Ahmed Hanif..69
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ahmed Hanif..69, Digital creator, Sunamganj.
ক্যাবল ছাড়াই দেখা যাবে টিভি চ্যানেল। ‘আকাশ ডিটিএইচ’ নামে নতুন এই সেবা চালু করতে যাচ্ছে বেক্সিমকো। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওয়েস্টিন ঢাকা হোটেলে এই সেবার উদ্বোধন করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান শায়ান এফ রহমান।
কেবল সংযোগ ছাড়াই স্যাটেলাইট টিভি দেখার উন্নত প্রযুক্তি হচ্ছে ডাইরেক্ট টু হোম বা ডিটিএইচ। এ প্রযুক্তিতে গ্রাহক সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে অনুষ্ঠান নিজের টিভিতে ডাউনলিংক করতে পারেন।
বেক্সিমকোর আকাশ ডিটিএইচ-এর হেড অব টেকনোলজি আনোয়ারুল আজিম আরটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেবা আনতে যাচ্ছে বেক্সিমকো। এতে একশোরও বেশি চ্যানেল দেখতে পারবেন গ্রাহকরা। এটি বাংলাদেশের গর্ব বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।
তিনি বলেন, আমরা দেশে রিয়েলভিউর মাধ্যমে সর্বপ্রথম ডিটিএইচ সুবিধা চালু করেছিলাম। সেটা ছিল একটা পরীক্ষামূলক সেবা। তখনকার চেয়ে আমাদের বর্তমান সেবা আকাশ ডিটিএইচের মান উন্নত। তাই রিয়েলভিউ ডিটিএইচ-এর সংযোগ মূল্য এবং প্যাকেজের চেয়ে আকাশ ডিটিএইচের দাম কিছুটা বাড়বে। তবে গ্রাহকরা আগের চেয়ে ভালো মানের সেবা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
২০১৬ সালে ঢাকা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে রিয়েলভিউ চালু করা হয়। কিন্তু নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পরে সেটি আপাতত স্থগিত করা হয়। বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশে বৈধ কোনও ডিটিএইচ সেবা নেই।
প্রাথমিকভাবে আকাশ ডিটিএইচ সেবার জন্য ৩৯৯ টাকা চার্জ ধরা হয়েছে।
Source: RTV
15/05/2019
ON
6499/- TK. (১ মাস ফ্রি কম্বো প্যাক সাবস্ক্রিপশন) ফ্রি ইন্সটলেশন।
HD Set Top Box
Remote
Power Adopter
HDMI Cable
Dish Antenna
LNB
Coaxial Cable
Contact Us :
Mobile : +8801710326481
E-mail :[email protected]
SCTN Digital TV – Digital Television Service Provider Akash DTH Booking Published by %s May 10, 2019 HD Set Top Box Remote Dish Antenna LNB Coaxial Cable Free Installation Full : 6499/- […] Read more...
Akash DTH এর উপর ভরসা রাখুন!
আকাশ ডিটিএইচ, পূর্বের নাম Real VU, বেক্সিমকো কমিউনিকেশন ২০১৩ সালে ডিটিএইচ সেবার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়।
রাশিয়ার AG প্রতিষ্ঠানের কারিগরী সহযোগীতায় ২০১৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম ডিটিএইচ হিসেবে রিয়েল ভিউ বানিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।
মাত্র ৪-৫ টি ট্রান্সপোন্ডার ব্যবহার করে ABS 2 at 75.0E কিউ ব্যান্ড স্যাটেলাইটে ১৩টি এইচডি চ্যানেল সহ দেশি বিদেশি মোট ১১৪ টি টিভি চ্যানেল নিয়ে রিয়েল ভিউ তাদের সম্প্রচার শুরু করে।
ট্রেড পার্টনারদের নিরলস প্রচেষ্টায় মাত্র ৬ মাসের মধ্যে রিয়েল ভিউ সারা দেশে প্রায় ৩০ হাজার সেট টপ বক্স বিক্রি করে।
রিয়েল ভিউর এই জনপ্রিয়তার পিছনে ছিল তাদের কম মূল্যের পন্য যেমনঃ সবকিছু মিলিয়ে মাত্র ৬৫০০-৭০০০/- টাকা খরচে সেট টপ বক্স, এন্টেনা ইত্যাদি, এবং আকর্ষনীয় প্যাকেজ মাত্র ৩০০/- টাকা, যেখানে সব চ্যানেল দেখার সুবিধা রিয়েল ভিউকে দ্রুত গ্রাহক পেতে সহযোগিতা করেছিল।
ইন্ডিয়ান ডিটিএইচগুলো বাংলাদেশে কম মূল্যে পাওয়া গেলেও মাসিক প্যাকেজ খরচ অনেকের শখ ছাড়িয়ে গলায় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।
ভারতীয় ডিটিএইচ এর ৪০০/- টাকা থেকে ১২০০/- টাকার প্যাকেজ অনেকেই অতিরিক্ত খরচ হিসেবে মনে করেছেন এবং রিয়েল ভিউকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
রিয়েল ভিউর আরেকটি বিশেষত্ব ছিল বাংলাদেশী চ্যানেল দেখতে পারা, কারন ইন্ডিয়ান ডিটিএইচ টাটা স্কাই, ডিশ টিভি, সান ডিরেক্ট ইত্যাদিতে কোন বাংলাদেশী টিভি চ্যানেল দেখার সুযোগ ছিল না।
আধুনিক যুগে এলইডি অথবা এলসিডি স্মার্ট টিভিতে এনালগ কেবল ডিশ লাইন পুরোপুরি বেমানান, কারন কেবল টিভির ছবি ও শব্দের মান নিম্ম মানের, অন্যদিকে তার কাটা, ডিশের লাইন না থাকা নিত্যদিনের ভোগান্তি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ রিয়েল ভিউ।
কিন্তু রিয়েল ভিউর সব কিছুকে মলিন করে দেয় AG প্রতিষ্ঠানের নিম্মমানের সেট টপ বক্স, সারা দেশ থেকে প্রচুর রিপোর্ট হয় এই সেট টপ বক্স নিয়ে।
যার ফলশ্রুতিতে বেক্সিমকো বাধ্য হয় তাদের সাথে চুক্তি বাতিল করতে।
দ্বিতীয় সমস্যা ছিল Poor স্যাটেলাইট সিগন্যাল।
এবিএস ২ তে উয়িক ট্রান্সপোন্ডারগুলো রিয়েল ভিউ ব্যবহার করছিল, যার ফলে দিন রাতের তারতম্যের কারনে, সামান্য বৈরী আবহাওয়ায় সিগন্যাল সমসা করতো।
আমাদের দেশীয় স্যাটেলাইট ২০১৭-১৮ সালে মহাকাশে উড্ডয়ন করা হলে বেক্সিমকো কমিউনিকেশন তাদের রিয়েল ভিউ ডিটিএইচ সম্প্রচার করতে বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট থেকে ৬টির অধিক কিউ ব্যান্ড ট্রান্সপোন্ডার ভাড়া নেয়।
নানাবিধ সমস্যার কথা চিন্তা করে, অন্যদিকে দেশীয় স্যাটেলাইটে রিয়েল ভিউকে স্থানান্তরিত করতে এবং কারিগরি মান উন্নয়নের জন্য বেক্সিমকো এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, রিয়েল ভিউ তাদের বানিজ্যিক কার্যক্রম সাময়িক সময়ের জন্য এবিএস ২ স্যাটেলাইটে স্থগিত করে দিবে।
যার ফলে, স্টার ইন্ডিয়া গ্রুপের সাথে রিয়েল ভিউ তাদের চুক্তি বাতিল করে, ফলশ্রুতিতে রিয়েল ভিউ গ্রাহকরা স্টারের চ্যানেল দেখা থেকে বঞ্চিত হন।
পর্যায়ক্রমে অন্যান্য চ্যানেল প্রতিষ্ঠানের সাথেও রিয়েল ভিউ তাদের চুক্তি বাতিল করে, ফলে অন্যান্য চ্যানেলগুলো রিয়েল ভিউ থেকে রিমুভ হতে থাকে।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে রিফান্ড সুবিধা দিয়ে গ্রাহক থেকে মূ্ল্যে পরিশোধের মাধ্যমে রিয়েল ভিউ তাদের সেট টপ বক্স ফেরৎ নেয় অতঃপর বানিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে, এবং ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের ১৯ তারিখ পুনরায় বানিজ্যিক সম্প্রচারের লক্ষ্য নির্ধারন করে।
তারই ধারাবাহিকতায় প্রায় ছয় মাসের পরিক্ষা নিরিক্ষা শেষে, ২০১৯ সালের মে মাসের ১৯ তারিখ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ এ রিয়েল ভিউ তাদের বানিজ্যিক সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করার দিন তারিখ নির্ধারণ করেছে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নাম পরিবর্তন করে আকাশ ডিটিএইচ নামে আত্মপ্রকাশ করবে।
উন্নত প্রযুক্তির এইচডি সেট টপ বক্সের মাধ্যমে আকাশ ডিটিএইচে বর্তমানে প্রায় ২০টির মতো এইচডি চ্যানেল সহ দেশ বিদেশের মোটঃ ১১৬টি টিভি চ্যানেল দেখা যাবে। যা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পাবে।
এই সেবা পেতে প্রতিটি গ্রাহককে এককালীন প্রায় ৬৫০০/- টাকা খরচ করতে হবে।
যেখানে গ্রাহক পাবেন,
একটি উন্নতমানের এইচডি সেট টপ বক্স (রিসিভার)
তার সাথে, রিমোট, পাওয়ার এডপ্টার।
ডিশ এন্টেনা।
এলএনবি।
কোয়াক্সেল কেবল।
এবং ফ্রি ইন্সটলেশন সহ একমাসের ফ্রি সাবস্ক্রিপশন সুবিধা।
এবং দুইটি মাসিক প্যাকেজ থাকতে পারে ধারনা করা হচ্ছে, যার মূল্য হবে, ৩০০ ও ৪০০/- টাকা।
যারা প্যাকেজ মূল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন এবং ভারতের সাথে তুলনা করছেন তাদের প্রশ্ন করি।
আপনি কি ইন্ডিয়ান ডিটিএইচ ব্যবহার করেন?
সব কয়টা SD চ্যানেল ও আঞ্চলিক ভাষার একটা প্যাকেজ কিনতে বর্তমানে কতো রুপি খরচ হয় আপনি কি জানেন?
আর এইচডি চ্যানেল সহ সেই প্যাকেজের মূল্য টাকার হিসাব বাদ দিলাম, কতো রুপি হয় জানেন?
আমি বলে দিচ্ছি, প্রায় ৫২০ রুপি এবং এইচডির জন্য প্রায় ৮০০ রুপি।
বাংলা টাকায় ৭০০ এবং ১১০০ টাকা।
স্টার, সনি, জি নেটওয়ার্ক এর পে চ্যানেল ভারতে যেখানে মাসিক প্যাকেজ আকাশ চূড়ায় সেখানে বাংলাদেশে যদি ৩০০-৪০০/- টাকায় পাওয়া যায় তাতে মনে করা যায় স্বল্প খরচেই পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশের ডিজিটাল কেবল টিভি নেটওয়ার্ক বেঙ্গল ডিজিটাল তাদের মাসিক প্যাকেজ মূল্য ৫০০-৬০০/- টাকা, ডিজি জাদু, ডিজি২১, ইউসিএস সমমূলের প্যাকেজ ৫০০-৬০০/- টাকা মূল্য নিচ্ছে।
আপনারা আকাশ ডিটিএইচ এর উপর ভরসা রাখতে পারেন।
কারন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে স্ট্রং সিগন্যালের ফলে ছবির মান স্বচ্ছ হবে, সামান্য বৈরী আবহাওয়ায় সিগন্যাল চলে যাওয়ার সমস্যা থাকবে না।
সেট টপ বক্সটি আগের সেট টপ বক্স থেকে অধিকতর উন্নত হবে।
অতিরিক্ত গরম হয়ে যাবে না।
বর্তমান প্যাকেজ মূল্য সংবেদনশীল।
বিঃদ্রঃ যারা বলছেন প্যাকেজ মূল্য ১৫০-২০০/- টাকা হলে কিনবো এইটা সেইটা তাদেরকে বলবো যদি এই মূল্যের প্যাকেজও আকাশ দেয় তবু আপনার কাছে বেশি মনে হবে, বলবেন আরেকটু কম হলে ভালো হয়।
ভারতীয় ডিটিএইচ এ শুধু বাংলা প্যাকেজ ব্যবহার করতে বাংলাদেশী টাকায় ২৮০ টাকা লাগে।
সেখানে আকাশে সব চ্যানেল মাত্র ৪০০/- টাকা।
কি ভাবছেন? সুতরাং...
চিন্তা না করে আকাশ কিনুন, আকাশ লাগান, ঝিরঝির করা বিনোদনকে গুড বাই জানান।
লিখেছেনঃ
মাহমুদুল হাসান (রনি)
ডিলার, আকাশ ডিটিএইচ
বেক্সিমকো কমিউনিকেশন লিমিটেড।
AkashDTHRetailer
সংগৃহীত
নির্বোধরাই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের লাভ ক্ষতি খুজবে!
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হউক আর নাই হউক যদি সঠিক ভাবে এই স্যাটেলাইটটিকে মনিটরিং করা যায় বা ব্যবহার করা যায় তবে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা রক্ষা করা সম্ভব, সম্ভব প্রযুক্তিতে গতি আনার।
প্রশ্ন আসার কথা ছিলঃ কেন দুইটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে এর ঠিকাদারীর দায়িত্ব্য দেওয়া হল?
তা না করে অযৌক্তিক কথাবার্তা বলা হচ্ছে।
এই স্যাটেলাইট সহায়ক হবে দেশের দূর্গম অঞ্চলে নজরদাড়ি বাড়াতে, প্রতিবেশী দেশের শত্রুর উপর নজরদারী রাখতে। পূর্বাবাস দিবে প্রাকৃতিক দূর্যোগের, পরিবর্তন আনবে টিভি সেবায়, কেবল যুগের অবসান ঘটবে, ইন্টারসেবা হবে আরো অধিক গতি সম্পন্ন, কমে আসবে পরিষেবা মূল্য।
সবচেয়ে বড় লাভ হচ্ছে স্বনির্ভরতা, বিদেশী রাষ্ট্রের স্যাটেলাইটে আমাদের টেলিভিশন গুলো এতোদিন সম্প্রচার হতো, যার ফলে স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষের সাথে টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের এতোদিন দড়কষাকষির কোন সুযোগ ছিল না। এখন আর সেটা হবে না।
আগে আমাদের চ্যানেলগুলো নির্ভর ছিল চীন এবং ভারতীয় স্যাটেলাইটের উপর।
এখন আর সেটা হবে না।
দুঃখ লাগে এই ভেবে যে, ভারতীয় মহাকাশ গভেষনা কেন্দ্র ISRO যখন স্যাটেলাইট পাঠায় তখন সেটা গোটা ভারতীয় উদযাপন করে, আর আমাদের দেশে সাফল্যে আওয়ামী লীগ তাদের নিজেদের অর্জন মনে করে, বিএনপি তার ত্রুটি খোজে তাকে বর্জন করাটাই শ্রেয় মনে করে, দলের প্রতি আমাদের যতোটা প্রেম, তার অর্ধেক যদি দেশের প্রতি হতো তবে আমাদের পরিচয় বিএনপি আওয়ামী লীগ হতো না। বাংলাদেশী হতো।
কেউ কেউ স্যাটেলাইটের অরবিটাল পজিশনের কারনে সিগন্যাল রিসিভ করা নিয়ে খুবই চিন্তিত।
তাদের কাছে প্রশ্নঃ লঙ্কান ডিটুএইচ ডায়ালগ যে ধরান তার স্যাটেলাইট সিগন্যাল Intelsat at 45.0E যদি বাংলাদেশ থেকে রিসিভ করতে পারেন তবে আমাদের বাংলাদেশের স্যাটেলাইট সিগন্যাল রিসিভ করা নিয়ে এতো দুঃচিন্তা করছেন কেন?
Telstar 18 at 138.0E স্যাটেলাইটে DDISH ডিটুএইচ সিগন্যালতো ঠিকই রিসিভ করতে পারেন।
এদের থেকে অধিক সহজতর হবে আমাদের বাংলাদেশের স্যাটেলাইট সিগন্যাল ধরানো।
শুধুমাত্র এন্টেনার সামনে খোলা স্থান হলেই হবে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ঃ এ যদি কিউ ব্যান্ডে (KuBand) কোন দেশি চ্যানেল ফ্রি নাও থাকে তবুও বাংলাদেশের মানুষ এই স্যাটেলাইট খাবে, আমি বলে দিলাম, লিখে রাখেন। তার কারন হচ্ছে বাংলাদেশের দুইটা ডিটুএইচ থাকবে এই স্যাটেলাইটে, টিভি দেখার অনেক সমীকরন বদলে দিবে Real VU এবং Star Bengal (ComingSoon), ভারতের স্যাটেলাইট GSAT 15 DD FREE DISH নামে খ্যাত, কারন এইখানে বেশ কিছু ফ্রি চ্যানেল রয়েছে, কিন্তু কয়জন গ্রাহক আর ডিডি ফ্রি ডিশ দেখে ভারতে?
সবাই পে ডিটুএইচ ব্যবহার করে, কারন তারা জানে ফ্রিতে চাহিদা অনুযায়ী কোন চ্যানেল মিলে না, আর পে ডিটুএইচে চাহিদার চ্যানেলের পাশাপাশি ঐসব ফ্রি চ্যানেলও পাওয়া যায়।
বাংলাদেশী চ্যানেল নিয়ে অতি উল্লাসের কিছু নেই, কারন ডিটুএইচে নিম্ম দামের প্যাকেজেও এই বাংলাদেশী চ্যানেল গুলো থাকবে।
এখন আর মানুষ ফ্রি চিন্তা করে না, মানুষ ভালো সার্ভিস চায়। সার্ভিস ভালো পেলে মানুষ মাসে হাজার টাকা খরচ করতে তোয়াক্কা করে না, আর তা যদি হয় বাংলাদেশী চ্যানেল সহ তাইলেতো আর কথাই নাই।
রিউমার ছড়িয়ে লাভ নেই, কারন ঝিরঝিরে লাইন দিয়ে মানুষকে জিম্মী করে মাসে মাসে চাদাঁবাজির দিন শেষ হতে চলেছে, হ্যাঁ কেবল অপারেটররাও থাকবে। কিন্তু কারা থাকবে?
যারা কন্ট্রোল ডিজিটাল করবে এবং গ্রাহক বান্ধব সেবা দিবে।
তারাই ঠিকে থাকবে, এনালগ যে উঠে যাবে তা নয়, এনালগ চলবে, কিন্তু এমনও এলাকা আছে যেখানে এনালগ সার্ভিসকেই ডিজিটাল মনে হয়। কারন তারা এমন সার্ভিস দেয় যে তাদের লাইন মানুষ ছাড়বে না।
কারন এখনো কিছু মানুষ আছেন যারা একটু সস্তা খুজেন।
তারা অবশ্যই চাইবেন একটু কম টাকায় দেখার।
আগামী এপ্রিলের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহেই মহাকাশে যাত্রা করবে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’। ফ্লোরিডার ক্যাপ ক্যানাভেরালে অবস্থিত স্পেস এক্স-এর লন্ড প্যাড থেকে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে। ঢাকায় নব নির্মিত উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে এই উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফ্লোরিডায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ এসব তথ্য জানিয়েছেন।
শাহজাহান মাহমুদ জানান, প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই স্যাটেলাইট প্রকল্পের উদ্বোধনকে জাতীয়ভাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার আর প্রসারে সরকার মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস নামের প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে এই স্যাটেলাইট নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে। বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তরও করা হয়েছে। এখন সেটি রাখা আছে ফ্রান্সে। কয়েক দিনের মধ্য সেটি বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নেওয়া হবে।
এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য রকেট নির্মাণ করেছে বিশ্ববিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারক টেলসলার প্রধান নির্বাহী অ্যালেন মস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিস কর্প। ফ্যালকন-৯ নামক একটি রকেট দিয়ে এটির উৎক্ষেপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
এপ্রিলের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে এটির উৎক্ষেপণ করা হবে। বিটিআরসির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, দিন তারিখ ঠিক হওয়ার মাত্র ১৫ দিন আগে আমাদের জানানো হবে।
এই স্যাটেলাইটটি ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে উৎক্ষেপণের দিন ধার্য ছিল। তবে, স্পেস এক্স-এর রকেট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে আগুন ধরে প্যাড ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিলম্ব হলো বলে জানানো হয় ব্রিফিংয়ে।
স্যাটেলাইটটি সঠিকভাবে মহাকাশে পাঠানো গেলে ৮ দিন পর এটি মহাকাশে বরাদ্দ পাওয়া ১১৯.১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছাবে। সেখান থেকে নজরদারি চালাতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে, বাংলাদেশের প্রায় ৩৭টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল যারা এখন বিদেশের স্যাটেলাইট নির্ভর ফ্রিকোয়েন্সিতে প্রচারণা চালাচ্ছে, তাদের কাছে ফ্রিকোয়েন্সি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১২৫ কোটি ডলার আয় করা যাবে। তবে, এই টিভি চ্যানেলগুলি এখনকার প্রচলিত ক্যাবল ভিত্তিক প্রচারণার পরিবর্তে ছোট ছোট ডিস অ্যানটেনার ডাইরেক্ট টিভি সিগনাল পাবে। সেই সিগনাল ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দের দায়িত্ব থাকবে দুটি প্রতিষ্ঠান। বেক্সিমকো গ্রুপ এবং বায়ার মিডিয়া এই পুরো টিভি চ্যানেল ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ এবং সিগন্যাল বিকিকিনির পুরো ব্যবসায়িক দিকটি উপভোগ করবে। এদের ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানি এখানে ডিটিএস প্রযুক্তির ব্যবসায় নামতে পারবে না বলে জানানো হয়েছে।
কোন পন্থায় মাত্র দুটি কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান বিটিআরসির চেয়ারম্যান। তিনি জানান, ‘এটি তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এটা স্পর্শকাতর একটি বিষয়, আমার কাছে সঠিক উত্তর নেই’।
বাংলাদেশের গাজীপুরে প্রায় ১৩ একর জায়গার ৫ একর জুড়ে এই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে বিদেশি স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ার কাজ করছে। প্রায় ১৫ জনের দলে একমাত্র বাংলাদেশি ছিলেন তাসনিয় তাহমিদ নামের একজন।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে, যার ২০টি বাংলাদেশ ব্যবহার করবে। বাকি ২০টি বিদেশি বা প্রতিবেশী দেশের কাছে ভাড়া দিতে পারবে। উৎক্ষেপণের পর পরবর্তী ১ বছর পর্যন্ত এর তদারকি করবে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান। এটি আগামী ১৮ বছর পর্যন্ত মহাকাশে থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি এবং কাজ করতে পারবে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দীন আহমেদ, জাতিসংঘে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহমেদ এনডিসি, বিটিআরসি রেগুলেটরি কমিশনের সচিব মোহাম্মদ সারোয়ার আলম আর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্পের কনস্যালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান, স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনালের (এসপিআই) ম্যানেজিং পার্টনার শফিক এ চৌধুরী প্রমুখ ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sunamganj
3000