The Halal
Promoting a pure and permissible lifestyle through crucial talks, earnings, and ethics. Follow for Quranic insights, tips, and awareness about halal living.
বাংলাদেশের উলামা মাশায়েখ বিক্রি হয়ে গেছে ক্ষমতার কাছে। তারা ক্ষমতা চায়, অন্যায় মেনে নিয়ে। তারা তন্ত্রে আরাম পেয়েছে। মিডিল ইস্টের মুসলিম দেশগুলোর পাপেট সরকারের পথে আমাদের হজরতরা হাঁটছেন। তারা ইসলামকে অল্প দামে বিক্রি করে দিয়েছেন।
আমাদের যারা বিক্রি হন নি, তাদের কষ্টের শেষ নাই। নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তারা জেলের অন্ধকার প্রকোষ্টে অপেক্ষা করছেন পরিবারের আপনজনকে দেখতে।
আল্লাহ, আমি ভুল করলে হেদায়েত দিন।
29/05/2025
**🔹 নারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব কেন বেশি স্থায়ী হয়? (বৈজ্ঞানিক ও ইসলামিক বিশ্লেষণ)
আমি নিজে লক্ষ করেছি, নারীদের মধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য তৈরি হলে তা মাসের পর মাস চলতে থাকে, অন্যদিকে পুরুষরা সহজে ভুলে যায়। এর পেছনে কিছু বৈজ্ঞানিক, সামাজিক ও ইসলামিক কারণ রয়েছে:
**১. জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ
- **অক্সিটোসিন বনাম টেস্টোস্টেরন:** নারীদের শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন বেশি থাকে, যা গভীর সম্পর্ক তৈরি করে। ফলে বিশ্বাসঘাতকতা বা ছোটখাটো ভুলবোঝাবুঝি তাদের বেশি আঘাত করে (সূত্র: Evolutionary Psychology)।
- **পুরুষদের টেস্টোস্টেরন** তাদের দলবদ্ধভাবে কাজ করতে শেখায়, তাই দ্বন্দ্ব দ্রুত মিটিয়ে নেয়।
# # # **২. সামাজিক প্রভাব
- **পরোক্ষ যোগাযোগ:** নারীদেরকে প্রায়ই সরাসরি বলতে শেখানো হয় না, ফলে তারা মন খারাপের প্রকাশ করে গুজব বা নীরবতা দিয়ে (সূত্র: Deborah Tannen, ভাষাবিজ্ঞানী)।
- **সম্পর্কের গভীরতা: নারীদের বন্ধুত্বে আবেগী সম্পৃক্ততা বেশি থাকে, তাই একটি ছোট ভুলও বড় দ্বন্দ্বে রূপ নেয়।
**৩. বাস্তব উদাহরণ (বিশ্ববিদ্যালয় জীবন)**
- **পুরুষ: এক বন্ধু আরেকজনের শার্ট না বলে নিলে একদিন ঝগড়া হলেও পরের দিন ভুলে যায়।
- **নারী: একজনের ওড়না/হিজাব নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হলে তা মাসের পর মাস চলতে থাকে, এমনকি গ্রুপ বিভেদও তৈরি হয়।
**৪. ইসলাম কী বলে?
- **সুন্নাহর নির্দেশনা:**
- রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "কোনো মুসলিমের জন্য ৩ দিনের বেশি ভাইকে বয়কট করা হালাল নয়" (বুখারী ৬০৬৬)।
- নারী সাহাবিদের জীবনী (যেমন খাদিজা (রা.) ও আয়েশা (রা.)) দেখলে বোঝা যায়, তারা দ্বন্দ্ব এড়িয়ে **সদাচরণ ও ক্ষমাকে প্রাধান্য দিতেন।
**সমাধানের উপায়
১. **সরাসরি কথা বলুন: অসন্তোষ লুকিয়ে না রেখে শান্তভাবে সমস্যা নিয়ে আলোচনা করুন।
২. **ক্ষমা করুন:** কুরআনে বলা হয়েছে, "ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাকারীদের ভালোবাসেন" (সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৪)।
৩. **গীবত থেকে দূরে থাকুন: অন্যের সমালোচনা করে সম্পর্ক নষ্ট করবেন না (সূরা হুজুরাত ৪৯:১২)।
---
**🎯 শেষ কথা:
জৈবিক পার্থক্য থাকলেও ইসলাম আমাদের **সহনশীলতা ও ঐক্য** শেখায়। ছোটখাটো বিষয় নিয়ে সম্পর্ক নষ্ট না করে, উত্তম আচরণের মাধ্যমে আমরা সবাই ভালো থাকতে পারি ইনশাআল্লাহ!
💬 **আপনার কি এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে? কমেন্টে শেয়ার করুন!**
#ইসলাম #সম্পর্ক #সুন্নাহ #জ্ঞানঅর্জন
12/04/2025
হালাল খাদ্য: কুরআন ও হাদীসের আলোকে একটি পর্যালোচনা
—-
খাদ্য মানবজীবনের মৌলিক উপাদান। ইসলাম শুধু কী খাবো তাই নয়, কিভাবে খাবো, কোথা থেকে খাবো, কোনটা বৈধ আর কোনটা অবৈধ – সবকিছু স্পষ্ট করে দিয়েছে। হালাল (বৈধ) খাদ্য গ্রহণ করা শুধু শরীরের জন্য উপকারী নয়, বরং আত্মার শুদ্ধতার সাথেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
📝কুরআনের আলোকে হালাল খাদ্য📝
১. হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণের নির্দেশ:
আল-কুরআন:
يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًا وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
(সূরা আল-বাকারা: ১৬৮)
বাংলা অনুবাদ:
“হে মানুষ! পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র আছে, তা খাও, এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।”
ব্যাখ্যা:
এখানে "হালালান তাইয়্যিবান" (বৈধ ও পবিত্র) শব্দ দুটি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বৈধ হলেই হবে না, খাদ্যটি পবিত্র, পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকরও হতে হবে।
২. হারাম খাদ্য থেকে বারণ:
قُل لَّآ أَجِدُ فِى مَآ أُوحِىَ إِلَىَّ مُحَرَّمًا عَلَىٰ طَاعِمٍۢ يَطْعَمُهُۥٓ إِلَّآ أَن يَكُونَ مَيْتَةً أَوْ دَمًۭا مَّسْفُوحًا أَوْ لَحْمَ خِنزِيرٍۢ فَإِنَّهُۥ رِجْسٌ أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ ٱللَّهِ بِهِۦ ۚ فَمَنِ ٱضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍۢ وَلَا عَادٍۢ فَإِنَّ رَبَّكَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ
(সূরা আল-আন'আম: ১৪৫)
বাংলা অনুবাদ:
“বলুন, ‘আমার প্রতি যে ওহী হয়েছে তাতে, লোকে যা খায় তার মধ্যে আমি কিছুই হারাম পাই না, মৃত, বহমান রক্ত ও শুকরের মাংস ছাড়া [১]। কেননা এগুলো অবশ্যই অপবিত্র অথবা যা অবৈধ, আল্লাহ ছাড়া অন্যের জন্য উৎসর্গের কারণে।’ তবে যে কেউ অবাধ্য না হয়ে এবং সীমালংঘন না করে নিরুপায় হয়ে তা গ্রহণে বাধ্য হয়েছে, তবে নিশ্চয় আপনার রব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
ব্যাখ্যা:
এ আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, ইসলাম নির্দিষ্ট কিছু খাদ্যকে হারাম ঘোষণা করেছে, যা মানুষ ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
কেউ যদি নিরুপায় হয়ে কোনো হারাম খাবার গ্রহণ করে ফেলে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন।
📝হাদীসের আলোকে হালাল খাদ্যের গুরুত্ব📝
১. হালাল উপার্জন ও খাদ্য গ্রহণের তাগিদ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "إِنَّ اللهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا..."
(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১০১৫)
বাংলা অনুবাদ:
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র, তিনি শুধু পবিত্র জিনিসই গ্রহণ করেন...”
ব্যাখ্যা:
এই হাদীস আমাদের শেখায় যে, শুধু হালাল নয়, খাদ্য গ্রহণে নৈতিকতা, পবিত্রতা ও সততার দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ।
২. দোয়া কবুলে হালাল খাদ্যের প্রভাব:
ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطِيلُ السَّفَرَ أَشْعَثَ أَغْبَرَ، يَمُدُّ يَدَيْهِ إِلَى السَّمَاءِ: يَا رَبِّ! يَا رَبِّ! وَمَطْعَمُهُ حَرَامٌ، وَمَشْرَبُهُ حَرَامٌ، وَمَلْبَسُهُ حَرَامٌ، وَغُذِيَ بِالْحَرَامِ، فَأَنَّى يُسْتَجَابُ لِذَٰلِكَ؟
(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১০১৫)
বাংলা অনুবাদ:
“রাসূল (সা.) একজন মানুষকে উল্লেখ করলেন, যে দীর্ঘ সফরে ক্লান্ত, ধুলোমাখা অবস্থায় আল্লাহর দিকে হাত তুলে দোয়া করে: ‘হে আমার রব! হে আমার রব!’ অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক হারাম, এবং সে হারাম দিয়ে পুষ্ট – তখন তার দোয়া কীভাবে কবুল হবে?”
ব্যাখ্যা:
এই হাদীস হালাল খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব এবং হারাম খাদ্যের ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তুলে ধরছে।
উপসংহার
ইসলামের দৃষ্টিতে হালাল খাদ্য শুধু শরীরের পুষ্টির মাধ্যম নয়, বরং এটি ইবাদতের অংশ। হালাল খাদ্য গ্রহণ যেমন নৈতিক দায়িত্ব, তেমনি আত্মার প্রশান্তি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। আমাদের উচিত হালাল খাদ্য বাছাইয়ে সচেতন হওয়া, এবং সমাজে এই বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।
আসুন, হালাল খাদ্য গ্রহণ করি, পবিত্র জীবন গড়ি।
#হালাল_খাদ্য
10/04/2025
প্রিয় বন্ধুরা,
টেলিগ্রামে এখন অনেক স্ক্যামার ও স্প্যাম মেসেজ ছড়াচ্ছে। কিছু সাধারণ ট্রিকসের মাধ্যমে তারা আপনার পাসওয়ার্ড, টাকা বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে চায়।
কীভাবে সতর্ক থাকবেন?
✅ অজানা লিংকে ক্লিক করবেন না – "জরুরি অফার", "ফ্রি রিচার্জ", "প্রাইজ মানি" ইত্যাদি মেসেজে ভুলেও ক্লিক করবেন না।
✅ অচেনা গ্রুপ বা চ্যানেল জয়েন করবেন না – অনেক সময় স্ক্যামাররা ফেক গ্রুপে ডেকে স্ক্যাম করে।
✅ OTP/ভেরিফিকেশন কোড কাউকে দেবেন না – টেলিগ্রাম বা অন্য কোনো অ্যাপের কোড শেয়ার করলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হতে পারে।
✅ নকল প্রোফাইল চেক করুন – স্ক্যামাররা প্রায়ই বিখ্যাত ব্র্যান্ড বা ব্যক্তির নামে ফেক আইডি খুলে।
কী করবেন যদি স্ক্যামের শিকার হন?
🔹 অ্যাকাউন্ট সিকিউরিটি চেক করুন (2-Step Verification চালু করুন)।
🔹 টেলিগ্রামের রিপোর্ট অপশন ব্যবহার করুন।
🔹 ব্যাংক ডিটেইলস লিক হলে দ্রুত ব্যাংককে জানান।
⚠️ সচেতন থাকুন, অন্যকেও সতর্ক করুন!
স্ক্যামারদের ফাঁদে পড়ে অনর্থক ক্ষতির শিকার হবেন না। এই পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন!
#টেলিগ্রাম_স্ক্যাম #সাইবার_সচেতনতা #সতর্ক_হোন
📌 কমেন্টে জানান, আপনি কি এমন কোনো স্ক্যামের সম্মুখীন হয়েছেন?
10/04/2025
ড. ইউনূস কেনো আবেগ তাড়িত হলেন?
এই ৭৪ এর দুর্ভিক্ষের কথা আমরা কতটুকু জানি?
---------------
*১৯৭৪ সালের বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষ: সম্পূর্ণ ইতিহাস ও রাজনৈতিক পরিণতি*
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক অধ্যায়গুলোর একটি, যা স্থানীয়ভাবে "৭৪-এর মন্বন্তর" নামে পরিচিত। আনুমানিক ১৫ থেকে ৩০ লক্ষ মানুষ এই দুর্ভিক্ষে প্রাণ হারায় (সেন, ১৯৮১)। এই সম্পূর্ণ নিবন্ধে দুর্ভিক্ষের কারণ, প্রভাব, রাজনৈতিক ফলাফল এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিণতি নিম্নে উল্লেখ করা হল।
দুর্ভিক্ষের প্রধান কারণসমূহ
১. মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী ধ্বংসাবশেষ (১৯৭১)
স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী কৃষি অবকাঠামো, সেচ ব্যবস্থা ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে দেয়:
>৮০% সেচযন্ত্র নষ্ট হয়ে যায়
>৩০% সড়ক ও সেতু ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়
>কৃষি শ্রমিকদের ব্যাপক হত্যা (সোবহান, ১৯৭৯)
২. ১৯৭৪ সালের মহাবন্যা
জুলাই-আগস্ট ১৯৭৪-এর বন্যা ছিল বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ:
>দেশের ৬০% এলাকা প্লাবিত
>ধান উৎপাদন ২০% কমে যায়
>১০ লক্ষ গবাদি পশু মারা যায় (ব্রামার, ১৯৯০)
৩. প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যর্থতা
>দুর্নীতিগ্রস্ত রেশনিং ব্যবস্থা
>বৈশ্বিক তেল সংকটের প্রভাব (১৯৭৩)
>মার্কিন সাহায্য বন্ধ হওয়া (ব্যাস, ২০১৩)
>খাদ্য মজুদ ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা
#দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা
>মানবিক বিপর্যয়
>মানুষ ঘাস, পাতা, ইঁদুর এমনকি মৃতদেহ খেতে বাধ্য হয়
>রংপুরে সর্বোচ্চ মৃত্যুহার (প্রতিদিন ২০০+ মৃত্যু)
>শিশু ও নারীদের মধ্যে অপুষ্টির হার ৭০% ছাড়ায়
#সামাজিক প্রভাব
>৫ লক্ষ মানুষ ভারতে পাড়ি জমায়
>গ্রামীণ সমাজব্যবস্থা ভেঙে পড়ে
>দাসপ্রথার পুনরুত্থান (মেয়েদের বিক্রি)
#রাজনৈতিক পরিণতি
১. সরকারবিরোধী বিক্ষোভ
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে ব্যাপক বিক্ষোভ
পুলিশের গুলিতে ৫০০+ নিহত (দৈনিক বাংলা, ১৯৭৪)
"মুজিব সরকার নিপাত যাক" স্লোগান
২. আওয়ামী লীগের ভাঙন
জাসদ ও কমিউনিস্টদের বিদ্রোহ
সেনাবাহিনীর অসন্তোষ
আমলাতন্ত্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি
৩. বাকশাল গঠন ও পতন
১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ
রাজনৈতিক দমন-পীড়ন বৃদ্ধি
#দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব
রাজনৈতিক পরিবর্তন
>১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের রক্তাক্ত অভ্যুত্থান
>সামরিক শাসনের সূচনা
>২১ বছর ধরে স্বৈরশাসন
#অর্থনৈতিক সংস্কার
কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন
খাদ্য মজুদ নীতি পুনর্গঠন
সবুজ বিপ্লবের সূচনা
#ঐতিহাসিক মূল্যায়ন
অমর্ত্য সেনের মতে, এটি ছিল "বণ্টন ব্যবস্থার ব্যর্থতা" (সেন, ১৯৮১)। তবে প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল বহুমুখী কারণের সমন্বয়:
>প্রাকৃতিক দুর্যোগ
>যুদ্ধ-পরবর্তী ধ্বংসযজ্ঞ
>প্রশাসনিক ব্যর্থতা
> বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রভাব
#শেষ কথা
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি টার্নিং পয়েন্ট। এটি শুধু মানবিক ট্র্যাজেডিই নয়, একটি জাতির রাজনৈতিক ভাগ্য পরিবর্তনেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর শিক্ষা আজও বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নীতিকে প্রভাবিত করে।
সম্পূর্ণ রেফারেন্স তালিকা
সেন, অমর্ত্য (১৯৮১)। Poverty and Famines
সোবহান, রেহমান (১৯৭৯)। The Crisis of External Dependence
ব্রামার, হিউ (১৯৯০)। Floods in Bangladesh
ব্যাস, গ্যারি (২০১৩)। The Blood Telegram
দৈনিক বাংলা (১৯৭৪)। বিভিন্ন প্রতিবেদন
বাংলাদেশ সরকার (১৯৭৫)। Famine Inquiry Commission Report
Happy New Year 2025
22/10/2024
এভাবেই পড়ন্ত বিকালে পাতাহীন একটা গাছে বসে থাকে এই বক পক্ষী, এটা আসলে তার ঠিকানা নয়। সেও জানে রাত পোহালেই চলে যেতে হবে নিজের খাবারের সন্ধানে।
ঠিক এইভাবেই আমরা নিজেদের ঠিকানা ছেড়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছি অজানা কোনো এক অন্তহীন জগতে।
14/10/2024
ইসলামে মা ও বোনদের অধিকার ও সম্মান নিয়ে কোরআন ও হাদিসে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। নিচে আরবি রেফারেন্সসহ সেই আলোচনার বিস্তারিত দেওয়া হলো।
মায়ের অধিকার ও সম্মান
1. মায়ের প্রতি সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ: কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন:
> وَوَصَّيْنَا الإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَى وَهْنٍ وَفِصَالُهُ فِي عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِي وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيرُ
“আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার প্রতি সদাচারী হওয়ার আদেশ করেছি। তার মা তাকে দুর্বল অবস্থার পর দুর্বল অবস্থায় গর্ভে ধারণ করেছে, এবং তার দুধ ছাড়ানোর সময়কাল দুই বছর। আমাকে এবং তোমার পিতা-মাতাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, আমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।”
— (সূরা লুকমান, আয়াত ১৪)
2. হাদিসে মায়ের মর্যাদা: রাসূল (সা.) এর একটি বিখ্যাত হাদিস হলো:
> جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: مَنْ أَحَقُّ النَّاسِ بِحُسْنِ صَحَابَتِي؟ قَالَ: أُمُّكَ، قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: أُمُّكَ، قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: أُمُّكَ، قَالَ: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: أَبُوكَ
“এক ব্যক্তি রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, ‘আমার সর্বোচ্চ সদাচার পাওয়ার অধিকারী কে?’ তিনি উত্তরে বললেন, ‘তোমার মা।’ লোকটি আবার জিজ্ঞেস করল, ‘তারপর কে?’ তিনি বললেন, ‘তোমার মা।’ সে পুনরায় জিজ্ঞেস করল, ‘তারপর কে?’ তিনি আবারও বললেন, ‘তোমার মা।’ এরপর চতুর্থবার লোকটি জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ‘তোমার বাবা।’”
— (বুখারি: ৫৯৭১, মুসলিম: ৬৪৪৭)
এই হাদিসে মায়ের মর্যাদা তিনবার বলা হয়েছে, যা তার গুরুত্বের প্রমাণ।
3. মায়ের জন্য জান্নাতের প্রতিশ্রুতি: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
> الجَنَّةُ تَحْتَ أَقْدَامِ الأُمَّهَاتِ
“জান্নাত হলো মায়েদের পদতলে।”
— (নাসাঈ, মুসনাদ আহমাদ)
বোনের অধিকার ও সম্মান
1. বোনের প্রতি সদ্ব্যবহার: ইসলামে বোনের প্রতি যত্নবান হওয়া এবং তার প্রতি ভালো আচরণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। হাদিসে এসেছে:
> مَن كَانَ لَهُ ثَلَاثُ بَنَاتٍ، أوْ ثَلَاثُ أخَوَاتٍ، أوِ ابْنَتَانِ، أوْ أُخْتَانِ، فَأحْسَنَ صُحْبَتَهُنَّ، وَاتَّقَى اللَّهَ فِيهِنَّ فَلَهُ الجَنَّةُ
“যার তিনটি কন্যা, তিনটি বোন, দুটি কন্যা অথবা দুটি বোন আছে, এবং সে তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে এবং তাদের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্য জান্নাত রয়েছে।”
— (তিরমিজি: ১৯১২)
2. সম্পত্তিতে বোনের অধিকার: কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন:
> لِلرِّجَالِ نَصِيبٌ مِمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالأَقْرَبُونَ وَلِلنِّسَاءِ نَصِيبٌ مِمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالأَقْرَبُونَ مِمَّا قَلَّ مِنْهُ أَوْ كَثُرَ نَصِيبًا مَفْرُوضًا
“পুরুষদের জন্য তাদের বাবা-মা এবং নিকটাত্মীয়দের সম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে, এবং নারীদের জন্যও তাদের বাবা-মা ও নিকটাত্মীয়দের রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে, তা অল্প হোক বা বেশি—এটা নির্দিষ্ট দায়িত্ব।”
— (সূরা নিসা, আয়াত ৭)
সার্বিকভাবে নারীদের মর্যাদা
ইসলামে নারীদের মর্যাদা সবসময় উঁচুতে স্থাপন করা হয়েছে। কোরআনে বিভিন্ন জায়গায় নারী ও পুরুষের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একাধিক হাদিসে রাসূল (সা.) নারীদের প্রতি সদ্ব্যবহার ও তাদের অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
এইভাবে কোরআন ও হাদিসে মা এবং বোনের অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠা করে পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
Collected
02/09/2024
কেনো শেখ হাসিনা সহ তার লাঠিয়ালদের ডিরেক্ট ফাঁ//সি হওয়া উচিত?
আর নিতে পারছিলাম না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet
3100