Local Tv
সকল শ্রেণীর মানুষের পাশে
26/09/2026
সংগ্রামী নেতা সৈয়দ এনায়েত হোসেন উছমানপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা: ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা
নিজস্ব প্রতিবেদক, Local Tv:
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ৮নং উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও সাবেক ছাত্রনেতা সৈয়দ এনায়েত হোসেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টানা নির্যাতন, জেল-জুলুম ও অসংখ্য রাজনৈতিক মামলার মুখোমুখি হয়েও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র পতাকাতলে অবিচল থেকেছেন তিনি।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা তরুণদের অহংকার সৈয়দ এনায়েত হোসেন বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিলেট জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির একজন অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পূর্বে তিনি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবেও দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী দুঃশাসন ও স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে গিয়ে তাকে বারবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। জেল-জুলুম ও শারীরিক-মানসিক নির্যাতন সহ্য করে তিনি উছমানপুর ইউনিয়নসহ ওসমানীনগরের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে গেছেন। দলীয় সংকটে ও রাজপথের সংগ্রামে তিনি সর্বদা বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রেখেছেন।
আসন্ন ৮নং উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি এলাকাবাসীর উন্নয়ন ও সেবা করার সার্থে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। একজন সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে তিনি উছমানপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের আপামর জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সমর্থন কামনা করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক সচেতন মহল ও সর্বসাধারণের মতে, সৈয়দ এনায়েত হোসেনের মতো ত্যাগী ও আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতা উছমানপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সঠিক নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
প্রতিনিধি নয় জনগনের সেবক হয়ে পাশে থাকতে চাই সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী মো লয়েছ আহমদ।
25/09/2026
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮নং উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বানে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুর রহমান বাবলু
নিজস্ব প্রতিবেদক: লোকাল টিভি:
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ৮নং উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুর রহমান বাবলু।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং এলাকার সাধারণ মানুষের প্রতি নিবেদিত প্রাণ হিসেবে ইতোমধ্যেই তিনি সর্বস্তরের জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে আমিনুর রহমান বাবলু উছমানপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং অবিভক্ত বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ঐতিহ্যবাহী তাজপুর কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে রকিব-সাহেনা পরিষদে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও দায়িত্ব পালন করে নিজের নেতৃত্বের উজ্জ্বল স্বাক্ষর রাখেন। পরবর্তীতে প্রবাস জীবনে যুক্তরাজ্যে গমন করলেও দলের সাথে তাঁর সম্পর্ক ছিল অবিচ্ছেদ্য। সেখানে তিনি সেন্ট আলবান্স যুক্তরাজ্য যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি যুক্তরাজ্য বিএনপির ব্যানারে আয়োজিত সকল প্রতিবাদ সভা ও রাজপথের মিছিলে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিগত আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের দুঃশাসন ও ফ্যাসিবাদের সময়ে প্রবাসে থেকেও তিনি রাজনৈতিক সংগ্রাম চালিয়ে যান। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশে থাকা দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা প্রদানসহ সার্বিক আর্থিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছিলেন।
রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও তিনি উছমানপুর ইউনিয়নের গরিব, দুঃখী, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের প্রতিটি সংকটে কান্ডারী হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে লোকাল সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন ও করোনাকালীন দুর্যোগ কিংবা যেকোনো বিপদে এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
উছমানপুর ইউনিয়নবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকার অভিপ্রায় থেকে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে আমিনুর রহমান বাবলু বলেন, "দলের নীতি-আদর্শ ধরে রেখে জীবনভর মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছি। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে, তবে দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে এই ইউনিয়নকে একটি মডেল ও আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব।"
বর্তমানে উছমানপুর ইউনিয়নের তৃণমূল বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটারের মাঝে আমিনুর রহমান বাবলুকে নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
যে ব্যক্তি কোন জাতির মধ্যে সুদ ছড়িয়ে দেয়
24/09/2026
স্থানীয সরকার ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন বিধিমালা সংশোধনী ২০২৬-এর নতুন গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রস্তাবিত নতুন বিধিমালায় নির্বাচন সংক্রান্ত খরচ, জামানতের পরিমাণ, সম্পদ বিবরণী এবং ভোট গণনার নিয়মে একাধিক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা হয়েছে।
সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য নির্ধারিত জামানতের পরিমাণ বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ সদস্য (মেম্বার) প্রার্থীদের জামানতের টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর এই জমা রাখা জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হিসেবে গণ্য হবে। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জারি করা এক গেজেটের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বিধিমালায় নির্বাচনী ব্যয়সীমা পুনর্নির্ধারণ করে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং সাধারণ সদস্য পদে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী খরচে স্বচ্ছতা ধরে রাখতে সব লেনদেন একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে। এ নিয়মে বলা হয়েছে, যেকোনো ক্ষেত্রে ২০ হাজার টাকার বেশি লেনদেন সরাসরি ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে করা যাবে না।
প্রার্থী ও তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেশে-বিদেশে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির সম্পূর্ণ হিসাব হলফনামা আকারে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রার্থীদের সর্বশেষ বছরের আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রাপ্তিস্বীকার পত্র বা প্রমাণপত্র সংযুক্ত করতে হবে।
নতুন বিধিমালার সবচেয়ে বড় সংস্কার আনা হয়েছে সমপরিমাণ ভোট পাওয়ার ক্ষেত্রে। পূর্বে প্রার্থীরা সমান ভোট পেলে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণের নিয়ম থাকলেও, নতুন নিয়মে লটারি প্রথা সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। সমতা তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রগুলোতে কেবল নতুন করে পুনরায় ভোটগ্রহণের মাধ্যমে ফল নিশ্চিত করা হবে।
24/09/2026
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
৮নং উছমানপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের কাছে আমার কিছু কথা
👉একটি আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত ‘মডেল ওয়ার্ড’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে—
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী
আমি আপনাদের মোঃ লয়েছ আহমদ
👉আমি "কথায় নয়, কাজেই বিশ্বাসী"
আমার অঙ্গীকার ও লক্ষ্যসমূহ:
* ১নং ওয়ার্ডকে একটি সুশাসিত ও আধুনিক মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলা।
* রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
* তরুণ সমাজের জন্য কর্মসংস্থান, খেলাধুলা ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন।
* যেকোনো সেবা গ্রহণে স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকা।
ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন ও একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে আপনাদের মূল্যবান সমর্থন, দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
মোঃ লয়েছ আহমদ
পরিচালকঃ লোকাল সিলেট।
24/09/2026
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ৮ নং উসমানপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী বিএনপি নেতা সৈয়দ এনায়েত হোসেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, লোকাল টিভি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার ৮ নং উসমানপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। উক্ত ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয় জনগণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নেতা বর্তমানে সিলেট জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ এনায়েত হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সৈয়দ এনায়েত হোসেন সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলা, হামলা, জেল-জুলুম ও কঠোর রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি রাজপথ ছাড়েননি এবং এলাকার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
নির্বাচনী প্রস্তুতি ও ভাবনা সম্পর্কে সৈয়দ এনায়েত হোসেন বলেন, "উসমানপুর ইউনিয়নের আপামর জনগণের সুখে-দুঃখে আমি সব সময় পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। বিগত দিনের সকল জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে পিছু হটিনি। উসমানপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। আমি আমার ইউনিয়নের সর্বস্তরের মুরুব্বি, যুবক ও সাধারণ মানুষের আন্তরিক দোয়া, ভালোবাসা এবং সমর্থন কামনা করছি।"
এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা হিসেবে সৈয়দ এনায়েত হোসেনের একটি সুপরিচিত ভাবমূর্তি রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে তরুণ ও প্রবীণদের সমন্বয়ে এক নতুন রাজনৈতিক আবহ তৈরি হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
23/09/2026
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরল ও অভূতপূর্ব রেকর্ডের সৃষ্টি হলো একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘের একই বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দেওয়ার মাধ্যমে।
মোঃ লয়েছ আহমদ
নিজস্ব প্রতিবেদক লোকাল টিভি
ঘটনাচক্রে এই ইতিহাসের সূচনা ঘটেছিল আজ থেকে চার দশকেরও বেশি সময় আগে।
১৯৮০ সালের আগস্ট মাসে প্রথম কোনো বাংলাদেশী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। বিশ্বশান্তি, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য এবং অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকার রক্ষায় তাঁর সেই দূরদর্শী বক্তৃতা তৎকালীন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল।
এর ঠিক ১৩ বছর পর, ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। তিনি ছিলেন সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক উন্নয়নে তাঁর সরকারের অবস্থান তিনি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন।
আর এবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একই মঞ্চে যুক্ত হলো একটি নতুন অধ্যায়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করলেন। বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ এবং বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
একটি পরিবারের তিন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব—শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান—জাতিসংঘের একই মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন। বিশ্বের কোনো দেশের একক একটি পরিবারের ক্ষেত্রে এমন ধারাবাহিক ও ঐতিহাসিক নেতৃত্ব প্রদানের দৃষ্টান্ত অত্যন্ত বিরল। এই অর্জন বাংলাদেশের সংসদীয় ও রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন ধারার সংযোজন করল।
দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় আমি নির্বাচন করব। আমিনুর রহমান বাবলু।
23/09/2026
৮নং উছমানপুর ইউনিয়নে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু জাফর মুজাফফর আলী
👉নিজস্ব প্রতিবেদক, Local Tv
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ওসমানীনগর উপজেলার ৮নং উছমানপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র দলীয় মনোনয়ন পেতে আগ্রহী ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষাঅনুরাগী এবং স্থানীয় অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ আবু জাফর মুজাফফর আলী। তিনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
আবু জাফর মুজাফফর আলী একজন সৎ, অভিজ্ঞ ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তিনি পূর্বে চারবার সফলতার সাথে ইউপি (সদস্য) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া পেশাগত জীবনে তিনি তাজপুর সাব-রেজিস্টার অফিসের একজন অভিজ্ঞ দলিল লেখক।
রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি উছমানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক এবং ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সফল প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। দল ও এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মাঝে তাঁর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আবু জাফর মুজাফফর আলী জানান, অবহেলিত উছমানপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মডেল ও সুসংগঠিত ইউনিয়নে রূপান্তরিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। তিনি মনে করেন, একটি এলাকার টেকসই উন্নয়নের জন্য যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।
এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটারদের উদ্দেশ্যে একটি মূল বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে—"তারুণ্যের প্রথম ভোট, যোগ্য প্রার্থীর পক্ষে হউক।" তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমন্বয়ে উছমানপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন আনতে তিনি আসন্ন নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছেন।
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sylhet