয়ে থাকা সকল ব্যস্ততাকে ছুটি দিতে হবে।
সে তার নিজের সাথে ব্যস্ত হয়ে যাবে বলে।।
যেই শৈশব তার স্মৃতিতে থাকবে না....
তার সেই শৈশব আমাদের স্মৃতি জুড়ে থাকবে।

10/05/2024

বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য যদি মা-বাবার কাছে যেতে হয়, তাহলে আপনি বিয়ে করছেনই বা কেনো?

আপনার বিয়ে করার বয়স হয়েছে মানে সিদ্ধান্ত নেবার বয়স হয়েছে। কিন্তু, বিয়ের পর প্রতিটি সিদ্ধান্ত যদি মা-বাবাকে জিজ্ঞেস করে নিতে হয়, তাহলে আপনি স্বামী হিসেবে স্ত্রীর কাছে মর্যাদা হারাবেন।

স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবেন কিনা, স্ত্রী কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে বারবার তাকে বলা- ‘মাকে জিজ্ঞেস কইরো’, স্ত্রীকে নিয়ে বাইরে যাবার আগে বাবার অনুমতি নেয়া লাগলে এটার ফল আসলেই নেতিবাচক। সাময়িক মনে হতে পারে কোনো অসুবিধা তো হচ্ছে না। কিন্তু, আপনার স্ত্রীর মনে ক্ষোভ জন্ম নেয়, আপনার প্রতি তার সম্মানবোধ উঠে যায়।

মাঝেমধ্যে তার কিছু ইচ্ছে করলে আপনি বলেন- “দেখি মা কী বলে।” তখন হয়তো সে কিছু বলে না। কিন্তু, মা যদি ‘না’ করেন, মায়ের ওপর না, বরং আপনার ওপরই তার রাগ হয়।

🔴 আপনি পারিবারিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অবশ্যই মা-বাবার পরামর্শ নিবেন, তাদেরকে শ্রদ্ধা করবেন।

🟠 কিন্তু, স্বামী হিসেবে আপনার যে কর্তৃত্ব আছে, সেই কর্তৃত্বের চর্চা আপনিই করুন; আপনার মা-বাবাকে করতে দিবেন না।

স্ত্রীর কোনো আবদার নাকচ করতে চাইলে তাকে বুঝিয়ে আপনিই নাকচ করুন। নিজের মা-বাবাকে ইনভলভ করে যখন দাম্পত্য জীবনের সিদ্ধান্ত নিবেন, কোনো এক সিদ্ধান্ত ভুল হলে স্ত্রী আপনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।

ঠিক তেমনি, স্ত্রীর বেলায়ও।

স্ত্রীরা বেশিরভাগ কথা মায়ের সাথে শেয়ার করে। স্বামী কী করলো, কী বললো, স্বামীকে এটা কীভাবে বলবে, স্বামীর কাছে কীভাবে চাইবে এগুলো নিয়ে সে মায়ের সাথে কথা বলে। মা-ও খুব আগ্রহ নিয়ে মেয়েকে বুদ্ধি দেন।

বিয়ের পর গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছাড়া দৈনন্দিন এসব ব্যাপারে মেয়ের মা যতো ইনভলভ হবে, পারিবারিক অশান্তি ততো বাড়বে।

মা যদি জিজ্ঞেস করে, “এটা বলার পর জামাই কী বললো?” স্ত্রীর তখন স্পষ্টভাবে বলা উচিত- “সরি মা, ও আমাকে কী বলেছে সেটা তোমাকে বলতে পারবো না।”

একজনের স্ত্রী হিসেবে স্বামীর প্রতি আপনার এই আত্মসম্মান থাকা উচিত।

আপনার দাম্পত্য জীবন নিয়ে নিজের মা-বাবার অতিউৎসাহ দেখলে তাদেরকে সম্মানের সাথে নিরুৎসাহিত করুন।

10/05/2024

কাউকে মানসিক কষ্ট দিচ্ছেন!? খুব যত্ন করে দিন যাতে কেউ টের না পায়! তবে নিজেকেও একটু তৈরী রাখবেন ভবিষ্যতের জন্য। যে কষ্টগুলো কাউকে দিচ্ছেন, দুনিয়াতেই তার পুরোটা না হলেও মিনিমাম এক তৃতীয়াংশ ভোগ করে যেতে হবে যে আপনাকে ও।

গোলাকার এই পৃথিবীতে আপনার দেওয়া কষ্টগুলো ঘুরেফিরে কিন্তু আপনার কাছেই একদিন না একদিন ফেরত আসবে!!! আপনি নিজেই আত্ম অনুশোচনায় ভুগতে ভুগতে একটা সময় শেষ করে দেবেন নিজেকে; হয়তো যেটা আপনার "so called" ইগোর জন্য ঐ মানুষটার কাছে ক্ষমাও চাইতে পারবেন না!

সবার মনে রাখা উচিত, মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ। সামনে এগোতে গেলে শেকলের মত পা জড়িয়ে টেনে ধরে। ভাল থাকুক চারপাশের মানুষগুলো। ভালোবাসার, ঘৃণার, কাছের, দূরের সবাই ভাল থাকুক। অভিশাপ না দিলেও "রুহের হায়" বলে একটা কথা আছে, যাকে Revenge of Nature” বলে।।

যেটা আমাদের বিশ্বাস করতেই হবে। প্রকৃতি কিছুই ভোলে না! সময়ের ব্যবধান মাত্র।

সবসময় হয়তো আমরা বুঝে উঠতে পারিনা, সঠিক কোন কাজের শাস্তি পাচ্ছি৷ কাউকে কষ্ট দিয়ে,অপমান করে, কাউকে কাঁদিয়ে, কাউকে কথা দিয়ে বেমালুম ভুলে যাই আমরা, কিন্তু প্রকৃতি ভোলে না, প্রকৃতি ক্ষমা করে না। প্রত্যেকটা মানুষ তার খারাপ কাজের শাস্তি কিছুটা হলে ও দুনিয়াতে ভোগ করে! ক'দিন আগে কিংবা ক'দিন পরে! কিন্তু শাস্তি সে পাবেই – এই আশা রাখি।।

এমনকি এই মুহূর্তে আপনি যার সাথে ইচ্ছাকৃত অন্যায় করে নিজেকে জয়ী ভেবে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন, মনের আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন- সে হয়তো প্রতিবাদ করবেনা, কিন্তু তার নীরবতা, কষ্ট থেকে আসা 'দীর্ঘশ্বাস ' আপনার সাথে বোঝাপড়াটা সঠিক সময়ে করে নেবে, কারণ উপর ওয়ালা কাউকে ঠকান না, তিনি কারোর একার নন।তিনি সবার..

08/05/2024

পুরুষ দায়িত্বশীল হয় চল্লিশের পর!

এইটা দেখার পর হঠাৎ রিয়ালাইজ করলাম, পুরুষ আসলে দায়িত্বশীল হয় ৫-৬ বছর বয়সেই...যে হয়না সে ৭০ এ-ও হয়না...
ছেলে বউয়ের সংসারে গিয়েও অশান্তি করে..
বে-আক্কলের মত এক একটা কাজ করে বসে থাকে!

আমার ৪ বছর বয়সী মামাতো ভাই,, তার বাবাকে বলেছিলো, সে যেন আমার আম্মুকে অর্থাৎ তার ফুপ্পীকে ৫ টাকা দেয়, ভাড়া বাবদ.. নাহলে ফুপ্পী বাসায় যাবে কিভাবে?
তার এই রিয়ালাইজেশন বা দায়িত্ববোধ এখনই এসে গেছে,, সারাজীবন এই ছেলে সবার জন্য ভাব্বে.. কারণ সে শিখেছে মানুষের খেয়াল রাখা..

আবার আমার ৬ বছর বয়সী আরেক কাজিন, তার অসুস্থ নানার এমন ভাবে সেবা করে যেন কষ্ট ওর নানুর না, ওরই হচ্ছে, কেউ যদি তার শয্যাশায়ী নানুর ডাক না শোনে, বা সামান্য বিরক্তি দেখায়... সেই পিচ্চি কান্নাকাটি করে বাড়ি মাথায় করে, তার মতে, "তোমরা বিরক্ত হচ্ছো কেন? সে যদি সুস্থ থাকতো তাহলে কি সে তোমাদের ডাকতো?"

আবার আমি ৩৬ বছর বয়সী এমন অপারগ ব্যক্তিও দেখেছি যে এখন অব্দি নিজের বাবা-মায়ের কাঁধে বসে খাচ্ছে, বউ-বাচ্চা সমেত... তাতে তার বিন্দুমাত্র অপরাধবোধ তো নেই-ই বরং আরো আখের গোছাতে ব্যস্ত, যেন বাবা মরার আগে যতটুকু নিজের করে নেওয়া যায়, ততটুকুই লাভ...

দায়িত্ববোধটা বাচ্চাদের মধ্যে ইমপ্লান্ট করতে হয় অনেক ছোট বয়সে, সে লাভ-ক্ষতির হিসাব বোঝার আগেই..
ঠিক ধর্মের মত.. যেমন ধর্ম শেখাতে হয় লজিক শেখার আগে নয়তো মানুষ তার ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক দিয়ে সৃষ্টিকর্তার ভুল ধরার চেষ্টা করে!
©

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Sylhet