Islamic caption
Assalamualaikum. Welcome to my page of the ISLAMIC CAPTION.❣️
কত ভালোবাসি আমি
অদেখা এই তোমাকে!
কোথায় তুমি ও প্রিয়তমা!
পাইনা যে তোমার দেখা..!👀❤️🩹
অনেক দিন ধরে দুআ করেও কি আপনার লাভ হচ্ছেনা বলে মনে হয়?
আসলে দুআর কিছু আদব ও নিয়ম আছে যেগুলোর অনুসরণ দুআ কবুলে সহায়ক হতে পারে। নীচে দুআর কিছু আদব উল্লেখ করা হল-
১। শুদ্ধ নিয়ত :
অর্থাৎ দুআ আরম্ভের সময় মনে মনে নিয়ত করবেন যে আপনি একটি মহৎ ইবাদত বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন। কেননা ‘দুআই ইবাদত’ বলে হাদিসে এসেছে। মনে মনে এ ধরনের ভাবও উদ্রেক করবেন যে একমাত্র আল্লাহই সমস্ত প্রয়োজন পুরা করতে পারেন।
২। ওজু :
ওজু অবস্থায় দুআ করা। কেননা ওজু ব্যতীত দুআ করা জায়েয হলেও যেহেতু দুআ একটি ইবাদত তাই ওজু অবস্থায় করাই উত্তম।
৩। হাতের তালু উঁচিয়ে অবস্থা :
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)দুআ করার সময় হাতের তালু চেহারার দিকে রাখতেন।[3] প্রয়োজন ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশের এটাই হল সর্বোত্তম ধরন, যাতে একজন অভাবী ব্যক্তি পাবার আশায় দাতার দিকে বিনয়াবনত হয়ে হাত বাড়িয়ে রাখে।
হাত এতটুকু উঁচুতে ওঠাতে হবে যাতে বগলের নীচ দেখা যায়। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি তার হাত এতটুকু উঠায় যে, তার বগলের নীচ দৃশ্যমান হয়ে উঠে এবং আল্লাহর কাছে আর্জি পেশ করে, আল্লাহ তার আর্জি পূরণ করেন।’ (তিরমিযী : ৩৬০৩)
৪। শুরুতে আল্লাহর প্রশংসা বর্ণনা :
রাসূলুল্লাহ (স) অধিকাংশ সময় এভাবেই দুআ করতেন।
৫। দুরুদ পাঠ :
‘প্রত্যেক দুআ নবী (স) প্রতি দুরুদ না পড়া পর্যন্ত বাধাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকে। (সহিহুল জামে’ : ৪৫২৩)
৬। নিজেকে দিয়ে শুরু করা :
পবিত্র কুরআনে এর কিছু উদাহরণ এসেছে, যেমন-
“হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করুন ও আমার মাতাপিতাকে।” [সূরা নূহ : ২৮]
“হে আমার প্রতিপালক আমাকে ক্ষমা করুন ও আমার ভাইকে।” [সূরা আল আ’রাফ : ১৫১]
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)ও কারো জন্য দুআ করলে প্রথমে নিজেকে দিয়ে শুরু করতেন। (আবু দাউদ : হাদিস নং ৩৯৮৪)
৭। নিজেকে হীন ও দুর্বল ভাবা
নিজেকে হীন ও দুর্বল ভেবে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করতে হবে। যেমন, আল্লাহ হলেন সৃষ্টিকর্তা আর আমি অতি নগণ্য, অনুল্লেখযোগ্য একজন বান্দা। এ ধরনের মন-মানসিকতা নিয়ে দুআ করতে হবে।
৮। রাসূলের শব্দ ও বাক্য ব্যবহার :
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাধারণত যে শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করেছেন তা পূর্ণাঙ্গ ও পরিব্যাপ্ত, ‘জামে’ (comprehensive)।
৯। নিচু স্বরে দুআ :
আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমাদের রবকে ডাকো কান্না জড়িত কন্ঠে ও চুপে চুপে। অবশ্যই তিনি সীমালংঘনকারীদের পছন্দ করেন না।’ [সূরা আরাফ:৫৫]
১০। ইতস্তত না করা :
যেসব ক্ষেত্রে কোন সন্দেহ নেই সেখানে এরূপ বলা যাবে না যে, হে আল্লাহ, তোমার যদি ইচ্ছা হয় তাহলে রহম করো। দৃঢ়-প্রত্যয়ী হয়ে দুআ করতে হবে।
১১। হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে:
কেবল মুখে মুখে শব্দ উচ্চারণ করে যাওয়া যাবে না, অন্তরে বিশ্বাস ও মনোযোগ থাকতে হবে।
হাদিসে এসেছে, আল্লাহ নিশ্চয়ই এমন দোয়া কবুল করেন না যা গাফেল ও উদাসীন হৃদয় থেকে বের হয়। (সহিহুত্তিরমিযী : ২৭৬৬)
১২। বিশ্বাসের সাথে দুআ করা :
আপনি কিভাবে নিরাশ হবেন যখন আল্লাহ নিজে দুআ কবুল করার ওয়াদা করেছেন-
“যখন আমার বান্দারা আমার সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, বল, যে আমি নিকটেই। আহবানকারীর আহবানে আমি সাড়া দেই যখন সে আহবান করে।” [সূরা আল বাকারা : ১৮৬]
১৩। সীমা লঙ্ঘন না করা:
অতিরঞ্জিত আকারে দুআ করা যাবে না। মানে, জান্নাতের জন্য দুআ করা যাবে, জান্নাতের প্রতিটি নিয়ামতের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে দুআ করার দরকার নেই।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কাউকে যদি জান্নাত দেয়া হয় তাহলে এর মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছু সমেতই দেয়া হবে। আর যদি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হয় তাহলে জাহান্নাম ও তার মধ্যে যতো খারাপি আছে সব থেকেই মুক্তি দেয়া হবে। (আহমদ : ১/১৭২)
১৪। শরিয়াসম্মত উসিলা পেশ করা :
যেমন, আল্লাহর নাম ও গুনাবলীর উসিলায় দুআ তলব করা উত্তম।
তবে এ ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তিকে উসিলা বানিয়ে দুআ করা কখনো উচিৎ নয়, তবে সৎ ব্যক্তিদেরকে দিয়ে দুআ করানো যায়। সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে তাঁদের জন্য দুআ করতে বলেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এর ওফাতের পর আব্বাস (রাঃ) কে দুআ করতে বলেছেন।
নিজের ভালো কাজের উসীলা দিয়েও চাওয়া যাবে।
১৫। ‘ইয়া যালজালালি ওয়াল ইকরাম’ বলা:
হাদিসে এসেছে, ‘তোমাদের দুআয় বেশি বেশি ইয়া যালজালালি ওয়াল ইকরাম বলো।’ (সহিহুত্তিরমিযী : ২৭৯৭)
১৬। ইসমে আজম ব্যবহার :
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ইসমে আজম দিয়ে আকুতি করলে আল্লাহ দান করেন, দুআ করলে কবুল করেন। (সহীহু আবি দাউদ : ১৩২৪)
হাদিসে এসেছে যে, ইসমে আজম এ দুটি আয়াতে রয়েছে:
এক.
وَإِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيم
দু্ই.
সূরা আল ইমরানের শুরুর আয়াত। (সহিহু ইবনে মাযাহ :৩১০৯)
১৭। বেশি বেশি চাওয়া এবং অনুনয়-বিনয় করা :
হাদিসে এসেছে, ‘তোমাদের কেউ যখন চাইবে সে যেন বেশি মাত্রায় চায়। কেননা সে আল্লাহর কাছে সওয়াল করছে।’
১৮। কেবলামুখী হওয়া:
কেবলামুখী হয়ে দুআ করা উত্তম। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কেবলামুখী হয়ে দুআ করতেন। (মুসলিম : হাদিস নং ২১৩৭)
জিলহজ্বের দশ দিন: জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়কে সাজিয়ে নিন ইবাদতে!!
সম্ভাব্য তারিখ: ২৯ তারিখ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে জিলহজ্ব মাস।
এই মাসের প্রথম দশ দিন ইসলামের দৃষ্টিতে সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ সময়। এটা এমন এক সময়, যখন আপনার প্রতিটি নেক আমল হতে পারে জান্নাতের চাবি। এই সময়টুকু যেন হাতছাড়া না হয়- এমনটাই কাম্য।
এই দশ দিনকে সাজিয়ে নিন এইভাবে:
১. নফল রোযা রাখা – আত্মার শুদ্ধির শৃঙ্খলা, প্রতিদিন রোযা রাখার চেষ্টা করুন, অন্তত ৯ জিলহজ (আরাফার দিন) অবশ্যই রোযা রাখুন।
ফজিলত: এই এক দিনের রোযা গত এক বছর এবং আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়। (সহীহ মুসলিম)
২. তাহাজ্জুদের ইবাদত – রাতের নির্জনে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক এই দশ দিনে তাহাজ্জুদকে আপনার অভ্যাসে পরিণত করুন। রাতের নীরবতায় দাড়িয়ে যান প্রভুর দরবারে, কাঁদুন, প্রার্থনা করুন, মাফ চেয়ে নিন, এবং আপনার হৃদয়ের গভীর ইচ্ছাগুলো তাঁর কাছে তুলে ধরুন।
৩. জিকির – অন্তরের স্পন্দন প্রতিদিন জিকিরে মুখ রঙিন রাখুন।
> সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। এ শব্দগুলো শুধু মুখের উচ্চারণ নয়—এগুলো আত্মার আলো।
৪. সদকা ও আত্মশুদ্ধি – অন্যের মুখে হাসি ফোটান, নিজের অন্তরে শান্তি আনুন সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সদকা করুন। গুনাহ থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ বিরত রাখুন। এই সময়ে নিজেকে আল্লাহর পথে পরিচালিত করার অঙ্গীকার করুন।
বিশেষ কথা:
যদি প্রতিদিন রোযা রাখা সম্ভব না হয়, ৯ জিলহজ্ব অর্থাৎ আরাফার দিন রোযা রাখাটা যেন কোনোভাবেই মিস না হয়। এই দিনের ফজিলত অতুলনীয়—দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য। এই দশ দিন—একটি আত্মিক পরিবর্তনের সুযোগ।
এই দশ দিন যেন হয় আল্লাহর দিকে ফিরে আসার, নিজেকে গড়ার, আত্মাকে আলোকিত করার দিন। এই সময়টুকু এমনভাবে ব্যবহার করুন যেন মনে হয়, এটাই আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ সুযোগ। ❤️
©
এটা কি আমাদের প্রথম কিবলাহ! কি জবাব দিবো আল্লাহর নিকট রক্ত খরন হচ্ছে হৃদয়ে💔*এই ভূমিতেই হাশরে মানুষ উঠবে 💔 এটাই সেই মসজিদ,যেখানে এক রাকাত নামাজের সওয়াব ৫০০ রাকাতের সমান।এটাই মুসলমানদের প্রথম কিবলা।এটাই সেই পবিত্র ভূমি,যেখান থেকে প্রিয় নবী (সা.) মেরাজে গিয়েছিলেন।এই মসজিদে নবী সুলায়মান (আ.) আল্লাহর হুকুমে জিনদের দিয়ে কাজ করিয়েছিলেন।এর ইট-পাথর জিকির করে,বাতাসে ভেসে বেড়ায় ঈমানের ঘ্রাণ।আজ এই মসজিদ রক্তে রঞ্জিত…আর উম্মাহ নীরব…এই মসজিদের পাশেই একদিন হযরত ঈসা আঃ ঈসরাইলের বংশধর দাজ্জালকে হত্যা করবেন.এই ভূমিতেই হাশরের মানুষ উঠবে।আল-আকসা কেবল ইতিহাস নয়,এটা কেয়ামতের নিদর্শন… ঈমানের চূড়ান্ত পরীক্ষা💔
তোমরা যেখানেই থাকো না কেন মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবে, যদিও তোমরা সুদৃঢ় দুর্গে অবস্থান কর।
🇵🇸
17/03/2025
যে ব্যক্তি রমাদানেও লাভবান হতে পারেনি, সে আর কবে লাভবান হবে? যে ব্যক্তি এই মাসেও তার রবের নিকটবর্তী হতে পারেনি, সে চিরকাল দূরেই থাকবে!
— ইমাম ইবনে রজব (রাহিমাহুল্লাহ)।
[আল-মওসূআত: ২৮১]
06/03/2025
একজন যত্নশীল সঙ্গী থাকা জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া...!!'💘✨
গোটা সৃষ্টিজগতে এমন একটা বিন্দু, এমন একটা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকণা নেই যা তাঁর দৃষ্টির অন্তরালে। সাগরের বুকে তৈরি হওয়া একটা ছোট্ট ঢেউ, সেই ঢেউয়ের আরো ভিতরে তৈরি হওয়া কম্পন, সেই কম্পনে ছিঁটকে যাওয়া একবিন্দু জল—সেই ঘটনাচিত্রও আল্লাহর দৃষ্টির আড়াল হতে পারে না।
গভীর সাগরতলে যে ক্ষুদ্র নুড়িকণা, সেই নুড়িকণার নিচে তার চেয়েও ক্ষুদ্র যে প্রাণী, সেই প্রাণীর গায়ে থাকা তারচেয়েও ক্ষুদ্র বালিকণা—সেটাও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তায়ালা দেখেন।
ঘন গহীন অরণ্য, যেখানে আজতক কোন মানুষের পদচিহ্ন পড়েনি, গাছেদের ডালপালার ঘনত্বকে ফুঁড়ে যেখানে পৌঁছাতে পারে না সূর্যের প্রখর রশ্মি, প্রকাশ্য দিবালোকেও অন্ধকারে ডুবে থাকা সেই জঙ্গলের একেবারে অবহেলিত কোণে বেড়ে উঠা একটা ছোট্ট আগাছা, যার ডগায় আজ নতুন একটা কুঁড়ি বের হয়েছে, যে কুঁড়ির সন্ধান হয়তো কোনোদিন কোন মৌমাছি পাবে না, যে কুড়ি থেকে প্রস্ফুটিত ফুলে কোনোদিন বসবে না কোন প্রজাপতি—সেই অজানা, অবহেলিত ফুলও আল্লাহর দৃষ্টির অন্তরালে নেই।
©
Collected: insta : nura__akther
゚
এই প্রজন্মে একজন দ্বীনদার জীবন সঙ্গী পাওয়া বিরল যদি খুজে পাও যত্নে রেখো..!🥀❤️🩹
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet
3100